ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তানের ‘বন্ধু’ তুরস্ককে কেন কাছে টানছে ভারত


পাকিস্তানের ‘বন্ধু’ তুরস্ককে কেন কাছে টানছে ভারত

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার পরও ভারত তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্কের দরজা বন্ধ করতে চায় না। বরং, নয়াদিল্লি মাদক পাচার দমন, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে আগ্রহী। এর পেছনে রয়েছে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থ। ভারত তুরস্কের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রেখে ইসলামী বিশ্বে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে এবং ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার বাজারে প্রবেশের সুযোগ কাজে লাগাতে চায়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সঙ্গে আঙ্কারার ঘনিষ্ঠতা ভারতের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

ভারত ও তুরস্কের সম্পর্কের এই টানাপোড়েন নতুন কিছু নয়। কাশ্মীর ইস্যুতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান বারবার পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন। সর্বশেষ, গত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। এর জবাবে ভারত জানিয়ে দেয়, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এ বিষয়ে বাইরের কোনো পক্ষের ভূমিকা নেই।

তবে রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার কিছু ক্ষেত্র বিদ্যমান। সম্প্রতি, তুরস্ক থেকে মাদক পাচারকারী নাভপ্রীত সিংকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ ঘটনাকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে—রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকলেও অপরাধ দমন ও নিরাপত্তার মতো বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে পারে তারা।

আরও পড়ুন: বেনজির-নওয়াজের মতো ইমরান খানকে দেশ ছাড়ায় বাধ্য করার অভিযোগ

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, কাশ্মীর ইস্যু ও পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের ঘনিষ্ঠতা দুই দেশের মধ্যে চাপ সৃষ্টি করলেও অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের কারণে সহযোগিতার সুযোগ ধরে রাখতে চায় উভয় পক্ষ।

কাশ্মীর নিয়ে বিরোধ

ভারত ও তুরস্কের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় বাধা কাশ্মীর ইস্যু। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মঞ্চে এরদোয়ান এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে আসছেন। পাকিস্তান কাশ্মীর বিরোধের সমাধানে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ চায়। তুরস্কও বিভিন্ন সময়ে এ অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

অন্যদিকে, ভারত বলছে, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ ও দ্বিপক্ষীয় বিষয়।

আরও পড়ুন: সারের অতিরিক্ত দাম নিয়ে প্রতিবাদ করায় বিহারের সাংবাদিক মোঈদ আলম গ্রেপ্তার

২০১৯ সালে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে এরদোয়ান সরব হন। ২০২০ ও ২০২১ সালেও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।

গত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে এরদোয়ান বলেন, কাশ্মীরসহ দক্ষিণ এশিয়ার সব বিরোধ জাতিসংঘ সনদ ও সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবের কাঠামোর মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।

এর জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ বিষয়ে বাইরের কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ

আরও পড়ুন: আজারবাইজানে হিজাব নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে রাস্তায় স্কুল শিক্ষার্থীরা

গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেয় তুরস্ক। মক্কা চুক্তি নামে পরিচিত এ সমঝোতা ভারতের উদ্বেগ বৃদ্ধি করেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এর ফলে তুরস্কের উন্নত ড্রোন ও সামরিক প্রযুক্তি পাকিস্তানের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকারীরা আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের মধ্যে সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত ও সামরিক-শিল্প সহযোগিতা পর্যালোচনা করছেন। বিশেষ করে উন্নত ড্রোন এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থার বিষয়ে নজর রাখছে নয়াদিল্লি।

এ চুক্তির ফলে ভবিষ্যতে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের সামরিক অভিযান নিয়েও তুরস্ক বা সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। অপারেশন সিঁদুরের মতো অভিযানের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারত জানিয়েছে, তিন দেশের এই সমঝোতার ওপর নজর রাখছে তারা। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত নয়াদিল্লি। এদিকে, পশ্চিম এশিয়ায় নতুন কৌশলগত সমীকরণের মধ্যে ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইলের সহযোগিতা একটি পাল্টা ভারসাম্য তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন: সফল অস্ত্রোপচারের পর ভ্যাটিকানে ফিরলেন পোপ লিও

অপরাধ দমনে সহযোগিতা

রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যেও ভারত ও তুরস্কের সম্পর্কের একটি কার্যকর ক্ষেত্র হলো অপরাধ দমন। সম্প্রতি, পলাতক মাদক পাচারকারীদের ভারতে ফেরাতে সহযোগিতা করেছে তুরস্ক। তাদের মধ্যে সেলিম ডোলার মতো আলোচিত অপরাধীও রয়েছেন।

ভারতীয় সংস্থাগুলোর অভিযোগ, এসব ব্যক্তি আন্তর্জাতিক মাদক পাচারচক্র পরিচালনা করতেন। আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হেরোইন ও কৃত্রিম মাদক ভারতে পাচারের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা ছিল। ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোসহ বিভিন্ন সংস্থা তাদের খুঁজছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০০১ সালে ভারত ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তি গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আইনি সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পলাতক ব্যক্তিদের জাল নথি ও ভুয়া বিদেশি নাগরিকত্বের পরিচয় শনাক্ত করতে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে ইন্টারপোলের রেড নোটিশও ব্যবহার করা হয়। এর ভিত্তিতে তুরস্কের কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য করা বিনিয়োগসংক্রান্ত আবেদন আটকে দেয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আটক করে।

আরও পড়ুন: কলকাতায় পূজামণ্ডপে পদদলিত হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু

তুরস্কের জন্যও মাদক পাচার দমন গুরুত্বপূর্ণ। এশিয়া ও ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে দেশটি আন্তর্জাতিক মাদক পাচারের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অপরাধ দমন তুরস্কের নিজস্ব নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে জড়িত।

চার বছর পর আবার আলোচনা

সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেও চলতি বছরের এপ্রিলে চার বছর বন্ধ থাকার পর দুই দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের আলোচনা আবার শুরু হয়। তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বেরিস একিনচি ভারতে গিয়ে বৈঠকে অংশ নেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিমবিষয়ক সচিব সিবি জর্জের সঙ্গে যৌথভাবে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, জ্বালানি ও শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলাসহ নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় আসে।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান: দারিদ্র্য দূরীকরণে সাশ্রয়ী আবাসন ও আর্থিক কাঠামোর সংস্কার

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুক্তেশ পারদেশি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে বলেন, ‘আমরা মনে করি, কথা না বলে মতবিরোধ ও ভুল-বোঝাবুঝি আরো বাড়ানোর চেয়ে সংলাপ চালিয়ে যাওয়া ভালো। আর আলোচনাগুলো সন্তোষজনক হয়েছে।’

ভারতে তুরস্কের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার পর আঙ্কারা এশিয়ায় নিজেদের বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থকে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের প্রভাব থেকে আলাদা রাখার উদ্যোগ নেয়। একই সঙ্গে ভারতকে আশ্বস্ত করে তুরস্ক জানায়, দুই দেশের মধ্যে মৌলিক কোনো দ্বিপক্ষীয় বিরোধ নেই।

ভারতের কাছে তুরস্ক কেন গুরুত্বপূর্ণ

তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখলে ভারতের সামনে কয়েকটি কৌশলগত সুযোগ তৈরি হয়। প্রথমত, এর মাধ্যমে ইসলামী বিশ্বে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ পায় নয়াদিল্লি। দ্বিতীয়ত, ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করতে পারে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তায় সহযোগিতাও দুই দেশের জন্য লাভজনক হতে পারে।

অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তুরস্কের জন্যও অর্থনৈতিক, ভূরাজনৈতিক ও অবকাঠামোগত সুবিধা এনে দিতে পারে।

ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও আঙ্কারার সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার পথে হাঁটছে না নয়াদিল্লি। কাশ্মীর ও প্রতিরক্ষা নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্কের কার্যকর ক্ষেত্রগুলো ধরে রাখতে চাইছে ভারত।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক কাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১১ এম


জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক কাল

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের তারিখ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে আগামীকাল রবিবার (১১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা।

এ তথ্যটি শনিবার (১০ অক্টোবর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা। সভার সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

এদিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে যে, যদি বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য।

চাঁদ দেখার তথ্য জানাতে ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও চাঁদ দেখার তথ্য জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিলিতে ভয়াবহ বন্যায় রাস্তায় ভেসে গেল গাড়ি, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১১ এম


চিলিতে ভয়াবহ বন্যায় রাস্তায় ভেসে গেল গাড়ি, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো এবং এর আশপাশের অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টির ফলে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। কাদামাটির ঢলে রাস্তায় গাড়ি ভেসে গেছে এবং ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। বহু বাসিন্দা প্রাণ রক্ষার্থে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রাজধানীর পূর্বাঞ্চলীয় উপশহর লাস কন্দেসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্ত।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভারী বৃষ্টির ফলে সান্তিয়াগোর বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও সড়ক পানির স্রোতে পরিণত হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জরুরি সেবায় নিয়োজিত সরকারি সংস্থাগুলোকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

লাস কন্দেসের মেয়র কাতালিনা সান মার্টিন জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওই এলাকায় ১৪ দশমিক ৪ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অক্টোবরে সাধারণত যত বৃষ্টি হয়, এবারের বৃষ্টির পরিমাণ তার প্রায় নয় গুণ বেশি। ফলে পুরো এলাকা পানিতে সয়লাব হয়ে পড়েছে।

সান্তিয়াগোর মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া মাপোচো নদীর পানি উপচে পড়ার কারণে বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিলির দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা ভূমিধসের আশঙ্কায় আরও ১০টি জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। পাশাপাশি শুক্রবার (১০ অক্টোবর) স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, সপ্তাহের শুরুতে হওয়া বৃষ্টিতে মধ্য চিলির কয়েক ডজন বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সান্তিয়াগোর প্রায় ১২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন। তবে শুক্রবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে একটি বছর বয়সী শিশুও রয়েছে, যার হাড় ভেঙে গেছে। দমকলকর্মীরা এক হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করেছেন অথবা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছেন।

এদিকে, প্রশান্ত মহাসাগরের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক আবহাওয়াগত প্রভাব এল নিনো আরও শক্তিশালী হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকালে সাধারণত বৃষ্টিপাত বেড়ে যায়।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জানিয়েছে, চলতি বছরের এল নিনো ডিসেম্বর মাসে সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছাতে পারে। ১৯৫০ সালের পর এটি সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: এনবিসি নিউজ , এপি, সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লাইদুবাই পাইলটের আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ: ইউএই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১২ এম


ফ্লাইদুবাই পাইলটের আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ: ইউএই

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফ্লাইদুবাইয়ের এক সহকারী পাইলটের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে ইসরায়েলের তেল আবিব বিমানবন্দরের টার্মিনালে আছড়ে ফেলার আত্মঘাতী পরিকল্পনা করেছিলেন। এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল যত বেশি সম্ভব মানুষের প্রাণহানি ঘটানো। এ তথ্য জানায় দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর।

শুক্রবার ইউএইর রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়ামকে (ডব্লিউএএম) এই তথ্য জানান অ্যাটর্নি জেনারেল কাউন্সেলর ড. হামাদ সাইফ আল শামসি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন ২৯ বছর বয়সী ওমানের নাগরিক। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই নিউজের তথ্য অনুযায়ী, তদন্তকারীদের দাবি, ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের এফ২১০৭৩ ফ্লাইটে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন তিনি।

ওয়ামের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তে ওই ব্যক্তির উগ্রপন্থী চিন্তাভাবনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সময় তার মধ্যে এ ধরনের চিন্তার লক্ষণ দেখা যায়। সে সময় তিনি কিছু লেখা ও অনলাইন কনটেন্ট পড়তেন, যেখানে সন্ত্রাসী সংগঠন ও আত্মঘাতী হামলার প্রশংসা করা হতো।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, পরবর্তীতে ওই ব্যক্তি সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের পক্ষে বিভিন্ন ধারণায় প্রভাবিত হন। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে চালানো হামলাও তাকে প্রভাবিত করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, একই ধরনের হামলা চালাতে বিমান ব্যবহারের চিন্তা তার মাথায় আসে। এই উদ্দেশ্যেই তিনি পাইলট হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

আল শামসি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ওমান এয়ারে কাজ করেন। এরপর ২০২৫ সালের শুরুর দিকে যোগ দেন রয়্যাল এয়ার মারকে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেন।

তদন্তকারীদের দাবি, হামলার আগে তিনি দুবার তেল আবিবগামী ফ্লাইটে যাতায়াত করেন। ওই রুট ও বিমানবন্দর সম্পর্কে ধারণা নিতেই তিনি এমনটি করেছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ৩০ সেপ্টেম্বর তৃতীয়বারের মতো ওই রুটে যাওয়ার সময় তিনি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

ওয়ামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে পড়াশোনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নিয়মিত রয়্যাল মেলবোর্ন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আরএমআইটি) সঙ্গে যুক্ত একটি মসজিদে যেতেন। সেখানে ‘মাই সেন্টার’ নামে পরিচিত একটি কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

তার দাবি, ‘আবু হামজা’ নামে পরিচিত লেবাননের এক ব্যক্তি কেন্দ্রটি পরিচালনা করতেন। কেন্দ্রটি মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে যুক্ত একটি সংগঠনের সহায়তা পেত বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এসব তথ্যও তদন্ত করে দেখছেন কর্মকর্তারা। তদন্তে আরো উঠে এসেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি হামলার জন্য মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তিনি সন্ত্রাসবাদের পক্ষে প্রচার চালানো বিভিন্ন লেখা ও অনলাইন কনটেন্ট পড়তেন। পাশাপাশি একজন ব্যক্তিগত প্রশিক্ষকের কাছে মুষ্টিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিতেন।

ফ্লাইদুবাইয়ে তার নিয়োগ প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা। ওয়ামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি পেশাগত যোগ্যতা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত শর্ত পূরণ করেছিলেন। তার পাইলটের লাইসেন্স ছিল। তিনি ভালো আচরণের সনদ জমা দিয়েছিলেন এবং প্রয়োজনীয় যাচাইও সম্পন্ন করেছিলেন। তবে এসব যাচাইয়ে তার উগ্রপন্থী চিন্তা বা হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, ঘটনার দিন বিমানের ককপিটের ভেতরে ক্যাপ্টেনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান অভিযুক্ত সহকারী পাইলট। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের কুঠার দিয়ে তিনি ক্যাপ্টেনকে আঘাত করেন। এ সময় ক্যাপ্টেন বাধা দেন এবং সাহায্য চাওয়ার চেষ্টা করেন।

বিমানে ফিরতি ফ্লাইটের দায়িত্বে থাকা আরেকজন পাইলটও ছিলেন। ককপিটের দরজা অস্বাভাবিকভাবে বারবার খোলা ও বন্ধ হতে দেখে তিনি সেখানে যান। প্রবেশের সংকেত ব্যবহার করে ককপিটে ঢুকে তিনি হামলার ঘটনা দেখতে পান। পরে ওই পাইলট, একজন কেবিনকর্মী ও কয়েকজন যাত্রী মিলে হামলা থামানোর চেষ্টা করেন। তারা আহত ক্যাপ্টেনকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেন।

এরপর ফিরতি ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন ও তার সহকারী পাইলট বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পান। তারা বিমানের গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, আইনজীবীর উপস্থিতিতে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিস্তারিত স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এতে তিনি নিজের উদ্দেশ্য এবং হামলার পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপ তুলে ধরেছেন। তিনি একাই এ কাজ করেছেন বলেও দাবি করেছেন।

তবে তার এই দাবি যাচাই করে দেখছেন তদন্তকারীরা। পরিকল্পনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিলেন কি না, কিংবা অন্য কারও সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় বিমানের ক্যাপ্টেন, ফিরতি ফ্লাইটের পাইলট, তার সহকারী পাইলট এবং অন্য কর্মীদের বক্তব্য নিয়েছে সরকারি প্রসিকিউটারের দপ্তর।

ফরেনসিক চিকিৎসা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানের ক্যাপ্টেনের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আঘাতের ধরন জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত কুঠারের মতো কোনো বস্তু দিয়ে আঘাতের সঙ্গে মিলে যায়। আঘাতের সময়ও ঘটনার সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওয়ামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি প্রসিকিউটারের দপ্তর এখনো বিভিন্ন প্রমাণ পরীক্ষা করছে। এর মধ্যে ঘটনার রেকর্ডিং ও কারিগরি প্রতিবেদন রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী, উপযুক্ত সময়ে আরো তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নিরাপদ রাজশাহী গড়তে কাজ চলছে: ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নিরাপদ রাজশাহী গড়তে কাজ চলছে: ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহীকে দেশের সবচেয়ে সুন্দর, বসবাসযোগ্য এবং নিরাপদ মহানগরী হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহী মহানগরীর সিটি হাট চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাসিকের তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের পাঁচটি পুনঃস্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

রাজশাহীর উন্নয়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও চলমান কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে ভূমিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নগরবাসী ব্যাপক উন্নয়নের চিত্র প্রত্যক্ষ করবেন। রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে নগরীর ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করা হবে। পানির লাইন বসানোর ফলে যেসব রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হবে। এছাড়া, বন্ধ থাকা সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ পুনরায় চালু করে দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সোনাদীঘি মসজিদের কাজ ও বাঁধের উন্নয়ন অন্যতম। নগরীকে আরও সবুজ ও দৃষ্টিনন্দন করতে জোরদার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

যোগাযোগব্যবস্থার যুগান্তকারী উন্নয়নের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ জিয়া শিশুপার্ক-সংলগ্ন একটি রাস্তার পুনরুদ্বোধন করা হয়েছে, যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।’ এ ছাড়া জামিরা থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‘রাজশাহী বাইপাস’ নির্মাণের ঘোষণা দেন তিনি। ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন লেনের এই অত্যাধুনিক বাইপাস সড়কে ডিভাইডার, দুই পাশে বৃক্ষরোপণ, ড্রেন এবং ফুটপাত থাকবে। পাশাপাশি বিমানবন্দর থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি বিশ্বমানের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী পদ্মা নদীর পাড় দিয়ে ‘রিভার ড্রাইভ’ এবং বারনই নদীর পাশ দিয়ে নতুন সড়ক নির্মাণ করা হবে।

ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো সবার জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, পরিচ্ছন্ন এবং সবুজ রাজশাহী গড়ে তোলা।’ এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক এবং স্থানীয় নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর আগে ফলক উন্মোচন শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%