বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৮:৪৮ পি.এম
রাজশাহী মহানগরীতে ৬৬ হাজার ৩৯৫জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; রাখাই রাসিক প্রশাসক। আগামী ২৮ জুন সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৬-১১ মাস বয়সী ৯ হাজার ১১৩জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৫৭ হাজার ২৮২জন শিশুসহ সর্বমোট ৬৬ হাজার ৩৯৫জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নগর ভবনের সরিৎ দত্তগুপ্ত সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ২৮ জুন সারাদেশে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, শিশুর সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে ভিটামিন এ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন এ শিশুর দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং অপুষ্টিজনিত নানা ঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেয়। তাই প্রতিটি শিশুর জন্য নির্ধারিত বয়স অনুযায়ী ভিটামিন এ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। রাজশাহী নগরবাসীর প্রতি বিশেষ আহ্বান আপনার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে বিনামূল্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান। একটি ছোট উদ্যোগ আপনার শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আসুন, আমরা সবাই মিলে শিশুদের অপুষ্টিমুক্ত, সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।
এ সময় রাজশাহী মহানগরীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন রাসিক প্রশাসক। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন রাসিকের ব্যবস্থাপনায় ৩০টি ওয়ার্ডে ৩৮৪টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়াও ক্যাম্পেইন চলাকালীন ওয়ার্ড কার্যালয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নে ৩৮৪টি কেন্দ্রে ২ জন করে সর্বমোট ৭৬৮জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম। জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের সার্বিক তথ্য উপস্থাপন করেন রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে রাসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের সহপাঠীরা বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে তারা।
বৃহস্পতিবার সকালে ডাসার উপজেলার কাজীবাকাই ইউনিয়নের বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এবং অভিযোগ তদন্তের আশ্বাস দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন আজাদ হোসেন হাওলাদার। সম্প্রতি কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে, পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা হতো। সেই সুযোগে বিভিন্ন সময় আপত্তিকর আচরণ ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া শ্রেণিকক্ষেও শিক্ষার্থীদের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগের বিষয়ে ভুক্তভোগী কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, “শিক্ষক সমাজের সম্মানিত ব্যক্তি। তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ আমরা আশা করি না। আমাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে। আমরা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং বিদ্যালয় থেকে অপসারণ চাই।”
বিক্ষোভের সময় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়।
বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালাহ্ উদ্দিন আকন বলেন, “কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তের আগে বিস্তারিত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। বিক্ষোভের কারণে অভিযুক্ত শিক্ষক আজ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি।”
তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সহকারী শিক্ষক আজাদ হোসেন হাওলাদার। তিনি বলেন, “পুরো বিষয়টি একটি ষড়যন্ত্র। তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। এ বিষয়ে আমার আর কিছু বলার নেই।”
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। ডাসার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামানকে কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালাহ্ উদ্দিন আকনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা বলেন, “শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলায় পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করার লক্ষ্যে, শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষরোপণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রায় ২৮ হাজার গাছের চারা বিতরণ ও একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের আয়োজনে, আজ বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ উপজেলার ব্রাক সুন্দরা হবি প্রাইমারি স্কুলে গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
এসময় বিদ্যালয়ের ২৪ জন শিক্ষার্থীর হাতে বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা তুলে দেয়া হয়।
ব্র্যাকের মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির অর্থায়নে এবং শিক্ষা কর্মসূচির সহযোগিতায় এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলায় প্রায় ২৭ হাজার ৮০০টি গাছের চারা বিতরণ ও রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলায় ব্র্যাকের শিক্ষা কার্যক্রমে অধ্যয়নরত প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রায় ৪ হাজার ২০০টি চারা বিতরণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. আবিদা সুলতানা। তিনি বলেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই গাছের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হলে ভবিষ্যতে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।"
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির কালীগঞ্জ উপজেলা ম্যানেজার নারায়ণ চন্দ্র, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
ব্র্যাক সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন ব্র্যাক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে মোট ২২ হাজারের বেশি চারা বিতরণ করা হবে। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এসব চারা নিজেদের বাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় রোপণ করা হবে, যা ভবিষ্যতে জেলার সবুজায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় একটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা অন্তত ১১ হাজারে পৌঁছেছে, এমনটি জানা গেছে। উদ্ধার অভিযান চলমান হলেও হাজার হাজার পরিবারের সদস্যদের খোঁজ না মেলায় দেশের মধ্যে উদ্বেগ এবং আতঙ্কের মাত্রা আরও বেড়ে গেছে।
রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের সন্ধানে দিনরাত কাজ করছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে অনেক মানুষের অবস্থান নিশ্চিত করা এখনও সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলার একটি বিরোধী রাজনৈতিক জোট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। ওই প্ল্যাটফর্মে নাগরিকদের নিখোঁজ স্বজনদের তথ্য জানানোর জন্য আহ্বান করা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ১১ হাজার মানুষ নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
তবে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, এই সংখ্যা প্রকৃত পরিস্থিতির পুরো চিত্র তুলে ধরছে না। কারণ ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে এবং অনলাইনে তথ্য দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন এমন ব্যক্তিদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই এ হিসাব তৈরি করা হয়েছে। ফলে প্রত্যন্ত বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকায় নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্ক এবং অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন। অনেকেই ভবন ধসে পড়ার, সড়কে বড় ফাটল সৃষ্টি হওয়া এবং চারদিকে মানুষের আর্তনাদের কথা বর্ণনা করেছেন।
দীর্ঘ ছুটির কারণে ভূমিকম্পের সময় অধিকাংশ মানুষ নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করছিলেন। ফলে ভবন ধস ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতিতে হতাহতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানী কারাকাসসহ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খুঁজে বের করাই বর্তমানে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
গত বুধবার (২৪ জুন) ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুইটি শক্তিশালী ভূমিকম্প দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৬৪ জনে পৌঁছেছে। আর এ ঘটনায় আরও ৯৭১ জন আহত হয়েছেন, এমনটি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত এবং নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ