ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সব অফিসের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশনা


সব অফিসের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশনা

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অফিসকক্ষে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের জন্য প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণ করার নির্দেশনা প্রদান করেছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি চিঠি সকল সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা বা ব্যক্তি জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের জন্য অধিকারী বা যোগ্য না হয়েও অফিসকক্ষে চেয়ার বা সোফার পেছনে খুঁটিতে খাঁড়াভাবে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী, মোটরগাড়ি, জলযান ও বিমান ছাড়া কেবল সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের বিধান রয়েছে।

আরও পড়ুন: বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

তবে কিছু অফিসে জাতীয় পতাকা সার্বক্ষণিকভাবে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। এছাড়া, জাতীয় পতাকার সঠিক আকার, অনুপাত ও রং বজায় না রেখে অফিসকক্ষের অভ্যন্তরে সজ্জা, অলংকরণ কিংবা ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এসব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক আদেশ, ১৯৭২ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর সরাসরি লঙ্ঘন। চিঠিতে জাতীয় পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

একই সঙ্গে অধীন দপ্তর এবং সাংবিধানিক ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মোংলা বন্দর ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধুনটে যমুনা চরে বাদাম চাষে কৃষকদের নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


ধুনটে যমুনা চরে বাদাম চাষে কৃষকদের নতুন সম্ভাবনা

বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর তীরে বর্তমানে বিস্তৃত বালুচর দেখা যাচ্ছে। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পর এই চরাঞ্চল জেগে উঠেছে। যেখানে অন্য ফসল ফলানো কঠিন, সেই বালুময় জমিতে এখন বাদাম চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। স্বল্প খরচ, কম পরিচর্যা এবং ভালো লাভের সম্ভাবনা নিয়ে চিনাবাদাম চাষে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছেন চরাঞ্চলের কৃষকেরা। যমুনার বুকে জেগে ওঠা বালুচরে বাদামের চাষের পাশাপাশি কৃষকেরা স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্নও বুনছেন। সঠিক পরিকল্পনা এবং কৃষি বিভাগের উদ্যোগে এই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিলে বালুর বুকেই সচ্ছলতার হাসি ফুটবে।

সরেজমিনে যমুনা পাড়ের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নদীর বুকে জেগে ওঠা বালুচর এখন কৃষিকাজের কেন্দ্রবিন্দু। কোথাও জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে, আবার কোথাও সারি সারি জমিতে বীজ বুনতে দেখা যাচ্ছে। কেউ শ্রমিক নিয়ে, কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে বাদাম চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আবার কোনো পরিবারের সব সদস্য মিলে বাদাম চাষে কাজ করছেন। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে তারা জীবিকার পথ খুঁজছেন।

স্থানীয়রা জানান, চরের উপরিভাগে বালুর আধিক্য থাকায় অন্য ফসল তেমন ফলানো সম্ভব হয় না। তাই কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে কৃষকেরা এসব জমিতে চিনাবাদাম চাষ করেন। কাঁচা বাদামের খোসা ছাড়িয়ে বীজ সংগ্রহ করা হয়। এরপর লাঙল দিয়ে জমিতে সারি তৈরি করে নির্দিষ্ট দূরত্বে বীজ বপন করা হয়। বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়ার পর তেমন পরিচর্যা ছাড়াই বাদামগাছ বেড়ে ওঠে।

কৃষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বিঘা জমিতে বাদাম চাষে খরচ হয় সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা। ফলন পাওয়া যায় প্রায় পাঁচ মণ। গত বছর প্রতি মণ বাদাম বিক্রি হয়েছে পাঁচ হাজার টাকায়। ফলে অল্প বিনিয়োগে ভালো আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে চরাঞ্চলে।

তবে এই সম্ভাবনার পুরোটা এখনো কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বৈশাখি, রাধানগর, নিউসারিয়াকান্দি, বতুয়ারভিটা ও পুকুরিয়া চরে বালুর আস্তরণ পড়া শত বিঘা জমি অনাবাদি রয়েছে। এসব জমিতে পরিকল্পিতভাবে বাদাম চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে কর্মসংস্থান ও আয় বাড়ার পাশাপাশি চরাঞ্চলের দরিদ্র কৃষকের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বদলাতে পারে। এ জন্য কৃষি বিভাগের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চান স্থানীয় কৃষকেরা।

ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম জানান, বেলে-দোআঁশ মাটি বাদাম চাষের জন্য উপযোগী। চরাঞ্চলের মাটিও এই ফসলের জন্য উপযুক্ত। চরে বাদাম চাষে উৎপাদন খরচ কম এবং লাভের সম্ভাবনা বেশি। সার ও সেচের প্রয়োজন তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষকেরা এই ফসল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোয়েন্দা তথ্যের বিষয়ে সরকারের পরিষ্কার ব্যাখ্যা চায় নেজামে ইসলাম পার্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


গোয়েন্দা তথ্যের বিষয়ে সরকারের পরিষ্কার ব্যাখ্যা চায় নেজামে ইসলাম পার্টি

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য, যেখানে তিনি ‘পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের একটি অংশ মিলে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে’—এমন মন্তব্য করেছেন, সেই প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানান।

মাওলানা মুসা বিন ইযহার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সরকারের কাছে গোয়েন্দা তথ্য থাকার কথা বলেছেন এবং বিদেশ থেকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে অর্থ সরবরাহের বিষয়েও দাবি করেছেন। যেহেতু এটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, তাই জনগণকে সরকারের অবস্থান ও করণীয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানানো প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এমন একটি গুরুতর বিষয় উল্লেখ করেছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই জনগণের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে পারে। স্পষ্টভাবে কোন ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পক্ষের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ, সরকারের কাছে কী ধরনের তথ্য রয়েছে এবং এর ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রত্যাশিত।

নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব আরও বলেন, গুরুতর অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন নয়।

তিনি উল্লেখ করেন, পতিত স্বৈরাচারের পুনর্বাসন কিংবা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথ দায়িত্ব। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি তথ্যের যথার্থতা, স্বচ্ছতা ও আইনানুগ প্রক্রিয়াও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মাওলানা মুসা বিন ইযহার সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যদি সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকে, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর যদি কোনো অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলমান থাকে, তবে তার অগ্রগতিও জনগণকে যথাসময়ে জানানো যেতে পারে; এতে জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পারস্পরিক আস্থা, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুধা এবং অপুষ্টি মোকাবেলায় বাংলাদেশের ধারাবাহিক অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে, যেখানে পাকিস্তানের পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা, উন্নত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং মেয়েদের শিক্ষার প্রসারকে বাংলাদেশের এই সাফল্যের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

অন্যদিকে, পাকিস্তানে লাগামহীন খাদ্য মূল্যবৃদ্ধি, তীব্র শিশু অপুষ্টি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং জলবায়ুজনিত বিপর্যয়ের কারণে ক্ষুধার সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক (জিএইচআই) শীর্ষক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালের পর থেকে ভারত, বাংলাদেশ এবং নেপাল ধারাবাহিকভাবে ক্ষুধা সূচকে উন্নতি করলেও পাকিস্তানের অগ্রগতির ধারা থেমে গেছে এবং পরিস্থিতি আবার অবনতির দিকে যাচ্ছে।

জার্মানির বনভিত্তিক ক্ষুধা মোকাবেলায় কাজ করা সংস্থা ওয়েলথাঙ্গারহিলফে, সুইজারল্যান্ডের জুরিখভিত্তিক সহায়তা সংস্থা হেলভেটাস এবং জার্মানির রুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সশস্ত্র সংঘাতবিষয়ক আন্তর্জাতিক আইন ইনস্টিটিউট যৌথভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষুধা সূচকের স্কোর ১৯ দশমিক ২, যা মডারেট বা সহনীয় পর্যায়ের স্কোর। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। ভারতের স্কোর ২৪ দশমিক ১, যা সিরিয়াস বা গুরুতর বলে বিবেচিত।

অপরদিকে, পাকিস্তানের ক্ষুধা সূচকের স্কোর ২৫ দশমিক ৫, যা ২০১৮ সালে ছিল ২৪ দশমিক ০। সূচকে অন্তর্ভুক্ত ১২২টি দেশের মধ্যে পাকিস্তানের অবস্থান ১০৬ তম। দেশটির চেয়ে বেশি স্কোর পাওয়া দেশের সংখ্যা প্রায় এক ডজন। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, সিয়েরা লিওন এবং সিরিয়া।

বাংলাদেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক অবকাঠামো এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক আর্থিক বিশ্লেষক জাভেদ হাসান সংবাদমাধ্যম ‘নিক্কেই এশিয়া’কে জানান, তৈরি পোশাক খাতে লাখ লাখ নারীর কর্মসংস্থান এবং মাঠপর্যায়ের কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস সেবা মানুষের ঘরে ঘরে পুষ্টি সেবা পৌঁছে দিতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মেয়েদের শিক্ষার সম্প্রসারণ বাংলাদেশের এই অর্জনকে সুদৃঢ় করেছে।

ইসলামাবাদভিত্তিক স্বাধীন অর্থনীতিবিদ নিয়াজ মুর্তাজাও জানান, নারীদের ধারাবাহিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণই বাংলাদেশকে প্রতিবেশীদের চেয়ে ক্ষুধা মোকাবিলায় বহুদূর এগিয়ে নিয়েছে।

চার সূচকে নির্ধারিত হয় বৈশ্বিক ক্ষুধার মাত্রা।

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক চারটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়। এগুলো হলো অপুষ্টি বা পর্যাপ্ত খাদ্য না পাওয়া, শিশুমৃত্যু, শিশুদের বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় শরীরের ওজন কম হওয়া। সূচকটির মোট গুরুত্বের ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ করে নির্ধারিত হয়েছে অপুষ্টি ও শিশুমৃত্যুর জন্য। বাকি ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ করে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে শিশুদের বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় ওজন কম হওয়ার সূচককে।

স্কোর নির্ধারণ করা হয় শূন্য থেকে ১০০-এর মধ্যে। স্কোর ১০-এর নিচে হলে ক্ষুধার মাত্রা কম, ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯ হলে মাঝারি, ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ হলে গুরুতর, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ হলে আশঙ্কাজনক এবং ৫০ বা তার বেশি হলে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হিসেবে বিবেচিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁশখালীতে সিআরবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, উদ্ধার গাড়ি ও সরঞ্জাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


বাঁশখালীতে সিআরবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, উদ্ধার গাড়ি ও সরঞ্জাম

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর প্রেমবাজার থেকে সিআরবি পরিচয়ে এহসান প্রকাশ হাসান নামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণে ব্যবহৃত গাড়িসহ সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বাঁশখালী থানা পুলিশ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, আটক ৬ অপহরণকারীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

মোহাম্মদ এহছান ওরফে হাসানকে কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা (আলীখালী) রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চাকরিচ্যুত সাবেক সেনাসদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে অপহরণে ব্যবহৃত ১টি প্রাইভেট কার, ৫টি কালো রঙের সিআরবি কটি, ২টি ভুয়া সিআরবি পরিচয়পত্র ও ১টি হ্যান্ডকাফ জব্দ করা হয়েছে।

১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে বাঁশখালী থানাধীন পুঁইছড়ির প্রেমবাজারে ভিকটিমের মালিকানাধীন মেসার্স আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ নামক হার্ডওয়্যারের দোকানে কয়েকজন ব্যক্তি কালো পোশাকের ওপর সিআরবি লেখা কটি পরিহিত, মাথায় কালো ক্যাপ ও মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় প্রবেশ করে। তারা নিজেদের সিআরবি সদস্য পরিচয় দিয়ে দোকানের ক্যাশে বসা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এহছান ওরফে হাসানকে তার যমজ ভাই মো. হোছাইনের ছবি দেখিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে।

একপর্যায়ে ভিকটিম নিজের পরিচয় দিলে অভিযুক্তরা তাঁ দুই হাত পেছনে নিয়ে হ্যান্ডকাফ পরায় এবং টানাহেঁচড়া করে জোরপূর্বক দোকান থেকে বের করে একটি অজ্ঞাত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে বিভিন্ন যানবাহনে স্থানান্তর করে কক্সবাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

অপহরণের পর ওই দিন ১১টা ৪০ মিনিট থেকে ভিকটিমের স্ত্রী ও দোকানের ম্যানেজারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ভিওআইপি নম্বর থেকে কল করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দাবিকৃত টাকা পরিশোধ না করলে ভিকটিমকে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ভিকটিমের ভাই মো. হোছাইন বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় মামলা করেন।

সূত্র জানায়, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ঘটনার পরপরই অপহৃত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার এবং ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ও ওসি, ডিবি মাসুদ রানার নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বাঁশখালী থানা পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। একাধিক আভিযানিক দল গঠন করে তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপহরণকারীদের শনাক্ত ও তাদের অবস্থান নির্ণয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় যৌথ আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার সদর, পেকুয়া, উখিয়া, রামু ও টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০ অক্টোবর কক্সবাজার সদর থানাধীন বাস টার্মিনাল, বাংলাবাজার ও কোর্টবাজার থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ অক্টোবর ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে কক্সবাজার জেলার টেকনাফের লেদা (আলীখালী) রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৫ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপহরণকারীদের হেফাজত থেকে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এহছান ওরফে হাসানকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চাকরিচ্যুত সাবেক সেনাসদস্য সুমন মুন্সি, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার বাসিন্দা; মিজানুর রহমান, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বাসিন্দা; জয়নাল উদ্দিন, উখিয়া উপজেলার বাসিন্দা; মো. আব্বাস উদ্দিন, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা; মো. ছলিম ওরফে সেলিম (রোহিঙ্গা), টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৬ এর বাসিন্দা; এবং দেলোয়ার হোসেন, কক্সবাজার সদর উপজেলার বাসিন্দা।

গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, চাকরিচ্যুত সাবেক সেনাসদস্য সুমন মুন্সি অতীতে উখিয়া এলাকায় সিআরবিতে কর্মরত থাকার সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কিছু ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে তিনি চাকরিচ্যুত হন এবং কারাভোগ করেন বলে জানা গেছে। কারাগারে অবস্থানকালে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি ভুয়া সিআরবি পরিচয়ে একটি দল গড়ে তোলেন। এ পর্যন্ত ভুয়া সিআরবি সদস্য পরিচয়ে সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় তাঁর নামে ১৩টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%