ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সাইফুল হকের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নির্ধারণের দাবি


সাইফুল হকের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নির্ধারণের দাবি

পোশাক শ্রমিকদের বেঁচে থাকার উপযোগী ন্যায্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের দাবি জানিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, শ্রমিকদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের ওপর পুলিশ ও বিজিবির হামলা, লাঠিপেটা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোমবার (২ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাইফুল হক এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের বেঁচে থাকার ন্যায্য দাবিতে স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকে কোনো কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখানোর চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। শ্রমিকদের বাঁচার দাবিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের আন্দোলনের ন্যায্যতা নষ্ট করা যাবে না। তবে, এই আন্দোলন যাতে কোনো অপশক্তি নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়েও শ্রমিকদের সতর্ক থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৮০ জন আহত

সাইফুল হক জানান, পোশাক খাতের জন্য সম্প্রতি ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। এ অবস্থায় সংকট সমাধানে শ্রমিকদের শান্ত, সংযত ও ধৈর্যশীল থাকতে হবে। অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ রাখা সংকট সমাধানের পথ হতে পারে না। বরং, সরকার, মালিকপক্ষ ও শ্রমিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করা এখন সবচেয়ে জরুরি।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, কালক্ষেপণ না করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে বাস্তবসম্মত আলোচনা করতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বেঁচে থাকার উপযোগী ন্যায্য ন্যূনতম মজুরি দ্রুত নির্ধারণ করতে হবে।

শ্রমিকদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানি বন্ধ করারও আহ্বান জানান সাইফুল হক। তিনি মনে করেন, দমন-পীড়নের পরিবর্তে আলোচনা ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে এ সংকটের সমাধান করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ঢাকার ধামরাইয়ে পোশাকশিল্পের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক, চোর, ডাকাত ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে ওসি আদিল হোসেন, তার কার্যক্রমে সন্তুষ্ট বাকেরগঞ্জবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব সংবাদদাতা, মোঃসানি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


মাদক, চোর, ডাকাত ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে ওসি আদিল হোসেন, তার কার্যক্রমে  সন্তুষ্ট বাকেরগঞ্জবাসী

বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানায় ওসি হিসেবে আদিল হোসেন যোগদানের পর থেকে বদলে যেতে শুরু করেছে থানার চিত্র। মাদক, চোর-ডাকাত, সন্ত্রাস ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, ওসি আদিল হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর থানায় কোনো প্রকার দালালি, তদবির ও মামলা বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা সরাসরি থানায় গিয়ে সেবা পাচ্ছেন। ফলে দালালমুক্ত হয়েছে বাকেরগঞ্জ থানা।
অথচ একটি সুবিধাবাদী চক্র এই পরিবর্তন মেনে নিতে পারছে না। অভিযোগ রয়েছে, ফেসবুকে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে কিছু নামধারী সাংবাদিকরা, তারা ফেসবুক ও নামসর্বস্ব অনলাইনের মাধ্যমে ওসির বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। থানায় অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে এবং দালালি করতে না পেরে ওই চক্রটি এখন বিভিন্ন ফেসবুক পেজ, ফেসবুক আইডি ও অনলাইন চ্যানেলে ভিত্তিহীন ও মনগড়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
এদিকে বাকেরগঞ্জের সাধারণ মানুষ বলছে ভিন্ন কথা। বাকেরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন পর বাকেরগঞ্জ থানায় শান্তি ফিরেছে। বাকেরগঞ্জকে চোর, ডাকাত, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে ওসি আদিল হোসেন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন।
এ কারণে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত বাকেরগঞ্জ গড়তে ওসি আদিল হোসেনকেই প্রয়োজন মনে করছে বাকেরগঞ্জবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুটেক্সের আন্ত:বিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন টিএমডিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


বুটেক্সের আন্ত:বিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন টিএমডিএম

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) অনুষ্ঠিত আন্ত:বিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ‘ফুটবল ফিয়েস্তা ৩.০’-এর শিরোপা জিতেছে টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স (টিএমডিএম) বিভাগ।

ফাইনালটি সোমবার (২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ইএসই) বিভাগকে টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে পরাজিত করে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়। নির্ধারিত সময়ে দুই দলের খেলা ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় ফল নির্ধারণে টাইব্রেকারের প্রয়োজন হয়। এই ম্যাচে রানার্সআপ হিসেবে ইএসই বিভাগকে চিহ্নিত করা হয়।

দুপুর ২টায় শুরু হওয়া ফাইনাল ম্যাচে শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই দেখা যায়। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। নির্ধারিত সময়ে উভয় দল একটি করে গোল করায় ম্যাচের ফলাফল অমীমাংসিত থাকে। পরে টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে জয় নিশ্চিত করে টিএমডিএম। এই জয়ের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের শিরোপা নিজেদের করে নেয় বিভাগটি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন। খেলার শুরুতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত বুটেক্স স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যদের পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ, জার্সি বিতরণ এবং প্রতিটি ম্যাচ সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। ফাইনালে ওঠা দুই দলকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অন্যান্য দলগুলোকেও সাধুবাদ জানান তিনি।

উপাচার্য তার বক্তব্যে খেলাধুলায় জয়-পরাজয়ের চেয়ে ক্রীড়াসুলভ মনোভাব, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শৃঙ্খলাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি খেলাধুলার মাঠে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। এসময় রেফারিদের উভয় দলের প্রতি নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। দর্শকদের মাঠের সীমানার বাইরে থেকে খেলা উপভোগ করতে বলেন, যাতে খেলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় কোনো বিঘ্ন না ঘটে। টুর্নামেন্ট আয়োজনে সহযোগিতার জন্য স্পন্সরদের প্রতিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল ক্যালেন্ডার’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্যালেন্ডারে বছরজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সময়সূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আগে থেকেই বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. রাশেদা বেগম দিনা, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান, টেক্সটাইল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবিব, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. উম্মুল খায়ের ফাতেমা, আইটিইটি'র সহকারী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মামুন রাতুল এবং হিউ-টেক বিডির পক্ষে ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আয়োজক স্পোর্টস ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন টিএমডিএম বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম শিহাব। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন একই বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. নূজহাত ইসলাম নির্জন। এছাড়া সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন ইএসই বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রোমিনুর রহমান তালুকদার এবং সেরা ডিফেন্ডার নির্বাচিত হয়েছেন একই বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম লিখন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে রিফাতের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১১ পি.এম


পঞ্চগড়ে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে রিফাতের মৃত্যুদণ্ড

পঞ্চগড়ে এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে রিফাত বিন সাজ্জাদ (২২) নামের যুবককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ হোসাইন মোহাম্মদ ফজলুল বারী এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রিফাত বিন সাজ্জাদের বাড়ি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাঝগ্রাম এলাকায় অবস্থিত।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি দিনাজপুর রেলস্টেশন থেকে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে রওনা দেন রিফাত বিন সাজ্জাদ। পথে ঠাকুরগাঁও রোড রেলস্টেশনে এক অজ্ঞাতনামা নারীর সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। ওই নারীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দেন রিফাত। পরে ওই নারী তার সঙ্গে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ট্রেনে যাত্রা করেন। রাত ৯টার দিকে ট্রেনটি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার কিসমত স্টেশনে পৌঁছালে দুজনই নেমে যান। এরপর রিফাত ওই নারীকে নিয়ে কিসমত স্টেশনের পশ্চিম পাশে শাপলা কিন্ডারগার্টেনের দরজাবিহীন একটি কক্ষে নিয়ে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

পরে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে কিসমত রেলস্টেশনের উত্তর-পূর্ব কোণে হবিবর রহমানের চাটাই বেড়ার টিনের ঘরের পেছনে আলমের সুপারি বাগানে নিয়ে ওই নারীকে আবারও একাধিকবার ধর্ষণ করেন রিফাত। এ সময় টাকা লেনদেন নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই নারী রিফাতের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা ও তার হাতে থাকা মোবাইল ফোন দাবি করেন। রিফাত তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই নারী তাকে এবং তার মাকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিফাত ওই নারীর ওড়না দিয়ে তার দুই হাত পেছনে বেঁধে সুপারি গাছের সঙ্গে আটকে রাখেন। পরে পাশ থেকে ইট নিয়ে তার মাথায় একাধিকবার আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই ওই নারীর মৃত্যু ঘটে। এরপর মরদেহ টেনেহিঁচড়ে রেললাইনে রেখে পালিয়ে যান রিফাত।

পরদিন ১৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দিনাজপুর থেকে পঞ্চগড়গামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ওই নারীর মরদেহের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যায়। সকাল ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আটোয়ারী থানা-পুলিশ মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় দিনাজপুর রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়। পরে আটোয়ারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরশাদুল বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে একটি ইজিবাইক চুরির ঘটনায় সাজ্জাদ আটক হলে তার মোবাইল ফোনের গ্যালারিতে থাকা ছবি ও ভিডিওর সূত্র ধরে ওই নারীকে হত্যার ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা উদ্‌ঘাটন করে পুলিশ।

মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার দুপুরে আদালত রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমান জানান, আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী না থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে রিফাতের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই আইনজীবী বিচারিক কার্যক্রমে আসামির পক্ষে অংশ নেন। ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত রিফাত বিন সাজ্জাদকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডি-থ্রি ট্রফিতে আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের কোচিং প্যানেল গঠন করেছে ওয়ালটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১১ পি.এম


ডি-থ্রি ট্রফিতে আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের কোচিং প্যানেল গঠন করেছে ওয়ালটন

ওয়ালটন শক্তিশালী স্কোয়াড গড়ার পাশাপাশি অভিজ্ঞ ও ভারসাম্যপূর্ণ কোচিং প্যানেল তৈরি করেছে, যেখানে জাতীয় দলের একঝাঁক তারকা ক্রিকেটার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন আয়োজন ডি-থ্রি ট্রফিতে শিরোপা জয়ের উদ্দেশ্যে সাবেক তারকা স্পিনার আবদুর রাজ্জাককে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। সহকারী কোচ হিসেবে রয়েছেন দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিচিত মুখ তুষার ইমরান ও ডলার মাহমুদ। ছয় সদস্যের কোচিং ও সাপোর্ট স্টাফ গঠনের জন্য ক্রিকেট বিশ্লেষক, ফিজিওথেরাপিস্ট ও ফিটনেস ট্রেইনারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ওয়ালটনের কোচিং প্যানেলে ক্রিকেট বিশ্লেষক হিসেবে নাসির আহমেদ, ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এনামুল হক এবং ফিটনেস ট্রেইনার হিসেবে আসলাম খান দায়িত্ব পালন করবেন। এই প্যানেল খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন, ম্যাচ পরিকল্পনা, প্রতিপক্ষের শক্তি-দুর্বলতা বিশ্লেষণ এবং ফিটনেস ব্যবস্থাপনায় সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

ডি-থ্রি ট্রফিতে ওয়ালটনের আইকন ক্রিকেটার হিসেবে জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে স্কোয়াডে লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ, মুমিনুল হক, মার্শাল আইয়ুব, নাসুম আহমেদ, আরিফুল ইসলাম ও রনি তালুকদারের মতো প্রথম সারির ক্রিকেটাররা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটারকেও দলে নিয়েছে। কোচিং প্যানেল এই তারকাসমৃদ্ধ স্কোয়াডের সর্বোচ্চ সামর্থ্য কাজে লাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। তিনি বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ সময় খেলেছেন এবং দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটেও তাঁর সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। খেলোয়াড় হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও ক্রিকেট সম্পর্কে গভীর জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ওয়ালটনের বোলিং আক্রমণ, ম্যাচ পরিকল্পনা ও সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন তিনি।

সহকারী কোচ হিসেবে তুষার ইমরান যুক্ত হয়েছেন, যিনি দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের অন্যতম সফল ব্যাটার। দীর্ঘ ঘরোয়া ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত এই সাবেক ক্রিকেটার। বিশেষ করে ব্যাটারদের টেকনিক, ইনিংস গঠন, পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং এবং দীর্ঘ সংস্করণের ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

অন্য সহকারী কোচ ডলার মাহমুদও দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সফল বোলার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে অর্জিত মাঠের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি, অনুশীলন ও ম্যাচভিত্তিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধান কোচকে সহযোগিতা করবেন তিনি।

আধুনিক ক্রিকেটে তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণ ও কৌশলগত পরিকল্পনার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। সেই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নাসির আহমেদকে ক্রিকেট বিশ্লেষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রতিপক্ষের খেলার ধরন, ব্যাটার-বোলারদের পারফরম্যান্স এবং ম্যাচের বিভিন্ন পরিস্থিতি বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোচিং প্যানেলকে প্রয়োজনীয় তথ্য সহায়তা করবেন।

অন্যদিকে, খেলোয়াড়দের শারীরিক সুস্থতা, চোট ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন ফিজিওথেরাপিস্ট এনামুল হক। ফিটনেস ট্রেইনার আসলাম খান কাজ করবেন ক্রিকেটারদের শারীরিক সক্ষমতা, সহনশীলতা ও ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে।

টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও চার দিনের ক্রিকেট—তিন সংস্করণের সমন্বয়ে আয়োজিত হচ্ছে ডি-থ্রি ট্রফি। ফলে একই স্কোয়াডকে ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণের ক্রিকেটে নিজেদের দক্ষতা, কৌশল ও ধারাবাহিকতার প্রমাণ দিতে হবে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টির আক্রমণাত্মক ক্রিকেট, ওয়ানডের পরিকল্পিত ইনিংস এবং চার দিনের ক্রিকেটের ধৈর্য ও মনোযোগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কোচিং প্যানেলের ভূমিকা হবে গুরুত্বপূর্ণ।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত ডি-থ্রি ট্রফির খেলোয়াড় নিলামে ২৬৯ জন ক্রিকেটারকে তোলা হয়। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল একজন করে পূর্বনির্ধারিত আইকন ক্রিকেটারের পাশাপাশি নিলাম থেকে ২২ জন করে খেলোয়াড় নিয়ে ২৩ সদস্যের স্কোয়াড গঠন করে।

ওয়ালটনের স্কোয়াডে মিরাজের অলরাউন্ড দক্ষতা, লিটনের ব্যাটিং, তাসকিনের পেস আক্রমণ, মুমিনুলের দীর্ঘ সংস্করণের অভিজ্ঞতা এবং নাসুমের স্পিন বোলিং দলটিকে শক্তিশালী করেছে। তরুণ ক্রিকেটারদের উপস্থিতি দলে নতুন উদ্যম এনেছে। এই অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়কে মাঠের সাফল্যে রূপ দেওয়াই হবে কোচিং প্যানেলের অন্যতম লক্ষ্য।

নিলাম শেষে ওয়ালটনের কোচ আবদুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, কোচ হিসেবে ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা, মাঠের কাছাকাছি সময় কাটানো এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ তিনি উপভোগ করছেন। তবে ব্যক্তিগত ভালো লাগার চেয়ে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা এবং দলকে ভালো ফল এনে দেওয়াকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

নিলামে ওয়ালটনের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত চিত্রনায়ক আমিন খানও দল গঠন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিজ্ঞ কোচিং প্যানেল ও মানসম্পন্ন ক্রিকেটারদের নিয়ে শিরোপা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা আশা করি, আমরা ভালো খেলা উপহার দেব, অবশ্যই জিতব।”

ডি-থ্রি ট্রফিতে শক্তিশালী স্কোয়াডের পাশাপাশি অভিজ্ঞ ও ভারসাম্যপূর্ণ কোচিং প্যানেল গঠনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুতিকে আরও সুসংগঠিত করেছে ওয়ালটন। খেলোয়াড়দের সামর্থ্য, কোচদের অভিজ্ঞতা, তথ্যভিত্তিক কৌশল এবং ফিটনেস ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে তিন সংস্করণের ক্রিকেটেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্স উপহার দিতে চায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। লক্ষ্য একটাই—শিরোপা জয়।

ডি-থ্রি ট্রফিতে ওয়ালটনের কোচিং ও সাপোর্ট প্যানেল :

· কোচ : আবদুর রাজ্জাক

· সহকারী কোচ : তুষার ইমরান

· সহকারী কোচ : ডলার মাহমুদ

· ক্রিকেট বিশ্লেষক : নাসির আহমেদ

· ফিজিওথেরাপিস্ট : এনামুল হক

· ফিটনেস ট্রেইনার : আসলাম খান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%