হোসেনপুর( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
০৬:৪৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী, পুরুষ এবং শিশুসহ অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভাতশালা, লছমনপুর ও চরশেরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এই ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে শেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল এবং আহতদের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, পাগলা কুকুরটি বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে সামনে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়ানোর ঘটনা ঘটিয়েছে। এর ফলে অন্তত ৮০ জন আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে মামুন মিয়া (৩৫), আবুল হোসেন (৬০) এবং আইজউদ্দিন (৭০) রয়েছেন।
শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মাহমুদুল হাসান সোহাগ দৈনিক ইনকিলাবকে জানিয়েছেন, কুকুরের কামড়ে আহতদের জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের কাছে পর্যাপ্ত টিকার মজুত রয়েছে। অন্য আহতরাও হাসপাতালে এলে তাঁদের প্রয়োজনীয় টিকা ও চিকিৎসা প্রদান করা হবে।
অন্যদিকে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, অবিলম্বে কুকুর নিধন কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে চলমান অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে কৃষিপণ্য পরিবহণকারী যানবাহন এবং স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী যান চলাচলে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তটি সাজেকের দুটি সংগঠনের যৌথ সভায় গৃহীত হয়েছে।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা এবং সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাজেকের পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে কৃষক ও কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের স্বার্থ বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পূর্বে অবরোধ চলাকালে যেসব যানবাহন চলাচলে ছাড় দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর সঙ্গে নতুন করে কৃষিপণ্য পরিবহণকারী এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীবাহী যানবাহনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে, সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। যৌথ সভায় উপস্থিত সকল সদস্য এই সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প খরচে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন চিকিৎসক আমীর হামজা, এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয়দের অনেকে। সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কারণে এলাকায় তাঁর পরিচিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে রেনু বেগমের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় চিকিৎসকের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের সেবামূলক কার্যক্রম এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি সামনে আনা জরুরি হয়ে উঠেছে।
দীর্ঘদিনের চিকিৎসাসেবা, সাধারণ মানুষের পাশে ডা. আমীর হামজা
চিকিৎসা মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা পাওয়া অনেক সময় বড় চ্যালেঞ্জ। এমন বাস্তবতায় ডা. আমীর হামজা দীর্ঘদিন ধরে অল্প খরচে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন অস্ত্রোপচার করে আসছেন বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের চিকিৎসাব্যয় কমাতে তাঁর এই ভূমিকা স্থানীয় পর্যায়ে যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।
একজন চিকিৎসকের পেশাগত মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর চিকিৎসাসেবা, রোগীদের অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার বাস্তব চিত্র,সবকিছুই বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। একটি মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের চিকিৎসাসেবার সামগ্রিক মূল্যায়ন যেন একপাক্ষিক না হয়ে পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
রেনু বেগমের চিকিৎসা ও পরবর্তী ঘটনা
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের উত্তর হলতা গ্রামের বাসিন্দা দুলাল মিয়ার স্ত্রী রেনু বেগম (৪৫) জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসার জন্য গত ১০ অক্টোবর বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা বাজারে ডা. আমীর হামজার চেম্বারে যান। চিকিৎসকের পরামর্শে পরদিন তিনি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হন। পরে তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়।
অস্ত্রোপচারের পর কয়েক দিন কোন সমস্যা ছিল না রেনু বেগমের। এরপর হটাৎ বুকে ব্যথা হয় সাথে হালকা শ্বাসকষ্ট হলে ডিউটি ডাক্তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে হার্টে সমস্যা মনে করলে তৎখনাত তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ২০ অক্টোবর হার্টের ইউনিটে ভর্তি হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
অস্ত্রোপচার-পরবর্তী চিকিৎসা নিয়ে ডা. আমীর হামজার বক্তব্য।
ডা. আমীর হামজার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি রেনু বেগমের অস্ত্রোপচার ভালোভাবে সম্পন্ন করেন। অস্ত্রোপচারের পর রোগীর নিয়মিত পরিচর্যা ও পরবর্তী চিকিৎসার দায়িত্ব ছিল কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের। ক্লিনিকের আবাসিক ডাক্তার প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁর কাছ থেকে মুঠোফোনে চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শও নিয়েছিলেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ তথ্য
এজন্য রেনু বেগমের মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে অস্ত্রোপচারের নথি, রোগীর শারীরিক পরীক্ষার প্রতিবেদন, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসার তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ( যেখানে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা আছে হার্ট এট্যাকের কথা)। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
চিকিৎসাসেবা একটি দায়িত্বশীল পেশা। কোনো চিকিৎসককে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অনুমান বা অসম্পূর্ণ তথ্যের পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা-নথি ও যাচাইযোগ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করাই যুক্তিযুক্ত। এতে যেমন চিকিৎসকের পেশাগত অবস্থান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায়, তেমনি মৃত রোগীর পরিবারেরও প্রকৃত ঘটনা জানার সুযোগ তৈরি হয়।
মানবিক চিকিৎসাসেবা ও ন্যায়সংগত মূল্যায়ন,দুটিই গুরুত্বপূর্ণ!
স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ডা. আমীর হামজার দীর্ঘদিনের এমন সেবার বিষয়টি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি রেনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও চিকিৎসা প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপও স্পষ্ট হওয়া জরুরি।
একটি মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় আবেগের পাশাপাশি প্রয়োজন তথ্য, চিকিৎসা-নথি ও বাস্তবতার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন। ডা. আমীর হামজার চিকিৎসাসেবা এবং রেনু বেগমের চিকিৎসার পুরো ঘটনাপ্রবাহ, দুটিই যথাযথভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে সাধারণ জনমনে যে প্রশ্ন সেটি উন্মোচিত হয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র কোরআন, যা মানবজাতির জন্য আল্লাহর সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ হিদায়াতগ্রন্থ এবং জীবন বিধান হিসেবে বিবেচিত, এর বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারের পাশাপাশি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে কোরআনের খেদমত অব্যাহত রাখা একটি ঈমানি দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বঙ্গভবনে, আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশের মহাসচিব শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল পবিত্র কোরআনের শিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের চর্চা, যুগোপযোগী ক্বারী ও কোরআন বিশেষজ্ঞ তৈরির উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করেন। কোরআনকেন্দ্রিক শিক্ষা, গবেষণা, দাওয়াহ ও দ্বীনি খেদমতকে আরও সুসংহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি প্রতিনিধিদলের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং আন্তর্জাতিক ক্বারী সাইদুল ইসলাম আসাদের কোরআন তেলোয়াতের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন, পাশাপাশি সম্মেলনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
এ সময়, আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে আগামী ১২ নভেম্বর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সেখানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ