তরিকুল ইসলাম, ভাণ্ডারিয়া প্রতিনিধি
বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৩ পি.এম
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মনজুর এমপি বলেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কিছু অসাধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির ধারা থেকে বেরিয়ে এসে সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে সমাজে কোনো দুর্নীতি স্থান পাবে না। আপনারা সবাই দায়ীত্বশীল ও সৎ হলে কোনো অসাধু চক্র দুর্নীতি করতে সাহস পাবে না। সমাজ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী ভাণ্ডারিয়া এলাকাকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তরের প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই দৃশ্যমান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া। এ কাজে সাংবাদিক, পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ সকল দায়িত্বশীল নাগরিকের সহযোগিতা কাম্য।
এছাড়াও তিনি উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মোটরসাইকেল চলাচলে হেলমেট ও বৈধ কাগজপত্র নিশ্চিত করা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরা জোরদার করা, কোচিং ও শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক তদারকি এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জল হালদার, থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসানসহ সরকারি দপ্তর সমূহের প্রধান কর্মকর্তাগণ।
সভা শেষে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির আয়োজনে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুরের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত চলমান মামলায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আদালতের নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাবলো ফেরারি জানিয়েছেন, ২০২০ সালে ম্যারাডোনার মৃত্যুর পেছনে করোনাভাইরাসের প্রভাব ছিল কিনা, তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করা সম্ভব নয়।
এই চাঞ্চল্যকর দাবি আর্জেন্টিনার সান ইসিদ্রো আদালতে মামলার শেষ পর্যায়ের সাক্ষ্যগ্রহণের সময় উঠে এসেছে। ফেরারি আদালতে মন্তব্য করেন, ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তের সময় কোভিড-১৯ পরীক্ষা না করাটা ছিল একটি পদ্ধতিগত ভুল।
ফেরারির মতে, “আমরা এটা উড়িয়ে দিতে পারি না যে, তিনি কোভিডে মারা গেছেন।” তিনি আরও বলেন, “করোনাভাইরাস শ্বাসনালির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রোগীর শারীরিক অবস্থার ভয়াবহ অবনতি ঘটিয়ে মৃত্যু ঘটাতে পারে।”
ম্যারাডোনা ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে আর্জেন্টিনার তিগ্রেতে নিজ বাড়িতে মারা যান। মৃত্যুর দুই সপ্তাহ আগে তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন। এতদিন তার মৃত্যুকে হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধরা হয়েছিল।
আদালতে ফেরারি আরও দাবি করেন, ম্যারাডোনার মৃত্যুর সময় দীর্ঘ যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন না, “তার যন্ত্রণার সময় কয়েক মিনিটের বেশি হওয়ার কথা নয়।”
এই বিশেষজ্ঞের বক্তব্য ম্যারাডোনার চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের দেওয়া প্রতিরক্ষা যুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। লুকের দাবি ছিল, ফুসফুসে হঠাৎ তরল জমে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় লুকসহ সাত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা চলছে। মামলার চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক আগামী ৬ অক্টোবর শুরু হওয়ার কথা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা তাঁতীদল। বুধবার দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাথরুম, ড্রেন এবং কম্পাউন্ডের ভেতরের জঙ্গল-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. কামাল হোসেন, জেলা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক হোসেন, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা তাঁতীদলের সভাপতি মো. মিরাজ মৃধা, সাধারণ সম্পাদক হাসান শেখ, সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা বয়াতি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাজু সিকদার প্রমুখ।
তাঁতীদল নেতারা জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং রোগী ও স্বজনদের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব অর্থনীতি চলমান সংকটে থাকলেও ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বেড়ে গেছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, উচ্চ জ্বালানি মূল্য এবং বাণিজ্যিক চাপ সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংস ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের (এফওয়াই২৭) জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৭ শতাংশে উন্নীত করেছে। ফিচ রেটিংসও তাদের পূর্বাভাস ৬ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে ৬ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত করেছে। এর আগে গত সপ্তাহে মুডিস ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭ শতাংশে উন্নীত করেছিল।
জেপিমরগ্যান চেজের প্রধান নির্বাহী জেমি ডিমন ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ‘খুবই উজ্জ্বল’ বলে মন্তব্য করেছেন।
কিন্তু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভারতীয় অর্থনীতির প্রতি আস্থা বৃদ্ধির কারণ কী? অর্থনীতিবিদ ড. অভিনব পি ত্রিপাঠির মতে, প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ প্রবৃদ্ধি, স্থিতিশীল ভোগ, বিনিয়োগ এবং বৈশ্বিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা এর পেছনে মূল ভূমিকা পালন করছে।
ভারতের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকের জিডিপি তথ্য প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বৃদ্ধির তাৎক্ষণিক কারণ। সেখানে দেখা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটির অর্থনীতি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। এই প্রবৃদ্ধি অনেক অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে।
এসঅ্যান্ডপি জানিয়েছে, শক্তিশালী শিল্প উৎপাদন, স্থিতিশীল ভোগ, পণ্য রপ্তানি এবং সরকারি বিনিয়োগের গতি এপ্রিল-জুন প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি পুরো অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৭ শতাংশ করেছে।
ফিচও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রথম প্রান্তিকের শক্তিশালী ফলাফলকে গুরুত্ব দিয়েছে। সংস্থাটির মতে, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের ধাক্কা এবং বাণিজ্যিক শর্তের অবনতি সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করেছে।
ভোক্তাদের ব্যয় অব্যাহত
ভারতের অর্থনীতির আশাবাদী চিত্রের অন্যতম কারণ অভ্যন্তরীণ ভোগ। এশিয়ার অনেক বড় উৎপাদননির্ভর অর্থনীতির তুলনায় রপ্তানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কম। ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়লেও অর্থনীতিকে কিছুটা সুরক্ষা দিচ্ছে অভ্যন্তরীণ চাহিদা।
এসঅ্যান্ডপি তাদের পূর্বাভাস বৃদ্ধির পেছনে শক্তিশালী ভোগ ব্যয়ের কথা উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে ভারতের বিনিয়োগের গতিও শক্তিশালী রয়েছে।
টোকিওভিত্তিক আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নোমুরার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণেও শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা, বিশেষ করে ভোগকে ভারতের প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বাড়লেও খুচরা জ্বালানির দামে এর সীমিত প্রভাব এবং নিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিনিয়োগে বাড়ছে গতি
ভারতের প্রবৃদ্ধির আরেকটি বড় চালিকাশক্তি বিনিয়োগ। সরকারি মূলধনী ব্যয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিচ্ছে। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধির পেছনে সরকারি বিনিয়োগের গতি বাড়াকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখেছে এসঅ্যান্ডপি।
বেসরকারি বিনিয়োগেও গতি বাড়ার লক্ষণ দেখছে ফিচ। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভারতে বিনিয়োগ ১০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে। জুলাইয়ে খাদ্যবহির্ভূত খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বছরওয়ারি ১৯ শতাংশে পৌঁছেছিল বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বৈশ্বিক ধাক্কা সামলানোর সক্ষমতা
ভারত ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, উচ্চ জ্বালানি মূল্য এবং বাণিজ্যিক চাপের মধ্যে রয়েছে। তারপরও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বড় ধরনের ধাক্কা খায়নি।
ফিচের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রভাবের মধ্যেও এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ভারতের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা তুলে ধরেছে।
ইরান সংঘাতের মধ্যে ভারতের অর্থনীতির স্থিতিশীলতার কথা বলেছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান মুডিস। তারা এফওয়াই২৭-এর প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৭ শতাংশ করেছে।
তবে মুডিস সতর্ক করেছে, জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং এল নিনোর কারণে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ভারতের অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বাড়তি গতি দিচ্ছে রপ্তানিও
এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভারতের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধিতে পণ্য রপ্তানির অবদানও তুলে ধরেছে এসঅ্যান্ডপি। ফলে দেশটির প্রবৃদ্ধি এখন শুধু একটি খাতের ওপর নির্ভরশীল নয়। ভোগ অভ্যন্তীণ চাহিদা বাড়াচ্ছে, সরকারি ব্যয় বিনিয়োগে সহায়তা করছে, বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আসছে এবং রপ্তানি অর্থনীতিতে বাড়তি কর্মকাণ্ড তৈরি করছে।
তবে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়লেও অর্থনীতির সব ঝুঁকি দূর হয়ে যায়নি। এসঅ্যান্ডপি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভারতের গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।
সংস্থাটি রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার নীতিসুদ ২৫ ভিত্তি পয়েন্ট বাড়ানোরও সম্ভাবনা দেখছে। ফিচও শক্তিশালী চাহিদা, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং সরবরাহ পরিস্থিতির অবনতির কারণে অক্টোবরে সুদ বাড়ানোর পূর্বাভাস দিয়েছে।
অর্থনীতিবিদ ড. ত্রিপাঠির ভাষায়, আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থাগুলো মূলত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুটা প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে বলে বেশি আশাবাদী। তবে পুরো অর্থবছর নির্বিঘ্ন যাবে—এমন পূর্বাভাস তারা দিচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪০ বছর বয়স পার করেছেন। জীবনে একাধিক সম্পর্কের মধ্যে জড়ালেও দক্ষিণী তারকা শ্রুতি হাসান এখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। তিনি ব্যক্তিগত জীবন থেকে অভিনয়, সব বিষয়েই স্পষ্টভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পছন্দ করেন। এবার বিয়ে নিয়ে তার ভাবনা প্রকাশ করলেন এই অভিনেত্রী।
সোহা আলি খানের পডকাস্টে অতিথি হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন শ্রুতি। সেখানে বিয়ের প্রসঙ্গও উঠে আসে। অভিনেত্রীর কাছে বিয়েটি কেবল কাগজে-কলমে একটি সম্পর্ক নয়, বরং এটি দুইজন মানুষের আত্মিক বন্ধন। তাই তিনি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন কিংবা আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্মানকে বেশি গুরুত্ব দেন।
শ্রুতি হাসান বলেন, "আমার কাছে সুন্দর ব্যাপার হলো, আমার সঙ্গী ও আমি প্রতিদিনই যেন একে অপরকে বেছে নিই। কিন্তু সেটা কোনো কাগজপত্রের কারণে নয়, বরং আমাদের ভালোবাসা থেকে।"
অতীতে শ্রুতি সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এমনকি বিয়ের কথাও ভাবা হয়েছিল। তবে বিয়ের আগে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। যদিও এই অভিজ্ঞতা তার মনে বিয়ের প্রতি কোনো ভীতি তৈরি করেনি। বরং বিয়ের আয়োজন নিয়ে তার ভিন্ন ধরনের ভাবনা রয়েছে।
তিনি মনে করেন, বিয়েতে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই অর্থ অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা যেতে পারে।
অভিনেত্রীর কথায়, "এসব আয়োজন আসলে কার জন্য করি আমরা? যারা বড় অঙ্কের টাকা খরচ করেন, তাদের লজ্জা দিতে চাই না। তবে বিষয়টি আমাকে সব সময় ভাবায়। বিয়েতে অহেতুক টাকা খরচ না করে সেই অর্থ দাতব্য কাজে (অসহায়দের) দিন!"
মাতৃত্ব নিয়েও শ্রুতির ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, মাতৃত্বের বিষয়টি তার ভালো লাগে। তবে এটি পরিবার কিংবা সমাজের প্রত্যাশা পূরণের জন্য নয়, বরং নিজের ইচ্ছাতেই মা হতে চান তিনি।
বর্তমানে অভিনয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রুতি। তার হাতে রয়েছে একটি তামিল ও একটি তেলুগু সিনেমা। তামিল সিনেমা ‘ট্রেন’-এর শুটিং ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, বর্তমানে প্রি-প্রডাকশনের কাজ চলছে। অন্যদিকে তেলুগু সিনেমা ‘আকাশামলো ওকা তারা’র শুটিং চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ