ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের আখড়া, জনভোগান্তি চরমে


আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের আখড়া, জনভোগান্তি চরমে

আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে প্রতিকার চেয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

বুধহাটা গ্রামের হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগে এবং ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও তার ক্যাম্পাসের পরিবেশ অপরিস্কার ও অস্বাস্থ্যকর। এর ফলে রোগী এবং রোগির স্বজনদের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে হাসপাতালের বাইরের পরিবেশ খুবই নাজুক ছিল, যেখানে মশার প্রজনন এবং দুর্গন্ধে পরিবেশ দুষিত হয়ে পড়ে। হাসপাতালের রোগিদের থাকার কক্ষ নোঙরা হলেও টয়লেট ও বেসিং ব্যবহারে কষ্ট হচ্ছে। পাকঘরের অবস্থাও সন্তোষজনক নয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ গোলদার রূঢ় স্বভাবের, দুর্নীতি পরায়ন এবং অসদাচরণকারী। তিনি কর্মস্থলে ইচ্ছেমত যাতায়াত করেন এবং মানুষের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। খাদ্য সরবরাহের ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ দাবী করার এবং হাসপাতালের ঔষধ নয়ছয় করার অভিযোগও রয়েছে। হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারে ড্রাইভারের মাধ্যমে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় করে আত্মসাৎ করার অভিযোগও উঠেছে। সরকারি রেট অনুযায়ী প্রতি কিমি ১০ টাকা ভাড়া থাকলেও নানা তালবাহনা করে টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে। আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাতক্ষীরা হাসপাতালে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩০০ টাকা, যাতায়াত খরচ ধরলে ৬০০ টাকা হলেও ৮০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। রোগীরা হাসপাতাল গিয়ে ঠিকভাবে ঔষধ পান না, মাসের শুরুতেই ঔষধ ফুরিয়ে যায়, আবার কখনো কখনো বিশেষ শ্রেণির মানুষের পকেটে বড় সংখ্যার ঔষধ বিতরণ হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: কৃষিজমির কাজ ও গবাদিপশুর চারণভূমি রক্ষায় মানববন্ধন

উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। সাতক্ষীরা থেকে আশাশুনি যাতায়াতের সময় এবং উপজেলা থেকে কোন কাজে যাওয়ার পথে মাঝে মাঝে ২/১টি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পদধুলি পড়ে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকে তার পদছায়া পড়েনি। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, প্রত্যান্ত এলাকার কোন ক্লিনিকে গমন দূরের কথা, অধিকাংশ ক্লিনিকে ডাঃ নীতিশ গোলদার যাননি। বালিয়াপুর কমিউনিটি ক্লিনিক চরম অনিয়মের মধ্যে চলে আসলেও কোন প্রতিকার হয়নি। এলাকাবাসী বারবার অভিযোগ করলেও তারা প্রতিকার পায়নি এবং চিকিৎসা সেবার প্রতিকারে অভিযোগ করতে গেলে উল্টো মামলা করার হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালের কোয়াটারে না থেকেও বাসা ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আশাশুনি হাসপাতালে রোগি ভর্তির অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়ে স্লিপ/টোকেন নিয়ে কয়েকবার কাউন্টারে ঔষধ আনতে গিয়ে ঔষধ না পেয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। বলা হয়েছে ঔষধ ফুরিয়ে গেছে। ঔষধ না থাকলে ডাক্তার সাহেব লিখলেন কেন, এই প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব তিনি পাননি। তিনি আরও বলেন, মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ঔষধ শেষ হয়ে যায়। ফলে বাকী ১৫ দিন রোগিদের ভোগান্তি লেগে থাকে। ঔষধ নাই বললেও টোকেন ঠিকই রেখে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোন সত্যতা নেই। "আপনারা অফিসে আসলে বিস্তারিত বলতে পারবো।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীমঙ্গলে এক মাসে বর্ষার কারণে ২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


শ্রীমঙ্গলে এক মাসে বর্ষার কারণে ২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

বর্ষার পানি ও আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন অঞ্চলে সাপসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসছে। গত এক মাসে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন শ্রীমঙ্গলে ২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে।

ফাউন্ডেশনের সূত্রে জানা যায়, ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সাপসহ এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়। খবর পাওয়ার সাথে সাথে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীগুলো পরে শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করেন।

উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গোখরা, ফণিমনসা, দাঁড়াশ, পাইন্না, আইড ক্যাট স্নেক ও অজগর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া বনবিড়ালের বাচ্চা, গন্ধগোকুল, মুখপোড়া হনুমান ও শালিকসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অজগরগুলোর মধ্যে ১৪ ও ১৬ ফুট লম্বা দুটি অজগরও রয়েছে। হাইল হাওর থেকে জালে আটকা পড়া একটি অজগর এবং কমলগঞ্জের পানিশালা এলাকা থেকে একসাথে পাঁচটি মনোক্লেড সাপের বাচ্চাও উদ্ধার করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে অতিবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যার কারণে সাপের গর্তসহ মাটির নিচের বিভিন্ন আশ্রয়স্থল পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে নিরাপদ ও শুকনো আশ্রয়ের সন্ধানে সাপসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী উঁচু জায়গা, বসতবাড়ির আঙিনা কিংবা ঘরের আশপাশে চলে আসে। বৃষ্টির কারণে তাদের স্বাভাবিক খাদ্য ও শিকারের চলাচলেও পরিবর্তন ঘটে। এ কারণে এ সময়ে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেতে পারে।

এছাড়া বন, ঝোপঝাড় ও প্রাকৃতিক আবাসস্থলের পরিবর্তন এবং মানুষের বসতি সম্প্রসারণের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ও মানুষের বসতির দূরত্ব কমে আসা লোকালয়ে বন্যপ্রাণী আসার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, "লোকালয়ে সাপ বা অন্য কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে আতঙ্কিত হয়ে সেটিকে হত্যা করা উচিত নয়। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে দ্রুত ফাউন্ডেশন বা বন্যপ্রাণী বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খবর দিলে প্রাণীটি নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব।"

তিনি আরও বলেন, "বন্যপ্রাণী প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মানুষ ও বন্যপ্রাণী উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতা ও দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম জরুরি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাউয়াছড়ায় ট্রেনের হুক খুলে ৯টি বগি বিচ্ছিন্ন, ৪ ঘণ্টা চলাচল বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


লাউয়াছড়ায় ট্রেনের হুক খুলে ৯টি বগি বিচ্ছিন্ন, ৪ ঘণ্টা চলাচল বন্ধ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া বনাঞ্চল এলাকায় আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগির মধ্যবর্তী হুক খুলে যাওয়ার ফলে পেছনের নয়টি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই ঘটনায় ওই রেলপথে ট্রেন চলাচল প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকে। পরে বিচ্ছিন্ন বগিগুলো পুনরায় যুক্ত করে ট্রেনটি শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে প্রায় চার ঘণ্টা বিলম্বে পৌঁছায়। আজ শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস লাউয়াছড়া বনাঞ্চল অতিক্রম করার সময় এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ট্রেনটি যখন লাউয়াছড়া বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে চলছিল, তখন বগির মধ্যবর্তী হুক খুলে যায়। এর ফলে ট্রেনের পেছনের গার্ডব্রেকসহ ৯টি বগি মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় ইঞ্জিনসহ সামনের অংশে ১১টি বগি নিয়ে ট্রেনটি প্রায় আধা কিলোমিটার সামনে চলে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে ট্রেনের গার্ড ওয়াকিটকির মাধ্যমে চালককে অবহিত করেন, ফলে চালক ইঞ্জিনসহ ১১টি বগি নিয়ে ট্রেনটি থামিয়ে দেন। পরে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিচ্ছিন্ন বগিগুলো পুনরায় ট্রেনের সামনের অংশের সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ নেন। শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত সহকারী স্টেশন মাস্টার শিপলু সূত্রধর জানান, ইঞ্জিনসহ ১১টি বগি নিয়ে ট্রেনটি পেছনের দিকে গিয়ে বিচ্ছিন্ন বগিগুলোর সঙ্গে হুক যুক্ত করে। এরপর ট্রেনটি আবার যাত্রা শুরু করে।

তিনি জানান, প্রায় চার ঘণ্টা বিলম্বের পর বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায়। এদিকে, ট্রেনটি দীর্ঘ সময় পথে আটকে থাকার কারণে এবং রেলপথে চলাচল বন্ধ থাকায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের কয়েকশ যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। দীর্ঘ সময় ট্রেনের ভেতরে অবস্থান করতে হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ভোগান্তি ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। হঠাৎ করে বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেম্বারের বিরুদ্ধে ইট আত্মসাৎ ও কাবিটার বিল উত্তোলনের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


মেম্বারের বিরুদ্ধে ইট আত্মসাৎ ও কাবিটার বিল উত্তোলনের অভিযোগ

আশাশুনি উপজেলার হাসাঁখালী গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার হেরিংবন্ডের ইট তুলে আত্মসাৎ ও অন্য রাস্তার ইট তুলেনিয়ে কাবিটা কর্মসূচির কাজ করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ স্থানীয় ইউপি সদস্য মঙ্গল চন্দ্রের বিরুদ্ধে উঠেছে। এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন, যাতে তদন্ত পূর্বব মেম্বারের শাস্তি এবং ইট উঠিয়ে নেয়া রাস্তা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তর গাইয়াখালী ব্রিজ হতে হাসাঁখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের ১ কিলোমিটার মত রাস্তাটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। এই রাস্তা ইটদিয়ে (হেরিংবন্ড) তৈরি ছিল। কয়েক মাস আগে সদর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মঙ্গল চন্দ্র সরকার আনুমানিক ৫০ হাজার ইট উত্তোলন করে নিয়ে যান।

গ্রামবাসীরা ইট তোলায় বাধা দিলে ইউপি সদস্যের লোকজন তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে রাস্তার ইট তুলে ফেলার কারণে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া রাস্তা থেকে নেয়া ইটের মধ্যে কিছু ইট পাশে কাবিটা কর্মসূচির রাস্তার কাজে লাগিয়ে বিল উত্তোলন করেছেন মেম্বার মঙ্গল চন্দ্র সরকার। ফলে রাস্তার ইট তুলে নেয়ায় এলাকার মানুষ বর্ষা মৌসুমে চরম বিপদে পড়েছেন, এবং বর্তমানে যানবাহন নিয়ে চলাচলেও ভোগান্তিতে রয়েছেন।

ভুক্তভোগি বাবুরাম মন্ডল জানান, উঃ গাইয়াখালী ব্রীজ হতে হাঁসখালী প্রাইমারী স্কুলের সামনে দিয়ে চলে যাওয়া প্রায় ১ কিঃমিঃ রাস্তার অধিকাংশ ইট মেম্বার তারক চন্দ্র সরকার আইনকে তুয়াক্কা না করে উঠিয়ে নিতে ছিলেন। গ্রামবাসী বাধা দিলে শোনেননি। তিনি জানান, উঠানো ইটদিয়ে অন্যত্র কাজ করবেন, পরে এই রাস্তা ঠিক করে দেয়া হবে। কিন্তু মেম্বার উঠিয়ে নেয়া ইট আত্মসাৎ করেছেন, ফলে বর্ষা মৌসুমে রাস্তার মাটি ধুয়ে নষ্ট ও নীচু হয়ে গেছে। এলাকাবাসী জানতে চায়, কার অনুমতি নিয়ে সরকারি রাস্তার ইট উঠিয়ে নেয়া হলো, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তায় মাটির কাজ ও ইটের কাজ কে করবে। সাথে সাথে অভিযোগ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ ও রাস্তা পুনঃ নির্মাণ করে জনভোগান্তি দূর করতে জোর দাবী জানান তিনি।

স্থানীয় ভক্ত কুমার বৈরাগী জানান, রাস্তাটি হেরিংবন্ড ছিল। ইট তুলে মেম্বার আত্মসাৎ করায় জনভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে হাঁসখালী স্কুল থেকে তারিকের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সরকারি বরাদ্দ ছিল, কাবিটা প্রকল্পের। কিন্তু মেম্বার বরাদ্দের নতুন ইট ব্যবহার না করে অন্য রাস্তা থেকে অবৈধভাবে ইট তুলে কিছু ইট এখানে পাতিয়ে দিয়ে এবং স্কুলের মাঠে উঠানো বালি ব্যবহার করে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকার বিল তুলে নিয়েছেন। তারা এর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।

স্থানীয় আরো অনেকে মেম্বারের পোষা ব্যক্তিদের ভয়ে ভীত হয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মেম্বারের ইট তুলে আত্মসাৎ, কাবিটা কর্মসূচির কাজে সরকারি রাস্তার ইট নিয়ে অবৈধ ব্যবহারসহ নানান অপকর্মের অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা উপজেলা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য মঙ্গল চন্দ্র সরকারের সাথে কথা বলা হলে তিনি ইট আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীমঙ্গলের দুই ক্ষুদে গবেষক চ্যাম্পিয়ন, শিক্ষাঙ্গনে আনন্দের ঢেউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


শ্রীমঙ্গলের দুই ক্ষুদে গবেষক চ্যাম্পিয়ন, শিক্ষাঙ্গনে আনন্দের ঢেউ

শ্রীমঙ্গলের দুই ক্ষুদে গবেষক ফাহমিদা আমিন আদিবা ও অন্বেষা ধর ‘চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন-২০২৬’-এর ‘ক’ গ্রুপে সারাদেশে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অনুষ্ঠিত হয় ‘চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন-২০২৬’-এর চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সেন্ট মার্থাস উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহমিদা আমিন আদিবা এবং তার সহপাঠী অন্বেষা ধর যৌথভাবে একটি দল হিসেবে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত পর্বে তাদের গবেষণার উপস্থাপনা এবং বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে তারা ‘ক’ গ্রুপে দেশসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

ফাহমিদা ও অন্বেষা জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে তারা ক্ষুদে গবেষক হিসেবে তাদের গবেষণা কার্যক্রম শুরু করে। প্রায় নয় মাস ধরে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার পর শনিবার তাদের চূড়ান্ত উপস্থাপনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থাপনা ও বিচারকদের দেওয়া নম্বরের ভিত্তিতে তাদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। পরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

‘চিন্তার চাষ ক্ষুদে গবেষক’ প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে। এবারের প্রতিযোগিতায় ফাহমিদা ও অন্বেষা প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দল গঠন করে অংশ নেয়। তাদের এই সাফল্য শ্রীমঙ্গলের শিক্ষা অঙ্গনে আনন্দের সৃষ্টি করেছে। ফাহমিদা আমিন আদিবা ও অন্বেষার পরিবার তাদের এই অর্জনে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে এবং ভবিষ্যতে নতুন বিষয়ে গবেষণা করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে দুই ক্ষুদে গবেষকের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছে পরিবার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%