বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
--
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আপনার চোখকে ভালোবাসুন
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শেরপুরে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে 'বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬'।
বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার গাজীরখামার মডেল একাডেমিতে ডা: কে জামান বিএনএসবি চক্ষু হাস্পাতাল ময়মনসিংহ পরিচালিত "ভিশন সেন্টার-শেরপুর"- এর আয়োজনে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়, র্যালিটি গাজীরখামার বাজার প্রদক্ষিন করে পুনরায় একাডেমি প্রাঙ্গনে এসে শেষে হয়।
পরে একাডেমি প্রাঙ্গনে আয়োজিত চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শেরপুর ডায়াবেটিস সমিতি জেনারেল হাসপাতালের সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়া।
ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে ২৪২ জন চক্ষু রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করা, ১৩৫ জন চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ এবং৩৬ জন চক্ষু রোগীর ছানী অপারেশনের ব্যবস্থা করা হয়।
এসময় ভিশন শেরপুর-এর ইনচার্জ মনিরুজ্জামান মানিক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও চিকিৎসাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের পর, এবার তথাকথিত বাংলাদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে প্রায় ৩০০ জনকে পুশ-ইনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কাশ্মীর উপত্যকা ও জম্মু অঞ্চলে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের’ বিরুদ্ধে কড়াকড়ি জোরদার করা হয়েছে। বিবিসি নিউজ উর্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি জানায় যে, বাংলাদেশ থেকে আগত প্রায় ৬০০ জন তথাকথিত অবৈধ অভিবাসী কয়েক বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন।
কর্মকর্তাদের দাবি, এসব ব্যক্তি বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছেন। ইতোমধ্যেই প্রায় ৩০০ জনকে দুটি পৃথক দলে ভাগ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যা তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ।
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি ও স্থানীয় প্রশাসন অভিযোগ করছে যে, অননুমোদিত অভিবাসীদের উপস্থিতি স্থানীয় অর্থনীতি ও জীবিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এ ছাড়া নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করেছে প্রশাসন।
অন্যদিকে, মানবাধিকারকর্মীরা এই ধরনের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। সাংবাদিক ও বিশ্লেষক হারুন রেশি জানান, আন্তর্জাতিক আইনের ‘নন-রিফাউলমেন্ট’ নীতি অনুযায়ী কাউকেই এমন দেশে ফেরত পাঠানো উচিত নয় যেখানে তার জীবন বা স্বাধীনতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ভারতের সুপ্রিম কোর্টও বিভিন্ন সময় দেশটির সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে বিদেশিদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার ওপর জোর দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি প্রবাসী কর্মীদের দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে যাতে কোনো ধরনের অবহেলা বা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে নজরদারি জোরদারের সুপারিশ করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সুপারিশটি উত্থাপন করা হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
বৈঠকে কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ড সংঘটিত না হয়।
মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিভিন্ন দেশে মোট ৪ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৬ জন কর্মী পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে নারী কর্মীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ৫৯০ জন। এই সময়ের মধ্যে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার বেশি।
বৈঠকে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে ইরান থেকে ১৮৬ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন নারী এবং ৮ জন শিশু রয়েছে।
সরকার অনুমোদিত বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি এবং বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে বিদেশে কর্মী পাঠানো হচ্ছে। দেশে মোট রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ২ হাজার ৮৬০টি, যার মধ্যে সক্রিয় রয়েছে ২ হাজার ১৮৭টি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, কমিটির সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, মো. জসিম উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম হিলালী, নাসির উদ্দিন আহমেদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম এবং আবুল কাওসার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের অধীন দফতর ও সংস্থার প্রধান এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিপি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা ফ্রি ট্রেড জোন এবং রেলভিত্তিক ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো স্থাপনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত। প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান এসা কাজিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বন্দর ব্যবস্থাপনা ও লজিস্টিকস খাতের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা ও আধুনিকায়নে বাংলাদেশ ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৫ বছর মেয়াদি কনসেশন চুক্তি সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।
এই চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল এবং এর ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড। টার্মিনালটির আধুনিকায়ন, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বন্দর ও লজিস্টিকস অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়াতে এই অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো স্থাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধিদলের আগ্রহের কথা জানতে চান। প্রতিনিধিদল জবাবে এসব খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ