কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৪ পি.এম
নবীনদের পদচারণা, ফুলেল শুভেচ্ছা আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে উঠেছিল ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজ ক্যাম্পাস। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শিক্ষকরা। নতুন সহপাঠী, নতুন পরিবেশ ও নতুন শিক্ষাজীবনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। পুরো কলেজ ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করে আনন্দঘন পরিবেশ।
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কলেজের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় নবীন বরণ অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ এম.এম. মুজিবুর রহমান মুজিব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ এম.এম. মুজিবুর রহমান মুজিব নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার পাশাপাশি নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে এবং ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নিজেদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তোমাদের সুন্দর ভবিষ্যৎই আমাদের প্রত্যাশা।
মো. মোজাফফর হোসেন ও সুলতানা রাফিজার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক লকিবুর রহমান মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মদ কবিরুল আমল ও মো. বাবুল শিকদার।
এ সময় নবীন শিক্ষার্থীরাও তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসে শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে তারা আনন্দিত। নবীন শিক্ষার্থীরা কলেজের শিক্ষাজীবনে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বক্তারা নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধ ধারণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিশরে কর্মরত বাংলাদেশি পোশাক শ্রমিকদের দক্ষতা, নিষ্ঠা ও কর্মমানের প্রশংসা করে বাংলাদেশ থেকে আরও কর্মী নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটির একটি শীর্ষস্থানীয় পোশাক কারখানা। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতাও চেয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মিশরের মোনুফিয়া ফ্রি জোনে অবস্থিত এলিগেন্স অ্যাপারেলস ফ্যাক্টরি পরিদর্শনকালে কারখানা কর্তৃপক্ষ এ আগ্রহের কথা জানায়। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) গৌতম কুমার দে এবং শ্রম সচিব মো. জাকির হোসেন কারখানাটি পরিদর্শন করেন।
কারখানা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এলিগেন্স অ্যাপারেলসে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৮০০ কর্মী কাজ করছেন। এর মধ্যে দুই শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছে। কারখানাটিতে উৎপাদিত পোশাক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও বহুজাতিক ক্রেতার কাছে রপ্তানি করা হয়।
পরিদর্শনকালে কারখানা কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মদক্ষতা, দায়িত্বশীলতা, পরিশ্রম ও কাজের মানের প্রশংসা করে। তারা বাংলাদেশি কর্মীদের কাজে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মী নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে। এ জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
ওয়ার্ক পারমিট বন্ধ, তবু বৈধ হওয়ার সুযোগ রয়েছে। মিশরে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সরকারি পর্যায়ে ওয়ার্ক পারমিটভিত্তিক ভিসা চালু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে দেশটিতে নতুন করে বাংলাদেশি শ্রমিক যাওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। তবে দেশটিতে আগে থেকেই বসবাসরত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দূতাবাস-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে মিশরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত দুই হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিককে বৈধতার আওতায় আনার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত অবস্থায় থাকা অনেক বাংলাদেশি কর্মী বৈধভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন।
এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও কর্মমানের প্রতি মিশরীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে পোশাকশিল্পে বাংলাদেশি কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
কর্মীদের কল্যাণে গুরুত্ব দূতাবাসের
এলিগেন্স অ্যাপারেলস পরিদর্শনের সময় দূতাবাসের কর্মকর্তারা কারখানায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তারা কর্মপরিবেশ, আবাসন, সুযোগ-সুবিধা এবং কর্মক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আবাসনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়টিও তারা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে কারখানা কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশ থেকে আরও কর্মী নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে উৎসাহিত করা হয়। পাশাপাশি বর্তমানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল্যাণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
দূতাবাসের পরিদর্শনে সন্তুষ্ট কর্মীরা
এ সময় কারখানাটিতে কর্মরত বাংলাদেশি প্রোডাকশন ম্যানেজার হোসেন ও প্রোডাকশন সুপারভাইজার মাসুদ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কর্মস্থল পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তারা বলেন, দূতাবাসের কর্মকর্তারা সরাসরি কর্মস্থলে এসে বাংলাদেশি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলায় তারা আনন্দিত। কর্মীদের স্বার্থ ও কল্যাণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য তারা দূতাবাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থে নিয়মিত পরিদর্শন হবে।
পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) গৌতম কুমার দে বলেন, মিশরে যেসব প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি কর্মীরা কাজ করছেন, সেসব প্রতিষ্ঠান নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ, কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য দূতাবাস কাজ করে যাবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও সুনাম যেন মিশরে আরও বৃদ্ধি পায় এবং দেশটিতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারিত হয়, সে বিষয়ে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।
এলিগেন্স অ্যাপারেলস ফ্যাক্টরি পরিদর্শনকে মিশরে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে দূতাবাসের সরাসরি যোগাযোগ আরও জোরদার এবং সম্ভাব্য নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র চিহ্নিত করার একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশন আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আশা করছে, যা পরীক্ষাসহ সব দিক বিবেচনায় নিয়ে করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন ও উপনির্বাচনসহ বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এ তথ্য জানান।
ইসি আনোয়ারুল বলেন, পাবলিক পরীক্ষা বাদ দিয়ে পরবর্তী সময়ে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে কমিশন চিন্তা করছে। বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জানুয়ারিতে নির্বাচন শুরু হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কমিশন সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছিল, কিন্তু পরে দেখা যায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। পাশাপাশি বন্যার কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়গুলো পিছিয়ে যাওয়ার মতো বিষয়গুলোও রয়েছে। তাই রমজান, ঈদ, পূজা, এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষাসহ সব দিক বিবেচনা করে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে কমিশন।
অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সরকারের কোনো চাপে নির্বাচন কমিশন তারিখ পেছায়নি। বরং বাস্তবতা, আইন ও সংবিধান সবকিছু বিবেচনা করেই কমিশন তারিখ ঘোষণা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের উন্নয়নে জাতিসংঘের কার্যকরী ভূমিকা রাখার প্রত্যয় আজ প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইউএনডিপি'র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান রডরিক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ভাবনা ও রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার কিভাবে বৃহৎ পরিসরে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করতে পারে, সে বিষয়টি বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায়। এছাড়া, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বাংলাদেশে জাতিসংঘের সামগ্রিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে রুই জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে রুই (১৬০ কেজি), কাতলা (১২০ কেজি), মৃগেল (৮০ কেজি), কালিবাউস (৪০ কেজি) মাছের ৪০০ কেজি পোনা অবমুক্ত করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, জন বিভাগের সচিব, প্রেসসচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বঙ্গভবন ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ