নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
১০:৩৮ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বেশ কিছু কৃষক গত কয়েক বছর ধরে গরমের মধ্যে শীতকালীন সবজি চাষ করছেন, অধিক লাভের প্রত্যাশায়। এবার সারা বছরই সবজির বাজার চড়া থাকায় তাদের কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায়, শীত আসার আগেই ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষাবাদ শুরু করেছেন তাঁরা। চারা রোপণের ৮-১০ দিন পর থেকেই কৃষকেরা ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। দুই-তিন দিন পর পর জমিতে কীটনাশক ও সেচ দিচ্ছেন তাঁরা।
উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে আগাম শীতকালীন সবজি, যেমন বাঁধাকপি, শিম, বেগুন, শসা ও ঢ্যাঁড়শ বিক্রি হচ্ছে এবং এসবের দামও বেশ চড়া। এই কারণে শীতকালীন আগাম সবজির চাষাবাদ করে লাভবান হওয়ার জন্য কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। ফলে, চড়া বাজারে আরও বেশি লাভের আশায় কৃষকেরা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিশ্রম করছেন।
সৈয়দপুর উপজেলার সবজি চাষের ব্যাপক সুনাম রয়েছে। বোতলাগাড়ী, কামারপুকুর, বাঙালীপুর, কাশিরাম ও খাতামধুপুর ইউনিয়নের কৃষকেরা শীতকালীন সবজি, যেমন মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, টমেটো, পালংশাক, লালশাক, পুঁইশাক ও পেঁয়াজ শীত নামার আগেই বাজারে নিয়ে আসেন। এ ছাড়াও, এসব এলাকার কৃষকরা শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন সবজি ও চারা চাষ করে আশপাশের জেলা ও উপজেলাগুলোতে সরবরাহ করেন।
সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সৈয়দপুরে প্রতি বছর শীতকালীন সবজির ভালো চাষ হয়ে থাকে। এবারের বৃষ্টি কম হওয়ায় চারা ভালো হয়েছে। শীত আসার এখনো সময় বাকি থাকলেও, সবজি চাষিরা আগাম সবজি চাষ শুরু করে দিয়েছেন। এ বছর উপজেলায় ৫০০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন আগাম সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে ১০ থেকে ১১ হাজার মেট্রিক টন ফসল উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।
বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের শ্বাসকান্দর এলাকার কৃষক রেজাউল প্রতি বছর আগাম সবজি চাষ করেন। এবারে তিনি দুই বিঘা জমিতে আগাম ফুলকপি লাগিয়েছেন এবং দিনরাত পরিশ্রম করছেন। ফুলকপি পরিপূর্ণ হতে আরও কিছু দিন সময় লাগবে। তিনি জানান, "আগাম সবজি চাষ কষ্টসাধ্য হলেও দ্বিগুণ লাভ হয়।" এবারে তিনি চার টাকা দরে চারা কিনে রোপণ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে সবজি চাষের জন্য খরচ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। খরার কারণে ফলন হতে কিছু দেরি হলেও লাভ ভালো হবে বলে জানান এই কৃষক।
খাতামধুপুর ইউনিয়নের খালিশা গ্রামের কৃষক আজম আলী জানান, তিনি প্রত্যেক শীতে তিনবার শীতকালীন সবজি চাষ করেন। চারা থেকে বাজারে তোলার উপযোগী ফুলকপি চাষ করতে দুই মাস সময় লাগে। ইতিমধ্যে ১০ শতক জমির আগাম ফুলকপি ৩৫০০ টাকা মন দরে বিক্রি করেছেন। এখন আরও ২০ শতক জমির ফুলকপি বাজারে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। তিনি বলেন, "আগাম শীতকালীন সবজি যার যত বেশি আগে বাজারে আসবে, সে তত লাভবান হবে।"
কামারপুকুর ইউনিয়নের বাগডোকরা গ্রামের নারী কৃষক নাজমা বেগমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রতি বছর শীতকালীন সবজি গরমের মধ্যে চাষ করে ভালো আয় করেন। তাঁর জমিতে শিম, টমেটো, মরিচ, বেগুন ও ফুলকপি রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যা করছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে শীতকালীন সবজি বাজারে তুলতে পারবেন চলতি মাসের শেষ দিকে।
বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের বড়দাহ গ্রামের কৃষক আহাদ জানান, এবারে শীত মৌসুমের আগেই প্রায় ৩ বিঘা জমিতে ফুলকপি ও ২ বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চারা রোপণ করেছেন। প্রায় ৫০-৬০ দিন পর ফুলকপি ও বাঁধাকপি বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। তিনি বলেন, "বর্তমান সময়ে অনেকেরই কাজ থাকে না, জমিও পড়ে থাকে প্রায় দুই মাস। এ কারণে আগাম ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষাবাদ করেছি। এতে একদিকে যেমন বেশি দামে এসব বিক্রি করতে পারব, অন্যদিকে বেকার থাকা মানুষরাও মজুরি পেয়ে যাচ্ছেন।" তিনি আরও জানান, ফুলকপি ও বাঁধাকপির চারা রোপণ থেকে বিক্রি করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও ২ লাখ টাকারও বেশি লাভের আশা করছেন।
ওই ইউনিয়নের পোড়ার হাট এলাকার কৃষক সামাদ ২ বিঘা জমিতে ফুলকপি, ১ বিঘা জমিতে ঢ্যাঁড়শ, ৫ কাঠা জমিতে বেগুন ও ১ বিঘা জমিতে করলা চাষ করেছেন। তিনি বলেন, "কৃষি অফিসের পরামর্শে গত বছর থেকে আগাম শীতকালীন সবজি চাষাবাদ করে অনেক লাভবান হয়েছি। এবারে যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে, তাহলে ২ লাখ টাকারও বেশি লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, জুলাই মাসের শেষের দিকে তাঁর দেড় বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চারা রোপণ করেছিলেন। এতে খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা। কিন্তু ওই জমির বাঁধাকপি সেপ্টেম্বরের শেষে বিক্রি করবেন প্রায় ১ লাখ টাকায়।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, "অনেক কৃষক বেশি লাভের আশায় আগাম সবজি চাষ করেন। এখন এই উপজেলাতে যে সবজি চাষ হচ্ছে, তা রবি মৌসুম শুরুর আগেই করে থাকেন কৃষকরা। সবজি চাষে ফলন ভালো হয়। সাধারণত কার্তিক মাসে শীতকালীন সবজির চাষ শুরু হয়। এবারে ৫০০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন আগাম সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে আবাদকৃত এসব সবজি ইতিমধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিনিধি সম্মেলন, আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনাসহ নানা জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল 'বাংলাদেশ মেইল২৪.নিউজের' তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবসরের প্রায় এক যুগ পর পেশাদার ফুটবলে আবারও প্রবেশ করতে যাচ্ছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদিনহো গাউচো। ৪৬ বছর বয়সী এই ফুটবল তারকা ইতালির সিরি-সি লিগের ক্লাব র্যাভেনার হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামী ১৫ নভেম্বর ফরলি এফসির বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বহুল আলোচিত ডার্বি ম্যাচে তিনি খেলতে যাচ্ছেন, যেখানে ড্রিবলিংয়ের এই জাদুকরকে দেখা যাবে।
গত জুন মাসে প্রথমবারের মতো ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি করে ফুটবলবিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন ২০০২ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার। শুক্রবার তিনি নতুন ক্লাবের জার্সিতে মাঠে নামার আনুষ্ঠানিক তারিখ ঘোষণা করেন। এর আগে, পেশাদার ক্যারিয়ারে ২০১৫ সালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লুমিনেন্সের হয়ে শেষবার মাঠে নামেন এই ব্যালন ডি’অরজয়ী মহাতারকা।
একটি বিজ্ঞপ্তিতে সিরি-সি’র ক্লাব র্যাভেনা জানায়, ‘এটি এমন একটি আয়োজন, যা পুরো বিশ্বের নজর স্তাদিও ব্রুনো বেনেত্তির দিকে আকৃষ্ট করবে। অনেকে হয়তো বিষয়টিকে অবিশ্বাস্য মনে করেছিলেন, কিন্তু আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবলের এক রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তনের নিশ্চিত বার্তা দিচ্ছি। আবার ফিরছে সেই জাদু, সেই চেনা হাসি এবং নিখাদ এক প্রতিভা।’
ইতালির এমিলিয়া-রোমাগনা অঞ্চলের মাত্র ১২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার ছোট ক্লাব র্যাভেনা এতদিন বিশ্বফুটবলে অচেনা ছিল। তবে রোনালদিনহোর যোগদানের ফলে রাতারাতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এই দলটি। ২০২৪ সালে ক্লাবটি কিনেছিলেন শিল্পপতি ইগ্নাজিও চিপ্রিয়ানি, যিনি বিশ্বখ্যাত এই ব্রাজিলিয়ানকে শৈশবের আইকন হিসেবে মানেন। চিপ্রিয়ানির বিশ্বাস, রোনালদিনহোর আগমন ক্লাবটিকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।
পুরনো স্মৃতি ও সম্পর্কের টানেই এই ক্লাবে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাবেক এসি মিলান, বার্সেলোনা ও পিএসজি তারকা। এক সাক্ষাৎকারে রোনালদিনহো বলেন, ‘চিপ্রিয়ানি পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে বহু বছরের সম্পর্কের সূত্র ধরেই এই সুযোগটি এসেছে। আমি রোমাঞ্চ অনুভব করছি এবং আশা করি র্যাভেনার সঙ্গে আমাদের নতুন এই যাত্রা সফল হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবার ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার সিস্টেম স্থাপন করতে যাচ্ছে, যা কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিদ্যুতে স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে, ফলে ২০ বছরে মোট সাশ্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ১০০ কোটি টাকা। তবে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) নির্দেশনা অনুযায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষকে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামানোর জন্য বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর জন্য ১৮টি গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ ১০ ধরনের ১৬৯টি বিশেষায়িত ক্রেন দিন-রাত কাজ করছে। বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ডে ২২ ধরনের আরও ২৭২টি যন্ত্রও সক্রিয় রয়েছে। এছাড়া, বন্দরে ৩০ হাজারের বেশি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রয়েছে।
এই যন্ত্রপাতি ও যানবাহনে ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এবং বিদ্যুতের ব্যবহারও রয়েছে। ফলে, বন্দরের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য মো. জাফর আলম মন্তব্য করেন, ‘বন্দরে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। জাহাজ থেকেও কার্বন নিঃসরণ হয়। আবার বন্দরে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়, তা জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর উৎস থেকে আসে। এটি কোনো সবুজ জ্বালানি নয়।’
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্বন নিঃসরণ বিষয়ক গবেষক ড. মোহাম্মদ আল আমিন জানান, বন্দরকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা সম্ভব। জাহাজ বন্দরে প্রবেশের পর মূল ইঞ্জিন বন্ধ রেখে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে জাহাজের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা গেলে পুরো বন্দরকে সবুজ বন্দরে রূপান্তরিত করা সম্ভব হবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর প্রতিদিন ৭ থেকে ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এজন্য প্রতি মাসে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (পিডিবি) ৫০ কোটি টাকার বেশি বিল পরিশোধ করতে হয়।
কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানও বন্দরের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
এ লক্ষ্যে, বন্দরের বিভিন্ন শেড ও ভবনের ছাদ এবং পরিত্যক্ত জায়গায় সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করেছে কর্তৃপক্ষ। এসব প্যানেল থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যেখানে বন্দরের বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৭ মেগাওয়াট। চুক্তি অনুযায়ী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। সাবেক সদস্য মো. জাফর আলম বলেন, ‘বন্দরে অনেক ছাদ ও শেড রয়েছে। সেগুলো ব্যবহার করে ২০ থেকে ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।’
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, ‘এই বিদ্যুৎ চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যবহৃত হলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমবে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমরা আরও এগিয়ে যাব।’
বন্দরের যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে তা নয়; প্রতিবছর পণ্য নিয়ে বন্দরে আসা চার হাজারের বেশি জাহাজও এই ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরকে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য পূরণ করতে হবে।
এ অবস্থায়, সৌরবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বন্দরে আসা জাহাজগুলোতে সরবরাহ করা গেলে পরিবেশদূষণ কমানোর পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গবেষক ড. মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, ‘জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর প্রবণতা কমিয়ে দেশকে ভবিষ্যতের সবুজ ও জলবায়ুবান্ধব ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে এ উদ্যোগ একটি ভালো পদক্ষেপ হতে পারে।’
আগামী মাস থেকেই বন্দরে সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজ শুরু হবে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ২০ বছর কারিগরি ও তদারকি সহায়তা দেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটি। এ ব্যবস্থায় দিনে সৌরবিদ্যুৎ এবং রাতে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বন্দরের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ