শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৪ পি.এম
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শুক্রবার ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক বন্দিদের পরিবারের সদস্যরা রাজধানী কারাকাসের কেন্দ্রে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।
এদিন তারা একটি বিরল পদক্ষেপ হিসেবে সরাসরি প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে গিয়ে একটি চিঠি হস্তান্তর করেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
দেশটিতে দীর্ঘকাল ধরে ক্ষমতাসীন চাভিসমো রাজনৈতিক দল রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে, বিশেষ করে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের আশপাশে, বিক্ষোভের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে রেখেছে।
তবে শুক্রবার প্রায় ১০০ জন বিক্ষোভকারী মিরাফ্লোরেস প্রাসাদ পর্যন্ত মিছিল নিয়ে যেতে সক্ষম হন। তারা অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কাছে আরও রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন, ‘ডেলসি, আপনি যদি আলোচনা করতে চান, তাহলে বন্দিদের মুক্তি দিয়ে শুরু করুন!’
মিছিলটি প্রাসাদের কাছে একটি পুলিশ ব্যারিকেড পর্যন্ত পৌঁছালে নিরাপত্তা বাহিনী তাদেরকে আটকে দেয়। পরে বিক্ষোভকারীদের দুজন প্রতিনিধিকে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের একটি প্রতিনিধি দল গ্রহণ করে ও তাদের চিঠিটি নেয়।
তবে ডেলসি রদ্রিগেজ নিজে বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি সরকারি সফরে প্রতিবেশী দেশ সুরিনামে অবস্থান করছিলেন।
রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে ৩০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক ব্যক্তির বোন মার্গারেথ বাদুয়েল বলেন, তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের কাছে একটি লিখিত আবেদন পৌঁছে দেওয়া।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘কারণ, তিনি রাজনৈতিক বন্দিদেরকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু সেই ঘোষণাগুলোর সবগুলো বাস্তবায়ন হয়নি।’
মার্গারেথের বাবা রাউল ইসাইয়াস বাদুয়েল ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট ‘হুগো চাভেজের’ আমলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তিনি ২০২১ সালে কারাগারেই মারা যান।
গত মাসে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের আলোচনার পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের দপ্তর ১৩১ জন রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
তবে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ জনের মুক্তির বিষয়টিকে নিশ্চিত করতে পেরেছে।
তাদের হিসাব অনুযায়ী, আরও ৩০০ জনের বেশি রাজনৈতিক বন্দি এখনো আটক রয়েছেন।
শুক্রবারের এই বিক্ষোভ এমন এক সময়ে হলো, যখন অন্তর্বর্তী সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে মাদুরো-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন ও ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ কর্মসূচির উদ্বোধন সারা দেশে করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জে তিন মাসব্যাপী কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একযোগে দেশের এই অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সকাল ৯ টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।
১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাকিলা রহমান, সহকারী কমিশনার মো. ফজলুল করিম টিপু, সহকারী কমিশনার মো. সাব্বির হোসেন শাওন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড.কেট মল্লিক মইন উদ্দিন সুহেল, সদর উপজেলার স্কাউটের সাধারণ সম্পাদক মো. বুরহান উদ্দিনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্কাউট দলের নেতৃবৃন্দ।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সময় সকলকে নিজ নিজ বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার এবং কোনো স্থানে পানি জমতে না দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষকদের কাছে সময়মতো ও সুষ্ঠুভাবে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বরিশালে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) বাফার গুদামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই গুদাম চালুর ফলে বরিশাল অঞ্চলে সার সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গুদামটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিআইসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. মাহমুদুর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ওবায়দুল্লাহ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিসিআইসির পরিচালক (বাণিজ্যিক) ও পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) যুগ্মসচিব মো. মনিরুজ্জামান, পরিচালক (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) মু. খায়রুজ্জামান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান (বিপণন) মো. মঞ্জুর রেজা, বরিশাল বাফার গুদামের ইনচার্জ শাহ আলম গাজী, বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোসাম্মাৎ মরিয়ম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উত্তম ভৌমিকসহ সার ডিলার, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিসিআইসি চেয়ারম্যান ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, কৃষকদের কাছে সময়মতো এবং সুষ্ঠুভাবে সার পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সার সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, সুশৃঙ্খল ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে বিসিআইসি কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে কোথাও সার নিয়ে কোনো সমস্যা বা ঘাটতি দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। একই সঙ্গে সার নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব ছড়িয়ে কৃষকদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি না করার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের গুদামগুলোতে প্রচুর পরিমাণ সার মজুত রয়েছে। বরিশালে উদ্বোধন করা নতুন বাফার গুদামটির ধারণক্ষমতা ৩ হাজার মেট্রিক টন। এই গুদামের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী সার সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে কৃষক পর্যায়ে সারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।
তিনি গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সারসংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য যাচাই করে নেওয়া জরুরি। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হলে কৃষকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং সার সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও বাড়বে।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, কৃষকদের স্বার্থে সার সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হলে তা কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে। বাফার গুদামের কার্যক্রমের মাধ্যমে বরিশাল অঞ্চলে সার ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে পরিচালক (বাণিজ্যিক) ও পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) যুগ্মসচিব মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাফার গুদামটি চালুর ফলে প্রয়োজনের সময় সার মজুত করা এবং দ্রুত বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহে সমন্বয় আরও বাড়বে এবং সার ব্যবস্থাপনা সহজতর হবে। কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সার সরবরাহ সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই কৃষকের স্বার্থে বিসিআইসি, প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, সার ডিলারসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি সারসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে গণমাধ্যমের মাধ্যমে সঠিক তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ রইল।
এ সময় বিভিন্ন সার ডিলার তাদের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নানা সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। অতিথিরা তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার বাইপাস সড়কে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সিরাজুল ইসলাম (৪৫) নামে এক বাইসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
আজ শনিবার সকালে সাড়ে ৮টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের বাইপাস সড়কের আইয়ুব মোড় নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত সিরাজুল ইসলাম ঝিনাইদহ শহরের ভুটিয়ার গাতি গ্রামের আবুল মন্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন।
পুলিশ ও প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজুল ইসলাম বাইসাইকেলযোগে কাজে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে শহরের বাইপাস সড়কের আইয়ুব মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে সাইকেল থেকে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত ডা. হামিদুর রহমান বাসসকে বলেন, দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি হাসপাতালে পৌছানোর আগেই মারা যান। আমরা তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বাসসকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল দুটি আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার পাশাপাশি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
আজ শনিবার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য র্যালির উদ্বোধনকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র্যালিটি শুরু হয়। র্যালিটি নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে পুনরায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, অনেক কষ্ট ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আজকের অবস্থানে এসেছে। জেলা, মহানগর ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা অত্যন্ত যোগ্যতাসম্পন্ন। রাষ্ট্র বা কোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নারীরাও সমানভাবে সক্ষম।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় এখন নির্বিঘ্নে কথা বলা ও চলাচল করা যাচ্ছে। অতীতে আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদসহ অনেক নারী নেত্রী কারাগারে গেছেন, রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, নির্যাতিত হয়েছেন। বর্তমান সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তাদের রক্ত-ঘাম রয়েছে। অতএব এই সরকারের অংশ আপনারাও।’
সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘দরিদ্র, অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের নারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়নে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।’
তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণের জন্য এবং সামাজিক সুরক্ষার জন্য কী অবদান রাখছে, আপনারা তা লক্ষ্য রাখবেন এবং জনগণকে বলবেন।’
নারী ও শিশু নির্যাতন প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজকে তো আর নুসরাতরা খুন হয় না, রূপারা খুন হয় না, খাদিজার মতো ঘটনা ঘটে না, তারা নির্যাতনের শিকার হয় না এবং কোনো সরকারি দলের কোনো নেতাকর্মী এই ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নয়। এখন সেই ধরনের কোনো সংবাদ নেই। এটা সামাজিক উন্নয়ন।’
তিনি বলেন, ‘সমাজ থেকে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতনসহ সব ধরনের অপকর্ম মুছে দিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কাজ করবে। সরকার নারীদের নাগরিক মর্যাদা, বেঁচে থাকা ও আইনি অধিকার নিশ্চিত করবে।’
নারীদের জন্য শিক্ষা ও আর্থিক স্বাবলম্বিতাকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে হবে এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে।’
তিনি বলেন, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন। আর তাঁরই জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ডিগ্রি ও অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের পড়াশোনা অবৈতনিক করা হবে। এটা জনহিতকর এবং নারীদের ক্ষমতায়নের পদক্ষেপ।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘তারেক রহমানের জনবান্ধব ও নারীর ক্ষমতায়নের কর্মসূচিগুলো জনগণকে বোঝানো এবং ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের। অতীতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল যেভাবে অত্যাচার, মিথ্যা মামলা, রিমান্ড ও কারাবরণের মধ্যেও রাজপথে মিছিল করেছেন, একইভাবে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। এটাই আপনাদের প্রধান দায়িত্ব।’
এ সময় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহাম্মেদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ