মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:০০ পি.এম
নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস এবং বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচ ব্যবসায়ী প্রাণ হারিয়েছেন। তারা রাজশাহীর তাহেরপুরে ব্যবসায়িক কাজে যাওয়ার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া এলাকায় সরকারপাড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল বেলা দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দি এলাকার জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে সালাল মোল্যা, ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, কাজিরহাট এলাকার সামাদ ফকির এবং পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকার রাজ্জাক ব্যাপারীর ছেলে শাহিন ব্যাপারী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহত পাঁচজনই দীর্ঘ সময় ধরে জাজিরার কাজিরহাটসহ আশপাশের এলাকায় ব্যবসা করে আসছিলেন। তারা স্থানীয় বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহের পাশাপাশি রাজশাহীর তাহেরপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, ধনিয়া সহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য পাইকারি কিনে বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার সকালে তারা নাটোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন, কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনায় তাদের জীবন শেষ হয়ে যায়।
নিহত জুয়েল মাদবর ভুসামাল পণ্যের ব্যবসার পাশাপাশি রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। সামাদ ফকির ভুসামাল ব্যবসায়ী ছিলেন এবং শাহিন ব্যাপারী হলুদের ব্যবসা করতেন। সালাল মোল্যা ও সোহাগ শিকদারও একই ধরনের পণ্য কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একই এলাকার ব্যবসায়ী হওয়ায় তাদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক ছিল।
কাজিরহাটের ব্যবসায়ী দিদার সরদার শোক প্রকাশ করে বলেন, "ব্যবসায়িক সূত্রে তাদের সবার সঙ্গেই আমার সুসম্পর্ক ছিল। তাদের এমন আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদ অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।"
স্থানীয়দের মতে, ভোরে সরকারপাড়া এলাকায় পাবনামুখী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে, ফলে দুটি যানবাহনই দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে জাজিরার পাঁচ ব্যবসায়ীসহ মোট ১৪ জন নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহম্মেদ জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে দুর্ঘটনার বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। নাটোর জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য পাওয়ার পর মরদেহ হস্তান্তর ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ফুলপুরে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মৎস্য খামার পরিচালনার অভিযোগে হান্নান সরকার (হাজী) নামের এক গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। এই ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৩ টাকা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার ফুলপুরের চর ভারতী এলাকায় বিউবোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের একটি বিশেষ অভিযানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়। অভিযানে ব্যবহৃত সার্ভিস তারও জব্দ করা হয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়, অভিযুক্ত গ্রাহক হান্নান সরকার বাণিজ্যিক সংযোগের আওতায় প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছিলেন। তার গ্রাহক নম্বর ৯০০৫৮৪০৮ এবং মিটার নম্বর ০১০২১১২২২৫৭২। তিনি সার্ভিস তারে হুকিংয়ের মাধ্যমে ছয়টি দেড় হর্সপাওয়ারের মোটর ব্যবহার করে অবৈধভাবে মৎস্য খামার পরিচালনা করছিলেন। মোটরগুলোর বৈদ্যুতিক লোড ছিল ৬ দশমিক ৭১৪ কিলোওয়াট।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে দুইবার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। পূর্ববর্তী মামলাগুলোর জন্য নির্ধারিত ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৭৩ টাকা জরিমানা পরিশোধ না করেই তিনি পুনরায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এই ঘটনায় বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৩২(২), ৩৩(১) ও ৪৪ ধারা অনুযায়ী গতকাল সোমবার ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফরেক্স ট্রেডিংয়ের নামে বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে ব্যবহৃত চারটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের গ্রেপ্তার করা হয় সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে। হেমায়েতপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকার সিংগাইর সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে হুমায়ুন কবিরের মালিকানাধীন লন্ডনার্স রেস্টুরেন্টের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন—পাবনা জেলার সদর উপজেলার সালগারিয়া সরদার পাড়ার মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), নুরপুর এলাকার মো. রেজাউল কবির (৫৪), রাধানগর এলাকার ওবায়দুর রহমান (৬৮) এবং গাইবান্ধা সদর উপজেলার ফুলবাড়ী এলাকার মো. সুজন (৪৩)।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ডিবির ওসি সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই মো. শাহাদাৎ হোসেনসহ পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হেমায়েতপুর বাস স্ট্যান্ডের সিংগাইর সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে অভিযান পরিচালনা করে। তারা অনলাইনভিত্তিক ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফরেক্স ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার তথ্য পায়।
পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের হেফাজত থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে ব্যবহৃত চারটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ফোনে বিন্যান্স (Binance) অ্যাপের মাধ্যমে ইউএসডিটি (USDT) ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন এবং বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অর্থ জমা, স্থানান্তর ও উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার তথ্য পাওয়া গেছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদনসহ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজ ও পরিবারে বিদ্যমান নানা কুসংস্কার, বিধি-নিষেধ ও লিঙ্গবৈষম্য দূর করার উদ্দেশ্যে নারীদের সক্ষমতা প্রমাণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সম্পূর্ণ নারীদের উদ্যোগে ও পরিচালনায় শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘উজ্জয়িনী’ নামক নারী সংগঠনের সদস্যরা চাঁদা সংগ্রহ, মণ্ডপ সজ্জা, বাজারঘাট থেকে শুরু করে ঢাক বাজানো পর্যন্ত সব কাজই নিজ হাতে করছেন।
কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের মগড়া গ্রামের কর্মকার পাড়ায় অবস্থিত এই ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপটি এ বছর সাফল্যের সঙ্গে ১১তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
সমাজে নারীদের প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ২০০২ সালে চার নারী সদস্যের হাত ধরে ‘উজ্জয়িনী’ সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সীমা কর্মকার (৪২) তাদের শুরুর সংগ্রামের কথা স্মরণ করে জানান, গ্রামের হিন্দু নারীদের পরিবার ও সমাজে নানামুখী বিধিনিষেধের মুখে পড়তে হতো। ঘোমটা ছাড়া বের হওয়া বারণ থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষায় বাধা—সবক্ষেত্রেই চলত বৈষম্য।
তিনি বলেন, ‘২০০২ সালে সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির সময় আমাকে নানা বাধা মোকাবেলা করতে হয়। তখন গ্রামে নতুন আসা বধূ সীমা কর্মকার (৪৮), শিপ্রা পাল ও বুলবুলি কর্মকারকে নিয়ে আমরা চারজন মিলে ‘উজ্জয়িনী’ গড়ে তুলি। পরে সাধারণ নারী ও শিক্ষার্থীরা যুক্ত হন। ২০১৬ সালে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিই, পূজার যাবতীয় কাজ আমরা নারীরাই করব। ২০১৬ সালের প্রথম পূজার সাফল্যের পর আমাদের আত্মবিশ্বাস বহু গুণ বেড়ে যায়। এবার আমাদের আয়োজনের ১১তম বছর।’
গতকাল সোমবার দুপুরে মগড়া গ্রামের কর্মকার পাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, উৎসবমুখর পরিবেশে নারীরা অষ্টমী পূজার পুষ্পাঞ্জলি শেষে মণ্ডপে অবস্থান করছেন। দর্শনার্থীরা আসছেন দেবী দুর্গাকে দর্শন করতে, আর অন্যদিকে সানন্দে ঢাক বাজাচ্ছেন সংগঠনের নারী সদস্য নিজেই।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা উজ্জয়িনীর সব সদস্যকে শুভেচ্ছা শাড়ি উপহার দিয়েছেন।
বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কালিহাতী উপজেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কাশীনাথ মজুমদার জানান, টাঙ্গাইল জেলায় এ বছর ১ হাজার ৩৫৭টি দুর্গাপূজার মণ্ডপ হলেও কালিহাতীর মগড়া গ্রামের এই আয়োজনটি পুরো জেলার মধ্যে একমাত্র নারীদের পরিচালিত ব্যতিক্রমী মণ্ডপ। নারীদের এই স্বাবলম্বিতা ও সাহসী উদ্যোগের জন্য ইতিপূর্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজা কমিটিকে পুরস্কৃতও করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল থেকে পূজা দেখতে আসা সুব্রত কুমার তালুকদার বলেন, ‘অনেক পূজামণ্ডপ দেখেছি। শুধু নারীদের উদ্যোগে দুর্গাপূজা এই প্রথম দেখলাম। ভালো লাগল, নারীদের পূজার আয়োজন দেখে।’
মগড়া গ্রামের তুষার কর্মকার বলেন, এই গ্রামের নারীদের দুর্গাপূজার আয়োজন ভালো উদ্যোগ। এর মধ্য দিয়ে শুধু পূজা হচ্ছে না, নারীদের ক্ষমতায়ন ও সক্ষমতার বিষয়টিও জানান দিচ্ছে।
এ বিষয়ে পূজা কমিটির সভাপতি সীমা কর্মকার (৪৮) বলেন, ‘পূজার সব কাজ আমরা নারীরাই করি, শুধু পুরুষ পুরোহিত পূজা করেন। আমাদের সদস্যরা সবাই পূজার জন্য চাঁদা দিই। শুরুতে অনেকেই আমাদের এই আয়োজনকে ভালো চোখে দেখত না। এখন সবাই সহযোগিতা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীতে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা অজ্ঞাত এক নারী ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার এসআই আওলাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত সোমবার দিবাগত রাতে খবর পেয়ে রাজবাড়ী সদর উপজেলার কুটি পাঁচুরিয়া এলাকা থেকে ৫০ বছর বয়সী এক নারী এবং মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার বড়লক্ষীপুর রেললাইনের পাশ থেকে ৩২ বছর বয়সী এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কোন ট্রেনে দূর্ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায় নাই। নিহতদের নাম পরিচয় সনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।
রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্ব মোছাঃ মাহবুব শাহিনুর বলেন, ঘটনা দ্ইুটির বিষয় তিনি শুনেছেন, তবে অফিসিয়ালি এ বিষয়ে কেউ কিছু জানাননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ