শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৮ পি.এম
দেশের জ্বালানি সংকটের মোকাবেলা করার জন্য সরকার বিকল্প উৎস খুঁজে বের করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, প্রয়োজনে আফ্রিকা থেকেও জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
শনিবার সকালে জাতিসংঘ সম্মেলন ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার বাংলাদেশের রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে চায়। গার্মেন্টসের পাশাপাশি পাটপণ্য নিয়ে কাজ করার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, "১৭ বছরের অত্যাচার-অনাচার থেকে একটি ডেমোক্র্যাটিক প্রসেসে আমরা ফেরত এসেছি।" বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করবেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এর ফলে কোম্পানি নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ অনলাইনে সহজে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চায়, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরাও স্বাচ্ছন্দ্যে দেশে বিনিয়োগ করতে পারবেন।
বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার অর্থনৈতিক কূটনীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বিপর্যস্ত ব্যাংকিং খাত পেয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে অর্থনীতিকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। ব্যাংকিং খাতকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার পাশাপাশি দেশে বিনিয়োগের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, "শুধু বিদেশিদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানালেই হবে না, বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশও নিশ্চিত করতে হবে।" সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেশ কয়েক দিন ধরে নিরবতার পর হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অবসরের ঘোষণা দেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এমএস ধোনি। তিনি ২০২০ সালের ১৫ আগস্ট ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন। তার অবসরের কয়েক মিনিটের মধ্যেই একই পথে হাঁটেন ভারতের বাঁ হাতি ব্যাটার সুরেশ রায়না।
এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে দেশটির ক্রিকেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের আবেগঘন সমাপ্তি ঘটে। আইপিএল শুরুর আগে চেন্নাই সুপার কিংসের বায়ো-বাবলে থাকা অবস্থায়ই তারা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন। নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর সিএসকে-এর ড্রেসিংরুমে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরবর্তীতে মুখ খোলেন রায়না।
ভারতের সাবেক ব্যাটারের ভাষ্যমতে, রায়নার অবসরের সময়টি ধোনিকে অবাক করেছিল এবং রায়না যে এত দ্রুত এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, তা তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। একটি সাক্ষাৎকারে সেই মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বাঁ হাতি এই ব্যাটার জানান, অবসরের ঘোষণার পর তিনি ড্রেসিংরুমে গিয়ে ধোনিকে বলেছিলেন, কাজটা হয়ে গেছে।
ধোনির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াতেই তার সেই অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্তের প্রতি বিস্ময় ফুটে উঠেছিল। খেলাটাই তো আসল, তাই না? একজন খেলোয়াড় হিসেবে এর জন্যই তো বেঁচে থাকা। দেশের জন্য কত কী করা হয়, বাবা-মায়েরাও কত ত্যাগ স্বীকার করেন। কিন্তু ওই মুহূর্তে মনে হয়েছিল এটাই সেরা সিদ্ধান্ত। কারণ নানা ঘটনা তো ঘটতেই থাকে। আপনি হয়তো পরিবারের সাথে সময় কাটাতে চেয়েছিলেন। তখন আমার বয়স ৩২ কি ৩৩, যা-ই হোক না কেন। তবে ড্রেসিংরুমে যখন ধোনি কাজটা করল, আমি ভেতরে গিয়ে বললাম, হয়ে গেছে। ও তখন বলল, এ কী করলি তুই?
এনডিটিভি স্পোর্টস-এর প্রতিবেদনে এমনটাই বলেছেন রায়না। চেন্নাই পৌঁছানোর পরই ধোনি অবসরের ঘোষণা দেবেন, তা রায়না আগে থেকেই জানতেন। তাই সেই মুহূর্তটির জন্য তিনি মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন। একই দিনে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়ে ফেলেছিলেন এই দুই খেলোয়াড়। তাদের জুটির মূল ভিত্তি ছিল পারস্পরিক ত্যাগ।
রায়না জানান, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তাকে ব্যাটিং অর্ডারে ওপরের দিকে খেলার সুযোগ করে দিতে ধোনি নিজের ব্যাটিং পজিশন ছেড়ে দিয়েছিলেন। অধিনায়ক না থাকার সময় ধোনি ওপরের দিকে ব্যাট করতেন, কিন্তু পরে রায়নাকে গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে খেলার সুযোগ দিতে তিনি নিজেই নিচের দিকে ব্যাট করার দায়িত্ব তুলে নেন।
দলে থাকার সময়ে স্মৃতিচারণ করে রায়না বলেন, আমার মনে হয়, সেই সময়ে আপনি অধিনায়কের জন্য খেলতেন, দলের জন্য খেলতেন। তবে আমি অধিনায়কের কথা কেন বলছি, কারণ ব্যাটিং পজিশনের ক্ষেত্রে আমি যে সুযোগটা পেয়েছিলাম, তার জন্য অধিনায়ক নিজের পজিশনটাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। দাদা (সৌরভ গাঙ্গুলি) যখন অধিনায়ক ছিলেন, তখন ধোনি ওপরের দিকে ব্যাট করতেন। কিন্তু পরে তিনি নিজেই দায়িত্ব নিয়ে বলতেন, যুভি পা (যুবরাজ সিং), তুই ওপরে যা; সুরেশ তুই এখানে খেল; আমি বরং নিচের দিকেই খেলছি।
রায়না জানান, নিজের ব্যাটিংয়ের অবস্থান ছেড়ে দেওয়ার মাধ্যমে ধোনি যে উদারতা দেখিয়েছিলেন, তার খেলার ধরনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। দলের হয়ে নিজের সেরাটা দিয়ে সেই আস্থার প্রতিদান দেওয়ার জন্য রায়না অনুপ্রাণিত বোধ করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, ধোনি যখন তার দক্ষতার ওপর এতটা আস্থা রেখেছেন, তখন মাঠের পারফরম্যান্সেও তাকে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিতে হবে।
ধোনির সেই ত্যাগ এবং তাদের মধ্যকার গভীর সম্পর্কের জন্য রায়না কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মানুষ হিসেবে তিনি কেমন, তা তো আপনারা জানেনই। তবে আমার মনে হয়, কেউ যদি আপনার জন্য এতটা ত্যাগ স্বীকার করেন, তবে তার প্রতিদান দেওয়ার মানসিকতাও আপনার থাকা উচিত। কারণ টাকা তো সবারই থাকে, কিন্তু তা খরচ করার মতো বড় মনের প্রয়োজন হয়। আমাদের সেই বন্ধুত্বের মানসিকতা ছিল এবং তা চিরকাল অটুট থাকবে।
ভারতের হয়ে রায়নার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ছিল ২২৬টি ওয়ানডে, ৭৮টি টি-টোয়েন্টি এবং ১৮টি টেস্ট ম্যাচ। ২০২১ সালের আইপিএলে তিনি তার শেষ পেশাদার ম্যাচটি খেলেন এবং ধোনির সাথে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে চারটি আইপিএল শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ইতি টানেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সতর্ক করেছে যে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের তিনটি শরণার্থী শিবির থেকে গত বছর পুরো ফিলিস্তিনি জনগণের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় আসতে পারে।
শুক্রবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর এই তথ্য জানায়।
তবে ইসরায়েল প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে। খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েল যে সামরিক অভিযান শুরু করে, তার ফলে ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হন।
‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ নামে পরিচিত ওই অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রবেশ করে।
জাতিসংঘের দাবি, এই সময় বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটে, শত শত বাড়িঘর ধ্বংস হয় এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী শিবিরগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং সেখানে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথও অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের শিবির ছেড়ে যেতে বাধ্য করে।
অভিযান শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী শিবিরগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করে এবং সেখানকার পুরো জনগণকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেয়, এমনটাই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, জেনিন, নূর শামস এবং তুলকারেমের মতো শরণার্থী শিবির থেকে ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে বাস্তুচ্যুত করার ঘটনা ‘জোরপূর্বক স্থানান্তর’ নামের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত এই তিনটি শিবির থেকে বাস্তুচ্যুত ৩৩ হাজার ৩৬২ জন ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৫ তিন কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করেছে।
শুক্রবার মধ্যরাতে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ মাঝের ডেইল এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, শুক্রবার মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে, টেকনাফ থানাধীন সাবরাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শাহপরীর দ্বীপ মাঝের ডেইল এলাকার খামিন মাঝির বসতবাড়ির পশ্চিম পাশে কিছু মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদকদ্রব্য কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে ওই এলাকায় অভিযান শুরু করে।
র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ ফেলে অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে এক কেজি ওজনের তিনটি অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটের গায়ে ‘GUANYINWANG’ লেখা ছিল। প্যাকেটগুলো থেকে মোট তিন কেজি কথিত অ্যামফিটামিন জাতীয় ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের উপস্থিত সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, পলাতক অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত কৌশলে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে ক্রিস্টাল মেথসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদক সংগ্রহ করে টেকনাফ, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চলতি বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চিপের ব্যাপক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানি আয়ে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির কাস্টমস বিভাগ জানায়, এ খাত থেকে অর্জিত আয় বর্তমানে ৭০৯.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
গত বছরের বার্ষিক রপ্তানি রেকর্ডকেও এটি অতিক্রম করেছে। গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানি ৭০৯.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল, যা ছিল টানা দ্বিতীয়বারের মতো বার্ষিক রেকর্ড। কাস্টমস সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি ডিসেম্বরের শুরুতেই বার্ষিক রপ্তানির ক্ষেত্রে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করার পথে রয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জার্মানির পর চতুর্থ দেশ হিসেবে তারা এই কৃতিত্ব অর্জন করবে।
কাস্টমস বিভাগ জানিয়েছে, সংরক্ষণবাদী নীতি জোরদার হওয়া, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্গঠন এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট অনিশ্চিত বাণিজ্য পরিবেশের মধ্যেও দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানি উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রেখেছে।
মোট রপ্তানির ৪১ শতাংশই চিপ
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ রপ্তানি ১৬৯.৬ শতাংশ বেড়ে ২৮১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৪১ শতাংশ। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মেমোরি চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স এবং এসকে হাইনিক্স দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থিত। এআই খাতে বিনিয়োগের জোয়ারের কারণে চিপের ঘাটতি তীব্র হওয়ায় এবং দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এই কোম্পানিগুলো লাভবান হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে জানুয়ারি থেকে আগস্ট সময়ে আগের বছরের তুলনায় বিদেশে চালান বা রপ্তানি ৪ শতাংশ কমেছে। তথ্যে দেখা গেছে, এই সময়ে দেশটির প্রধান রপ্তানি গন্তব্য চীনে রপ্তানি ৭৬ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ