ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে গিয়ে সড়কে গেল সৌদিপ্রবাসীর প্রাণ


বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে গিয়ে সড়কে গেল সৌদিপ্রবাসীর প্রাণ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন চয়ন মোল্লা (২৩) নামের এক সৌদি প্রবাসী। দুর্ঘটনার সময় তার দুই বন্ধু সিয়াম (২৩) ও নয়ন (২১) আহত হয়েছেন।

 

আহতদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা

নিহত চয়ন মোল্লা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের হাসনহাটি গ্রামের দলিল উদ্দিন মন্ডলের বড় ছেলে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল চালক চয়ন মোল্লা তার দুই বন্ধু সিয়াম ও নয়নকে নিয়ে ভাঙ্গায় ঘুরতে এসেছিলেন।

 

ফেরার পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অজ্ঞাত বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক চয়ন মোল্লা মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন: বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের পুরস্কার পেলেন, নারায়ণগঞ্জের রনি মল্লিক ও নবী হোসেন।

নিহত চয়ন মোল্লার চাচা আসির উদ্দিন জানান, চয়ন বিকেলে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল।

 

সন্ধ্যার পর তার মৃত্যুর খবর পাই। তিনি জানান, চয়ন সৌদি আরবে বসবাস করতেন। গত কোরবানির ঈদে বাড়ি এসেছিল চয়ন।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক সাজ্জাদুর রহমান জানান, অজ্ঞাত গাড়িটির সন্ধান চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন: মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে কাউনিয়ায় পুলিশের আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় জিয়া পরিবারের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় জিয়া পরিবারের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় জিয়া পরিবারের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। তিনি শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

 

সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে ‘জিয়া থেকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান—গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা’ শীর্ষক এই আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল উল্লেখ করেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আমরা বিদায় করেছি। এই দেশের গণতন্ত্র রক্ষার্থে, ভোটের অধিকারের সঙ্গে জিয়া পরিবারের নাম স্বর্ণাক্ষরে থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ফ্যাসিস্টের আমলে কিছু কিছু সাংবাদিক সুবিধা ভোগ করেছেন।

 

তারা ৫ আগস্টের আগে ব্যানার নিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নিয়াজ মো. খান বিটু। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের হেড অব নিউজ মো. শরিফুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুল আরেফিন।

 

আলোচনাসভা শেষে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় অবদান রাখা এবং কারা নির্যাতিত জেলার শীর্ষ চার বিএনপি নেতা ও পাঁচজন সাংবাদিককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত বিএনপি নেতারা হলেন ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সিরাজুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও সফিকুল ইসলাম পিপি। সাংবাদিকরা হলেন আবু আব্দুল্লাহ, মোকলেসুর রহমান, আশিকুর রহমান চৌধুরী পনি, আজিজুর রহমান পায়েল ও জয় আহমেদ।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবাদ ও সংশোধনী বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


প্রতিবাদ ও সংশোধনী বক্তব্য

 

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদে প্রতিবাদকারী হিসেবে সিদ্দিকুর রহমান লিটনকে গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোঃ হোসেন আলী।
মোঃ হোসেন আলী জানান, সিদ্দিকুর রহমান লিটন গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি বর্তমানে ওই পদে দায়িত্বে নেই। বর্তমানে গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ হোসেন আলী।
প্রতিবাদকারী:
মোঃ হোসেন আলী
সাধারণ সম্পাদক
গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি
মধুপুর, টাঙ্গাইল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় সেমিনার ও নাট্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় সেমিনার ও নাট্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তার স্মরণে সেমিনার ও নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে।

একাডেমির আয়োজনে আজ নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় বিকেল ৪টায় জাতীয় নাট্যশালা ভবনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়  ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের পরিধি’ শীর্ষক সেমিনার।

এসময় ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের পরিধি’ শিরোনামে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাবন্ধিক রুবাইয়াত আহমেদ। 

প্রবন্ধের উপর প্যানেল আলোচক হিসেবে মতামত ব্যক্ত করেন করেন আজাদ আবুল কালাম, অধ্যাপক সামিনা লুৎফা নিত্রা এবং ড. শাহমান মৈশান।

এ ছাড়াও প্রবন্ধের উপর আলোচনায় অংশ নেন জাহিদ রিপন, কামরুল হাসান খান ও আবু সাঈদ তুলু। 

প্রবন্ধের উপর আলোচনার পাশাপাশি নাট্য জগতে সেলিম আল দীনের ভূমিকা, বর্তমান মঞ্চ নাটকের অবস্থান ও সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে আলোকপাত করেন তারা।

সেলিম আল দীন নিজস্ব নাট্যধারার ক্ষেত্রে শ্রম দিয়ে যে জগৎ তৈরি করেছেন তা উল্লেখ করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, ‘আমরা শিল্পকলা একাডেমিতে নতুন নাটকের একটা জগৎ তৈরি করতে চাই। আমরা আশা করছি নাট্যকর্মী হিসেবে আপনারা এগিয়ে আসবেন এবং তাতে অবদান রাখবেন।’

সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে প্রদর্শিত হয় সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘পুত্র’। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুমের ৬১ দিনের ভয়ংকর বর্ণনা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


গুমের ৬১ দিনের ভয়ংকর বর্ণনা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

গুমের শিকার হয়ে ভারতের শিলংয়ে যাওয়ার ৬১ দিনের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা এবার নিজ মুখে শোনালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত এক প্রদর্শনী ও প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে গুম থাকাকালীন ভয়াল সেই দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ‘মায়ের ডাক’ প্লাটফর্ম।

নিজ বর্ণনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চোখ ও হাত বেঁধে সীমান্ত পার করে ভারতের শিলংয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গুম অবস্থায় প্রতিটি মুহূর্তে মনে হতো পরের ভোরটি আমি দেখতে পারবো কি না। বন্দিদশায় দিনের আলো দেখার সুযোগ ছিল না। সকালের নাশতা এলে বুঝতে পারতাম সকাল হয়েছে। নখের আঁচড় দিয়ে দেয়ালে দাগ কেটে কেটে দিন গুনতাম আমি।

তিনি বলেন, আমার গুমের ৬১ দিন... তার যতটা মিনিট, যতটা মুহূর্ত কেটেছে, তার প্রত্যেকটা যদি আমি লিখে রাখতে পারতাম, তাহলে জাদুঘরের সংকলন হতো না কোনো কিতাব।

কবরের মতো কক্ষে ৬১ দিন

গুমকারীরা তাকে প্রায় ৮ ফুট বাই ৪ ফুটের একটি সংকীর্ণ স্থানে রাখত বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জায়গাটি ছিল অনেকটা কবরের মতো। সেখানে একটি পানির কল এবং প্রস্রাব-পায়খানার জন্য একটি ছিদ্র ছিল। দুর্গন্ধের পাশাপাশি সেখানে বিষাক্ত পোকামাকড়ও দেখা যেত। মেঝেতে একটি কম্বল পেতে ঘুমাতে হতো এবং পাতলা একটি বালিশ দেওয়া হয়েছিল।

অসুস্থ হলেও মেলেনি চিকিৎসা 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বন্দিদশায় খাবার, পানি ও ওষুধ নিয়মিত দেওয়া হলেও অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসকের সহায়তা পাওয়া যেত না।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গুমকারীদের আমি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে বলতাম, আমার হার্টে স্টেন্টিং আছে, অন্যান্য জটিলতা আছে, কিডনিতে জটিলতা আছে। এই পরিবেশে কতক্ষণ টিকে থাকব জানি না। আমার মৃত্যু হলে তোমরা আমার লাশটা আমার পরিবারের কাছে ফেরত দিও।

একদিন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাবার দিতে এসে তার সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা খোলা হয়। পরে গামছা ফেলে তাকে টেনে তোলা হয়।

তখন বুকের তীব্র ব্যথার কথা জানালে তাকে বলা হয়, এখানে ডাক্তার আসা নিষেধ। নিজে নিজে সুস্থ থাকার চেষ্টা করেন।

এর কিছুদিন পর তাকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সেদিন সকালে তার পানি কম খেতে বলা হয়েছিল। তখন তার মনে হয়েছিল, হয়তো আজকেই শেষ।

চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তাকে মোটা কাপড় দিয়ে চোখ বাঁধা হয়। এরপর হাত বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে তোলা হয়। গাড়িতে আরও কয়েকজন মানুষ ছিল বলে তিনি ধারণা করেন।

কয়েক ঘণ্টা যাত্রার পর একটি স্থানে দীর্ঘ সময় গাড়িতে বসিয়ে রাখা হয়। পরে তাকে কিছুটা হাঁটিয়ে একটি জিপের মতো গাড়িতে তোলা হয়। এরপর আবার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে একটি উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে মানুষের হিন্দিতে কথা বলার শব্দ শুনে তিনি নিশ্চিত হন যে তাকে ভারতের কোনো এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নির্জন একটি এলাকায় ফুটপাতে নামিয়ে দিয়ে তাকে বলা হয়, ‘ইউ আর ফ্রি নাউ।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আরও কয়েক ঘণ্টা গাড়িতে যাওয়ার পর ভোরের দিকে তার চোখ খুলে দেওয়া হয়। তখন তিনি একটি চৌরাস্তা, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা ও বড় একটি মাঠ দেখতে পান। পরবর্তী সময়ে ঘুরে তিনি জানতে পারেন, সেটি শিলংয়ের গলফ লিংক এলাকা।

তখন তার পা ফুলে যাওয়ায় ঠিকমতো হাঁটতে পারছিলেন না। আশপাশের পথচারীদের কাছে সাহায্য চান তিনি। কিন্তু তার দাড়ি, ময়লা পোশাক ও শারীরিক অবস্থা দেখে অনেকে তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি মনে করেছিলেন বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।

পুলিশও প্রথমে বিশ্বাস করেনি

পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তাকে একটি বিট হাউসে নেওয়া হয়। সেখানেও নিজের পরিচয় দেওয়ার পর প্রথমে তাকে বিশ্বাস করা হয়নি বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে নেওয়া হয় নর্থ ইস্টার্ন ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড সায়েন্সেসে (মিমহানস)।

সেখানে একজন চিকিৎসকের কাছে নিজের পরিচয় ও বাংলাদেশের পরিবারের ফোন নম্বর দিয়ে যোগাযোগের অনুরোধ করেন তিনি। চিকিৎসককে সালাহউদ্দিন বলেন, তুমি যদি একটু আমার এখানে টেলিফোন করো, আমি কে বুঝতে পারবা। আমাকে একটু সেন্ড ব্যাক করার ব্যবস্থা করো।

স্ত্রীর ফোনে পরিচয় নিশ্চিত

একপর্যায়ে তার দেওয়া নম্বরে বাংলাদেশে ফোন করার চেষ্টা করা হয়। তার স্ত্রী তখন বাইরে থাকায় প্রথমে ফোনটি ধরতে পারেননি। পরে বিদেশি নম্বর দেখে তিনি কলব্যাক করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ফোনে নিজের পরিচয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার স্ত্রী চিৎকার করে বলেন, আমি জান্নাত পেয়ে গেছি।

ওই মুহূর্তটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইয়েস, আই অ্যাম সালাহউদ্দিন

পরে তাকে শিলংয়ের সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকের মাধ্যমে তার মানসিক সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান তিনি।

পুলিশের কঠোর নজরদারির মধ্যেও কোনো একটি ভারতীয় টেলিভিশন ক্যামেরা দূর থেকে তাকে ধারণ করে। সেখানে মাত্র এক সেকেন্ডের জন্য তিনি বলেন, ‘ইয়েস, আই অ্যাম সালাহউদ্দিন।’ পরে ওই ভিডিও বাংলাদেশে প্রচারিত হয়।

এরপর তাকে ভারতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফরেনার্স অ্যাক্টের মামলায় আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়। দীর্ঘ কয়েক বছর আদালতে আইনি লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পথ তৈরি হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরতে পারার পেছনে বাংলাদেশের মানুষের পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অবদান রয়েছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা দীর্ঘ ফ্যাসিজম থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছেন, বাংলাদেশটাকে মুক্ত করেছেন। গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%