বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৯ পি.এম
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারণে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বড় ছেলে শাহরিয়ার জামান রানার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। যদিও এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, তবে এখনো পর্যন্ত তা নথিভুক্ত হয়নি। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, প্রশাসন কার পক্ষে? দুষ্টের পক্ষে, না শিষ্টের পক্ষে? এই প্রশ্নটি যথার্থভাবে সামনে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বড় ছেলে শাহরিয়ার জামান রানাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলাকারীরা এসে কোনো কথা না বলে শাহরিয়ার জামান রানার ওপর হামলে পড়ে এবং তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। হামলাকারীরা তার বুকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয় হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। উপজেলা হাসপাতালের অবস্থা সবার জানা। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়। গভীর রাতে তাকে সেখানে নিয়ে আসা হয়।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার কারণ কী? শাহরিয়ার জামান রানার সঙ্গে তো কারও কোনো বাদ-বিসংবাদ ছিল না। তিনি দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে ছিলেন এবং কাতারে অবস্থান করতেন। তার স্ত্রীও একজন চিকিৎসক এবং তারা দুজন সেখানে চাকরি করতেন। দেশে ফিরে এসেছেন ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার স্বার্থে। তাকে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি জানান, তার কোনো দুশমন নেই।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য, সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আহত হওয়ার পর কটিয়াদী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের জানা অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়নি।" তিনি আবারও প্রশ্ন করেন, প্রশাসন কার পক্ষে?
তিনি উল্লেখ করেন, "মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে যদি এই ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে এটি প্রশাসনের দায়িত্ব, তাদের নিয়ন্ত্রণে আনা। কেন মামলা এখনো নথিভুক্ত করা হচ্ছে না?"
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আখতারুজ্জামান সাহেব পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছেন, এমনকি রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গেও আলোচনা করেছেন। আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কাজ হচ্ছে না। তিনি বলেন, "এটা এমন কোনো বিষয় নয় যে রেকর্ড করা যাবে না। তিনি তো কারও বিরুদ্ধে মার্ডার মামলা দায়ের করেননি।"
তিনি আরও বলেন, আসামিরা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী না হলেও বর্তমানে রাজনৈতিক দলের কাছে আশ্রয় পাচ্ছে। তিনি বলেন, "এই সময়ে কার কাছে আশ্রয় পেতে পারে, এটা তো বুঝতেই পারছেন।"
ডা. শফিকুর রহমান জানান, হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় কিছু দুষ্কৃতিকারী হামলা করেছে, এমন অভিযোগ করা হয়নি।
তিনি বলেন, পুলিশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে না। মাদকচক্রের বিরুদ্ধে মামলা নিচ্ছে না। একদিকে ভয়ে মামলা নেয় না, অন্যদিকে পিটিয়ে মানুষ মেরে ফেলে। তিনি অভিযোগ করেন, "ওসি সাহেবের নির্দেশনায় মামলা দিতে হবে, এটা আরেকটি ন্যক্কারজনক কাজ।"
তিনি আরও বলেন, "মামলায় যদি কারও নাম অন্যায়ভাবে এসে থাকে, সেটাও তদন্ত করে বের করুক। অসুবিধা কী?"
এভাবে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমের সমালোচনা করেন এবং বলেন, "আইনের মানুষ হয়ে আইনের ওপর হস্তক্ষেপ করতে পারেন না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলায় বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের ,কেবলস কোম্পানি হইতে কেবলস বিক্রেতার জন্য পুরস্কার পেলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার ইলেকট্রিশিয়ান কল্যাণ সমিতির, সাধারণ সম্পাদক, মিজানুর রহমান রনি মল্লিক, এন্ড্রয়েড মোবাইল ও সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ নবী হোসেন পেলেন রাইস কুকার,
নারায়ণগঞ্জ জেলার কেবল বিক্রেতায় বিজলি পক্ষ থেকে এ পুরস্কার হাতে তুলে দেন নারায়ণগঞ্জ বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুর নেতৃত্বে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৪টার দিকে নগরীর নিউমার্কেট সংলগ্ন তাঁর নিজ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় রবিউল আলম মিলু বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচি সফল করতে হবে। এ জন্য সবাইকে সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় যুবদল, ছাত্রদল, বিএনপি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ