বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪২ পি.এম
রোকেয়া আজিম সড়ক, টিভির মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান; মহানগরজুড়ে চলবে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম
বরিশাল নগরীতে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাউনিয়া থানাধীন রোকেয়া আজিম সড়ক, টিভির মাঠ, ভাটিখানা বাকলার মোড়, পান্থ সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কিশোর গ্যাং, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করে তল্লাশি ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
বিএমপি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তবে অভিযানে কতজনকে আটক করা হয়েছে বা কী পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দাবি অনুযায়ী, ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে।
তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ইয়েমেন থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয় বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে জানান, ক্ষেপণাস্ত্রটি ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেননি যে ক্ষেপণাস্ত্রটির নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু কী ছিল এবং এর ধ্বংসের ফলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না।
এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দেওয়া সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং হুতিদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটেছে।
এদিকে, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের সময় হুতিরা বারবার দাবি করেছে যে তারা মক্কা বা মদিনার মতো পবিত্র শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে না। তবে এই অভিযানে গোষ্ঠীটি বিমানবন্দর, জ্বালানি অবকাঠামো এবং সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারণে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বড় ছেলে শাহরিয়ার জামান রানার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। যদিও এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, তবে এখনো পর্যন্ত তা নথিভুক্ত হয়নি। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, প্রশাসন কার পক্ষে? দুষ্টের পক্ষে, না শিষ্টের পক্ষে? এই প্রশ্নটি যথার্থভাবে সামনে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বড় ছেলে শাহরিয়ার জামান রানাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলাকারীরা এসে কোনো কথা না বলে শাহরিয়ার জামান রানার ওপর হামলে পড়ে এবং তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। হামলাকারীরা তার বুকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয় হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। উপজেলা হাসপাতালের অবস্থা সবার জানা। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়। গভীর রাতে তাকে সেখানে নিয়ে আসা হয়।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার কারণ কী? শাহরিয়ার জামান রানার সঙ্গে তো কারও কোনো বাদ-বিসংবাদ ছিল না। তিনি দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে ছিলেন এবং কাতারে অবস্থান করতেন। তার স্ত্রীও একজন চিকিৎসক এবং তারা দুজন সেখানে চাকরি করতেন। দেশে ফিরে এসেছেন ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার স্বার্থে। তাকে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি জানান, তার কোনো দুশমন নেই।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য, সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আহত হওয়ার পর কটিয়াদী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের জানা অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়নি।" তিনি আবারও প্রশ্ন করেন, প্রশাসন কার পক্ষে?
তিনি উল্লেখ করেন, "মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে যদি এই ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে এটি প্রশাসনের দায়িত্ব, তাদের নিয়ন্ত্রণে আনা। কেন মামলা এখনো নথিভুক্ত করা হচ্ছে না?"
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আখতারুজ্জামান সাহেব পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছেন, এমনকি রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গেও আলোচনা করেছেন। আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কাজ হচ্ছে না। তিনি বলেন, "এটা এমন কোনো বিষয় নয় যে রেকর্ড করা যাবে না। তিনি তো কারও বিরুদ্ধে মার্ডার মামলা দায়ের করেননি।"
তিনি আরও বলেন, আসামিরা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী না হলেও বর্তমানে রাজনৈতিক দলের কাছে আশ্রয় পাচ্ছে। তিনি বলেন, "এই সময়ে কার কাছে আশ্রয় পেতে পারে, এটা তো বুঝতেই পারছেন।"
ডা. শফিকুর রহমান জানান, হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় কিছু দুষ্কৃতিকারী হামলা করেছে, এমন অভিযোগ করা হয়নি।
তিনি বলেন, পুলিশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে না। মাদকচক্রের বিরুদ্ধে মামলা নিচ্ছে না। একদিকে ভয়ে মামলা নেয় না, অন্যদিকে পিটিয়ে মানুষ মেরে ফেলে। তিনি অভিযোগ করেন, "ওসি সাহেবের নির্দেশনায় মামলা দিতে হবে, এটা আরেকটি ন্যক্কারজনক কাজ।"
তিনি আরও বলেন, "মামলায় যদি কারও নাম অন্যায়ভাবে এসে থাকে, সেটাও তদন্ত করে বের করুক। অসুবিধা কী?"
এভাবে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমের সমালোচনা করেন এবং বলেন, "আইনের মানুষ হয়ে আইনের ওপর হস্তক্ষেপ করতে পারেন না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলায় বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের ,কেবলস কোম্পানি হইতে কেবলস বিক্রেতার জন্য পুরস্কার পেলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার ইলেকট্রিশিয়ান কল্যাণ সমিতির, সাধারণ সম্পাদক, মিজানুর রহমান রনি মল্লিক, এন্ড্রয়েড মোবাইল ও সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ নবী হোসেন পেলেন রাইস কুকার,
নারায়ণগঞ্জ জেলার কেবল বিক্রেতায় বিজলি পক্ষ থেকে এ পুরস্কার হাতে তুলে দেন নারায়ণগঞ্জ বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ