সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৫ পি.এম
মডেল হেইলি বিবার, পপ তারকা জাস্টিন বিবারের সঙ্গে আট বছর ধরে দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন। তবে এই দীর্ঘ সময়ের পরেও তিনি একটি বিশেষ ক্ষেত্রে উন্নতি করতে পারেননি, যা তিনি মজার ছলে স্বীকার করেছেন। কাজটি হলো—পুল খেলা।
সম্প্রতি, এই দম্পতি তাদের অষ্টম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবি তাদের ঘরোয়া পরিবেশে পুল খেলতে দেখা যায়। ছবির মন্তব্যে, জাস্টিন বিবার তার স্ত্রীর প্রতি রোমান্টিক বার্তা দিয়ে ভালোবাসার কথা জানান। অন্যদিকে, হেইলি তার পুল খেলার দক্ষতা নিয়ে কৌতুক করে লিখেছেন, “আট বছর ধরে চেষ্টা করেও আমি পুল খেলায় জঘন্যই রয়ে গেলাম।”
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সিটিতে তারা আইনিভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে, ২০১৯ সালে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বড় আয়োজনে বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেন। তাদের ঘরে ‘জ্যাক ব্লুজ’ নামের দুই বছরের একটি সন্তান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের খালকুলা গ্রামের আমজেদ এর বাড়ি হইতে মোহন সেখ এর বাড়ি অন্য দিকে কল্যান দিঘি থেকে তোফাজ্জেল মন্ডল এর বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দুটি দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছরেও টেকসই সংস্কারের মুখ দেখেনি। ফলে বছরের পর বছর ধরে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে খালকুলা ও আশপাশের এলাকার হাজারো মানুষকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বর্তমান অবস্থা এতটাই নাজুক যে প্রথম দেখায় এটি ধান রোপণের জন্য প্রস্তুত করা কোনো জমি বলে মনে হতে পারে। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক কাদার সাগরে পরিণত হয়। কোথাও হাঁটুসমান কাদা, আবার কোথাও পা ফেললেই গভীর কাদায় আটকে যায়। এতে স্থানীয়দের দৈনন্দিন চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে খালকুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন এই কাদাময় পথ পাড়ি দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয় তাদের। অনেক সময় পিচ্ছিল রাস্তায় পড়ে গিয়ে বই-খাতা ও স্কুলের পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকেই দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, এটি শুধু একটি গ্রামের রাস্তা নয়; বরং খালকুলা ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। কৃষকরাও এই সড়ক ব্যবহার করে ধান, পাটসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বাড়িতে আনা-নেওয়া করেন এবং বহরপুর রামদিয়া সোনাপুর হাটে বিক্রির জন্য পরিবহন করেন। তবে বর্ষা মৌসুমে সড়ক দুইটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ায় অনেককে বাধ্য হয়ে এক থেকে দুই কিলোমিটার পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাওয়ার মেইন সড়কে যেতে হয়।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তায় দিয়ে হেটে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই, একজন কৃষক মাথায় পাট বহন করে কাদার মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। এমন দৃশ্যই এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আশপাশের অধিকাংশ সড়কের সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলেও গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি বছরের পর বছর অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।
তারা দ্রুত সড়কটি টেকসইভাবে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর আশা, সড়কটির উন্নয়ন হলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত সহজ হবে, কৃষিপণ্য পরিবহন নির্বিঘ্ন হবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে পুরো এলাকার মানুষ।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলকে একই পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৫-এর সাউদার্ন রুট নির্মাণের জন্য সরকার একটি বড় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
‘ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫): সাউদার্ন রুট’ শীর্ষক প্রকল্পটি বর্তমানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিতব্য চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) একনেকের তৃতীয় সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। সভায় একনেকের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন।
প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন মেট্রোরেল করিডোরটি ঢাকার এক প্রান্তের গাবতলী থেকে শুরু হয়ে অন্য প্রান্তের দাশেরকান্দি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। মাঝপথে ট্রেনটি টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, আফতাব নগর, আফতাব নগর সেন্টার, আফতাব নগর ইস্ট ও নাসিরাবাদ হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সব পয়েন্টকে যুক্ত করবে।
ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিমমুখী যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি, এই লাইনটি এমআরটি লাইন-৫ (নর্দার্ন) এবং এমআরটি লাইন-১-এর সঙ্গেও সরাসরি ইন্টারচেঞ্জ সুবিধা নিশ্চিত করবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা যোগান দেওয়া হবে এবং বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার ইডিসিএফ থেকে সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে আসবে।
প্রকল্পটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুল ওয়াহাব জানিয়েছেন, সাউদার্ন রুটের প্রাথমিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। কয়েক দফায় ব্যয় ও নকশা পর্যালোচনার পর প্রকল্পটি অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দিক থেকে সবচেয়ে লাভজনক হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন এই লাইনটি সম্পূর্ণ চালু হলে রাজধানীর ওপর অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ কমবে এবং ঢাকার দুই প্রান্তের যাত্রীরা দ্রুত ও সুশৃঙ্খল যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) প্রথমবারের মতো সরাসরি ফেরি সার্ভিস চালু করেছে ভোলা-ঢাকা নৌরুটে। ভোলার ইলিশা থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত যাত্রার জন্য সময় লাগবে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই সার্ভিসের ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে ভোগান্তি কমবে।
রাজধানীর সঙ্গে দেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলার যোগাযোগ সহজতর করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বেগম রোকেয়া ও বেগম সুফিয়া কামাল নামে ফেরি দুটির উদ্বোধন করেন।
পূর্বে ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুট ব্যবহার করে রাজধানীতে পৌঁছাতে যানবাহনগুলোর সময় লাগত ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা। শুষ্ক মৌসুমে এই সময় বেড়ে যেত দুই থেকে তিন গুণ। পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা বলছেন, ইলিশা-কাঁচপুর রুট চালু হওয়ায় তাদের সময় ও খরচ দুটিই কমবে।
বিআইডব্লিউটিসির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই উদ্যোগ কর্মসংস্থান এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. কাওছার আহাম্মেদ খান বলেন, ‘এখন আপাতত ১৪টা ট্রাক এবং ৫-৭টা ছোট গাড়ি আমরা পারাপার করছি। কাঁচপুরে হওয়ার সুবিধাটা হচ্ছে, ঢাকা শহরের দিনের বেলা কোনো ট্রাক ঢুকতে পারে না। যানজট তৈরি হয়, যে কারণে কাঁচপুরে হলে যেকোনো জায়গা পণ্য আনলোড করতে পারবে।’
এদিকে, ফেরির যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের পাশাপাশি সেবার মান বাড়ানোর জন্য কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা আরো বিস্তারিত আলোচনা করছি। সেবার মান কিভাবে বাড়ানো যায়, ফেরির সংখ্যা কিভাবে বাড়ানো যায়, কিভাবে শৃঙ্খলা আনা যায়, যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণ করা যায়, সে ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ এবং অন্যান্য সংস্থা কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ