বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০২ পি.এম
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তাদের চাকরি বিধিমালা, শৃঙ্খলা বিধি ও দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজ।
তিনি বলেন, বিশেষ করে সঠিক নিয়মে মামলা পরিচালনা এবং বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) মূল্যায়ন প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর চিনিশিল্প ভবনের নবম তলায় বিএসএফআইসির উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
‘মামলা পরিচালনা, বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) লিখন, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ (সংশোধিত) এবং অফিস ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ কর্মশালায় বিএসএফআইসির ৩০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
চেয়ারম্যান বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কর্মকর্তারা তাদের কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্মসচিব ও বিএসএফআইসির পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড. আব্দুল আলীম খান, যুগ্মসচিব ও পরিচালক (উৎপাদন ও প্রকৌশল) মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান, যুগ্মসচিব ও পরিচালক (অর্থ) তাহমিনা আক্তার, পরিচালক (বাণিজ্যিক) আজহারুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষকগণ সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ (সংশোধিত), সরকারি নথি ব্যবস্থাপনা এবং মামলা পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যবহারিক দিক তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি-আত্মনির্ভর ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছেন ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম।
আজ বৃহস্পতিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচারকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে এই প্রস্তাব জানানো হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত ডাকসু ২০২৫-এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী ও কবি জসীমউদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিম স্মারকলিপিটি তুলে ধরেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন ও আবাসিক হলগুলোর ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার প্রস্তাব রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন ও আবাসিক হলের ছাদকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি রুফটপ সোলার অ্যান্ড গ্রিন এনার্জি প্রজেক্ট’ নামে একটি সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবনের ছাদের কাঠামোগত সক্ষমতা, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা ও ধারণক্ষমতা যাচাই করে একটি ‘সোলার মাস্টার প্ল্যান’ তৈরি করা যেতে পারে। এরপর অধিক বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী কয়েকটি ভবনে পরীক্ষামূলকভাবে পাইলট প্রকল্প চালু করে, সফলতার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে পুরো ক্যাম্পাসে তা সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ‘নেট মিটারিং’ ব্যবস্থা চালুর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে শুধুমাত্র বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি ‘নেট এনার্জি কনট্রিবিউটর’ হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারবে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রকল্পটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ‘লিভিং ল্যাবরেটরি’ হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রকৌশল, পরিবেশবিজ্ঞানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা সৌরবিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ প্রযুক্তি নিয়ে সরাসরি গবেষণা ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
প্রকল্পের অর্থায়নে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি গ্রিন ফাইন্যান্সিং, করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মতো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে বলেও স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়েছে।
শেখ হামিম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান উৎপাদন করবে না-পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎও উৎপাদন করবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উপাচার্য এই পরিবেশবান্ধব ও সময়োপযোগী উদ্যোগ বাস্তবায়নে নীতিগত অনুমোদন দেবেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী শেখ, ক্রীড়া সম্পাদক মো. সাইফ উল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. জাহিদুল ইসলাম, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান আসিফ, ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মালিহা বিনতে অবন্তী খান, স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মুন্না, সহক্রীড়া সম্পাদক সাদমান সাকিব বিশ্বাস মাহির, ফজলুল হক মুসলিম হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখওয়াত হোসেন, মাস্টারদা সূর্যসেন হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজা আমিনুল হক অভি এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদে নিজ অফিসে দাফতরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। এই তথ্য বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিএনপির মিডিয়া সেলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, মির্জা আব্বাস আজ সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন।
এদিকে, উল্লেখ্য যে, গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১০টায় সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়া থেকে চিকিৎসা শেষে প্রায় সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরেছেন মির্জা আব্বাস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লন্ডনের ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মধ্যে টেস্ট ম্যাচ শুরু হতে এখনও আট মাসেরও বেশি সময় বাকি রয়েছে। তবে, লর্ডস কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ম্যাচটির টিকিটের জন্য আবেদন করার সুযোগ চালু করেছে।
বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ডের মধ্যকার একমাত্র টেস্টটি আগামী ২৮ মে ২০২৭ থেকে শুরু হবে এবং এটি চলবে ১ জুন পর্যন্ত।
২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর টিকিটের জন্য সাধারণ দর্শকদের জন্য ব্যালট আবেদন ইতোমধ্যে উন্মুক্ত করেছে লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড। টিকিটের জন্য আবেদন করার সময়সীমা আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত থাকবে।
নভেম্বরের শুরুতে প্রথম ধাপে সফল আবেদনকারীদের ই-মেইলের মাধ্যমে জানানো হবে। এরপর, তাঁরা ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকিট কেনার সুযোগ পাবেন। সাধারণ দর্শকদের জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১০ ডিসেম্বর।
বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়মিত টেস্ট খেলার সুযোগ খুব বেশি পায় না। সর্বশেষ ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও ইংল্যান্ডের মাটিতে, বিশেষ করে ঐতিহাসিক লর্ডসে খেলতে নামবে বাংলাদেশ দল।
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে লর্ডসের সঙ্গে রয়েছে বিশেষ কিছু স্মৃতি। ২০১০ সালে এই মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৯৪ বলে টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম ইকবাল। তাঁর সেই শতকের পর উদযাপনের দৃশ্য এখনো বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে আছে।
বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ড সবশেষ টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৬ সালে। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে ১০৮ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ।
লর্ডসে ২০২৭ সালের ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাবে, পাশাপাশি সমর্থকদের জন্যও এটি হতে যাচ্ছে একটি বিশেষ ক্রিকেটীয় আয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ