বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৯ এম
নামাজ ইসলাম ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। ইমানের পর নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম, যা সকল আমলের মধ্যে অন্যতম। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের নফল সালাতেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
নামাজ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং তাঁর সান্নিধ্য লাভের জন্য একটি প্রধান মাধ্যম। এটি একজন মুমিনের জন্য কেবল ফরজ ইবাদত নয়, বরং আত্মিক প্রশান্তি ও জীবনে বরকত লাভের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
এ কারণে, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য নির্ধারিত সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা একটি দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়।
আজকের ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিচে উপস্থাপন করা হলো—
ফজর: ৪:৪৫ মিনিট
জোহর: ১১:৪৭ মিনিট
আসর: ৩:৫১ মিনিট
মাগরিব: ৫:৩১ মিনিট
এশা: ৬:৪৫ মিনিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যেকোনো দেশকে ইরানে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে পাল্টা আক্রমণের পাশাপাশি নিজেদের ভূখণ্ডে অভিযান চালানোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, তাদের সামরিক কৌশল এখন শুধুমাত্র প্রতিরক্ষামূলক নয়; বরং এটি আক্রমণাত্মক এবং অসম কৌশলনির্ভর।
ইরানের স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি মন্তব্য করেছেন, ‘আগে ইরানের প্রতিরক্ষা নীতি ছিল পুরোপুরি আত্মরক্ষামূলক। আমরা ঘোষণা করতাম, কোনো দেশ আমাদের ওপর হামলা চালালে আমরা তার জবাব দেব।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এখন আমরা বলছি, কোনো দেশ আমাদের ওপর হামলা চালালে আমরা জবাব দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ভূখণ্ডে অভিযানও চালাব। আমাদের কৌশল আর শুধু আক্রমণাত্মক থাকবে না, বরং তা অসম কৌশলনির্ভর হবে। আমরা শত্রুকে এমনভাবে আঘাত করব, যাতে তারা আমাদের পদক্ষেপের তীব্রতা বুঝতে পারে।’
এদিকে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকেও কটাক্ষ করেছেন আইআরজিসির মুখপাত্র। তিনি বলেন, এ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে পড়বে।
মোহেবি মন্তব্য করেছেন, ‘হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কণ্ঠনালি চেপে ধরেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বহুল ব্যবহৃত পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বুধবার (২১ অক্টোবর) ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বহু ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়। এ তথ্যটি রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সফটওয়্যারে দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে থাকা এই ত্রুটিগুলো শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীরা নিজেদের ব্যবস্থা সুরক্ষিত করতে তৎপর হয়ে ওঠেন।
নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো সংশোধনের জন্য বুধবার জরুরি হালনাগাদ সংস্করণ প্রকাশ করেন পিএইচপির ডেভেলপাররা। একই সঙ্গে ব্যবহারকারীদের দ্রুত সফটওয়্যার হালনাগাদ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেভেলপাররা জানিয়েছেন, এআই ব্যবহার করে ত্রুটিগুলো শনাক্ত করার আগে সেগুলো বছরের পর বছর অজানাই ছিল। সব ব্যবহারকারীকে অবিলম্বে সফটওয়্যার হালনাগাদ করার জন্য তারা পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো সতর্ক করে বলেছে, কিছু হ্যাকার ইতোমধ্যে এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হামলা চালাচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইউরোপের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়।
সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা ও সাইবার হামলার ঘটনা মোকাবেলায় কাজ করা প্রতিষ্ঠান ‘টিএলপি:ব্ল্যাকের’ সহপ্রতিষ্ঠাতা কস্টিন রাইউ বলেন, এআই বর্তমানে নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগানোর প্রতিযোগিতাকে ত্বরান্বিত করছে।
তিনি আরও বলেন, এর পরের ধাপে ইন্টারনেটে থাকা প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়েব সার্ভার ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে যাত্রা শুরু করা পিএইচপির নাম প্রথমে ছিল ‘পার্সোনাল হোম পেজ’। বর্তমানে এর পূর্ণরূপ ‘হাইপারটেক্সট প্রিপ্রসেসর’।
ইন্টারনেটের বড় একটি অংশের ওয়েবসাইট পরিচালনায় এই ভাষা ব্যবহৃত হয়। ওয়ার্ডপ্রেস, ড্রুপাল, জুমলা ও ম্যাজেন্টার মতো ওয়েবসাইট তৈরির ব্যবস্থাতেও এটি যুক্ত রয়েছে। ফলে এ ভাষায় কোনো গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি দেখা দিলে তার প্রভাব ব্যাপক হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ‘সব বোমার মা’ নামে পরিচিত শক্তিশালী বোমার পাল্টা হিসেবে ইরান ‘সব বোমার জনক’ নামে একটি নতুন অস্ত্র উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি। খবরটি প্রকাশ করেছে আনাদোলু।
ইরানের ইয়াং জার্নালিস্টস ক্লাবের সূত্রে মোহেবি জানান, ‘আমরা ‘সব বোমার জনক’ উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এটি শত্রুপক্ষের জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি বিষয়।’ তবে নতুন অস্ত্রটির ধরন, সক্ষমতা কিংবা ধ্বংসক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
এর আগে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন। ‘মাদার অব অল বম্বস’ বা ‘সব বোমার মা’ নামে পরিচিত এই বোমার ওজন প্রায় ৯ হাজার ৮০০ কেজি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারের সবচেয়ে বড় অ-পারমাণবিক প্রচলিত বোমাগুলোর মধ্যে একটি। ২০১৭ সালের এপ্রিলে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তানে আইএসের একটি সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো বোমাটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বেড়েছে দেড় গুণ
মোহেবি আরও দাবি করেন, ২০২৫ সালের জুনে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দেড় গুণ বেড়েছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান তিনি দেননি।
আইআরজিসির মুখপাত্র হিসেবে মোহেবি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের গুণগত মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। পাশাপাশি এগুলোর পাল্লা, ধ্বংসক্ষমতা এবং লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার নির্ভুলতাও বেড়েছে। তিনি জানান, ইরান তার প্রতিরক্ষা কৌশলে পরিবর্তন এনে স্থায়ী ও নিরঙ্কুশ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে।
মোহেবি বলেন, ‘আগে ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশল পুরোপুরি আত্মরক্ষামূলক ছিল। আমরা বলতাম, কোনো দেশ আমাদের আক্রমণ করলে আমরা জবাব দেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমরা বলছি, কোনো দেশ আমাদের আক্রমণ করলে শুধু জবাবই দেব না, পাল্টা আক্রমণও চালাব।’
ইরানের ওপর যেকোনো হামলার জবাব একই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে দেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তাঁর ভাষায়, ইরানের সামরিক কৌশল ক্রমেই অসম যুদ্ধপদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠবে। এই কৌশলে প্রতিপক্ষের তুলনায় ভিন্ন ধরনের সামরিক সক্ষমতা ও পদ্ধতি ব্যবহার করে আঘাত হানা হবে।
মোহেবি বলেন, ‘আমাদের কৌশল আর শুধু আক্রমণাত্মক থাকবে না; এটি হবে অসম। আমরা এমনভাবে শত্রুকে আঘাত করব, যাতে তারা আমাদের জবাবের তীব্রতা অনুভব করতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে পালিয়ে এসে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া তিন বাংলাদেশি আজ বৃহস্পতিবার দেশে ফিরবেন। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তাঁদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিন বাংলাদেশির নাম হলো—মো. সাইদুর রহমান, রবিউল এবং মো. সোহেল রানা।
ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করে অনির্বাণ সারভাইভর ভয়েস ফাউন্ডেশন। এ লক্ষ্যে, গত ২৪ আগস্ট প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে প্রয়োজনীয় সহায়তা চেয়ে আবেদন করে সংগঠনটি।
আবেদনের প্রেক্ষিতে, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বাংলাদেশ দূতাবাস, ব্যাঙ্ককের প্রথম সচিবকে (শ্রম) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, থাইল্যান্ডের মায়ে সট ইমিগ্রেশনের রেফারেল মেকানিজমের অধীনে সেফ হোমে অবস্থানরত আট বাংলাদেশিকে মুক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। তাঁদের মধ্যে তিনজন আগামীকাল দেশে ফিরছেন। বাকিরা দেশে ফেরার আইনি প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ