১০:৩২ পি.এম
শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। উইকেটে তখন দুই ওপেনারের দৃঢ়তা, স্কোরবোর্ডে দ্রুত বাড়ছিল রান। মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের পথে এগোচ্ছে।
কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। একের পর এক উইকেট হারিয়ে হঠাৎ করেই ছন্দপতন ঘটে। বিনা উইকেটে ১০৮ রান তোলা দলটি গুটিয়ে গেল ২৩৪ রানে। এই ব্যাটিং ধস আবারো সামনে এনে দিল বাংলাদেশের পুরোনো দুর্বলতা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ ব্যাট হাতে বড় সংগ্রহ গড়তে পারল না। দুবাইয়ে আজ শুরু হওয়া প্রস্তুতি ম্যাচে সৌম্য সরকার ও সাদমান ইসলাম যে ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেটি কাজে লাগানোর সুযোগ ছিল। কিন্তু মাঝের ওভারে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারানোর পর চাপ সামলাতে ব্যাটিং লাইনআপ ব্যর্থ হয়।
আরও পড়ুন: চিন্ময় সুতারের অপরাজিত ৪০০ রানের ইতিহাস সৃষ্টি
উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরই বাংলাদেশের ইনিংসে শুরু হয় ছন্দপতন। তিন নম্বরে নেমে মুমিনুল হক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে অন্য প্রান্ত থেকে সঙ্গ পাননি। মুশফিকুর রহিম মাত্র ৪ রান করে ফিরে যান। জাকের আলীও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, তার ব্যাট থেকে আসে ৮ রান।
মুমিনুল অবশ্য ধৈর্য ধরে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। ৬৩ বলে ৩৩ রান করে শেষ পর্যন্ত তিনিও ফেরেন। এরপর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকেও বড় কিছু আসেনি; ৮ রান করে আউট হন তিনি।
দ্বিতীয় সেশনের শেষ দিকে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের দুর্দশা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে মাত্র ৭৪ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারায় সফরকারীরা। লোয়ার অর্ডারে নাঈম হাসানের ৩৬ ও তাইজুল ইসলামের ১৬ রানে ভর করে বাংলাদেশ ২৩৪ পর্যন্ত যেতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশের ইনিংসে সৌম্যর ৫৭ রানই সর্বোচ্চ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোলারদের মধ্যে জুনাইদ নিয়েছেন ৩ উইকেট। উসাইদ ও হায়দার আলী পেয়েছেন ২টি করে উইকেট।
আরও পড়ুন: আফগানিস্তান যুব দলের কাছে বাংলাদেশকে ৩০৫ রানের চ্যালেঞ্জ
প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে আরব আমিরাত। দলীয় ২৪ রানে লুকমানকে ফিরিয়ে দেন খালেদ আহমেদ।
দিনের খেলা শেষে আরব আমিরাতের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৪ রান। বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ২০০ রানে পিছিয়ে স্বাগতিকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন