বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:৩২ পি.এম
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর সফল দায়িত্বকাল সম্পন্ন করা ড. ফাহমিদা খাতুন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সিপিডির ৬৮তম বোর্ডের সভায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে তার দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
ড. ফাহমিদা ২০০৩ সাল থেকে সিপিডির সঙ্গে যুক্ত। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তখন থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে তার নেতৃত্বে সিপিডির গবেষণা কর্মসূচির পরিধি, বৈচিত্র্য ও মান উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়।
অর্থায়নপ্রাপ্ত প্রকল্প ও কর্মসূচির সংখ্যা এবং অর্থায়নকারী সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীর সংখ্যা বহু গুনে উন্নীত হয়। ধারাবাহিকভাবে সম্পদ আহরণ, বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে তার সময়ে তিনি সিপিডির উন্নয়ন তহবিল প্রায় ৫৯০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বার্ষিক আয় প্রায় ১৭১ শতাংশ বাড়াতে নেতৃত্ব দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ড. ফাহমিদা খাতুন সিপিডির ভৌত ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে নেতৃত্ব দেন। এছাড়া তিনি কর্মীদের পেশাগত উন্নয়ন, গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রকাশনার মানোন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনকে শক্তিশালী করেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতের অগ্রযাত্রার জন্য একটি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সিপিডিতে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশে ইউএনডিপি ও ইউএসএআইডি মিশনে ঊর্ধ্বতন পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পড়িয়েছেন এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কয়েকটি গবেষণা ও নীতি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। ড. ফাহমিদা ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা করেছেন। তার গবেষণার ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি, রাজস্ব ও মুদ্রানীতি, ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সুশাসন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক রূপান্তর ইত্যাদি বিষয়।
ড. ফাহমিদা খাতুন দেশে-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের মাল্টিডাইমেনশনাল ভালনারেবিলিটি ইনডেক্স (এমভিআই) বিষয়ক স্বাধীন বিশেষজ্ঞ পরামর্শক প্যানেলের সদস্য এবং জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড) প্রোডাক্টিভ ক্যাপাসিটিজ ইনডেক্স বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের পরামর্শক বোর্ডের সদস্য। তিনি বোস্টন ইউনিভার্সিটির জলবায়ু, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো বিষয়ক আন্তর্জাতিক টাস্কফোর্সের সদস্য। তিনি ব্র্যাক ও বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদেরও সদস্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থাভাবে থমকে যাওয়া ফাতেমার মেডিক্যালে পড়ার স্বপ্ন পূরণ
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা কাকফো গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী মোছা. ফাতেমা খানম চীনের একটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে অর্থসংকটে তিনি অনিশ্চয়তায় পড়েছিলেন। তাঁর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এসেছেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল।
ফাতেমা খানমের চীনের একটি স্বনামধন্য মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু ভর্তি ফি ও অন্যান্য খরচ বহন করার সামর্থ্য না থাকায় তাঁর বিদেশে উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের দৃষ্টিতে এলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ফাতেমাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আরো ৫ লাখ টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ফাতেমা খানমের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন। এই আর্থিক সহায়তার ফলে ফাতেমা চায়না মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল মন্তব্য করেন, ‘আমাদের এলাকার কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন অর্থাভাবে ঝরে না পড়ে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। ফাতেমা অত্যন্ত মেধাবী একজন শিক্ষার্থী।
তাঁর পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি গর্বিত। ভবিষ্যতেও তাঁর পড়াশোনার প্রয়োজন হলে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই এমন মানবিক সহায়তা সম্ভব হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উন্নয়নেই দেশের উন্নয়ন নিহিত।’
ফাতেমা খানমের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১-এ ১৫ দশমিক ৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৯৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা) বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ইকোলেট (প্রাইভেট) লিমিটেড।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ও ইকোলেট (প্রাইভেট) লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, ইকোলেট বছরে ৬০ লাখ পিস এলইডি বাল্ব, ডেকোরেটিভ লাইটসহ বিভিন্ন ধরনের ল্যাম্প উৎপাদন করবে। উৎপাদিত এসব পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাজারে রফতানি করা হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, প্রচলিত রফতানি পণ্যের বাইরে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে বেপজা পণ্য বহুমুখীকরণে কাজ করছে। এলইডি পণ্যের অন্তর্ভুক্তি বেপজার পণ্য ও রফতানি বহুমুখীকরণের চলমান প্রচেষ্টায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
চুক্তি অনুষ্ঠানে বেপজার পক্ষে সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) তানভীর হোসেন এবং ইকোলেট (প্রাইভেট) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোলিমান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত সিরিজ জিতলেও বাংলাদেশকে টপকাতে পারল না, ফাইনালের পথ হলো আরো ভঙ্গুর।
ভারতের জন্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের লড়াই এখন আরো কঠিন হয়ে উঠেছে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজের দুটি টেস্ট জিতলে শুভমান গিলদের পয়েন্ট টেবিলে কিছুটা উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
কিন্তু সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিল না। সোনাল দিনুশার অসাধারণ লড়াইয়ের কারণে ভারতকে দ্বিতীয় টেস্ট ড্র করে সন্তুষ্ট থাকতে হলো। গতবার ভারতীয় দল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে উঠতে পারেনি। সেই লজ্জার স্মৃতি আবারও ফিরে আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তারা ১০ ম্যাচ খেলে আটটি জয় পেয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যারা চার ম্যাচের তিনটিতে জয়লাভ করেছে।
কিন্তু ভারতের অবস্থা খুবই সঙ্গিন, যাদের দুবারের ফাইনালিস্ট হিসেবে এই সাইকেলে ১১টি টেস্ট খেলা হয়ে গেছে। তাদের জয় এসেছে মাত্র পাঁচটিতে, আর চারটি টেস্টে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ভারতীয় সমর্থকরা আশা করেছিলেন, অপেক্ষাকৃত দুর্বল শ্রীলঙ্কাকে দুই টেস্টে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে কিছুটা উন্নতি হবে।
প্রথম টেস্ট জেতার পর দ্বিতীয় টেস্টেও জয়লাভের খুব কাছে চলে গিয়েছিলেন শুভমানরা। শ্রীলঙ্কাকে ফলো অন করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তই তাদের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে লঙ্কান ব্যাটাররা ক্রিজে স্থির হয়ে রইলেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র হয়ে গেল। পয়েন্ট তালিকার উন্নতির স্বপ্নও ভেঙে গেল। বর্তমানে আকাশি-নীলরা পঞ্চম স্থানে রয়েছে, বাংলাদেশেরও নিচে। ভারতের পয়েন্ট হলো ৫১.৫২। জয়লাভ করলে ৫৭.৫৮ শতাংশ পয়েন্ট পেতে পারত ভারত।
এখন ভারতের সামনে আটটি টেস্ট বাকি রয়েছে। যদি তারা ৭ বা ৮টি জয় পায়, তবে ফাইনাল নিশ্চিত হবে। ৬টি জয় পেলে পয়েন্ট শতাংশ হবে ৬১.১১, আর ৬টি জয় ও দুটো ড্র হলে পয়েন্ট শতাংশ হবে ৬৪.৮১। গত দু’বার দেখা গেছে ৬০ পয়েন্ট নিয়েও ফাইনালে ওঠা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় দলকে নিউজিল্যান্ডে গিয়ে সিরিজ খেলতে হবে, যেখানে ২০০৯ সালের পর তারা কোনো টেস্ট জিততে পারেনি। বৃহস্পতিবার ড্রয়ের পর কাজটি আরো কঠিন হয়ে গেল শুভমানদের জন্য। আগামী বছর কি ভারত ফাইনালে খেলতে পারবে? বাংলাদেশেরও নিচে থাকা দল নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা উদ্বিগ্ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরে র্যাবের অভিযানে বিশেষ কায়দায় পায়ুপথে কনডমের ভেতর লুকিয়ে রাখা ১০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৫।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে নাটোর শহরের স্টেশন বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার রতনপুর গ্রামের বদিউজ্জামানের ছেলে মিন্টু (৪৫) ও ও রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মৈশালবাড়ি গ্রামের আখতারের ছেলে শাকিবুর (৩৮)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্টেশন বাজার এলাকায় একটি সন্দেহভাজন প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে গ্রেফতার ব্যক্তিদের দেহে বিশেষ কায়দায় লুকানো মাদকের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে তাদের পায়ুপথে কনডমের ভেতর লুকানো অবস্থায় ১০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া হেরোইনের চালানটি কুষ্টিয়া থেকে জয়পুরহাটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
নাটোর সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ