বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৮ এম
দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে। একইসঙ্গে, এসব অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে, সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাতে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে, এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টায় আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সকালে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এদিকে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে অনিয়মের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে, জামায়াতের মো. দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী বটগাছ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক ডাব প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
নির্বাচনের আগে আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বসহ নয় দফা অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে জামায়াত। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বুধবার বলেন, "১৯৯৪ সালের মাগুরা-২ আসনের উপনির্বাচনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে তার পরিণতি স্মরণ রাখা উচিত।"
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ভোটগ্রহণ থেকে ফল ঘোষণা পর্যন্ত নজরদারি, অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা এবং সেনা মোতায়েনসহ বিভিন্ন দাবি জানিয়েছে। জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ জানান, তারা নির্বাচন কমিশনের আশ্বাসের প্রতিফলন ভোটের মাঠে দেখতে চান।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরা, বডি ক্যামেরা ও বিজিবির ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে।
নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছেন ৩ হাজার ১৫২ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা। নিরাপত্তায় রয়েছেন ২১ প্লাটুন বিজিবি, এসআরবির ২৫১ সদস্য, পুলিশের ২ হাজার ২৭২ জন এবং আনসারের ২ হাজার ৪৬৫ সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. কামরুল ইসলাম বলেন, "আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি পরিকল্পনা অনুযায়ী সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে বন্ধ থাকে। তবে অনেক সময় গন্তব্যে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, সেদিন ওই এলাকার দোকান ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে, তা জানা প্রয়োজন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকার দোকানপাট, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপরারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়ের সম্ভাবনা তখন ঝুলছিল। কখনো জয়ের আশায়, কখনো হতাশার ছায়ায়। আনফিল্ডে টাইব্রেকারের যুদ্ধ যেন শেষ হতে চাইছিল না। অবশেষে ওয়েসলি ফোফানার শট গ্যালারিতে উড়ে গেল। আর তাতেই উল্লাসে মাতল লিভারপুল। বিপরীত দৃশ্য তখন চেলসির ডাগআউটে ছিল।
গতকাল ইংলিশ লিগ কাপের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে শেষ হয়। ফলে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচটি। রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে ৬-৫ ব্যবধানে জয়লাভ করে লিভারপুল। এই জয়ের মাধ্যমে কোয়ার্টার ফাইনালে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে অলরেডরা।
অ্যানফিল্ডে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা চলছিল। তবে গোলের দেখা পেতে দুই দলকেই অপেক্ষা করতে হয় প্রথমার্ধের শেষ পর্যন্ত। শুরুতে এগিয়ে যায় চেলসি। ৩৮ মিনিটে মোইজেস কাইসেদোকে পেছন থেকে ফাউল করেন রায়ান গ্রাভেনবার্খ। এর ফলে পেনাল্টি পায় চেলসি। ৪০ মিনিটে সফল স্পটকিক নেন মরগান রজার্স।
কিন্তু চেলসি লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। লিভারপুলের নেওয়া কর্নারে ফোফানার হাতে বল লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ৪৩ মিনিটে স্পটকিক থেকে সমতা ফেরান কোডি গাকপো। এরপর আর কোনো গোল না হলে টাইব্রেকারে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়।
টাইব্রেকারে প্রথম তিন শটে গোলের দেখা পায় লিভারপুল ও চেলসির খেলোয়াড়রা। তবে অলরেডদের চতুর্থ শটের বিপরীতে গোল করতে ব্যর্থ হন চেলসির ভ্যালেন্টিন বার্কো। তার বাঁ পায়ের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। লিভারপুলের এগিয়ে থাকার আনন্দ অবশ্য ফিরতি শটেই মিইয়ে যায়।
পঞ্চম শটে কনস্টান্টিনোস সিমিকাস গোল দিতে পারলে জয় নিশ্চিত হয়ে যেত লিভারপুলের। কিন্তু বাঁ পায়ের শটটি বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় চেলসি। জর্ডান রবার্টসন গোল করে ব্লুজদের সমতায় ফেরান।
ষষ্ঠ শটে দুই দলের খেলোয়াড়ই গোলের দেখা পান। তবে সপ্তম শটে লিভারপুলের রায়ান গ্র্যাভেনবার্খের শট চেলসির গোলরক্ষক ঠেকালে দলকে জয় এনে দেওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন এমানুয়েল এমেঘা। কিন্তু তার শট ঠেকিয়ে লিভারপুলকে ম্যাচে রাখেন দলের গোলরক্ষক। অষ্টম শটে জোসেফ গোমেজ গোল করলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। সমতা করতে হলে গোল দিতে হতো ফোফানাকে। কিন্তু বারের ওপর দিয়ে বলকে পাঠিয়ে গ্যালারিতে পাঠান। ফলে পরাজয়ও লেখা হয় স্কোরশিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার বাতাস চলতি মাসের অধিকাংশ সময় অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বায়ুমান সূচকে ১৫১ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় এই মেগাসিটি ১৩তম স্থানে অবস্থান করছে, যা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গতকাল বায়ুমানের স্কোর ছিল ১২৩।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৮টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ওই দিন বায়ুদূষণে বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ, যার স্কোর ৩৯৯। পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের রাজধানী দিল্লি যথাক্রমে ২৭৭ ও ২১৬ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
আইকিউএয়ার নামক সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি একটি শহরের বাতাসের মান কতটা নির্মল বা দূষিত, তা লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক হিসেবে জানিয়ে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটির নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে তা ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
যখন বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়, তখন শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে থাকার বিষয়ে সতর্কতা প্রদান করা হয়। বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করা আবশ্যক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ