বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৩ পি.এম
সৌদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র সমিতি বাংলাদেশ পবিত্র মক্কা মুকাররমাসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলা ও সামরিক তৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংগঠনটি উল্লেখ করেছে যে, পবিত্র মক্কা মুকাররমার নিরাপত্তা এবং পবিত্রতাকে লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের সামরিক তৎপরতা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি গুরুতর আঘাত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
বিবৃতিতে তারা বলেছে, পবিত্র নগরী মক্কা মুকাররমায় অবস্থিত আল্লাহর পবিত্র ঘর কাবা শরিফ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কিবলা এবং বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের ঈমান, ভালোবাসা ও আত্মিক বন্ধনের কেন্দ্র। তাই মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতাকে লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের হুমকি, সামরিক তৎপরতা বা ঝুঁকি সৃষ্টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মক্কা মুকাররমার দক্ষিণে একটি হুতি ড্রোন পবিত্র নগরীর নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। মক্কা নগরীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত এ ধরনের তৎপরতা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
সৌদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র সমিতি বাংলাদেশ বলেছে, পবিত্র মক্কা মুকাররমা ও ইসলামের অন্যান্য পবিত্র স্থানকে কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সংঘাতের অংশ করা যাবে না। পবিত্র স্থান, বেসামরিক জনগণ, হজ-ওমরাহ পালনকারী এবং ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সামরিক উত্তেজনা ও হামলা বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে পবিত্র মক্কার মর্যাদা সম্পর্কে কোরআন-হাদিসের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘আর যে ব্যক্তি সেখানে অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘনের ইচ্ছা করে, তাকে আমি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাব।’ (সূরা আল-হাজ্জ, ২২:২৫)। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর যে তাতে প্রবেশ করে, সে নিরাপদ।’ (সূরা আলে ইমরান, ৩:৯৭)।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কা মুকাররমার পবিত্রতা ঘোষণা করেছেন। ফলে পবিত্র মক্কার নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে এমন কর্মকাণ্ড শুধু কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিষয় নয়; এটি মুসলিম উম্মাহর সর্বাধিক পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুতর বিষয়।
সংগঠনটি জানায়, ২০১৭ সালেও মক্কা মুকাররমা অভিমুখে হুতিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছিল। সাম্প্রতিক ঘটনাটি পবিত্র নগরীর নিরাপত্তা নিয়ে বিদ্যমান উদ্বেগকে আবারও সামনে এনেছে।
বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মুসলিম বিশ্বের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সংঘাতকে পবিত্র নগরী ও বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তার জন্য হুমকিতে পরিণত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, মক্কা মুকাররমা কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয় এবং কাবা শরিফ কোনো সামরিক লক্ষ্য নয়। পবিত্র ভূমির নিরাপত্তা ও মুসলিম উম্মাহর পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা রক্ষা করা বিশ্বের মুসলমানদের গভীর আকাঙ্ক্ষা। পবিত্র মক্কা মুকাররমার প্রতি যেকোনো হুমকি ও আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
একই সঙ্গে সৌদি আরবের জনগণ ও সরকারের প্রতি এবং পবিত্র দুই মসজিদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়। হুতিদের সহিংসতা পরিহার করে দায়িত্বশীল আচরণ এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ওয়ালি উল্লাহ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মানযুর এ ইলাহী, প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মদ জাকারিয়া, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লোকমান হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ, ড. শহীদুল্লাহ খান মাদানী, প্রফেসর ড. শফি উদ্দিন, ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ আব্দুল হালীম মাদানী, ড. আব্দুল্লাহ আল কাফি, ড. রেজাউল করিম, ড. আবদুল বাসীর, ড. হারুন অর রশীদ ত্রিশালী, ড. আব্দুল মুমিন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘দেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়া পালানোর সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উমামা ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ’—এমন একটি দাবির সঙ্গে একটি ফটোকার্ড সম্প্রতি ইন্টারনেটের বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুলিশ নাকি রানওয়েতে থাকা বিমান থেকে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধান অনুযায়ী, উমামা ফাতেমার দেশ ছেড়ে পালানোর সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকের যে দাবি করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, একটি স্যাটায়ার পেজের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট থেকে এই কনটেন্টের সূত্রপাত হয়েছে এবং এটি বাস্তব তথ্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
ওই দাবির পক্ষে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করার পর দেখা যায় যে, দাবির সমর্থনে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাই করার জন্য প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও, নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এমন বক্তব্যের প্রমাণ মেলেনি।
আলোচিত দাবির ফটোকার্ডের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে, ‘Gojobvision’ নামে একটি ফেসবুক পেজে আলোচিত দাবির সঙ্গে ফটোকার্ডটি পোস্ট হতে দেখা যায়।
‘Gojobvision’ পেজটি পর্যবেক্ষণ করলে এটিকে প্যারোডি/স্যাটায়ার পেজ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। পেজটির পর্যবেক্ষণে আরও অনেক ব্যঙ্গাত্মক পোস্টও পাওয়া যায়। এই তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আলোচিত পোস্টটিও মূলত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে।
সুতরাং, উমামা ফাতেমার দেশ ছেড়ে পালানোর সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকের দাবিটি মিথ্যা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরান জানায়, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার জন্য তাদের নির্ধারিত শর্তগুলো পূরণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের সময়সীমা (আলটিমেটাম) প্রদান করা হয়েছে।
এই হুঁশিয়ারি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব এবং শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-কে (IRIB) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেন।
মহসেন রেজাই উল্লেখ করেন, "ইরানি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ ও অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে 'হরমুজ প্রণালী' একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।"
তিনি স্পষ্টভাবে জানান, যেসব প্রতিবেশী দেশ আমেরিকার এই ধরনের পদক্ষেপ এবং অ্যাডভেঞ্চারে সহযোগিতা করবে, তাদের বিমান চলাচলেও বাধা দেবে ইরান। প্রতিবেশী দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্ররোচনায় পা না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
এই কঠোর হুঁশিয়ারি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন যে গৌণ নিষেধাজ্ঞা (secondary sanctions)-এর কারণে ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরানের সমস্ত এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হয়ে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহকে শিক্ষার নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে যাঁরা অসামান্য অবদান রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে আনন্দমোহন বসু অন্যতম। তিনি অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য পথ প্রদর্শন করেছেন। কৃতজ্ঞতার অনুভূতি থেকেই আনন্দমোহন বসুর জীবন, কর্ম ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।
বুধবার আনন্দমোহন বসুর ১৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট স্কুলে আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা ময়মনসিংহবাসী আনন্দমোহন বসুর প্রতি কৃতজ্ঞ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, নতুন প্রজন্মের কাছে আমরা তাঁকে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদায় তুলে ধরতে পারিনি। তাই আনন্দমোহন বসুকে আমাদের স্মরণে ফিরিয়ে আনতে হবে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়। তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে।’
আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ আরও বলেন, ময়মনসিংহকে শিক্ষার নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যাঁরা অপরিসীম অবদান রেখেছেন, আনন্দমোহন বসু তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তিনি শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে একটি পশ্চাৎপদ সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা আজও ময়মনসিংহের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে গভীর প্রভাব বিস্তার করছে।
তিনি আরও বলেন, আনন্দমোহন বসুর মতো মনীষীদের অবদান শুধুমাত্র স্মরণসভা বা জন্মদিন পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। তাঁদের জীবন ও চিন্তাকে নতুন প্রজন্মের শিক্ষা, মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আনন্দমোহন বসু স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক কবি ও গল্পকার তাহমিনা রহমান বলেন, আনন্দমোহন বসু শুধু ময়মনসিংহের নয়, সমগ্র বাংলার শিক্ষা, সমাজসংস্কার ও মানবিক অগ্রযাত্রার এক উজ্জ্বল নাম। তাঁর জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মাধ্যমে শিক্ষা, মানবিকতা ও সমাজকল্যাণের আদর্শ সামনে নিয়ে আসা সম্ভব।
কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরী বলেন, ‘আনন্দমোহন বসুকে শুধু একটি নাম হিসেবে স্মরণ করলে হবে না; তাঁকে জানতে হবে তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে। যে মানুষ একটি সমাজের অন্ধকারে শিক্ষার আলো জ্বালিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত সেই আলোকবর্তিকার।’
তিনি আরও বলেন, জন্মদিন পালনের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে আনন্দমোহন বসুর জীবন ও কর্ম নিয়ে শিক্ষার্থী-তরুণদের মধ্যে আলোচনা বাড়াতে হবে। চিত্রাঙ্কন, সাহিত্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতিচর্চার মতো সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের কাছে তাঁর আদর্শ পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন।
সিটি কলেজিয়েট স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, কবি ও সংগঠক আলী ইউসুফ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা ও ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি রতন আকন্দ, সমাজকর্মী ও সাবেক ছাত্র মির্জা মোস্তফা, পিটিআইয়ের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও চিত্রশিল্পী পরিতোষ মজুমদার, জয়ন্ত কুমার তালুকদার শিবু, হাসান মাসুদ, তাপস মজুমদার, জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালার উপ-কিপার মুকুল দত্ত এবং চিত্রশিল্পী মো. রাজন, গৌতম দেবনাথ, প্রিয় দত্ত, দীপ্ত দত্তসহ বিভিন্ন চিত্রশিল্পী।
গরম উপেক্ষা করে তিন শতাধিক ক্ষুদে চিত্রশিল্পীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের premises-এ অভিযান পরিচালনা করে দালাল চক্রের সাত সদস্যকে আটক করেছে এসআরবি-৫। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং তিনজন নারী অন্তর্ভুক্ত আছেন।
বুধবার সকালে রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে র্যাব-৫-এর সদস্যরা। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্ন উপায়ে প্রভাবিত করে চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করা এবং দালালি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে শনাক্ত করা হয়।
এরপর র্যাব অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। ঘটনার পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত আটক ব্যক্তিদের অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের টার্গেট করে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা, অ্যাম্বুলেন্স ও দ্রæত সেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়।
পরে তাদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। সাজা প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মো. দুলাল, আহসান আলী, মো. রনি, মুন্না বাবু দত্ত, শরিফুল, জাকির, মো. তালিমুল ইসলাম এবং মো. বিপ্লব। অভিযান চলাকালে এসআরবি-৫-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ