বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৮ পি.এম
‘জুলাইযোদ্ধা’ শব্দটি বিকৃত করে অনেকেই নিজেদের স্বার্থে ফায়দা লুটেছেন : আরশ খান
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন অভিনেতা আরশ খান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অবস্থান প্রকাশ করার পাশাপাশি আন্দোলনের সময় তিনি সরাসরি রাস্তায় নেমেছিলেন।
তবে সময়ের পরিবর্তনের সাথে ‘জুলাইযোদ্ধা’ পরিচয় নিয়ে আর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না এই অভিনেতা।
বরং তাঁর মতে, শব্দটিকে বিকৃত করে অনেকেই নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন।
সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউজে একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে ‘জুলাই আন্দোলন’ প্রসঙ্গে কথা বলেন আরশ।
এ সময় ‘জুলাইযোদ্ধা’ পরিচয় নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধা’ শব্দটা আমার সঙ্গে নিতে চাই না।
এই শব্দটির সঙ্গে যে মূল্য, সততা ও নিরপেক্ষতা থাকা উচিত ছিল, তার কোনোটাই এখন আর নেই। এই শব্দটি এখন কুৎসিত হয়ে গেছে।
শব্দটি বিকৃত করে অনেকেই নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন বলেও মন্তব্য করেন আরশ। তাঁর ভাষায়, ‘এই শব্দটা বিকৃত করে অনেক মানুষ ফায়দা লুটেছে।
যার কারণে যখন এই শব্দটা (জুলাইযোদ্ধা) শুনি, এখন কেন জানি শ্রুতিমধুর লাগে না।’
তবে জুলাই আন্দোলনের সময় রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো আফসোস নেই বলে জানান এই অভিনেতা। তিনি দাবি করেন, আন্দোলনের সময় মূলত উত্তরার স্কুল ও মাইলস্টোনের শিক্ষার্থীদের কথা ভেবেই রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি।
আরশ বলেন, ‘আমি যে বাচ্চাগুলোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলাম, যারা উত্তরার স্কুল বা মাইলস্টোনে পড়ে, তারা কেউ পলিটিক্স করছে না। তারা এখন পড়ালেখাই করছে।
আমি ওই বাচ্চাগুলোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলাম। ওদের জন্য দরকার পড়লে আবার রাস্তায় নামব।’
তবে যারা ‘পাওয়ার প্র্যাকটিসে’ ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে নিজের অবস্থানের পার্থক্য রয়েছে বলেও জানান আরশ।
এদিকে ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তার ঘটনাতেও কথা বলেছেন আরশ খান। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ধরনের ‘মব’ বা দলবদ্ধ হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত।
বাঁধনের ঘটনাতেও এমন হামলাকে কোনোভাবেই সমর্থন করেন না জানিয়ে আরশ বলেন, ‘২০২৪-এর জুলাইতে দেশ যে পরিস্থিতিতে ছিল, এখন সেই অবস্থায় নেই। দেশ এখন শান্ত, নির্বাচিত সরকার আছে। ক্ষমতা নিজের হাতে তুলে নিয়ে বিচার কেন করতে হবে?’
নারীদের ওপর সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষ হিসেবে একে অপরকে দেখার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি।
আরশ বলেন, ‘বিগত কিছু সময় দেখছি নারীদের রাস্তায় বেধড়ক পেটানো হচ্ছে! প্রত্যেক মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলকে পছন্দ করে। কিন্তু আমরা একজন শিল্পী বা মানুষের ঊর্ধ্বে গিয়ে দলকে দেখা শুরু করেছি।’
সবশেষে বাঁধনের ঘটনার প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান আরো স্পষ্ট করে আরশ বলেন, ‘শুধু বাঁধন আপা কেন, কোনো নারী বা পুরুষের সঙ্গে এমন হোক, আমি সাপোর্ট করি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারে এসআইকে পিটিয়ে হত্যা : আরো তিন আসামি রিমান্ডে, দুজন কারাগারে
সাভারের আমিনবাজার এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এসআই আলতাফ হোসেন (৫৮) হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তিন আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একইসাথে, আরও দুই আসামিকে কারাগারে প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং রিমান্ড আবেদনের শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পুলিশের দুটি পৃথক আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্নার আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক এ বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান, রাকিব ও ওয়াসিমের পক্ষে তাদের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করে জামিনের প্রার্থনা করেছেন। তবে ছাব্বিরের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। রাষ্ট্রপক্ষ তিন আসামির রিমান্ডের আবেদন করেছে।
শুনানি শেষে আদালত তিন আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। অপর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন রাকিব মিয়া, ছাব্বির আহম্মেদ ও ওয়াসিম। কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন কাশেম আলী ও দদি আল ফায়েত জিত।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মো. জাকির আল আহসান আদালতে হাজির হয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
গত ৮ সেপ্টেম্বর মো. আলাউদ্দিন (২৯), মো. আপন (২৬), মো. জিহাদ (২৩), ইমরান হোসেন (২৫), নূর মোহাম্মদ রুদ্র (২৪) ও মো. গোলাম রাব্বিকে (২২) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয় এবং বিল্লাল (৩৪) ও দেলোয়ারকে (৩৩) তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। এছাড়া গত ৭ সেপ্টেম্বর এই মামলার প্রধান আসামি জহুরুলকে (৩২) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাভারের বরদেবী পশ্চিমপাড়ায় আবুল কালাম আজাদের আটোগ্যারেজের সামনে এক ব্যক্তির অটো রাখাকে কেন্দ্র করে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। থামানোর চেষ্টা করার সময় পুলিশ সদস্য মো. আলতাব হোসেন আসামিদের আক্রমণের শিকার হন।
প্রাণ বাঁচাতে তিনি তার ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’-এ আশ্রয় নিলে রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হামলা চালায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা আলতাফ হোসেনকে রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তাকে বাঁচাতে এলে তার ছেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। তারা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং ক্যাশবক্স থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরি করে। পরে আহতদের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলতাফকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার ছেলেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৫ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কর্ণাটকের মান্ড্যা জেলায় একটি ট্রাক্টরের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে বাসচালক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি ঘটে একটি লোহার রড বহনকারী ট্রাক্টরের সাথে বাসের সংঘর্ষের ফলে, যাতে ১০ জনের বেশি যাত্রী আহত হয়েছেন।
অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে আটজনের অবস্থা গুরুতর।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নাগামাঙ্গালা তালুকের ভারাহাসান্দ্রা গেটের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কর্ণাটক স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের (কেএসআরটিসি) একটি বাস পেছন থেকে লোহার রডবোঝাই ট্রাক্টরটিকে ধাক্কা দেয়। এর ফলে ট্রাক্টরে থাকা লোহার রড ও বারগুলো বাসের ভেতরে ঢুকে যায়।
দুর্ঘটনায় বাসচালক শেখর ঘটনাস্থলেই মারা যান। তিনি কর্ণাটকের হাসান জেলার বাসিন্দা ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, লোহার রড তার শরীর ভেদ করে যাওয়ার কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
অন্যদিকে, আহত যাত্রীদের বেল্লুরের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (এআইআইএমএস) চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, বাসের সামনের অংশে একাধিক লোহার রড ঢুকে গেছে এবং সামনের কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। দুর্ঘটনায় ট্রাক্টরের সামনের অংশও উল্টে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ৭১ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ৬৭৩ কোটি মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে ৬৭৩ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৫৭৮ কোটি ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৯৫ কোটি ডলার।
চলতি সেপ্টেম্বরেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। মাসের প্রথম আট দিনে দেশে এসেছে ৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। গত বছরের সেপ্টেম্বরের একই সময়ে এসেছিল ৮৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এ সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ।
এদিকে, ৮ সেপ্টেম্বর এক দিনেই প্রবাসীরা দেশে ১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন।
প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি, বৈদেশিক লেনদেন ও সামগ্রিক বহিঃখাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও বাড়তি প্রবাসী আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবে শতাধিক বাংলাদেশি শ্রমিকের প্রায় ৮ কোটি টাকা বকেয়া বেতন আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ভৈরবের এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম সবুর খান। তিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার রসুলপুর গ্রামের খান বাড়ির মৃত ইসমাইল মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সবুর খান সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে শ্রমিকদের বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজে লাগাতেন। কাজের বিনিময়ে কোম্পানি থেকে শ্রমিকদের পাওনা টাকা তার মাধ্যমে পরিশোধ হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে বিপুল অঙ্কের বেতন বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ শ্রমিকদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, শতাধিক শ্রমিকের কারও দুই মাস, কারও তিন মাস, আবার কারও ছয় মাস পর্যন্ত বেতন বকেয়া রয়েছে। সব মিলিয়ে তাদের প্রায় ৮ কোটি টাকার মতো পাওনা আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ায় প্রবাসী শ্রমিকদের অনেকেই চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দেশে থাকা পরিবারের ভরণপোষণ, ঋণের কিস্তি এবং প্রবাসে থাকা-খাওয়ার খরচ চালাতে গিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শ্রমিক শরীফুল ইসলাম, আরিফ, উসমান মিয়া ও অলি উল্লাহ জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের পাওনা বেতন পরিশোধ করা হচ্ছে না। বারবার টাকা চাইলেও নানা অজুহাত ও টালবাহানা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, পাওনা টাকা চাওয়ার কারণে সবুর খান তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি যারা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন, তাদের বেতন পরিশোধের পর সৌদি আরবে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন কয়েকজন শ্রমিক।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সবুর খান। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শ্রমিকদের কাছে তার ৮ কোটি টাকা নয়, প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। কোম্পানির কাছ থেকে টাকা পাওয়ার পর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করে দেওয়া হবে।
হুমকির অভিযোগের বিষয়েও তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শ্রমিকরা তাদের বকেয়া বেতন দ্রুত আদায়ে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ