১১:৩৬ পি.এম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘সান্ধ্য আইন’ নামে কোনো নিয়ম চালু করার বিষয়ে প্রশাসন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানিয়েছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এটি একটি গুজব।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য মন্তব্য করেন, “সান্ধ্য আইন চালু হওয়া বা হতে যাওয়ার বিষয়ে যে প্রচারণা চলছে, তা প্রশাসন অনুমোদন করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি স্পষ্ট করে বলছি- এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ বা চিন্তা করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা এসব গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।
আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষায় বৈষম্য কমাতে স্যাটেলাইট টিভি চালুর পরিকল্পনা ইউজিসির
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তি ও প্রমাণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে কোনো বিষয়ে সংশয় বা প্রশ্ন দেখা দিলে তা সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি কিংবা হলের প্রভোস্টের মাধ্যমে প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি। প্রশাসন এসব বিষয় গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে সমাধান করবে বলে আশ্বাস দেন।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আতিকুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন