ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাম রূপ নিয়ে বিতর্কের মাঝেই প্রতিক্রিয়া জানালেন রণবীর


রাম রূপ নিয়ে বিতর্কের মাঝেই প্রতিক্রিয়া জানালেন রণবীর

নীতেশ তিওয়ারির বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা 'রামায়ণ'-এ শ্রীরামের চরিত্রে বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুরের কাস্টিং এবং লুক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনা চলছে। এ পরিস্থিতিতে, অভিনেতা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এটি তার জন্য একটি সাধারণ সিনেমার অফার বা চরিত্র নয়, বরং একটি বিশাল দায়িত্ব।

সম্প্রতি, রণবীর কাপুরের ৪৪তম জন্মদিন উপলক্ষে সিনেমার প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে ৫ মিনিটের একটি বিশেষ নেপথ্য ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওটিতে, তিনি এ চরিত্রটি সম্পর্কে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

রামের চরিত্রে অভিনয় করার প্রসঙ্গে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। প্রশ্ন উঠছে, রণবীর কাপুর কতটা উপযুক্ত এই চরিত্রের জন্য? আবার কেউ কেউ তার রাম হয়ে ওঠার পেছনের ভাবনাচিন্তা নিয়েও আলোচনা করছেন। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে রণবীর কাপুর ও অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের একটি রোমান্টিক ছবি, যা আবারও আলোচনা সৃষ্টি করেছে তার অভিনীত রাম চরিত্রটি নিয়ে।

আরও পড়ুন: ৭ দিনে বিজয়-রাশমিকার ‘রণবালি’ আয় করল ৬৩ কোটি ৬৫ লাখ রুপি

তবে, রাম চরিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে রণবীরের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট। তিনি জানিয়েছেন, রামকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে আত্মবিশ্বাসের চেয়ে দায়িত্ববোধই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই, রণবীরের কাছে এটি শুধুমাত্র একটি চরিত্রের জন্য যোগ্য হয়ে ওঠার লক্ষ্য নয়, বরং মানুষের বিশ্বাসের যোগ্য হয়ে উঠার বিষয়টিও তার কাছে একটি বড় দায়িত্ব।

এছাড়া, রণবীরের এই চরিত্রের জন্য প্রস্তুতি দেখেছেন অভিনেত্রী সাই পল্লবী। তিনি জানিয়েছেন, ছোটবেলার রামকে রণবীরের মধ্যে দেখে তার ছোটবেলা জীবন্ত হয়ে উঠেছিল।

উল্লেখ্য, চলতি বছর দীপাবলিতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ‘রামায়ণ পার্ট ১’। দ্বিতীয় পর্ব আসবে ২০২৭ সালের দীপাবলিতে। ঝলক নিয়ে সমালোচনা হলেও এখন দেখার বিষয় হলো— রাম রূপে সিনেমায় কতটা অনুরাগীদের মন জয় করতে পারেন রণবীর কাপুর।

আরও পড়ুন: যে কারণে ‘আশিকি ২’-এর গান পুনরায় গেয়েছিলেন শ্রেয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় কন্যা শিশু দিবস আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


জাতীয় কন্যা শিশু দিবস আজ

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে কন্যাশিশুদের অবস্থান পর্যালোচনা করলে একদিকে যেমন অগ্রগতির চিত্র দেখা যায়, অন্যদিকে মাধ্যমিক পর্যায়ে এসে তাদের ঝরে পড়ার হার উদ্বেগজনক অবস্থার সৃষ্টি করছে।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও উপবৃত্তির ফলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় ছেলে ও মেয়েদের অংশগ্রহণে প্রায় সমতা অর্জিত হয়েছে। তবে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ে যাওয়ার পর অনেক কন্যাশিশু আর শিক্ষাজীবন ধরে রাখতে পারছে না।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মাধ্যমিক পর্যায়ে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার প্রায় ৩০ দশমিক ৬৩ শতাংশ। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হার আরও বেশি—প্রায় ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

অর্থাৎ, প্রাথমিক পর্যায়ে মেয়েরা তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকলেও মাধ্যমিকে গিয়ে তাদের একটি বড় অংশ পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়ছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বাল্যবিবাহ উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭১ শতাংশ মেয়ে বাল্যবিবাহের কারণে পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে, শুধু বিদ্যালয়ে মেয়েদের ভর্তি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়, তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।

কন্যাশিশুর শিক্ষা শুধুমাত্র একজন শিশুর ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এর সঙ্গে একটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নও জড়িত। তাই মেয়েদের বিদ্যালয়ে আনার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধরে রাখা, নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহের ঝুঁকি থেকে তাদের সুরক্ষা দেওয়াকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরের সহিংস বসতি স্থাপনকারীরা নতুন প্রজন্মের মতাদর্শে চালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


পশ্চিম তীরের সহিংস বসতি স্থাপনকারীরা নতুন প্রজন্মের মতাদর্শে চালিত

ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি ফিলিস্তিনি গ্রামে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের দ্বারা সংঘটিত ব্যাপক হামলার ঘটনা, ওই অঞ্চলে আদর্শগতভাবে উগ্র একটি নতুন প্রজন্মের উত্থান নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

সংবাদটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

কঠোরপন্থী ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের একটি শিথিলভাবে সংগঠিত আন্দোলন, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সহিংসতার বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে। ‘হিলটপ ইয়ুথ’ নামে পরিচিত এই গোষ্ঠীর অধিকাংশ সদস্য তরুণ। তাদের মধ্যে পশ্চিম তীরের বাইরের এলাকার কিছু স্কুলছুট তরুণও রয়েছে।

ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত এই আন্দোলনের লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ করা। এজন্য তারা প্রতিষ্ঠিত ইসরাইলি বসতিগুলোর বাইরে পাহাড়ের চূড়ায় অনুমোদনহীন নতুন বসতি বা ‘আউটপোস্ট’ গড়ে তোলে। এসব স্থাপনা সাধারণত অস্থায়ী তাঁবু দিয়ে নির্মিত হয়।

১৯৯০-এর দশক থেকেই পশ্চিম তীরে মূলধারার বাইরে বসবাসকারী ইসরাইলিদের বিভিন্ন গোষ্ঠী বিদ্যমান। তবে নতুন প্রজন্মের এই বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখলের স্পষ্ট লক্ষ্য রয়েছে বলে দাবি করেছেন ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মীদের সমর্থনকারী ইহুদি কর্মীদের সংগঠন ‘চিলড্রেন অব আব্রাহাম’-এর ডভির ওয়ারশাভস্কি।

মঙ্গলবার ভোরে ১০০-এর বেশি ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী ফিলিস্তিনি গ্রাম জালুদে হামলা চালায়। এই হামলায় ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর তিন সদস্য আহত হন।

ঘটনার সময় ইসরাইলি সেনারা একটি ফিলিস্তিনি পরিবারকে তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে সহায়তা করছিল। বসতি স্থাপনকারীদের হামলার কারণে পরিবারটি আগে বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মসজিদ ও গির্জায় হামলার ঘটনাও বেড়েছে। এর ফলে ব্রিটেন ও নেদারল্যান্ডসসহ কয়েকটি দেশ ইসরাইলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা ইসরাইলকে ক্ষুব্ধ করেছে।

সম্প্রতি ‘হিলটপ ইয়ুথ’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে প্রকাশিত পোস্টে দাবি করা হয়, গত ১২ মাসে এই গোষ্ঠী ১৫৮টি ফিলিস্তিনি গ্রামে ৬৩৫টি হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ৪০৯ জন ফিলিস্তিনি আহত এবং ৪৩৬টি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও পোস্টে দাবি করা হয়। তবে এএফপি এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

এ ধরনের সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের খুব কম ক্ষেত্রেই ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের হাতে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গত সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে বসতি স্থাপনকারীদের হামলাকে ‘প্রায় ১৫০ জন কিশোর অপরাধীর’ কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বের অন্যান্য দেশ ফিলিস্তিনিদের সহিংসতা উপেক্ষা করছে বলেও অভিযোগ করেন।

ইসরাইল ১৯৬৭ সাল থেকে পশ্চিম তীর দখলে রেখেছে। এই ভূখণ্ডে প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনির পাশাপাশি ৫ লাখের বেশি ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছে।

ইসরাইলি সরকার প্রায় ১৪০টি বসতিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে এসব বসতি অবৈধ। ইসরাইলি পর্যবেক্ষক সংগঠন পিস নাও-এর তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি আইনেও অবৈধ এমন খামার ও ছোট বসতির সংখ্যা এখন প্রায় ৪০০।

বহু বছর ধরে ‘হিলটপ ইয়ুথ’-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা ইসরাইলি মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০০৫ সালে ইসরাইল গাজা উপত্যকার ২১টি এবং পশ্চিম তীরের চারটি বসতি ভেঙে দেওয়ার পর এই আন্দোলন নতুন গতি পায়।

একতরফাভাবে ওই বসতিগুলো থেকে ইসরাইলিদের সরিয়ে নেওয়া ঠেকাতে বসতি আন্দোলনের পুরোনো নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়। হাজার হাজার ইসরাইলিকে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করার ঘটনা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি ক্ষোভ আন্দোলনে নতুন একটি পর্যায়ের সূচনা করে।

এরপর আরও বেশি আদর্শনির্ভর বসতি স্থাপনকারী সামনে আসে। তারা বসতি আন্দোলনের পুরোনো কৌশলকে চ্যালেঞ্জ করে। পুরোনো কৌশলের মূলনীতি ছিল—আরও বেশি মানুষ নিয়ে আরও বেশি বসতি গড়ে তোলা।

এর বিপরীতে নতুন প্রজন্ম ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ছোট ছোট অবৈধ বসতি ও কৃষি প্রকল্প গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দেয়। এই কৌশলকে বলা হয় ‘সর্বোচ্চ জমিতে সর্বনিম্ন মানুষ’।

ভেড়া ও ছাগলের পাল চরানোর মাধ্যমে ‘হিলটপ ইয়ুথ’ ইসরাইলি সামরিক কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন গ্রামীণ এলাকাগুলোতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচের মতো আদর্শনির্ভর বসতি স্থাপনকারীদের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনীতিকদের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে এসব সম্প্রদায় ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক স্বীকৃতি ও আর্থিক সহায়তা পেয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এসব অর্থের কিছু অংশ অবৈধ খামার ও বসতিতে ব্যয় করা হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।

‘পিস নাও’-এর হাগিত অফরান বলেন, অবৈধ হওয়ার কারণে সরকার সরাসরি এসব স্থাপনায় অর্থ দিতে পারে না। তবে ‘বাকি সবকিছুর জন্য তারা অর্থ দেয়’—অর্থাৎ সড়ক, টহল গাড়ি, নিরাপত্তা ক্যামেরা, সৌর প্যানেল ও ড্রোনের মতো অবকাঠামোতে অর্থ ব্যয় করা হয়। এসব বসতিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর নিরাপত্তাও দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত অনুদান ও অনলাইন গণ-অর্থসংগ্রহের মাধ্যমেও কিছু অর্থ আসে।

সেনাবাহিনীর সুরক্ষার অভিযোগ

ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের কয়েকজন নেতা ‘হিলটপ ইয়ুথ’ থেকে নিজেদের দূরে রাখার চেষ্টা করেছেন। গত বছরের শেষ দিকে পশ্চিম তীরের তিনটি ইসরাইলি স্থানীয় পরিষদের প্রধান যৌথ বিবৃতি দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘হিলটপ ইয়ুথ’-এর বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান। তারা বলেন, এই গোষ্ঠী বৃহত্তর বসতি স্থাপনকারী আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করে না।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরাইলে হামলা এবং এরপর গাজা ও অন্যান্য ফ্রন্টে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইসরাইলি নিয়মিত সেনাদের একটি অংশ পশ্চিম তীর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এর ফলে বর্তমানে ইসরাইলি বসতিগুলোর আশপাশে টহল দেওয়া সেনাদের মধ্যে অনেকেই রিজার্ভ সেনা, যারা নিজেরাও বসতি স্থাপনকারী।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত সেনাদের তুলনায় এসব রিজার্ভ সেনা অবৈধ বসতি উচ্ছেদ বা ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক কম আগ্রহী।

‘পিস নাও’-এর হাগিত অফরান বলেন, ‘সেনাবাহিনী আসলে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে না। তারা তাদের সঙ্গে মোকাবিলা করতে চায় না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফতুল্লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ শিক্ষার্থীর ২ জনের মৃত্যু, ৩ জন হাসপাতালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


ফতুল্লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ শিক্ষার্থীর ২ জনের মৃত্যু, ৩ জন হাসপাতালে

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হওয়া পাঁচ শিশুশিক্ষার্থীর মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে অন্য তিন শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে জিলানী (১৪) নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার আতীয়া (১১) নামের আরেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন দুজনে দাঁড়িয়েছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ আজ সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আজ সকাল ছয়টার দিকে জিলানী জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জিলানীর শরীরের ৮২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

চিকিৎসকরা আরও জানান, এই দুর্ঘটনায় লামিয়া নামের অপর এক শিক্ষার্থী ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্য দুই শিক্ষার্থী আছিয়া ও সুমাইয়ার দগ্ধের পরিমাণ তুলনামূলক কম হওয়ায় তাদের অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তাদের আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসার ছাদে।

মাদরাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, দগ্ধ পাঁচ শিশুশিক্ষার্থীই ওই প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ছাত্রী ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদরাসার ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়েছে। ঘটনার পরপরই তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিছিলের প্রস্তুতিকালে পাবনায় আ’লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


মিছিলের প্রস্তুতিকালে পাবনায় আ’লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব গ্রেপ্তার

পাবনা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পাবনা শহরে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুতির সময় আজ কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবসহ ১৪-১৫ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আব্দুল ওহাব ছাড়া অন্যদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বাসস’কে নিশ্চিত করে জানান, তারা শহরে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। নাশকতার অংশ হিসেবে মাইক্রোবাসে করে এসে শহরে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পাবনা সদর থানায় পাঠানো হয়েছে।

এটি আব্দুল ওহাবের জন্য তৃতীয়বার গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা। এর আগে ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করেছিল। পরে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেয়ার তিনদিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আবারও আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করে।

জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর আব্দুল ওহাব সুজানগর এলাকায় আবারো আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করেন। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল রাতে মথুরাপুরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আব্দুল ওহাবসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতা-কর্মীকে আটক করেছিল। এই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর তারা জামিনে মুক্তি পান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%