শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৩ পি.এম
ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ এবং বারবার তাগিদ সত্ত্বেও, দক্ষিণ কোরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে কোনো সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, মার্কিন প্রশাসন যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তা চেয়েছে, তখন তারা সেই অনুরোধে সাড়া দেবেন না।
এর আগে, সিউল পর্যাপ্ত সহায়তা প্রদান করছে না এমন অভিযোগ তুলে ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে দুই দেশের যৌথ মহড়া কমিয়ে দিয়েছিলেন। তবে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট দেশের নিরাপত্তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন।
যদিও যুদ্ধের মাঠে সরাসরি সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই, তবুও সোমালিয়া উপকূলে অবস্থানরত তাদের একটি নৌযান দেশের তেলবাহী ট্যাংকার এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহার করা যায় কি না, সেটি সরকার যাচাই করছে। অর্থাৎ, ট্রাম্পের জোরালো দাবি সত্ত্বেও, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট নিজের দেশের স্বার্থ এবং নিরাপত্তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের প্রতীক হা ডু ডু খেলা। আধুনিক খেলাধুলার প্রভাবে এই গ্রামীণ খেলা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার বারারচর এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে শুক্রবার বিকাল ৩টায় ঝগড়ারচর বাজার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় হা-ডু-ডু খেলা।
উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করে বারারচর বনাম ভেলুয়া একাদশ। খেলায় ভেলুয়া হা ডু ডু একাদশ ৩-২ ব্যবধানে বিজয়ী হয়, ফলে বারারচর হা ডু ডু একাদশ পরাজিত হয়।
খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন কমিটির সদস্য ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতীর খেলাধুলা, শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধান অতিথি বলেন, "শ্রীবরদী উপজেলার সকল খেলার মাঠ সংস্করণ ও সব জায়গায় মাদক-সন্ত্রাস দমন, শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষা এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা নিশ্চিতকরণে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।"
মোঃ আব্দুল্লাহ আল ফারুক লেবু খেলাটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম বাহার।
এ সময় প্রিয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আব্দুর রহিম দুলাল, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল এবং উপজেলা বিএনপি ও ইউনিয়ন বিএনপির সকল নেতৃবৃন্দ।
দুপুর থেকেই উৎসুক হাজার হাজার দর্শক খেলার মাঠে জড়ো হন। দীর্ঘদিন পর এ খেলার আয়োজন হওয়ায় দর্শকদের মধ্যে খুশির আমেজ দেখা যায়। উপজেলার বিভিন্ন দল পালাক্রমে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। খেলাকে কেন্দ্র করে উপজেলা জুড়ে চলছে নানা আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা। কোন দল সেমিফাইনালে বা ফাইনালে যাবে, এ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে আলোচনা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্দ্বীপে এসএসসি ব্যাচ ২০২৫-এর আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর ফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরেছে কিং হেজন স্পোর্টিং ক্লাব। নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে বিডি স্টার এফসিকে ৫–৪ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে দলটি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মগধারা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। একের পর এক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে উঠলেও নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে ০–০ গোলের সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা।
এরপর শিরোপা নির্ধারণে টাইব্রেকারে মুখোমুখি হয় দুই দল। টানটান উত্তেজনার এই লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসে কিং হেজন স্পোর্টিং ক্লাব। টাইব্রেকারে ৫–৪ গোলে বিডি স্টার এফসিকে পরাজিত করে নিজেদের ঘরে তুলে নেয় কাঙ্ক্ষিত চ্যাম্পিয়ন ট্রফি।
জমকালো পুরস্কার বিতরণী
ফাইনাল ম্যাচ শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজন হাওলাদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মগধারা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক সামশুল আকতার ও বিমল চন্দ্র দাশ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মগধারা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৯৯৩ ব্যাচের জীয়াউল হক শিবলী, ১৯৯৭ ব্যাচের শহীদ সেরোয়ার সুমন, ১৯৯৯ ব্যাচের আবুল হোসেন মিলাদ, আনন্দময়ী স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মো. মাঈন উদ্দীন, আশরাফুল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা তরুণ সমাজকে শৃঙ্খলাবোধ, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা সম্ভব।
ধারাভাষ্যে ছিলেন সহেল রানা ও আমিনুল ইসলাম রিয়াদ
ফাইনাল ম্যাচে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহেল রানা ও আমিনুল ইসলাম রিয়াদ। তাদের প্রাণবন্ত ধারাভাষ্যে ফাইনালের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
আয়োজনে যারা
টুর্নামেন্টটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে আয়োজক কমিটির সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আয়োজক কমিটিতে ছিলেন আফছার, মিনহাজ, শরিফ, জাহেদ, আকিব, জমির, হৃদয়, সম্রাট, ইয়াসিন, মহসিন, রিয়াদ, পনি, কার্যন ও বিজয়।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি দর্শকদের মধ্যেও ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এসএসসি ব্যাচ ২০২৫-এর আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত এই ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্যাটারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ) গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছে যে, ১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ আগামী রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, লন্ডনের মর্যাদাপূর্ণ পার্ক প্লাজা ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজ হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে।
“আজকের অর্জনকে সম্মান, আগামী দিনের সাফল্যের অনুপ্রেরণা”
টানা ১৯ বছর ধরে বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস ব্রিটিশ বাংলাদেশি ক্যাটারিং ও হসপিটালিটি শিল্পের সাফল্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে আসছে।
একসময় শিল্পখাতের শ্রেষ্ঠত্ব উদযাপনের একটি অনুষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি যুক্তরাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রেস্টুরেন্ট ও হসপিটালিটি পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী নেতা, কমিউনিটি প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট অতিথি এবং শুভানুধ্যায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।
এবারের ১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস তাদের সম্মান জানাবে, যাদের নিষ্ঠা, অধ্যবসায়, উদ্যোক্তা মনোভাব ও পেশাদারিত্ব যুক্তরাজ্যের প্রাণবন্ত হসপিটালিটি শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
বিসিএ’র জন্য গর্বের মাইলফলক
১৯তম বছরে পদার্পণ বাংলাদেশ ক্যাটারার্স অ্যাসোসিয়েশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই অ্যাওয়ার্ডস শুধু ব্যক্তিগত অর্জনকে স্বীকৃতি দেয় না; বরং এমন একটি শিল্পের দীর্ঘ যাত্রাকেও তুলে ধরে, যা ব্রিটেনের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে।
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ও হসপিটালিটি ব্যবসাগুলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, স্থানীয় কমিউনিটিকে সহযোগিতা করেছে, বিভিন্ন শহরের বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোকে প্রাণবন্ত রাখতে ভূমিকা রেখেছে এবং যুক্তরাজ্যের কোটি কোটি মানুষের কাছে দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধ খাবার ও সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরেছে।
২০২৬ সালের বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস এসব অর্জনকে তুলে ধরার পাশাপাশি শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দিকেও আলোকপাত করবে।
এবারের আয়োজনের প্রস্তুতি ও সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে অ্যাওয়ার্ডস ও নৈশভোজ কমিটি যার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আতিক রহমান বিইএম। তিনি এবারের এই বিশেষ আয়োজনকে সফল ও স্মরণীয় করে তুলতে কমিটির প্রস্তুতি ও কার্যক্রমের সমন্বয় করছেন।
বিসিএ প্রেসিডেন্ট অলি খাঁন এমবিই বলেন:
১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস আমাদের অ্যাসোসিয়েশন এবং আমরা যে শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করি, উভয়ের জন্যই একটি গর্বের মুহূর্ত। এই অ্যাওয়ার্ডসের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষের নিষ্ঠা, উদ্যোগ ও অবদানকে সম্মান জানাই। আমরা তাদের অর্জন উদযাপন করতে এবং আমাদের শিল্প ও কমিউনিটিকে আবারও একটি স্মরণীয় সন্ধ্যায় একত্রিত করতে উন্মুখ।
বিসিএ সেক্রেটারি জেনারেল টিপু রহমান বলেন:
বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস আমাদের শিল্পে শ্রেষ্ঠত্ব উদযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে। ১৯তম অ্যাওয়ার্ডসের মাধ্যমে আমরা আমাদের সদস্যদের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের অবদান উদযাপন এবং আগামী প্রজন্মের হসপিটালিটি পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করার সুযোগ পাব।
বিসিএ চিফ ট্রেজারার এম ফয়জুল হক বলেন:
বিসিএ অ্যাওয়ার্ডসের ধারাবাহিক সাফল্য আমাদের শিল্পের শক্তি, ঐক্য ও দৃঢ়তার প্রতিফলন। ১৯তম এই আয়োজনে আমরা তাদের সম্মান জানাব, যারা সফল ব্যবসা গড়ে তুলতে এবং নিজেদের কমিউনিটি ও যুক্তরাজ্যের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিসিএ প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি নাজ ইসলাম বলেন:
বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস আমাদের সদস্য এবং বৃহত্তর ব্রিটিশ বাংলাদেশি হসপিটালিটি শিল্পের অর্জন, নিষ্ঠা ও অবদান তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। ১৯তম অ্যাওয়ার্ডস উপলক্ষে আমরা সেইসব মানুষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানাতে গর্বিত, যাদের কঠোর পরিশ্রম আমাদের শিল্পকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে এবং যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন কমিউনিটিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
শিল্পের পেছনের মানুষদের উদযাপন বিসিএ অ্যাওয়ার্ডসের মূল কেন্দ্রে রয়েছেন সেইসব মানুষ, যারা হসপিটালিটি শিল্পের পেছনে এবং সম্মুখসারিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রতিষ্ঠিত রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী ও সফল উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে শেফ, ম্যানেজার, কর্মী এবং উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ—এই অ্যাওয়ার্ডস শিল্পের বিস্তৃত প্রতিভা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দেয়।
এই সন্ধ্যা একই সঙ্গে শিল্পের মানুষদের একত্রিত হওয়া, পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী কমিউনিটির অভিন্ন ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা উদযাপনের একটি সুযোগ তৈরি করবে।
বাংলাদেশ ক্যাটারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ) যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি ক্যাটারিং ও হসপিটালিটি শিল্পের স্বার্থ ও অধিকার প্রতিনিধিত্ব করে। অ্যাডভোকেসি, প্রতিনিধিত্ব, নেটওয়ার্কিং এবং শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বিসিএ তার সদস্যদের সহযোগিতা করার পাশাপাশি ব্রিটিশ সমাজ ও যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে এই শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান তুলে ধরতে কাজ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং নরসিংদী-১ সদর আসনের এমপি খায়রুল কবির খোকন মন্তব্য করেন যে, সমাজে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, নৈরাজ্য, ইভটিজিং এবং কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক সমস্যা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। তিনি আরও জানান, যুব ও ছাত্রসমাজকে নৈতিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা এবং সুস্থ সংস্কৃতি চর্চাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নরসিংদী নাগরিয়াকান্দি এলাকায় আয়োজিত আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফাইনাল ফুটবল টুর্ণামেন্টের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, সমাজের যুবসমাজ, ছাত্রসমাজ এবং তরুণ সমাজ যাতে বিপথগামী না হয়, সেজন্য সমাজজুড়ে খেলাধুলা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং আমাদের কৃষ্টি-কালচারের ব্যাপক প্রসার ঘটাতে হবে। তরুণদের সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত রাখতে পারলে সমাজ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চিরতরে দূর করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্কোটার গফুর একাদশ এবং শালিধা একাদশ ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করে। স্কোটার গফুর একাদশ ৪-২ গোলে শালিধা একাদশকে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করে। বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার হিসেবে ফ্রিজ তুলে দেন প্রধান অতিথি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী শহর বিএনপির সভাপতি একেএম গোলাম কবির কামাল, সাধারণ সম্পাদক ফারুক উদ্দিন ভূঁইয়া, রবিউল ইসলাম রবি, সিদ্দিকুর রহমান নাহিদ এবং অন্যান্য নেতাকর্মী বৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ