০৮:০১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের একটি বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী সহস্রাধিক সমর্থক আর্জেন্টিনার জার্সি ও পতাকা গায়ে জড়িয়ে সড়কগুলোতে নিজ দলের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকালে এই শোভাযাত্রাটি শহরের গাইবান্ধা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে এসে পুনরায় সেখানে গিয়ে শেষ হয়। এদিন দুপুর থেকে সমর্থকরা ওই বিদ্যালয়ের মাঠে জড়ো হতে থাকে। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে সমর্থকদের নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকের পরনে ছিল আর্জেন্টিনা দলের জার্সি। তাদের হাতে ছিল দলের পতাকা। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে প্রায় ৫ শতাধিক সমর্থক এতে অংশ গ্রহণ করেন।
আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এই শোভাযাত্রা দেখতে বিভিন্ন বাজার ও সড়কে মানুষের ভিড় জমা হয়েছিল। বহু লোক হাততালি দিয়ে নিজেদের দলের সমর্থকদের উৎসাহ দিতে থাকেন।
আয়োজকদের একজন ইমাম হাসান আলাল জানান, “খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক বিনোদনের পরিবেশ গড়ে তোলাই হচ্ছে এ আয়োজনের মুল উদ্দেশ্য। আশা করি এবারও আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে।”
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ ভক্ত জাহাঙ্গীর আলম তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আর্জেন্টিনার শৈল্পিক ফুটবল আমাদের আকৃষ্ট করে। দীর্ঘ চার বছর পর পর এই আনন্দের মুহূর্ত আমাদের মাঝে ফিরে আসে। বিগত বিশ্বকাপেও আমরা এমন র্যালির আয়োজন করেছিলাম, এবারও করছি। পুরো জেলার মানুষ আমাদের এই শো-ডাউন উপভোগ করছে এবং উৎসাহ দিচ্ছে।”
অন্যদিকে, আরেক ভক্ত রোহিদ হাসান রিন্টু জানান, “আমরা কাপ বা ট্রফি দেখে আর্জেন্টিনাকে ভালোবাসিনি। আর্জেন্টিনা মানে আমাদের কাছে একটি আবেগের নাম, ভালোবাসার স্থান। মাঠে দলের হার কিংবা জিত যাই হোক না কেন, আমরা সবসময় আর্জেন্টিনার সাথেই আছি। তবে দলের বর্তমান যে পারফরম্যান্স, তাতে এবারও আর্জেন্টিনাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেমে পড়লে নাকি মানুষ অন্ধ হয়ে যায় এবং হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। কিন্তু সেই প্রেম যদি হয় কোনো দেশের সাবেক রাষ্ট্রনায়কের, তবে তা রীতিমতো জাতীয় সংকটের রূপ নিতে পারে। ঠিক তেমনই এক অদ্ভুত জাঁতাকলে পড়েছিলেন কানাডার সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী, জাস্টিন ট্রুডো। শুক্রবারের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে একদিকে ছিল দেশের টান, অন্যদিকে মনের মানুষের ডাক। ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে টরন্টোতে তখন নিজেদের প্রথম ম্যাচে লড়ছিল কানাডা, আর ঠিক একই সময়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে টোকা পড়ছিল কেটি পেরির গিটারের তারে। যৌক্তিকভাবে ট্রুডোর থাকার কথা ছিল নিজের দেশের গ্যালারিতে, কিন্তু বিধাতা যার ভাগ্যে প্রেমের জয়গান লিখে রেখেছেন, তাকে আটকায় কে!
দেশপ্রেম বনাম ভালোবাসার এই মহাদ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত জয় হলো হৃদয়েরই। টরন্টোর কনকনে শীতের মাঠ পেছনে ফেলে, ট্রুডো ডানা মেললেন লস অ্যাঞ্জেলেসের উদ্দেশ্যে। সেখানে স্টেডিয়ামের আলোঝলমলে মঞ্চে যখন কেটি পেরি সুরের মায়াজাল বুনছেন, গ্যালারিতে তখন কোটি তরুণীর ক্রাশ জাস্টিন ট্রুডো শুধুই এক মুগ্ধ প্রেমিক। ক্যামেরা ফাঁকি দেওয়া এই তারা জুটি পক্ষে অসম্ভব ছিল। বিশ্ববাসী দেখল, মঞ্চ থেকে নেমে এসে পেরি জড়িয়ে ধরছেন ট্রুডোকে। গ্যালারিতে বসে বিয়ারের ক্যানে চুমুক দিতে দিতে তাদের এই ঘনিষ্ঠতা যেন রূপালী পর্দার কোনো রোমান্টিক দৃশ্যকেও হার মানাচ্ছিল।
প্রেমিক-প্রেমিকার এই দৃশ্য অনেকের মনে দোলা দিলেও কানাডিয়ানদের বুকে তা তীরের মতো বিঁধেছে। নিজেদের ম্যাচ ফেলে অন্য দেশের মাঠে প্রেমিকার গান শুনতে যাওয়াটাকে তারা দেখছেন চরম বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই আছড়ে পড়ল সমালোচনার সুনামি। ক্ষুব্ধ এক কানাডিয়ান তো বলেই বসলেন, এটা গোটা দেশের মুখে এক কুরুচিপূর্ণ চপেটাঘাত! ট্রুডোর কপালে জুটল প্রতারক উপাধি। ট্রুডো অবশ্য চুপ থাকেননি; কানাডার পতাকার ইমোজি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, মাঝে মাঝে একজন সাপোর্টিভ প্রেমিক হওয়াটা জরুরি, তবে কাপটা কে জিতবে তা সবাই জানে। কিন্তু এই চতुर উত্তর দেশের মানুষের ক্ষোভের আগুন কতটা নেভাতে পারবে, তা সময়ই বলবে।
সিলভার স্ক্রিনের এই রোমান্সের বয়স অবশ্য খুব বেশিদিন নয়। ৫৩ বছর বয়সী ট্রুডো আর ৪১ বছরের পপ সম্রাজ্ঞী কেটি পেরিকে গত বছরের জুলাই থেকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছিল। বেশিদিন তারা লুকোচুরি খেলেননি, ডিসেম্বরেই আনুষ্ঠানিক সিলমোহর পড়ে তাদের প্রেমে। এর আগে ট্রুডোর ১৮ বছরের সংসার ভেঙেছে সোফি গ্রেগোয়ারের সাথে, আর পেরিও পার করেছেন এক ভাঙা দাম্পত্যের ইতিহাস। দুই ভাঙা হৃদয়ের এই নতুন জোড়া লাগা গল্পে কানাডিয়ানরা যতই বিষোদ্গার করুক না কেন, কেটি পেরি যে এমন এক অন্ধ ও দায়িত্ববান প্রেমিক পেয়ে মনে মনে দারুণ খুশি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর এক সংসদ সদস্যের বক্তব্যের কিছু অংশকে ‘অরুচিকর ও অশ্লীল’ হিসেবে উল্লেখ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তা কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ (বাতিল) করার নির্দেশিকা প্রদান করেন। তিনি সংসদের রীতি-নীতি মেনে চলার বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে দেন।
আজ মঙ্গলবার, জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার সরকার একটি উপমা ব্যবহার করেন। সেই উপমায় ব্যবহৃত কিছু শব্দের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে স্পিকার তাকে সতর্ক করেন।
তিনি বলেন, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করবেন। অরুচিকর, অশ্লীল কোনো কথা সংসদে উচ্চারিত হোক, এটা আমরা চাই না।
স্পিকার আরও বলেন, আপনার বক্তব্যে কিছু অশ্লীল শব্দ রয়েছে। সেগুলো এক্সপাঞ্জ করা হলো।
সংসদীয় কার্যপ্রণালি অনুযায়ী, এক্সপাঞ্জ করা বক্তব্য বা শব্দ কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং তা সংসদের আনুষ্ঠানিক নথির অংশ হিসেবে গণ্য হয় না।
এর পূর্বে আলোচনায় অংশ নিয়ে আব্দুস সাত্তার প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং রাজস্ব আদায়ের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রার প্রভাবে সাধারণ মানুষের ওপর পরোক্ষ করের চাপ বাড়তে পারে।
নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে। তিনি বলেন, বড় বাজেট ঘাটতি ব্যাংক ঋণ নির্ভরতা বাড়াতে পারে। এতে সুদের হার বৃদ্ধি হতে পারে, বিনিয়োগ হ্রাস এবং সরকারের ওপর ও করদাতাদের ওপর ঋণের চাপ বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তিনি সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ২১ লাখ কোটি টাকার বেশি বলেও দাবি করেন।
মাদরাসা শিক্ষা প্রসঙ্গে, এই সংসদ সদস্য বলেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হলেও মাদরাসা সরকারিকরণের বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই।
তিনি প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মাদরাসা সরকারি করার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি নিজ নির্বাচনী এলাকা নীলফামারীর ডোমার ও ডিমলায় কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য হিমাগার ও সংরক্ষণাগার স্থাপনের দাবি জানান।
একই দিনে সংসদীয় কার্যপ্রণালী ও শৃঙ্খলা মেনে বক্তব্য দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। পয়েন্ট অব অর্ডার নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, সংসদ হুটহাট করে কথা বলার জায়গা নয়, এখানে নির্ধারিত বিধি ও সংবিধান অনুসরণ করেই বক্তব্য দিতে হবে।
তিনি বলেন, সংসদ চলে কার্যপ্রণালী বিধি ও সংবিধানের ভিত্তিতে। এখানে ৩৫০ জন সদস্যের সমান অধিকার রয়েছে। তবে সব কার্যক্রম নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্য দিয়েই পরিচালিত হয়।
স্পিকার বলেন, প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডার তোলার সুযোগ থাকে। বাজেট অধিবেশনের সময় গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক আলোচনা চলায় সাধারণত এ ধরনের বিষয়ে সীমিত সুযোগ দেওয়া হয়। কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে হলে বিধি অনুযায়ী আগে নোটিশ দেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে। সংসদীয় রীতি বজায় রাখার জন্য সকল সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
স্পিকার সংসদ সদস্যদের কাগজ দেখে একনাগাড়ে বক্তব্য পাঠ করার প্রবণতার প্রতিও আপত্তি জানান। তিনি বলেন, সংসদীয় রেওয়াজ অনুযায়ী সদস্যদের না দেখে বক্তব্য দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। লিখিত বক্তব্য পাঠ করতে হলে স্পিকারের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান রয়েছে।
তবে স্পিকারের সতর্কতা সত্ত্বেও কয়েকজন সংসদ সদস্যকেও লিখিত বক্তব্য পাঠ করতে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর, বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে জার্মানির ফেডারেল ফরেন অফিসের (এফএফও) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মহাপরিচালক ফ্রাঙ্ক হার্টম্যান বলেছেন, জার্মানি এবং ইউরোপ অত্যন্ত আগ্রহী।
তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একটি কঠিন রাজনৈতিক উত্তরণের মধ্য দিয়ে গেছে। এর ফলে দেশটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নতুন সরকার পেয়েছে। জার্মানি এবং ইউরোপ বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এবং দেশটিকে আরও নিবিড়ভাবে জানতে অত্যন্ত আগ্রহী।’
আজ মঙ্গলবার জার্মান দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হার্টম্যান ও এফএফও’র দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের প্রধান স্টিফেন কোখ গত ৯ থেকে ১১ জুন বাংলাদেশ সফর করেন। সফরকালে তারা সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ীদের নেতা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে বৈঠক করেন।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের উপস্থিতিতে, এই প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব ড. মু. নজরুল ইসলাম এবং মহাপরিচালক (পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ) মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষই দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং বাংলাদেশ-ইইউ সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপারে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। এছাড়া, বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের ব্যাপারে তাদের আগ্রহের কথা তুলে ধরে।
আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটও আলোকিত হয়েছে। হার্টম্যান বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকার কথা স্বীকার করেন। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে সমর্থনের জন্য জার্মানি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, এই ধরনের সফর জার্মানি এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার পথ উন্মুক্ত করবে।
প্রতিনিধিদল বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে সাক্ষাৎ করে। বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসা-বাণিজ্য সহজতর করা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং চামড়া, পাট ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানি বাড়াতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
হার্টম্যান স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের আগে অর্থনৈতিক সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে নিয়ে জোর দেন এবং তৈরি পোশাক খাতের বাইরে রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
জার্মান কর্মকর্তারা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং টেকসই উন্নয়নমূলক উদ্যোগসমূহ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে কাশিমপুরে ডিবিএল গ্রুপের টেক্সটাইল ম্যানুফ্যাকচারিং কারখানা পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ