ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মীরসরাই ইকোনমিক জোনে ডাকাতি: ৩২ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেফতার ৭, লুণ্ঠিত তার উদ্ধার


মীরসরাই ইকোনমিক জোনে ডাকাতি: ৩২ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেফতার ৭, লুণ্ঠিত তার উদ্ধার

চট্টগ্রাম মীরসরাই ইকোনমিক জোনে নির্মাণাধীন একটি ফ্যাক্টরিতে সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের টানা ৩২ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সাথে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট রাতে জোরারগঞ্জ থানাধীন মীরসরাই ইকোনমিক জোনের ‘বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’-এর নির্মাণাধীন ফ্যাক্টরিতে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল প্রবেশ করে। ডাকাতেরা নিরাপত্তাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জিম্মি করে ৩টি মোবাইল ফোন এবং আনুমানিক ২৫০ মিটার মূল্যবান বৈদ্যুতিক তার লুটে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদকে।
ঘটনার পর চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর নির্দেশনায় এবং মীরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাদিম হায়দার চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে অভিযানে নামে পুলিশ।
টানা ৩২ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে ইকোনমিক জোন ও আশপাশের এলাকা থেকে ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ১০ আগস্ট ভোরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:
১. মেহেদী হাসান (২৩)
২. মোঃ রাকিব (২১)
৩. সুজাউল হক প্রকাশ সুজা উল্লাহ (২৪)
৪. এমদাদুল হক প্রকাশ এমরান (২৮)
৫. মিজান উদ্দিন (৩২)
৬. মোঃ সাখাওয়াত হোসেন প্রকাশ নাহিদ (২৪)
৭. ইউসুফ (২৬)। গ্রেফতারকৃতরা সকলেই জোরারগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ এই ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। শিল্পাঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌনে ৪ কোটি টাকার সোনা ফেলে পালালেন চালক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌনে ৪ কোটি টাকার সোনা ফেলে পালালেন চালক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) একটি গাড়ি থেকে প্রায় পৌনে ৪ কোটি টাকা মূল্যের সোনা উদ্ধার করেছে।

এই ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১০ আগস্ট) বিমানবন্দরের বাইরের গোলচত্বর এলাকায়। অভিযানের সময় ওই গাড়ির চালক পালিয়ে যান, সেখানেই গাড়িটি ফেলে।

মূলত কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদে বিমানবন্দরের বাইরের গোলচত্বর এলাকায় একটি সন্দেহভাজন গাড়ি থামানো হয়। কিন্তু এই পরিস্থিতি বুঝতে পেরে চালক শামীম মিয়া গাড়িটি রেখে পালিয়ে যান। পরে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারফ্রেইট সার্কেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গাড়িটি তল্লাশি করেন।

এ সময় গাড়িটি থেকে ১৪টি সোনার বার এবং ১২টি সোনার পাত উদ্ধার করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দারা জানান, উদ্ধার করা সোনার মোট ওজন ১ হাজার ৮১২ গ্রাম, যা প্রায় ১৫৫ দশমিক ৩৫ ভরি। তারা আরও জানান, কাস্টমস হাউসের সোনা পরীক্ষার যন্ত্রে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এই সোনা ২৪ ক্যারেটের। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৭২ লাখ ৭২ হাজার ৮৯২ টাকা।

জব্দকৃত গাড়িটি আরও ভালোভাবে তল্লাশি করে তিনটি মোবাইল ফোন, নগদ ১ লাখ ৭ হাজার ৫৮৫ টাকা, একটি ব্যবহৃত ল্যাপটপ, বিভিন্ন ব্যাংকের আটটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, দুটি ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং একটি জাতীয় পরিচয়পত্রসহ অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র তথ্য দিয়েছে যে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের এবং উদ্ধৃত সোনা কোথা থেকে আনা হয়েছিল ও কোথায় নেওয়া হচ্ছিল, সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে’: জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


‘ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে’: জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির সমালোচনা করে বলেছেন, নিয়োগ বাণিজ্যের জায়গাটাকে অনেকেই মধুর চাক মনে করেন। তিনি বলেন, "ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে।" জামায়াতের আমীর এই সংস্কৃতি বন্ধ করার কথাও বলেন। তিনি সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত একটি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জামায়াতের আমীর আরও বলেন, বর্তমানে সব জায়গায় চুরি-চামারি ও লুটপাট শুরু হয়েছে। তিনি বলেছেন, চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে, দুর্নীতিবাজদের হাতও বন্ধ করতে হবে। দেশের জন্য একবার নয়, শতবার রাজপথে নামবেন বলেও মন্তব্য করেন। শফিকুর রহমান বলেন, "দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যারাই যাবে, তাদের এই দেশে থাকা হবে না। এই পথ পালানোর পথ। দেশের মানুষ আর দিল্লির খবরদারি মেনে নেবে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ড. খলিলুর রহমান, যিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জানিয়েছেন যে ভারতের সহযোগিতা শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে চাওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রথমবারের মতো ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেছেন।

বৈঠক শেষে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফ করেন ড. খলিলুর রহমান।

তিনি জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের বিষয়টিতে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ঢাকা আশা করছে, দিল্লি এর প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেবে।

ভারতের শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্য প্রসঙ্গে, তিনি বলেন, ৫ আগস্টের ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে ভারতকে জানিয়েছে। ভারত এটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন এবং ভারত তা করতে দিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীনেশ ত্রিবেদী আশ্বস্ত করেছেন যে, বাংলাদেশ হেয় প্রতিপন্ন হয় এমন কোনো কিছু ভারত করবে না।

এছাড়া, ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাওয়া নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও মন্ত্রী জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবার আগে তামিল, বিজয়ের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


সবার আগে তামিল, বিজয়ের ঘোষণা

 

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয় ঘোষণা করেছেন, ‘সবার আগে তামিল।’ তিনি বলেছেন, তার সরকার রাজ্যের ভাষাগত এবং সাংস্কৃতিক অধিকারের প্রশ্নে কোনো আপস করবে না।

সোমবার, তামিলনাড়ু বিধানসভায় দেওয়া এক বক্তৃতায় এ কথা বলেন অভিনেতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাওয়া থালাপাতি বিজয়।

সোমবার তামিলনাড়ু বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকারি অনুষ্ঠানের শুরুতে রাজ্য গান ‘তামিল تھাই ভাজতু’ গাওয়া বাধ্যতামূলক হবে। এর আগেও কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সবার আগে জাতীয় গান বন্দে মাতরম গাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বিজয় সরকার রাজ্য গান সবার আগে গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় নিজেই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

তিনি বলেন, রাজ্যের যেকোনো অনুষ্ঠানে তামিল রাজ্য সঙ্গীত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে উভয় দলই এই প্রস্তাবকে সমর্থন করছে। স্পিকার জেসিডি প্রভাকর ঘোষণা করেন, প্রস্তাবটি পাস হয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য আর কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই।

প্রস্তাবটি পাশের পর বিধানসভায় দেওয়া এক আবেগঘন বক্তৃতায় বিজয় বলেছেন, ‘তামিল কেবল একটি ভাষা নয়, এটি আমাদের জীবনরেখা এবং আবেগ।’ মাতৃভাষাকে মাতৃত্বের মতো পবিত্র উল্লেখ করে বলেন, ‘তামিল মানে গৌরব, তামিল মানে শক্তি। আপনি যখনই ‘তামিল’ বলবেন, সমগ্র তামিলনাড়ু একত্রিত হবে এবং এক হয়ে দাঁড়াবে। তামিলনাড়ুতে ‘তামিল থাই ভাজতু’-কে অবশ্যই সবার আগে স্থান পেতে হবে। তামিল থাই ভাজতুকে প্রথম স্থান দেওয়া আমাদের অধিকার।’

প্রস্তাব অনুযায়ী তামিলনাড়ুর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি অফিস এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের যে কোনো অনুষ্ঠানের শুরুতে বাধ্যতামূলকভাবে রাজ্য সঙ্গীতটি গাইতে বা বাজাতে হবে।

গত জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরকারি অনুষ্ঠানে প্রথমে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’, তারপর জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গন মন’ গাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। জুলাই মাসে সরকারের একটি সতর্কবার্তায় রাজ্যগুলোকে সেই নির্দেশ ‘কঠোরভাবে মেনে চলার’ অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

৯ জুলাইয়ের ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়, ‘যখনই জাতীয় গান/জাতীয় সঙ্গীতের সাথে রাজ্যের গান গাওয়া বা বাজানো হবে, তখন জাতীয় গানটি প্রথমে গাওয়া বা বাজানো হবে এবং তারপরে জাতীয় সঙ্গীত বাজবে।’ আজ বিধানসভায় পাশ হওয়া প্রস্তাবে কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্তই চ্যালেঞ্জ করা হলো।

রাজ্য সঙ্গীত গাওয়ার এই বিতর্ক বিজয়ের সরকারের সমান বয়সী। গত ১০ মে চেন্নাইয়ের  জওহরলাল নেহেরু ইনডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সি জোসেফ বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় গান এবং জাতীয় সঙ্গীতের পরে তামিলনাড়ুর রাজ্য সঙ্গীত বাজানো হয়েছিল। তখন বিরোধী দল এবং বিজয়ের জোট সঙ্গীরাও তার সরকারের সমালোচনা করেছিল। তবে নতুন ক্ষমতা নেয়া টিভিকে দাবি করেছিল, রাজ্য সঙ্গীত তৃতীয় স্থানে বাজানোর সিদ্ধান্তটি সরকারের নয়, শপথ অনুষ্ঠানের প্রটোকল রাজ্যপালের অফিস থেকে নির্ধারণ করা হয়েছিল।

১৯৭০ সালে তামিলনাড়ুতে সরকারি অনুষ্ঠানে ‘তামিল থাই ভাজতু’ গানটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এরপর থেকে সরকারি কর্মসূচিতে এটি প্রথমে বাজানোর একটি ঐতিহ্য তৈরি হয়। পরবর্তীতে, ২০২১ সালে এটিকে রাজ্য সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর রাজ্যপালের কার্যালয় তামিলনাড়ুর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙ্গেছিল। সোমবার বিধানসভায় সর্বসম্মত প্রস্তাব পাশের মধ্য দিয়ে সে বিতর্কের আপাত অবসান ঘটলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%