ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পানিসম্পদমন্ত্রী: দেশকে অচল করতে চাওয়া দলের সঙ্গী বিরোধীরা


পানিসম্পদমন্ত্রী: দেশকে অচল করতে চাওয়া দলের সঙ্গী বিরোধীরা

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন, "যারা একসময় হরতাল-অবরোধের মাধ্যমে দেশকে অচল করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল, আজকের বিরোধী দল তাদেরই সঙ্গী।"

তিনি শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের শাঁখারীপাড়ায় ত্রিনয়নী পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার শুভ সূচনা উপলক্ষে এই কথা বলেন।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, "একসময় ১৭১ দিন, ৭২ দিন, ৭৩ দিন হরতাল হয়েছিল। যারা তখন বলেছিল, শান্তিতে থাকতে দেব না, দেশকে অচল করে দেওয়া হবে, আজকের বিরোধী দল তাদেরই সঙ্গী। আমরা সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ রাজনৈতিক যুদ্ধ শেষ করেছি, কিন্তু জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের শান্তি, সম্প্রীতি এবং নাগরিক সুবিধা আদায় করে নিয়ে সম্মানের সাথে মিলেমিশে থাকার অঙ্গীকার করতে হবে।"

আরও পড়ুন: ডান পাশে বালুচোর-বাম পাশে মামলাবাজ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না: রুমিন ফারহানা

তিনি যোগ করেন, "সরকারি দলের সদস্য হিসেবে আমাদের যেমন নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে, ঠিক তেমনি বিরোধী দলের সদস্যদেরও নৈতিক দায়িত্ব আছে। শপথ নেওয়ার দিন থেকে এখন পর্যন্ত বিরোধী দল কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে, সেটাও ভাবার বিষয়। তাহলে আজকে কেন লং মার্চ করতে হবে? কেন রোড মার্চ প্রয়োজন?"

লক্ষ্মীপুর পৌর প্রশাসক ও পৌর মহাশ্মশান ঘাট সংসদের সভাপতি সম্রাট খীসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্যপরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, ত্রিনয়নী পূজা উদযাপন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মানিক সাহা ও সভাপতি বিনয় ভূষণ মজুমদার প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফজরের আগে-পরে বরকত লাভের জন্য করণীয় আমল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ এম


ফজরের আগে-পরে বরকত লাভের জন্য করণীয় আমল

মুমিনদের জন্য একটি অভ্যাস হলো শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে যাওয়া। যদি সম্ভব হয়, তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া উচিত। যদি তাহাজ্জুদ না পড়া সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত ফজরের আজানের সাথে সাথে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া উচিত। এরপর এ দোয়াটি পড়া উচিত-

الْـحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا، وَإِلَيْهِ النُّشُورُ

উচ্চারণ : ‘আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশুর।’

অর্থ : সেই আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবন দান করলেন এবং তাঁরই দিকে আমাদের পুরুত্থান। (বুখারি, হাদিস : ৬৩১৪)

এরপর ইস্তিঞ্জা করা আবশ্যক। পেশাব-পায়খানার পর পবিত্রতা অর্জনকে ‘ইস্তিঞ্জা’ বলা হয়। পেশাব-পায়খানার জন্য নির্ধারিত স্থানে যাওয়ার আগে নিম্নের দোয়াটি পড়া উত্তম,

بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ

উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খাবাইস।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি মন্দ কাজ ও শয়তান থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

পায়খানা বা ইস্তিঞ্জার পর ডান পা আগে দিয়ে বের হয়ে নিম্নের দোয়াটি পড়া উত্তম,

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَذْهَبَ عَنِّي الْأَذَى وَعَافَانِي

উচ্চারণ : ‘আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আজহাবা আন্নিল আজা ওয়া ফানি।’

অর্থ : সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমার থেকে কষ্ট দূর করেছেন এবং স্বস্তি দান করেছেন।

মুখ পরিষ্কার করা : ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে, নামাজের আগে, কোনো মজলিসে যাওয়ার আগে এবং কোরআন-হাদিস পাঠ করার আগে মিসওয়াক বা ব্রাশ করে মুখ পরিষ্কার করা মুস্তাহাব। (মারাকিল ফালাহ : ৫৩)

অজু করা : অজুকে নামাজের চাবি বলা হয়েছে। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘নামাজের চাবি পবিত্রতা।’ (আবু দাউদ : ৬১)

তাহলে অজুর ফরজ, সুন্নত, মুস্তাহাব ইত্যাদির প্রতি ভালোভাবে খেয়াল রেখে অজু সম্পন্ন করা উচিত।

ফজরের নামাজ পড়া : প্রথমে দুই রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা আদায় করা। এরপর ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করা। যদি কোনো কারণে ফরজের আগে সুন্নত পড়তে না পারেন, তাহলে সূর্য উদিত হওয়ার পর পড়ে নেবেন। ফরজ নামাজ বা জামাতের পরপরই এ সুন্নতের জন্য দাঁড়ানো যাবে না। (দুররুল মুখতার : ২/৫৭)

আর সূর্যোদয় অবস্থায় নামাজের জন্য দাঁড়ানো যাবে না, বরং সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পর নামাজে দাঁড়াতে হবে। ফজর নামাজ পড়া অবস্থায় সূর্য উঠে গেলে সেই নামাজ সূর্যোদয়ের পর কাজা পড়ে নিতে হবে। (রদ্দুল মুহতার : ২/৩২-৩৩)

ফজরের নামাজের পর করণীয়

ফজরের পর পড়ার জন্য ফজিলতপূর্ণ অনেক আমল রয়েছে। যেগুলো পড়ে মুমিন বান্দা বিভিন্ন ধরনের উপকার লাভ করতে পারে। নিম্নে কিছু আমল উল্লেখ করা হলো—

১. আয়াতুল কুরসি পড়া : রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অন্তরায় থাকবে না।’ (শুআবুল ঈমান, হাদিস : ২৩৯৫)

২. আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের দোয়া : যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা তিনবার নিম্নের দোয়া পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে সন্তুষ্ট করবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৩৮৯)

দোয়াটি হলো,

رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا

উচ্চারণ : ‘রাজিতু বিল্লাহি রব্বাওঁ ওয়াবিল ইসলামী দ্বিনাওঁ ওয়াবি মুহাম্মাদিন নাবিয়্যা।’

অর্থ : আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বিন হিসেবে ও মুহাম্মাদ (সা.)-কে নবী হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট।

৩. সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার : যদি কেউ দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পড়ে এবং ওই দিনে বা রাতে ইন্তেকাল করে, তবে সে জান্নাতি হবে। (বুখারি : ৬৩০৬)

৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া : যে ব্যক্তি ফজর ও মাগরিবের পর সাতবার নিম্নের দোয়াটি পাঠ করে এবং ওই দিনে বা রাতে তার মৃত্যু হয়, তাহলে সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৭৯)

দোয়াটি হলো,

اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করুন।

৫. পেরেশানি থেকে মুক্তির দোয়া : যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা নিম্নের আয়াতটি সাতবার পাঠ করবে তাকে সব পেরেশানি থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৮১)

আয়াতটি হলো,

حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ ۖ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ

উচ্চারণ : ‘হাসবি ইয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়াহুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।’

অর্থ : আমার জন্য আল্লাহ যথেষ্ট, যিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। আমি তাঁর ওপর ভরসা করলাম। আর তিনিই মহান আরশের অধিপতি।

৬. মুসিবত থেকে হেফাজতের দোয়া : নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিন ও রাতের শুরুতে তিনবার নিম্নের দোয়াটি পড়বে, ওই দিন ও রাতে কোনো অনিষ্ট তাকে স্পর্শ করবে না। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৪৭৪)

দোয়াটি হলো,

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইয়ুং ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামায়ি ওয়া হুওয়াস সামিউল আলিম।’

অর্থ : আল্লাহর নামে শুরু করছি, যাঁর নামে শুরু করলে আসমান-জমিনের কোনো বস্তু ক্ষতি সাধন করতে পারে না। আর তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

৭. সৃষ্ট বস্তুর অনিষ্ট থেকে হেফাজতের দোয়া : যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা নিম্নের দোয়াটি তিনবার পাঠ করবে, সে সব কষ্টদায়ক প্রাণী থেকে হেফাজতে থাকবে। (মুসলিম : ২৭০৯)

দোয়াটি হলো,

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণ : ‘আউজু বিকালিমা তিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।’

অর্থ : আমি আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের দ্বারা সব সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।

এ ছাড়া সৃষ্ট বস্তুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে সকাল-সন্ধ্যা সুরা ইখলাস তিনবার, সুরা ফালাক তিনবার এবং সুরা নাস তিনবার পাঠ করা সুন্নত।

৮. সুরা ইয়াসিন পড়া : হাদিসে সুরা ইয়াসিন পড়ার অনেক ফজিলত বর্ণিত আছে। প্রতিদিন সকালে আমরা সুরা ইয়াসিন পড়তে পারি।

সূর্যোদয়ের পর মুমিনের করণীয়

সূর্যোদয়ের ২৩-২৪ মিনিট অতিবাহিত হলে ইশরাকের নামাজ পড়া সুন্নত। ইশরাকের নামাজ দুই বা চার রাকাত। এর নিয়ম সাধারণ নফল নামাজের মতোই। এ নামাজ পড়ার দ্বারা পূর্ণ একটি হজ ও ওমরাহ পালনের সওয়াব পাওয়া যায়। সব সগিরা গুনাহ মাফ হয়ে যায়। এর নিয়ত এমন : নবীর সুন্নত দুই রাকাত ইশরাকের নামাজ পড়ছি, আল্লাহু আকবার।

ইশরাকের পর করণীয়

১. ইশরাক নামাজ পড়ে নাশতা করা : জীবন-জীবিকার তাগিদে যার যার দুনিয়াবি কাজে নেমে পড়া। দায়িত্ব পালনে যত্নবান হওয়া। কাজে ফাঁকি না দেওয়া। যার যার কাজে ইসলামী বিধান খেয়াল রাখা। হতে পারে তা ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি কিংবা অন্য যেকোনো পেশার কাজ। তবেই সবার কাজ ইবাদতে পরিণত হবে।

২. ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া পড়া : যদি কেউ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় নিম্নের দোয়াটি পড়ে, তবে সে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে হেফাজতে থাকে, শয়তানের ধোঁকা থেকে দূরে থাকে। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪২৬)

দোয়াটি হলো,

بِسْمِ اللَّهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।’

অর্থ : আল্লাহর নামে, আল্লাহ তাআলার ওপরই নির্ভর করলাম, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই, শক্তিও নেই।

৩. চাশতের নামাজ পড়া : কাজের কোনো ফাঁকে সম্ভব হলে চাশতের নামাজ পড়ে নেওয়া। চাশতের নামাজ দুই বা চার রাকাত, চার রাকাত পড়াই উত্তম। এর নিয়মও সাধারণ নফল নামাজের মতো। সূর্য এক-চতুর্থাংশ ওপরে উঠলে, গ্রীষ্মকালে ৯টা-১০টা, আর শীতকালে ১০টা-১১টা সময় সাধারণত তা আদায় করা হয়। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন, যা আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কখনো ছাড়ব না। তার একটি হলো চাশতের নামাজ। (বুখারি, হাদিস : ১১৭৮)

এর নিয়ত হলো নবীর সুন্নত দুই রাকাত চাশতের নামাজ পড়ছি, আল্লাহু আকবার।

৪. প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াত করা : প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াত করা। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কোরআন তিলাওয়াত করো। কেননা কোরআন কিয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৮০৪)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের যেসব এলাকায় সকাল থেকে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ এম


দেশের যেসব এলাকায় সকাল থেকে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) দেশের কিছু অঞ্চলে লাইন রক্ষণাবেক্ষণ ও গাছের ডালপালা কাটার কাজের জন্য সকাল থেকে টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ জানায়, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও গাছপালা কর্তনের জন্য ১১ কেভি খেজুরবাগ, পারগেন্ডারিয়া ও বুড়িগঙ্গা ফিডারের আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। খেজুরবাগ ফিডারে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা, পারগেন্ডারিয়া ফিডারে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বুড়িগঙ্গা ফিডারে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ সময় খেজুরবাগ, সাতপাখি গ্যাস রোড, সাহেব গলি, মাস্টার গলি, খেজুরবাগ বাজার রোড, পারগেন্ডারিয়া, পারগেন্ডারিয়া বাজার, মীরেরবাগ, চর কালিগঞ্জ, কালিগঞ্জ, বরইতলাসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সদর দফতর অফিস জানায়, বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ৩ নম্বর ফিডারে গাছের ডালপালা কর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ সময় গুনাহাটি, গোধরা, মানিকপুর, ছাতনগাছা, বেলগাছি, মাজগ্রাম, চুলকাটি, ঢুলিয়া ও মেরিগাছা গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তবে গোধরা, গুনাহাটি, মানিকপুর ও ছাতিয়ানগাছা এলাকায় বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বন্ধ থাকতে পারে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাজের পরিস্থিতি অনুযায়ী সময়ের কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সাব-জোনাল অফিস জানায়, বাংলাবাজার উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের কাছাকাছি গাছপালা কর্তনের জন্য সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ সময় বাংলাবাজার, নরসিংপুর ও বোগলাবাজার ইউনিয়ন এবং লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ কাজ করা হচ্ছে।

নেসকোর রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ জানায়, শারদীয় দুর্গাপূজা ও বৈরী আবহাওয়ায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখতে গাছের ডালপালা কর্তনের জন্য শহরের কয়েকটি এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সকাল পৌনে ৮টা থেকে পৌনে ১০টা পর্যন্ত ১১ কেভি মিশন ফিডারের আওতাধীন হড়গ্রাম বাজার, ভেড়ীপাড়া মোড়, পর্যটন মোটেল, টেনিস কমপ্লেক্স, মিশন হাসপাতাল ও রাজপাড়া সুফিয়ানের মোড় এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ১১ কেভি পালপাড়া ফিডারের আওতাধীন পীর সাহেবপাড়া, হড়গ্রাম, মুন্সিপাড়া, পালপাড়া, চার খোটার মোড়, হড়গ্রাম নতুনপাড়া ও গুড়িপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া সকাল ১১টা থেকে দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত ১১ কেভি সার্কিট হাউস ফিডারের আওতাধীন লক্ষ্মীপুর, লক্ষ্মীপুর কাঁচাবাজার, টিবি হাসপাতাল, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী জিপিও, কাজিহাটা, সিএন্ডবির মোড়, সার্কিট হাউস, কালেক্টর মাঠ, শ্রীরামপুর ও জাজেস কোয়ার্টার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ এম


১৭ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়। ইতিহাস সাক্ষী হয় ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদের। ইতিহাস আমাদের নতুন দিগন্তের পথ দেখায়।

আজ ১৭ অক্টোবর (শনিবার), ২০২৬। নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি

৬৯০ - সম্রাজ্ঞী উ জেতিয়ান চীনে চৌ রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।

১০৯১ - লন্ডন টর্নেডো: লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে টি৮/এফ৪ শক্তির টর্নেডো আঘাত হানে।

১৩৪৬ - ইংরেজরা নেভিল'স ক্রসের যুদ্ধে স্কটল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় ডেভিডকে বন্দি করে এবং এগারো বছর কারাবন্দি রাখে।

১৪৪৮ - উসমানীয় বাহিনী কসোভোর দ্বিতীয় যুদ্ধে হাঙ্গেরীয় বাহিনীকে পরাজিত করে।

১৪৫৬ - উত্তর ইউরোপের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গ্রাইফসভাল্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৫৩৪ - প্যারিস ও অন্যান্য শহরে হুলড্রিখ জুয়িংলির অবস্থান সমর্থনে ক্যাথলিক বিরোধী পোস্টার (প্ল্যাকার্ড বিষয়ক ঘটনা) দেখা যায়।

১৫৫৮ - পোলীয় ডাক পরিষেবা পোচতা পোলস্কা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৬০৪ - অফিউকাস নক্ষত্রমণ্ডলে কেপলারের সুপারনোভা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

১৬১০ - ফরাসি রাজা ত্রয়োদশ লুই রাঁস ক্যাথেড্রালে মুকুট পরেন।

১৬৩০ - আমেরিকার বোস্টন শহর প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৬৬০ - ইংল্যান্ডের প্রথম চার্লসের মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষরকারী নয়জন রেজিসাইডকে ফাঁসি, টানা ও চার টুকরা করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

১৬৬২ - ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় চার্লস ৪০,০০০ পাউন্ডের বিনিময়ে ডানকার্ক ফ্রান্সের চতুর্দশ লুইয়ের কাছে বিক্রি করেন।

১৭১৩ - মহান উত্তরাঞ্চলীয় যুদ্ধে: রাশিয়া প্যালকানের কোস্তিয়ানভির্তার যুদ্ধে সুইডেনকে পরাজিত করে।

১৭৭১ - ১৫ বছর বয়সে মোৎসার্ট রচিত অপেরা আসকানিও ইন আলবা মিলানে প্রথম মঞ্চস্থ হয়।

১৭৭৭ - মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধে: ব্রিটিশ জেনারেল জন বারগোইন সারাটোগায়, নিউ ইয়র্কে তার বাহিনীসহ আত্মসমর্পণ করেন।

১৭৮১ - মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধে: ব্রিটিশ জেনারেল চার্লস কর্নওয়ালিস ইয়র্কটাউনের অবরোধে আত্মসমর্পণ করেন।

১৭৮৭ - ফিলাডেলফিয়ার পেনিসেলভেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৯৭ - ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে কাম্পো ফর্মিওর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা প্রথম জোটের যুদ্ধের অবসান ঘটায়।

১৮০০ - দ্বিতীয় জোটের যুদ্ধে: ব্রিটেন ওলন্দাজ উপনিবেশ কুরাসাও দখল করে।

১৮০৬ - হাইতিয়ান বিপ্লবের প্রাক্তন নেতা সম্রাট প্রথম জ্যাক নিপীড়নমূলক শাসনের পর হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

১৮১১ - চিলিতে আগুয়া আমার্গার রূপার খনি আবিষ্কৃত হয়, যা পরবর্তী বছরগুলোতে চিলির স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশপ্রেমিকদের অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

১৮১৪ - লন্ডন বিয়ার বন্যায় আটজনের মৃত্যু হয়।

১৮৪৬ - সাপ্তাহিক ‘দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।

১৮৪৮ - সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ‘সাপ্তাহিক অরুণোদয়’ প্রকাশিত হয়।

১৮৫০ - দাঙ্গা শুরু হয়, যা আলেপ্পোতে গণহত্যার দিকে নিয়ে যায়।

১৮৬০ - প্রথম দ্য ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ (উত্তর আমেরিকায় ব্রিটিশ ওপেন নামে পরিচিত) অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৬১ - আদিবাসী অস্ট্রেলীয়রা কুলিন-লা-রিঙ্গো গণহত্যায় উনিশজন ইউরোপীয়কে হত্যা করে।

১৮৭১ - সুইজারল্যান্ড মন্ট সেনিস রেলওয়ে টানেল উদ্বোধন করা হয়।

১৯০৩ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাইট ভ্রাতৃদ্বয় অরভিল রাইট ও উইলবার রাইট সাফল্যের সঙ্গে উড়োজাহাজের উড্ডয়ন ঘটান।

১৯০৫ - বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানটি।

১৯০৭ - মার্কোনি প্রথম বাণিজ্যিক আটলান্টিক পাড়ের বেতার সেবা শুরু করে।

১৯১২ - বুলগেরিয়া, গ্রিস ও সার্বিয়া উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, মন্টিনিগ্রোর সাথে প্রথম বলকান যুদ্ধে যোগ দেয়।

১৯১৪ - গ্রিস ও এশিয়া মাইনরে প্রচণ্ড ভূমিকম্পে ৩ হাজারেরও বেশি লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯১৯ - সালেম চ্যাপেল, হলবেকে লিডস সিটি এফ.সি. বিলুপ্তির পর লিডস ইউনাইটেড এফ.সি. প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২০ - প্রবাসে তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়।

১৯২৪ - হিন্দু মুসলমান সম্প্রীতির জন্য মহাত্মা গান্ধীর অনশন।

১৯৩১ - আল কাপোন আয়কর ফাঁকির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

১৯৩৩ - আলবার্ট আইনস্টাইন নাৎসি জার্মানি থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।

১৯৩৬ - ইরান-তুরস্ক শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।

১৯৪০ - মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ শুরু হয়।

১৯৪০ - দক্ষিণ ফ্রান্সে কমিউনিস্ট প্রচারক ভিলি মুনৎসেনবার্গের মৃতদেহ পাওয়া যায়, যা একটি অমীমাংসিত রহস্যের সূচনা করে।

১৯৪১ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে: ইউএসএস কার্নি প্রথম মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ হিসেবে ইউ-বোট দ্বারা টর্পেডো আক্রান্ত হয়।

১৯৪৩ - বার্মা রেলওয়ে (বার্মা-থাইল্যান্ড রেলওয়ে) সম্পন্ন হয়।

১৯৪৩ - পোল্যান্ডে নাৎসি হলোকাস্ট: সোবিবর নির্মূল শিবির বন্ধ করা হয়।

১৯৪৪ - ওস্টল্যান্ড হতে এস্তোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৪৫ - আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেসে হুয়ান পেরোনের মুক্তির দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ (আনুগত্য দিবস (আর্জেন্টিনা)) অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪৮ - আরব ইসরাইল যুদ্ধ এবং ফিলিস্তিন সংকট বিষয়ক জাতিসংঘের মধ্যস্ততাকারী কেন্ট বার্ণাডোট বায়তুল মোকাদ্দাসে ইহুদি অধ্যুষিত এলাকায় ইহুদিবাদীদের হাতে নিহত হন।

১৯৫২ - ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর কিছু অংশ মেরদেকা প্রাসাদ ঘিরে ফেলে এবং রাষ্ট্রপতি সুকর্নোর কাছে অস্থায়ী গণপ্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানায়।

১৯৫৬ - ইংল্যান্ডের সেলাফিল্ডে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ প্রথম বাণিজ্যিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

১৯৫৭ - মালয়েশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৬১ - পুলিশ প্রধান মরিস পাপোঁর নির্দেশে প্যারিস পুলিশ আলজেরীয় বিক্ষোভকারীদের গণহত্যা চালায়।

১৯৬২ - গণবিরোধী হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলায় ছাত্র আন্দোলন ও হরতাল পালিত হয়।

১৯৬৩ - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে জেনিভা নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী যুক্তরাষ্ট্র আর সোভিয়েত ইউনিয়নসহ ১৭টি দেশের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এই প্রস্তাবে সব দেশের উদ্দেশ্যে পরমাণু অস্ত্র অথবা অন্য যে কোনো গণ বিধ্বংসী অস্ত্র পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন না করার আহ্বান জানানো হয়।

১৯৬৫ - দুই বছর ও ৫ কোটির বেশি দর্শকের পর ১৯৬৪-৬৫ নিউ ইয়র্ক বিশ্ব মেলা সমাপ্ত হয়।

১৯৬৬ - নিউ ইয়র্ক সিটির ২৩তম স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডে ১২ জন দমকলকর্মী নিহত হন।

১৯৬৯ - পালেরমোর সেন্ট লরেন্সের বক্তৃতাগার থেকে কারাভাজ্জোর চিত্রকর্ম সেন্ট ফ্রান্সিস ও সেন্ট লরেন্সের সাথে যিশুর জন্ম চুরি হয়।

১৯৭০ - জর্দান সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনীদের উপর ব্যাপক গণহত্যা অভিযান শুরু করেছিল।

১৯৭০ - এফএলকিউ সন্ত্রাসীরা অক্টোবর সংকটের সময় কেবেকের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও শ্রমমন্ত্রী পিয়ের লাপোর্টকে হত্যা করে।

১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় হন্ডুরাস।

১৯৭৩ - ওপেক তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যারা ইয়ম কিপুর যুদ্ধে ইসরাইলকে সাহায্য করেছে বলে বিবেচিত দেশগুলোর বিরুদ্ধে।

১৯৭৪ - বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি-বিসাউ জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৭৭ - ছিনতাইকৃত লুফথানসা ফ্লাইট ১৮১ মোগাদিশুতে অবতরণ করে, পরে অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধার করা হয়।

১৯৭৯ - মাদার তেরেসা নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৭৯ - শিক্ষা সংগঠন আইন দ্বারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগ গঠিত হয়।

১৯৮০ - নিকারাগুয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আনাসতোসিও সমোজা দেবাইলি প্যারাগুয়েতে নিহত হন।

১৯৮০ - ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শহীদ মোহাম্মাদ আলী রাজাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে দেয়া ভাষণে তার দেশের ওপর ইরাকের ব্যর্থ সরকারের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেন।

১৯৮০ - হলি সি-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের অংশ হিসেবে ব্রিটিশ রাজা ভ্যাটিকানে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর করেন।

১৯৮২ - হানাদার ইসরাইলী সেনারা লেবাননের সাবরা ও শাতিলা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয়গ্রহণকারী নিরিহ ফিলিস্তিনীদের উপর ব্যাপক গণহত্যা চালায়।

১৯৮৩ - ভ্যানেসা উইলিয়াম প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মিস আমেরিকান হন।

১৯৮৮ - সিউলে ১৬০টি দেশের অংশ গ্রহণে ২৪তম অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন হয়।

১৯৮৮ - ইতালির রোমে রোম ফিউমিচিনো বিমানবন্দরে উগান্ডা এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৭৭৫ বিধ্বস্ত হয়, ৩৩ জন নিহত হন।

১৯৮৯ - যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোনির্য়া উত্তরাঞ্চলে প্রচণ্ড ভূমিকম্প হয়। অনেক সড়ক আর সেতু এই ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়। এই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ২৭১ জনের মৃত্যু হয়। তা ছাড়া, দুর্গত এলাকায় কমপক্ষে ৫০০ জন আহত।

১৯৮৯ - পূর্ব জার্মানির পলিটব্যুরো এরিখ হোনেকারকে সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণের পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৯১ - উন্মুক্ত সোর্সকোড ভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের প্রথম সংস্করণ (0.01 Version) ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়।

১৯৯১ - এস্তোনিয়া, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৯১ - শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দ্বারা রুদ্রপুর বোমা হামলায় রামলীলার হিন্দু উৎসবে রুদ্রপুরে দুটি বোমা বিস্ফোরণে ৪১ জন নিহত হন।

১৯৯২ - ভুল বাড়িতে প্রবেশ করায় জাপানি ছাত্র ইয়োশিহিরো হাত্তোরি ব্যাটন রুজে বাড়ির মালিকের গুলিতে নিহত হন।

১৯৯৪ - চীনের শিনচিয়াংএর চিওহো প্রাচীন নগরে চীনের হ্যান রাজবংশের সমাধি সংগ্রহশালা আবিষ্কার করা হয়।

১৯৯৪ - সশস্ত্রবাহিনীতে দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানকালে রুশ সাংবাদিক দিমিত্রি খোলোদভকে হত্যা করা হয়।

২০০০ - হ্যাটফিল্ড রেল দুর্ঘটনা রেলট্র্যাকের পতনের কারণ হয়।

২০০১ - ইসরায়েলি পর্যটন মন্ত্রী রেহাভাম জিভি পিএফএলপির সদস্য হামদি কুরআন কর্তৃক হত্যাকাণ্ডের শিকার হন, ফলে তিনি ফিলিস্তিনিদের হাতে নিহত সর্বোচ্চ পদমর্যাদার ইসরায়েলি হন।

২০০৪ - ভেনেজুয়েলার কারাকাসে পার্কে সেন্ট্রাল কমপ্লেক্সের পূর্ব টাওয়ারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ১৫ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী আগুনে ধ্বংস হয়।

২০০৫ - দেশে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শরু।

২০১৭ - সিরীয় গৃহযুদ্ধে: সিরীয় গণতান্ত্রিক বাহিনী ইসলামিক স্টেটের শেষ ঘাঁটি রাক্কায় দখল করে, যা রাক্কার যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়।

২০১৮ - কানাডায় বিনোদনমূলক গাঁজার ব্যবহার বৈধ (গাঁজা আইন) করা হয়।

২০১৮ - ক্রিমিয়ার কের্চ পলিটেকনিক কলেজে গণহত্যা ও বোমা হামলায় হামলাকারীসহ ২১ জন নিহত এবং ৭০ জন আহত হন।

২০১৯ - মেক্সিকোর সিনালোয়ার কুলিয়াকানে মাদক ব্যবসায়ীরা সরকারকে গ্রেপ্তার থেকে পিছু হটতে বাধ্য করে (কুলিয়াকানের যুদ্ধ)।

২০১৯ - লেবাননে ১৭ অক্টোবর বিপ্লব শুরু হয়।

২০২৩ - গাজা যুদ্ধের সময় গাজায় আল-আহলি আরব হাসপাতালে বিস্ফোরণে শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হন।

জন্ম

১৫৭৭ - ক্রিস্টফানো আলরি, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

১৭৭৪ - লালন, বাঙালি আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক।

১৮১৭ - সৈয়দ আহমদ খান, ভারতীয় উপমহাদেশের দার্শনিক ও রাজনীতিবীদ।

১৮২৬ - বের্নহার্ট রিমান, বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ।

১৮৭৮ - বার্লো কারকিক, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও রাগবি খেলোয়াড়।

১৮৮৯ - সাতকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগ্রামী ও সশস্ত্র বিপ্লবী।

১৮৯০ - রয় কিলনার, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯০০ - জাঁ আর্থার, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯১৫ - আর্থার মিলার, মার্কিন নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং লেখক।

১৯১৭ - মার্টিন ডনেলি, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

১৯১৮ - রিটা হেওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী।

১৯১৯ - ঝাও জিয়াং, চীনা রাজনীতিবিদ।

১৯২০ - মন্টগামারি ক্লিফট, মার্কিন অভিনেতা।

১৯২৫ - ড. খালিদ মাহমুদ, পাকিস্তানি বিচারক ও দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।

১৯৩৩ - উইলিয়াম অ্যান্ডার্স, হংকং বংশোদ্ভূত আমেরিকান জেনারেল ও মহাকাশচারী।

১৯৩৪ - জনি হেইন্স, ইংরেজ ফুটবলার।

১৯৩৭ - পাক্সটন হোয়াইটহেড, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৪৪ - বিভু ভট্টাচার্য, বাঙালি অভিনেতা।

১৯৪৪ - রেইনহোল্ড মেসনার, ইতালিয়ান পর্বতারোহী এবং অভিযাত্রী।

১৯৪৭ - বৃন্দা কারাত, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।

১৯৫৫ - স্মিতা পাতিল, ভারতীয় চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মঞ্চ অভিনেত্রী।

১৯৬৫ - অরবিন্দ ডি সিলভা, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার।

১৯৭০ - অনিল কুম্বলে, ভারতীয় ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৭২ - ওয়াইক্লেফ জঁ, হাইতীয়-মার্কিন সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক।

১৯৭৯ - কমলিনী মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৭৯ - মার্ক গিলেস্পি, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

১৯৮০ - মোহাম্মদ হাফিজ, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

১৯৯২ - মাহনাজ সানী রাজেন, বাংলাদেশি প্রকৌশলী।

১৯৯৪ - বেন ডাকেট, ইংরেজ ক্রিকেটার।

মৃত্যু

১৫৮৬ - ফিলিপ সিডনি, ইংরেজ সভাসদ ও কবি।

১৬৬৫ - স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপ।

১৮৩৭ - জহান নেপমুক হুমেল, অস্ট্রিয়ান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৮৪৯ - ফ্রেদেরিক ফ্রান্সিস শোপাঁ, পোলিশ পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৮৮৯ - রুশ সাহিত্যিক নিকোলাই চেরনিশেভস্কি।

১৮৯০ - লালন, বাঙালি আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক।

১৯১৮ - গর্ডন হোয়াইট, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৩৩ - শৈলেন্দ্রচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি, ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৩৪ - নোবেলজয়ী স্পেনীয় জীববিজ্ঞানী শান্তিয়াগো রামন হাই কাজাল মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৩৭ - ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঠাকুর পরিবারের আদি ব্রাহ্মসমাজের কর্মী ও লেখক।

১৯৪৮ - এমিল লুধউইক জার্মানীর খ্যাতনামা জীবনীকার।

১৯৫৪ - সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার বাঙালি লেখক ও সম্পাদক।

১৯৫৮ - চার্লি টাউনসেন্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৬১ - আদনান মেন্দেরেস, তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৬৩ - জাক আদামার, ফরাসি গণিতবিদ।

১৯৬৯ - চীনের ছিং রাজবংশের শেষ রাজা ফুই চিকিৎসার ব্যর্থতায় মারা যান।

১৯৭৭ - উইলিয়াম টলবোট, ইংরেজ উদ্ভাবক ও ফটোগ্রাফির পুরোধা।

১৯৮৩ - রেমন্ড এ্যারন, ফ্রান্সের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী।

১৯৮৭ - আব্দুল মালেক উকিল, বাংলাদেশি আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ।

১৯৯১ - টেনেসি এরনিএ ফোর্ড, আমেরিকান গায়ক ও অভিনেতা।

১৯৯৩ - সাংবাদিক এস এম আলী।

১৯৯৭ - কার্লোস এস্কালেরাস, হন্ডুরীয় রাজনীতিবিদ ও পরিবেশবাদী।

১৯৯৮ - হাকিম সাইদ, পাকিস্তানি পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ।

২০১২ - হেনরি ফ্রিডলাডের, জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান ইতিহাসবিদ ও লেখক।

২০১২ - আলেক্সান্দ্র কশক্যন, রাশিয়ান মুষ্টিযোদ্ধা।

২০২২ - মাসুম আজিজ, একুশে পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশি অভিনয়শিল্পী, নাট্যকার এবং নাট্যনির্মাতা।

২০২৪ - দেবরাজ রায়, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেতা।

অন্যান্য

বিশ্ব ট্রমা দিবস৷

বিশ্ব সাইক্লিং দিবস।

আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস।

ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস৷

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দূষণে বিপর্যস্ত লাহোর, ঢাকায়ও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের পরিস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ এম


দূষণে বিপর্যস্ত লাহোর, ঢাকায়ও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের পরিস্থিতি

জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্বব্যাপী দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশও এই প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। বিশেষ করে ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা অত্যন্ত বেশি। শহরটির বায়ুমান টানা কয়েকদিন ধরে অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সূচকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১২তম। শহরের বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৬২। গত শুক্রবার ঢাকার বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৮১। উভয় স্কোরই শহরের বাতাসের জন্য অস্বাস্থ্যকর হলেও গতকালের তুলনায় দূষণের মাত্রা কিছুটা কমেছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান ওঠানামা করতে পারে।

একই সময়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। এই শহরের বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ২০৫, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।

ঢাকার বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হওয়া ছাড়াও তালিকায় আরও ১২টি শহর রয়েছে। এগুলো হলো- ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও মেদান, পাকিস্তানের করাচি, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ইতালির মিলান, ভারতের কলকাতা, মুম্বাই ও দিল্লি, সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর, ইরাকের বাগদাদ, কুয়েতের কুয়েত সিটি, কাতারের দোহার শহর।

বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর শহরের তালিকায় আটটি শহর রয়েছে। এগুলো হলো- ভিয়েতনামের হো চি মিন ও হেনোয়, বাহারাইনের মানামা, আরব আমিরাতের দুবাই, কঙ্গোর কিনশাসা, নেপালের কাঠমান্ডু, চীনের হাংজু এবং উজবেকিস্তানের তাসকেন্ত।

একিউআইয়ের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মানকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই ধরনের বায়ু সবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হলেও শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ঝুঁকি বেশি।

ঢাকার বায়ুদূষণের পেছনে অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ, যানবাহনের ধোঁয়া ও ধুলাবালিসহ নানা কারণকে দায়ী করা হচ্ছে। এসব দূষণকারী উপাদান বায়ুর মানের অবনতি ঘটিয়ে নগরবাসীর স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি ও ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যা এই বায়ুদূষণের কারণে বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্মাণকাজে ধুলা নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের নির্গমন কমানো এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও পরিবেশবিষয়ক নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকার বায়ুর মান উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%