০৮:০৫ এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের ১৩তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পূর্বের নিয়ম অনুসরণ করে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর পাশাপাশি প্রতি বছর ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস আলাদাভাবে পালিত হবে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস একত্রে উদযাপন করতো। কিন্তু সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একসঙ্গে ১২ আগস্ট উদযাপন করা হবে। সে অনুযায়ী ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো দুইটি দিবস একই দিনে পালিত হয়।
আরও পড়ুন: শামা ওবায়েদের স্পেন ও ইইউর সহযোগিতার প্রশংসা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়
কিন্তু বর্ষাকালে একসঙ্গে দুই দিবস উদযাপন করার ফলে যুব র্যালি, যুব সমাবেশ ও যুবমেলার মতো অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে যুব উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন এবং বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা সমস্যায় পড়ে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় যুব দিবস ছাড়া অন্য সময়ে যুবমেলার আয়োজন করা হলে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা এবং বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জিত হয় না। অন্যদিকে, জাতীয় যুব দিবস সরকারি অর্থায়নে উদযাপিত হলেও আন্তর্জাতিক যুব দিবস সাধারণত সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতায় পালিত হয়।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে, মন্ত্রিসভা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদযাপনের পরিবর্তে পৃথকভাবে ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস এবং ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের প্রস্তাবকে অনুমোদন করেছে।
আরও পড়ুন: কংগ্রেস ভারতকে 'বাংলাদেশ' বানানোর চক্রান্তে লিপ্ত, নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতা দখল করতে চায়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন