১১:২৭ এম
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা ব্যর্থ হলেও, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। এদিকে ইরানের নেতাদের মধ্যে চুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।
জেডি ভ্যান্স বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন এই আলোচনা সফল হতে চায়। তবে চুক্তি সফল না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং সামরিক শক্তি ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে, তিনি হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজ লক্ষ্য করে ইরান হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক জবাব দেবে বলে সতর্ক করেন।
ভ্যান্স আরও জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে আগের মতোই তেলবাহী জাহাজ চলাচল করছে। যদিও ইরানের সঙ্গে কারিগরি আলোচনা চললেও, ইরান শান্তি আলোচনা সম্পর্কে অস্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন: দুই সন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা, ওড়না পেঁচিয়ে
অন্যদিকে, ১৭ জুনের সমঝোতা চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে ইরানের ভেতরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ভাটানকা জানান, ইরানের নেতারা প্রশ্ন তুলছেন—কাগজে-কলমে চুক্তি হলেও বাস্তবে কাজ কোথায়। কেন এখনও ইরানের আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেওয়া হলো না? ইসরায়েল কেন এখনও লেবাননে অবস্থান করছে?
ইরানের একটি পক্ষ মনে করছে, ট্রাম্প প্রশাসন তাদের ফাঁদে ফেলতে পারে এবং তারা হয়তো ইরানকে কোনো সুযোগ-সুবিধা দেবে না। এই অভ্যন্তরীণ চাপের কারণে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দোহা সফরে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াননি।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের একটি স্থায়ী চুক্তির পথে এগোতে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ফ্রান্সের প্যারিসে ১৪ দফার এই সমঝোতায় ট্রাম্প সরাসরি এবং পেজেশকিয়ান তেহরান থেকে ইলেকট্রনিকভাবে সই করেন। এর মাধ্যমে ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর একটি প্রাথমিক ধাপ অতিক্রম করেছে দেশ দুটি। বিশ্বনেতারা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ককরোচদের মোকাবিলায় এবার ‘লাল হিট’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন