ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কাশিয়ানীতে মধুমতির ভাঙনে বিলীন হচ্ছে কৃষকদের ফসলি জমি


কাশিয়ানীতে মধুমতির ভাঙনে বিলীন হচ্ছে কৃষকদের ফসলি জমি

পাংখারচর গ্রামের বাসিন্দা জামাল হোসেন (৪৫) ছিলেন একজন কৃষক। তিনি নিজের তিন বিঘা জমি এবং অন্যের চার বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করতেন। তাঁর সংসার চলতো ৭ বিঘা জমির ওপর নির্ভর করে। কিন্তু মধুমতি নদীর ভাঙনের কারণে তিনি ৪ বিঘা জমি হারিয়েছেন। বাকি জমিটুকুও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তাঁর রয়েছে। জামাল সরদারই একমাত্র নন, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের পাংখারচর এলাকায় মধুমতি নদীর ভাঙনে অসংখ্য কৃষক জমি হারিয়েছেন। এখনও জমি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন কয়েকশ কৃষক।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পাংখারচর এলাকায় মধুমতি নদীতে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৩০ বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফসলি জমি হারিয়ে অনেক কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ভাঙনের মুখে রয়েছে আরও শত শত বিঘা ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট ও বসতবাড়ি। এসব জমিতে বোরো ধান, আমন ধান, আবার কোথাও আখসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ রয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় স্থানীয় কৃষকেরা শঙ্কিত।

কৃষক আমিনুর রহমান বলেন, “ভাঙন রোধ করা না গেলে আমাদের শেষ সম্বলটুকুও রক্ষা করতে পারবো না। মধুমতি নদী ধীরে ধীরে আমাদের সব জমি গ্রাস করে নিচ্ছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে অনেক কৃষককে পথে বসতে হবে। জমি হারালে আমাদের আর বেঁচে থাকার কোনো অবলম্বন থাকবে না। আমরা গরিব মানুষ, জমিটুকুই আমাদের একমাত্র সম্বল। সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন দ্রæত নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা করুন। তা না হলে আমাদের ভিটেমাটি ও ফসলি জমি সবই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।”

আরও পড়ুন: ঢাবি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক তিনজনের পরিচয় জানা গেল

কৃষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “চোখের সামনে আবাদি জমি নদীতে ভেঙে যাচ্ছে। কিছুই করতে পারছি না। এই জমি চাষাবাদ করেই আমাদের সংসার চলে। একের পর এক জমি নদীতে বিলীন হচ্ছে। বাকি জমিটুকুও হারানোর ভয় করছি। জমি না থাকলে পরিবার নিয়ে কীভাবে বাঁচব, কী খেয়ে চলব। নদীভাঙন রোধে দ্রæত ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের জমিগুলো রক্ষা করা হোক।”

গোপালগঞ্জ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. হাসান আহমেদ বলেন, “বিষয়টি আমাদের জানা নেই এবং এ বছর পর্যাপ্ত বরাদ্দও নেই। আগামীতে বরাদ্দ পেলে ভাঙনকবলিত এলাকায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিভারপুল ৩-১ গোলে ক্রিস্টাল প্যালেসকে পরাজিত করে জয়ে ফিরল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


লিভারপুল ৩-১ গোলে ক্রিস্টাল প্যালেসকে পরাজিত করে জয়ে ফিরল

প্রিমিয়ার লিগে জয়ী হওয়ার ধারায় ফিরে এসেছে লিভারপুল। তারা ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে ৩-১ গোলের একটি জয় অর্জন করেছে। অল রেডদের হয়ে গোল করেছেন অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্তার, ফ্লোরিয়ান উইর্টজ এবং আলেকজান্ডার ইসাক। শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে প্যালেসের একমাত্র গোলটি করেন এনকেটিয়া।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত ছিল। ১৮ মিনিটে ইয়েরেমি পিনোর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে প্যালেস এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায়। ৩৯ মিনিটে ডমিনিক সোবোসালাইয়ের ফ্রি-কিক থেকে হেডে গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন ম্যাক আলিস্তার।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৪ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উইর্টজ। এরপর গোলের জন্য চেষ্টা চালিয়েও প্যালেস অ্যালিসন বেকারের বাধা অতিক্রম করতে পারেনি। ৮৯ মিনিটে উইর্টজের পাস থেকে গোল করে লিভারপুলের জয় নিশ্চিত করেন ইসাক। যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান এনকেটিয়া।

১০ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিভারপুল চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। অপরদিকে, ৭ পয়েন্ট নিয়ে ক্রিস্টাল প্যালেস তলানিতে রয়েছে। এদিকে, আরেক ম্যাচে সান্ডারল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হয়েছে চেলসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিপিসির ৯০ দিনের জ্বালানি মজুদের পরিকল্পনা, ২০২৭ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


বিপিসির ৯০ দিনের জ্বালানি মজুদের পরিকল্পনা, ২০২৭ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন

বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সরকার ৯০ দিনের চাহিদার সমপরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

রবিবার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুদ সক্ষমতা ৬০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৭১ দিন এবং ২০২৭ সালের মধ্যে ৯০ দিনে উন্নীত করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ধাপে ধাপে জ্বালানি তেলের মজুদ সক্ষমতা ৯০ দিনে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ লক্ষ্যে কাজ চলছে।

বিপিসি চেয়ারম্যান আরও জানান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসি বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে, যার মধ্যে রয়েছে নিজস্ব সংরক্ষণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ, নতুন ডিপো নির্মাণ, অব্যবহৃত ট্যাংক সংস্কার এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত ট্যাংক ভাড়ায় নেওয়া। বেসরকারি ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো যদি জ্বালানি তেলের ট্যাংক নির্মাণ বা সংস্কার করতে পারে, তাহলে মজুদ সক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাবে। এতে সম্ভাব্য সরবরাহ বিঘ্নের সময় সংকট মোকাবেলা সহজ হবে।

বিপিসি জানায়, সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত মজুদ সক্ষমতা ভাড়ায় নেওয়ার। পাশাপাশি বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ৮২ হাজার ২০০ টন ধারণক্ষমতার মজুদ অবকাঠামো সংস্কার করে চালু করা হবে। এ ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওমেরার কাছ থেকে ৩০ হাজার টন ধারণক্ষমতার মজুদ সুবিধা ভাড়ায় নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বিপিসির।

বিপিসি আরো জানায়, পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলের খালি জায়গায় অতিরিক্ত ডিপো ও ট্যাংক নির্মাণের প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্যে পদ্মা অয়েলে ৯ হাজার ৫০০ টন ধারণক্ষমতার দুটি ট্যাংক, মেঘনা পেট্রোলিয়ামে ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার তিনটি ট্যাংক এবং যমুনা অয়েলে ৫৮ হাজার ৫০০ টন ধারণক্ষমতার নতুন সংরক্ষণ অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে ৬০ দিনের বেশি জ্বালানি তেল মজুদের সক্ষমতা বিদ্যমান। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ সক্ষমতা ৭১ দিনে উন্নীত করার কাজ চলছে।

জ্বালানি বিভাগের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) জন্য দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মোট চাহিদা ৮৪ লাখ ২৬ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেলের চাহিদা ৪৪ লাখ ৭৩ হাজার টন, যার মাসিক গড় চাহিদা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৭৫০ টন। এ ছাড়া ফার্নেস অয়েলের চাহিদা ৭ লাখ ৩৫ হাজার টন, জেট ফুয়েলের ৬ লাখ ৬৩ হাজার টন, অকটেনের ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ টন এবং পেট্রোলের ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ টন।

বিপিসি জানায়, সংস্থাটির আওতায় পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলসহ ছয়টি কম্পানির মোট জ্বালানি তেল সংরক্ষণ সক্ষমতা ১৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬৬ টন। এর মধ্যে ৬৭ হাজার ৬৩২ টন ধারণক্ষমতার অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতায় বর্তমানে ডিজেল ৫৭ দিন, অকটেন ৪৬ দিন, পেট্রোল ২৯ দিন এবং ফার্নেস অয়েল ৭৮ দিনের মজুদ রাখা সম্ভব। তবে দেশের সামগ্রিক কৌশলগত জ্বালানি তেলের মজুদ সক্ষমতা ৯০ দিনে উন্নীত করতে চায় সংস্থাটি।

জাতীয় জ্বালানি নীতি-১৯৯৬ অনুযায়ী, দেশে ৬০ দিনের কৌশলগত জ্বালানি তেল মজুদ রাখার বিধান রয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনসহ (বিআরটিসি) সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১ লাখ ৪২ হাজার ২৯৮ টন ডিজেল এবং ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০০ টন ফার্নেস অয়েল মজুদের সক্ষমতা রয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন, নতুন জমি অধিগ্রহণ এবং বড় আকারের দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবর্তে অব্যবহৃত ট্যাংক সচল করা, কম ব্যবহৃত কেরোসিনের ট্যাংক ডিজেল সংরক্ষণের উপযোগী করা এবং বিদ্যুৎ খাত ও বাংলাদেশ রেলওয়ের উদ্বৃত্ত ট্যাংক ব্যবহার করা অধিক সাশ্রয়ী ও বাস্তবসম্মত হবে। তারা সরকারের এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া সিলেটে পদ্মা অয়েল ডিপোর ১ হাজার ৩৭ টন ধারণক্ষমতার তিনটি জেট ফুয়েল ট্যাংক ডিজেল সংরক্ষণের উপযোগী করা হচ্ছে। ভৈরব বাজার ডিপোতে মোট ২ হাজার ১৬৫ টন ধারণক্ষমতার পাঁচটি ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের আর্থিক দুর্দশা লাঘবে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: সাচিং প্রু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০৬ এম


নিম্ন ও মধ্যবিত্তের আর্থিক দুর্দশা লাঘবে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: সাচিং প্রু

বান্দরবান, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেছেন, সরকার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক দুর্দশা লাঘবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল, সবার আগে স্বাবলম্বী পরিবার এবং সবার আগে বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

আজ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা পরিষদ ও সমবায় অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা, চেক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্থায়ী অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে নতুন নতুন আয়ের উৎস তৈরিতে সরকার কাজ করছে।

সাচিং প্রু পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক বিপ্লবের রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, এখানে ২৬টি উপজেলায় মাটির গুণাগুণ গবেষণা করে কফি, কাজুবাদাম, রামবুটান, মাশরুম, চুইঝাল ও লটকন চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা গেছে।

বিশেষ করে রুমা ও থানচিকে কফি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, চাষিদের পানির সমস্যা মেটাতে রুমায় ৫ হাজার লিটার পানি সরবরাহের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি লাভজনক প্রকল্প হিসেবে বিদেশে রপ্তানিযোগ্য লাল মাশরুম, দেশি মুরগি এবং মসলা জাতীয় ফসল (আদা, হলুদ, জিরা) চাষে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ সময় শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের চাকরির পেছনে না ছুটে দক্ষ উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি সমবায় বিভাগকে সার্বজনীন প্রকল্প গ্রহণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জেলার চারটি সমবায় সমিতিকে মোট ৯ লাখ টাকার ঘূর্ণায়মান ঋণের চেক হস্তান্তর করা হয় এবং বিশেষ অবদানের জন্য পাঁচটি সমবায় সংস্থাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লুসাইমং, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ সরদার, জেলা সমবায় কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম এবং বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি নাছিরুল আলমসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও সমবায় সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে মন্ত্রী শৈলশোভা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত্যু তহবিল থেকে প্রয়াত ১৯ জন শ্রমিকের পরিবারের মাঝে নগদ অনুদান বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীতে ভারত থেকে আনা ১৮টি রেলকোচের ট্রায়াল রান শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:১৬ এম


নীলফামারীতে ভারত থেকে আনা ১৮টি রেলকোচের ট্রায়াল রান শুরু

নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি রেলকোচের কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর ট্রায়াল রান বা পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কারখানা থেকে পঞ্চগড়ের দিকে কোচগুলো ট্রায়াল রানের জন্য যাত্রা করে, এমনটি জানিয়েছে রেলকারখানা কর্তৃপক্ষ।

রেলওয়ে কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর ভোর ৪টার সময় ভারত থেকে আসা প্রথম চালানের ১৮টি কোচ সৈয়দপুর কারখানায় পৌঁছায়। এরপর সেখানে বিশেষ ডিপ্রসেসিং, যান্ত্রিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কমিশনিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এসব কাজ শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনীয় লোকোমোটিভ ও ক্রু ক্রাফটের সহায়তায় কোচগুলো পরীক্ষামূলক চলাচলের জন্য যাত্রা করে।

এই ট্রায়াল রানে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদসহ কারখানার শতাধিক কারিগর ও প্রকৌশলী অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের সঙ্গে একটি বিশেষজ্ঞ দলও রয়েছে, যারা ভারত থেকে এসেছে।

ডিএস শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ মন্তব্য করেন, "রেলওয়ে কারখানায় আনা এসব কোচ নানাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পঞ্চগড় পর্যন্ত ট্রায়াল রান হচ্ছে। ট্রায়াল রান সফল হলে সেগুলো ট্রাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে।"

উল্লেখযোগ্য যে, ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী তৈরি এই কোচগুলোতে অ্যান্টি-টেলিস্কোপিক ও অ্যান্টি-ক্লাইম্বিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই কারণে দুর্ঘটনা বা সংঘর্ষের সময় কোচগুলো একে অপরের ওপর উঠে যাবে না। পুরোনো স্ক্রু কাপলিং ব্যবস্থার পরিবর্তে উন্নত সিবিসি কাপলিং ব্যবহৃত হওয়ায় কোচগুলোতে ঝাঁকুনি অনেক কম হবে এবং ভ্রমণ হবে আরামদায়ক। এসব কোচে ছোট শিশুসহ যাত্রীদের সুবিধার্থে আলাদা শিশু পরিচর্যা বা বেবি কেয়ার রুমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া কোচে প্রার্থনাকক্ষ বা নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বাংলাদেশের রেলওয়ের বাস্তব অবস্থা এবং অনেক সময় ছাদের ওপর অতিরিক্ত যাত্রী ভ্রমণের কথা মাথায় রেখে, কোচগুলোকে কাঠামোগতভাবে শক্তিবৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে ছাদ অতিরিক্ত ওজন বহনের উপযোগী হয়। কোচগুলোর অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা আধুনিক। আসনগুলোতে ফোল্ডিং ব্যবস্থা রয়েছে। কোচগুলোতে সুসংহত সিসিটিভি নজরদারি ব্যবস্থা এবং যাত্রীদের জরুরি প্রয়োজনের জন্য প্যাসেঞ্জার অ্যালার্ম সিস্টেমও রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%