সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩২ পি.এম
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান চত্বরে অটো-ইজিবাইক, রিকশা, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সের অনিয়ন্ত্রিত পার্কিংয়ের ফলে রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ সড়ক ও প্রবেশপথ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় জরুরি রোগী পরিবহন এবং চিকিৎসকদের চলাচলে নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, এমন অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
হাসপাতালে আসা রোগী রহমান, আয়শা, আরজিনা এবং তাঁদের স্বজনদের অভিযোগ, মূল চত্বরে বিভিন্ন যানবাহন দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে হাসপাতালের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জরুরি বিভাগের সামনে যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকার কারণে রোগী আনা-নেওয়ার সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মী আরমান জানান, “অনেকেই গাড়ি নিয়ে এসে চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকেন। গাড়ি সরাতে বললে অনেক সময় বাগ্বিতণ্ডা হয়। সীমিত জনবল দিয়ে এতগুলো যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা বড়ই কঠিন।”
মাদারীপুরের একজন স্কুলশিক্ষক আ. হক অভিযোগ করেন, হাসপাতালের সীমানা ঘেঁষে অ্যাম্বুলেন্স রাখার জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকলেও অনেক অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালের মূল চত্বরেই অবস্থান করছে। কেউ কারও কথা শুনছেন না, ফলে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ সড়ক ও প্রবেশপথ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় শামীম, আরবানি ও এনামুল বলেন, একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল চত্বর হওয়া উচিত জরুরি রোগীর দ্রুত চলাচল, চিকিৎসকদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত এবং রোগীদের শান্তিপূর্ণ চিকিৎসার পরিবেশ নিশ্চিত করার স্থান। সেখানে অটো-ইজিবাইক, অ্যাম্বুলেন্সের জট, হর্ন ও হাঁকডাক নিয়মিত দৃশ্য হয়ে উঠছে। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগীদের ভোগান্তিও বাড়ছে চরমভাবে। কিন্তু এ বিষয়ে দেখার কেউ যেন নেই।
এ বিষয়ে জানতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. হুমায়ুন কবিরের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি। সাংবাদিকদের ফোন ধরা নিয়ে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে প্রতিবেদকের ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়ে বিষয়টি জানানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। অন্যদিকে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মানস কৃষ্ণ কুন্ডুর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “হাসপাতালের বিষয়টি নিয়ে আমাদের পরিচালক স্যারের সঙ্গে কথা বললেই ভালো হবে।” অথচ তিনিও সব কিছু জানেন কিন্তু কোনো দায়িত্ব নিতে চান না।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের মাসিক আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে আমরা বরাবরের মতোই বিষয়গুলো তুলে ধরি। মাঝেমধ্যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যেহেতু আবার নতুন করে হাসপাতাল চত্বরে ইজিবাইক এবং মাইক্রোবাস পার্কিং শুরু হয়েছে, সেক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
রোগী ও স্বজনেরা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে হাসপাতাল চত্বরকে অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের দখলমুক্ত করে রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা নিয়মিত নজরদারি, নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি বিভাগের সামনে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এই বিক্ষোভের অংশ হিসেবে তারা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মইজ্জারটেক আবাসিক এলাকা থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এরপর তারা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে শুরু করেন।
অবরোধের ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি করে। এর ফলে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের জন্য চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।
বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের নেতৃত্ব দেন ইসলামী ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট তৌহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, "ঢাকায় শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে হামলায় প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ণবহাল করতে হবে।"
তিনি আরও জানান, চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতেই তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন। এদিকে, ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম। তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দাবিগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে তুলে ধরার আশ্বাস দেন।
পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) আমিনুল ইসলাম। তিনি আন্দোলনরত চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দাবিগুলো শোনেন।
এডিসি আমিনুল ইসলাম বলেন, "আমরা সবাই শিক্ষিত চাকরিজীবী। আপনারা আন্দোলন করবেন, এতে আমাদের সমস্যা নেই। তবে আন্দোলনের ধরন ভিন্ন হতে হবে। আমাদের কাজ হচ্ছে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে সড়ক দখল করে আন্দোলন করা যাবে না।"
তিনি আরও জানান, "আপনাদের দাবিগুলো আমরা শুনেছি। এসব বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সরকারের কাছে আপনাদের দাবিগুলো জানিয়ে দেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা মো. মিল্লাত হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। সোমবার ভোরে দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
মো. মিল্লাত হোসেন (৩৬) দর্শনা থানাধীন দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের জিয়াউল হকের পুত্র এবং দর্শনা সরকারি কলেজের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।
দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তার বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। বিকালে তাকে চুয়াডাঙ্গা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেইমার আর ব্রাজিলের হয়ে খেলবেন না। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর ব্রাজিল নতুনভাবে নিজেদের সাজানোর পরিকল্পনা করছে।
সিএনএন এস্পোর্তেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি উল্লেখ করেন, ‘মানের কারণেই নেইমারের বিশ্বকাপ দলে থাকা উচিত ছিল। নেইমার নিজেই নিশ্চিত করেছে যে সে আর জাতীয় দলে ফিরতে চায় না। নেইমারের বিকল্প পাওয়া সম্ভব নয়, কারণ সে এক অসাধারণ ও অনন্য প্রতিভা।’
নেইমার অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির পর, আনচেলত্তি পুরো দলকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছেন। ২০৩০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম এমন একটি নতুন প্রজন্ম তৈরি করাই তার লক্ষ্য।
নিজের ভাবনার কথা জানিয়ে আনচেলত্তি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে। এখন আমাদের এমন তরুণ খেলোয়াড়দের দিকে মনোযোগ দিতে হবে যারা ভবিষ্যৎ হতে পারে, যেমন ২০০৪, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়েরা।’
‘আমাদের ২০০৮ সালে জন্ম নেওয়া কিছু মানসম্পন্ন তরুণ আছে যারা এখনো খেলছে না, তবে খেলতে পারবে। এখন তাদের বয়সকে গুরুত্ব দিয়ে এবং সম্মান জানিয়ে তাদের দিকে তাকানোর সময়। এটা সত্যি যে একজন খেলোয়াড় ৩৬ বা ৩৭ বছর বয়সেও খুব ভালো খেলতে পারে। তবে এখন তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়ার সময়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার নোয়াখালীর মুছাপুর ক্লোজার পুনর্নির্মাণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা গত ২৪ আগস্টের বন্যায় নদীতে তলিয়ে গিয়েছিল।
বন, পরিবেশ ও জলবায়ুমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মুছাপুর ক্লোজার পুনর্নির্মাণ প্রকল্পটি পাশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্ত্রী সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে ফেনীর একটি কনভেনশন হলে জেলা বিএনপি আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান।
এ সভার আয়োজন করা হয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ১ অক্টোবর ফেনী সফর উপলক্ষে।
মন্ত্রী আরও বলেন, "আমরা আশাকরি মুহুরী কহুয়া নদী প্রকল্পের মতো মুছাপুর ক্লোজারও তিনি (প্রধানমন্ত্রী) উদ্বোধন করবেন।" প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের পর ফেনীর অন্যান্য উন্নয়ন বিষয় নিয়ে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সঙ্গে আলোচনা করবেন।
১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম সফর উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে জনসভায় উপস্থিত থাকার জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানান তিনি।
সভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ফেনী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় সভায় জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপি, যুবদল, মহিলা দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ