ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝিনাইদহে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালা


ঝিনাইদহে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালা

ঝিনাইদহে ‘নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি সেমিনার আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দক্ষ জনবল গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়। ঝিনাইদহ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেমিনারে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণকারী তরুণ-যুবকরা অংশগ্রহণ করেন।

শনিবার বেলা ১১টায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) সম্মেলন কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. এম এ মজিদ।

আরও পড়ুন: ফেনীর সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ৩৬ কেজি গাঁ-জা, ৪৭ বোতল ফেন্সিডিল এবং ০৫ বোতল ভারতীয় ম-দ জব্দ

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মো. রুস্তম আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এবং জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেল।

বক্তারা সেমিনারে উল্লেখ করেন, বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য কর্মীদের দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো কাজের জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে বিদেশে গেলে সফলতা আসবে। দক্ষতার অভাবে অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধা বিদেশে গিয়ে কঠোর পরিশ্রম করেও কাঙ্ক্ষিত মজুরি পান না। তাই বিদেশে কাজের জন্য যেতে হলে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা অপরিহার্য।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রবাসী বাংলাদেশিদের রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর করে। এ কারণে, সরকার প্রবাসী কর্মীদের বিভিন্ন কাজের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে চলেছে।

এ সময় বিদেশে গমনেচ্ছু ও সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়, যাতে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি এবং বৈধ পথে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।

আরও পড়ুন: ছুরি-সুইস গিয়ার ও কস্টেপ নিয়ে বাসায় হানা: কাউনিয়ায় আটক মুখোশধারী দস্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের উচ্ছেদ মানবতাবিরোধী অপরাধ হতে পারে: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের উচ্ছেদ মানবতাবিরোধী অপরাধ হতে পারে: জাতিসংঘ

অধিকৃত পশ্চিম তীরের তিনটি শরণার্থী শিবির থেকে গত বছর পুরো ফিলিস্তিনি জনগণের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

এদিকে, প্রতিবেদনটি ইসরাইল কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে এসেছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে ইসরাইল যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল, তার ফলে ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হন।

‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ নামে পরিচিত ওই অভিযানের সময় ইসরাইলি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রবেশ করে।

জাতিসংঘের দাবি, এই সময়ে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু ঘটে, শত শত বাড়িঘর ধ্বংস হয় এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী শিবিরগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং সেখানে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথও অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের শিবির ছেড়ে যেতে বাধ্য করে।

অভিযান শুরু হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী শিবিরগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করে এবং সেখানকার পুরো জনগণকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেয়, বলেছে প্রতিবেদনটি।

জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, জেনিন, নূর শামস ও তুলকারেমের মতো শরণার্থী শিবির থেকে ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে বাস্তুচ্যুত করার ঘটনা ‘জোরপূর্বক স্থানান্তর’ নামের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যে এই তিনটি শিবির থেকে বাস্তুচ্যুত ৩৩ হাজার ৩৬২ জন ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া হয়নি।

‘জাতিগত নিধনের’ আশঙ্কা

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর বলেছে, বিমান হামলা, সাঁজোয়া বুলডোজার ও নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে পুরো শিবিরকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলা, বাসিন্দাদের জোর করে সরিয়ে দেওয়া এবং তাদের ফিরে আসতে বাধা দেওয়া— আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে গ্রহণযোগ্য নয়।

জাতিসংঘ আরও বলেছে, ইসরাইলের এসব পদক্ষেপ সমষ্টিগত শাস্তির শামিল হতে পারে এবং ‘জাতিগত নিধন’ বা ‘এথনিক ক্লিনজিংয়ের’ আশঙ্কা তৈরি করছে।

তবে জেনেভায় ইসরাইলের মিশন জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর নিরপেক্ষতা, স্বাধীনতা ও পক্ষপাতহীনতার নীতি থেকে সরে গিয়ে ‘নিন্দনীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে’ পরিণত হয়েছে।

ইসরাইল আরও দাবি করেছে, জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে এবং সেখানে তারা সন্ত্রাসী হামলার হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করেনি।

১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইলের দখলে থাকা পশ্চিম তীরে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরু হলে সহিংসতা আরও বেড়ে যায়।

২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ শুরু হওয়ার পর পশ্চিম তীরে সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। গাজায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টা পর এই অভিযান শুরু হয়েছিল।

২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ঘোষণা করে, তাদের সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের ওই তিনটি শরণার্থী শিবির খালি করেছে। পশ্চিম তীরে মোট ১৯টি শরণার্থী শিবিরের মধ্যে এগুলো তিনটি।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ বলেন, তিনি সেনাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন— খালি করা শরণার্থী শিবিরগুলোতে আগামী এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে অবস্থান করার জন্য প্রস্তুত থাকতে। একই সঙ্গে বাসিন্দাদের ফিরে আসা ও ‘সন্ত্রাসবাদের পুনরুত্থান’ ঠেকানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক শুক্রবার বলেন, এই অভিযান যেভাবে পরিচালনা করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে এর উদ্দেশ্য ছিল যত বেশি সম্ভব ফিলিস্তিনিকে ওই এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা এবং সেখানে আরও অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের সুযোগ তৈরি করা।

এমন কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে অভিমত তার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলি প্রস্তাবের বিরোধিতা করতে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি হামাসের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


ইসরাইলি প্রস্তাবের বিরোধিতা করতে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি হামাসের আহ্বান

গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের বিদেশে পাঠানোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি হামাস আহ্বান জানিয়েছে।

শুক্রবার হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এক বিবৃতিতে জানান, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে ইসরাইলি সরকারের দুই মন্ত্রীর ধারাবাহিক বক্তব্য ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিকল্পনা মোকাবিলায় আরব ও ইসলামি দেশগুলোকে কঠোর ও ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নিতে হবে। এসব পরিকল্পনা ঠেকাতে কার্যকর অবস্থান ও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বৃহস্পতিবার গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

তার পরিকল্পনার মধ্যে প্রথম বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিকে গাজা ছাড়তে হবে। এরপর পরবর্তী ছয় বছরে সেখানকার প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দার বাকিদেরও সরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এর এক দিন আগে, ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ জানিয়েছিলেন, সমুদ্র ও স্থলপথে গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নিতে ইসরাইল প্রস্তুত।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, জনগণকে কোথায় পাঠানো হবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

এর আগে, কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ ফিলিস্তিনিদের অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকেও সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেখানে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে।

অধিকৃত ভূখণ্ডে বেসামরিক মানুষকে জোরপূর্বক অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া জেনেভা কনভেনশনের অধীনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলার পর থেকে গাজার প্রায় পুরো জনগোষ্ঠী একাধিকবার নিজেদের এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। ওই হামলা ছিল ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। ওই হামলায় নিহতদের বেশির ভাগই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক।

ইসরাইলি মন্ত্রীদের সাম্প্রতিক এসব বক্তব্য আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে এসেছে। জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে নির্বাচনী লড়াই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

নেতানিয়াহু তার সরকারে এমন কয়েকজন কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যারা আগে রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই উপেক্ষিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে বিশ্বকে চমকে দিয়ে গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূমধ্যসাগরীয় এই ভূখণ্ডকে একটি বিলাসবহুল পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

তবে মিসরসহ বিভিন্ন দেশের তীব্র আপত্তির মুখে পরে তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন। ইসরাইল ছাড়া মিসরই গাজার একমাত্র সীমান্তবর্তী দেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনুপ্রবেশের অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ায় ৮ বাংলাদেশি আটক ১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩১ পি.এম


অনুপ্রবেশের অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ায় ৮ বাংলাদেশি আটক ১৬

ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী আট বাংলাদেশি সহ মোট ১৬ জনকে আটক করার তথ্য প্রকাশ করেছে অনুপ্রবেশের অভিযোগে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম জাকার্তা পোস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলীয় ডুমাই জেলা থেকে গত সোমবার তাদের আটক করা হয়।

নৌ কর্মকর্তা আগুং এন. কুসুমাজির উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, মালয়েশিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় রিয়াউ প্রদেশে প্রবেশের সময় তাদের ধরা হয়। আটক হওয়া অন্য আটজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।

তারা দুই ইঞ্জিনযুক্ত একটি স্পিডবোটে করে অবৈধভাবে ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। পুর্নামা সমুদ্রসৈকতে প্রবেশের সময় তাদের আটক করা হয়।

ডুমাই নৌঘাঁটির প্রধান কর্নেল কুসুমাজি জানান, রোববার সন্ধ্যায় গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তারা অনুপ্রবেশের বিষয়টি জানতে সক্ষম হন। “এ তথ্য পাওয়ার পর নৌ সদস্যদের পুর্নামার জলসীমা ও উপকূলজুড়ে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।”

অভিযানের নেতৃত্ব দেন নৌঘাঁটির গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান ওয়াহিউ উইদিদি ওয়িদায়াত। অভিযানে তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করা হয়।

অভিযানে অংশ নেয় নৌঘাঁটির কুইক রেসপন্স টিম, নৌবাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডের (কোডায়েরাল) সামুদ্রিক গোয়েন্দা ইউনিট এবং ফ্লিট কমান্ড (কোয়ারমাদা) ‘আইয়ের’ ইনটেলমার অপারেশনস টাস্কফোর্স।

সূত্র:

দ্য জাকার্তা পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুতে সাত দিন পর পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

এর আগে, গত শনিবার কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন এক ফুট পর্যন্ত ডুবে যাওয়ার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়ার ফলে ধীরে ধীরে হ্রদের পানি কমতে শুরু করে। এর ফলে, ছয় দিন পর শুক্রবার ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন থেকে পানি নেমে গিয়ে সেতুটি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, কাপ্তাই হ্রদে পানি কিছুটা কমে আসায় সেতুর পাটাতন থেকে পানি নেমে গেছে। গতকাল সেতুর ঘষামাজা সম্পন্ন করে পর্যটকদের চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শনিবার দুপুর থেকে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে, পর্যটকরা আবারও ঝুলন্ত সেতুর সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%