ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জিয়া উদ্যান বদলে যাচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে উন্নয়ন প্রকল্প


জিয়া উদ্যান বদলে যাচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে উন্নয়ন প্রকল্প

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানের পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধ এলাকায় দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্যানের উন্নয়নে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একাধিক পাবলিক টয়লেট ব্লক নির্মাণের কাজ চলছে। বিশুদ্ধ পানির জন্য সেখানে গভীর নলকূপ এবং পাইপলাইন স্থাপন করা হচ্ছে। ক্রিসেন্ট লেকের অকেজো ফোয়ারা নতুন রূপ পাচ্ছে। পুকুরপাড়ে নতুন ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। লেকের গাইড ওয়াল এবং ব্রিজের স্টিল ফ্রেমে রঙ করার কাজও চলছে। অডিটরিয়াম ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সংস্কারকাজও দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হচ্ছে। সমাধির মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণসহ উদ্যান ও প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন এবং সংস্কারকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

এ প্রকল্পটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কাজ সম্পন্ন হলে পুরো জিয়া উদ্যান এলাকা আবারও ঝলমলে হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন: নবম পে স্কেলে বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী বেতন পাননি

১৯৮১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে চন্দ্রিমা উদ্যানে সমাহিত করা হয়। ১৯৯২ সালে এই স্থানটির নামকরণ করা হয় জিয়া উদ্যান। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার এসে নাম পরিবর্তন করে চন্দ্রিমা উদ্যানে। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আবার নাম পরিবর্তন করে জিয়া উদ্যান রাখে। ২০০২ সালে সেখানে মাজার কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বিএনপি। পরবর্তীতে লেক ও ফোয়ারার সৌন্দর্যবর্ধন করে বিএনপি। ২০১০ সালের ৩ মার্চ আওয়ামী লীগ সরকার আবার নাম পরিবর্তন করে চন্দ্রিমা উদ্যানে। বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ শাসনামলে এই উদ্যানটি ছিল চরম অযত্ন এবং অবহেলিত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে উদ্যানটির নাম চন্দ্রিমা থেকে পরিবর্তন করে জিয়া উদ্যান করা হয়, এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের নজরও পড়ে। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর এখানে সমাহিত করার পর উদ্যানটির গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সমাধিসৌধের মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় জিয়া উদ্যান ও সমাধিস্থল এলাকায় প্রায় ১৫ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৪ টাকা ব্যয়ে ২১টি পৃথক ক্যাটাগরিতে সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে।

সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে যুক্ত কার্যবিবরণী ও প্রকল্পের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ৩ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ১৮৮ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, আর্কাইভ ও গ্রন্থাগারের সিভিল ও ইলেকট্রিক্যাল কাজ এবং ফার্নিচার কেনার কাজ চলছে। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সংস্কার, ফ্লোরের মার্বেল পলিশ, উইং ওয়ালের গ্র্যানাইট, ক্যালিগ্রাফি প্রতিস্থাপনসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ২ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ৯১০ টাকা বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্যানের ক্রিসেন্ট লেকের অকেজো ফোয়ারা সংস্কারের কাজে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫০ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি লেকের গাইড ওয়াল মেরামত, ফ্লাশ পায়েন্টিং, নিচের তলার সলিং মেরামতসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬২ টাকা। ক্রিসেন্ট লেকের ওপর বিদ্যমান সেতুর ওয়ালে ওয়াটার পেপিলেন্ট ভাঙা মার্বেল নবায়ন, স্টিল ফ্রেমে রঙ করাসহ আনুষঙ্গিক সংস্কারে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ লাখ ৫ হাজার ৪০৬ টাকা। এ ছাড়া ক্রিসেন্ট লেকের দক্ষিণ পাশে ফুটপাতে (সি রোড) ইটের গাঁথুনি দিয়ে বেষ্টনী নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা।

আরও পড়ুন: মেট্রো রেলের সব স্টেশন চালু, স্বাভাবিক হল চলাচল

জিয়া উদ্যানের অভ্যন্তরে ১ কোটি ২৬ লাখ ৯ হাজার ৪৮৩ টাকা ব্যয়ে ১৫০ মিমি ও ২৫০ মিমি ব্যাসের দুটি গভীর নলকূপ স্থাপন (সিংকিসহ), ৩৮ মিমি ব্যাসের টেস্ট ও অবজারভেশন ওয়েল নির্মাণ এবং ২০ এইচপি সাবমার্সিবল পাম্প মোটর সেট সরবরাহ ও স্থাপন এবং বহিঃস্থ পানি সরবরাহ পাইপলাইন তৈরি করা হচ্ছে।

এ ছাড়া জিয়া উদ্যানের পূর্ব কোণে মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন খালি জায়গায় ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার ৪৫ টাকা ব্যয়ে এবং উদ্যানের পশ্চিম পাশে পাম্পহাউজ-সংলগ্ন খালি জায়গায় ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৩৬৪ টাকা ব্যয়ে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য পাবলিক টয়লেট ব্লক নির্মাণকাজ চলছে।

৭৫ লাখ ৩ হাজার ৩৫০ টাকা ব্যয়ে মসজিদ থেকে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পর্যন্ত নতুন বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে উদ্যানের উত্তর পাশে। ৫৩ লাখ ৪৭ হাজার ১১৯ টাকা ব্যয়ে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে অবস্থিত অডিটরিয়ামে স্টেজ লাইট ও সাউন্ড সিস্টেম সরবরাহ এবং ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ২৩৩ টাকা ব্যয়ে অডিটরিয়ামে এলইডি স্ক্রিন স্থাপন কাজ চলমান।

২৬ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫৩ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে ১০০ কেভিএ ইমার্জেন্সি জেনারেটর সরবরাহ ও আনুষঙ্গিক কাজ করা হচ্ছে। সমাধিস্থলে অবস্থিত মসজিদ, অডিটরিয়াম, জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, আর্কাইভ, পাঠাগারসহ অন্যান্য স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে ২৮ লাখ ২৭ হাজার ১৬৮ টাকা ব্যয়ে।

আরও পড়ুন: মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন: ১১ আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আটক

জিয়া উদ্যান মেমোরিয়াল হলের ফার্নিচার ক্রয় ও স্থাপন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৭২ লাখ ৮৫ হাজার ২৩৬ টাকা। সমাধিস্থলে অবস্থিত ৪০০ কেভিএ সাবস্টেশন মেরামত কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭৪ টাকা।

মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স ভবনের টয়লেট ব্লকগুলোর টাইলস ও স্যানিটারি ফিটিংস নবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৪৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬১ টাকা। ৬৪ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৭ টাকা বাজেটে উদ্যানের ভেতরে পুকুরপাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

৩৫ লাখ ৫২১ হাজার ৯৭৭ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে অবস্থিত অডিটরিয়ামে স্ট্রিট টাইপ এসি সরবরাহ ও স্থাপনকাজ চলমান। উদ্যানের আরবি কালচার ও ল্যান্ডস্কেপিং উন্নয়ন কাজে ২১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৭ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ ছাড়া সমাধিস্থলে অবস্থিত মসজিদের প্রয়োজনীয় সিভিল ও বৈদ্যুতিক কাজে ৪৭ লাখ ৮ হাজার ৮৮৬ টাকার দরপত্র প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জিয়া উদ্যান ও সমাধি প্রাঙ্গণকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক রূপে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন: ‘ডিসেম্বরকে টার্গেট করে আন্দোলনের অপচেষ্টা, জামায়াত-এনসিপি উসকে দিচ্ছে’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘জিয়া উদ্যান এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলের পুনঃসংস্কারকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। উদ্যানে আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে সেখানে নানা কিছু যোগ করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এসব কাজের বড় অংশগুলো শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইথিওপিয়ার সামরিক ঘাঁটি থেকে আরএসএফকে অস্ত্র সরবরাহ: সুদানের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


ইথিওপিয়ার সামরিক ঘাঁটি থেকে আরএসএফকে অস্ত্র সরবরাহ: সুদানের অভিযোগ

সুদানের সরকার অভিযোগ করেছে যে, র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) নামক আধাসামরিক বাহিনীকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করতে এবং বিদেশি যোদ্ধা ও ভাড়াটে সেনাদের সুদানে প্রবেশে সহায়তা করতে ইথিওপিয়া তাদের একটি সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করছে।

শনিবার সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পশ্চিম ইথিওপিয়ার আসোসা সামরিক ঘাঁটি বর্তমানে বিদ্রোহী মিলিশিয়াদের জন্য অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশি যোদ্ধা ও ভাড়াটে সেনাদের সুদানে প্রবেশের পথও তৈরি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইথিওপিয়া বা আরএসএফের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে আদ্দিস আবাবা পূর্বে আধাসামরিক বাহিনীটিকে সহায়তা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং নিজেদের ভূখণ্ড থেকে ড্রোন হামলা চালানোর সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও নাকচ করেছে। দেশটি জানিয়েছে, তারা সুদানের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

সুদানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর পোর্ট সুদানে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি মুআবিয়া ওসমান খালিদ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘পশ্চিম ইথিওপিয়ার আসোসা ঘাঁটি বিদ্রোহী মিলিশিয়াদের অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি বিদেশি যোদ্ধা ও ভাড়াটে সেনাদের যাতায়াতেও সহায়তা করা হচ্ছে।’

খালিদ আরও বলেন, ‘গুরুতর বিষয় হলো, সুদানে ড্রোন হামলা চালানোর জন্য ইথিওপিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও ভূখণ্ডকে উৎক্ষেপণস্থল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’ সুদানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এ তথ্য জানায়।

তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এসব হামলার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, পানির স্থাপনাসমূহ, স্কুল, হাসপাতাল ও জ্বালানি স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনা রয়েছে। এসব হামলায় শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।

সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি বলেন, ইথিওপিয়া থেকে আসা ‘নৃশংস আগ্রাসন’ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে সুদানে নিযুক্ত কূটনৈতিক মিশনগুলোকে তাদের দায়িত্ব পালনে আহ্বান জানানোই বৈঠকের উদ্দেশ্য।

এর আগে সুদান চলমান যুদ্ধে ২০টিরও বেশি দেশের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলে।

খালিদ বলেন, সুদান সরকার বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তেজনা কমানো এবং সুদান-ইথিওপিয়া সম্পর্কের ভারসাম্যহীনতা দূর করার চেষ্টা করছে। তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো আগ্রাসনের শিকার রাষ্ট্র হিসেবে যেকোনো হামলার জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার সুদানের রয়েছে।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকেরা সুদানের ঐক্য, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি তাদের দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা যুদ্ধের অবসান এবং স্বাভাবিক জীবন ফিরে না আসা পর্যন্ত সুদানের জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এর আগে বুধবার খালিদ অভিযোগ করেছিলেন, ইথিওপিয়া সুদানের বিরুদ্ধে ‘আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে’ এবং দেশটির কর্মকাণ্ড ‘বিপজ্জনক পর্যায়ে’ পৌঁছেছে।

সোমবার থেকে শুরু হওয়া ড্রোন হামলায় সুদানের খার্তুম রাজ্যের ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত দেশটির রাজধানী খার্তুম। এ ছাড়া মধ্য সুদানের আল-জাজিরা এবং পূর্বাঞ্চলের সেনার ও আল-কাদারিফ রাজ্যেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। আধাসামরিক বাহিনীটিকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত করার প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধের জেরে এ সংঘাত শুরু হয়।

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এ যুদ্ধে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং দেশজুড়ে দুর্ভিক্ষ ও মানবিক সংকট আরো তীব্র হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৫০৫ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০০ পি.এম


রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৫০৫ জন

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পরিচালিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫০৫ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) ডিএমপির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৩৮ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৫৭ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫৩ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৪০ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৬৬ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১২৭ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৫০ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৬৭ জন এবং ডিবি বিভাগ থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানের সময় ২৫৮২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৮টি মোবাইলফোন, নগদ ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা এবং একজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোসাদের সহায়তায় দেশ ছাড়লেন ব্রাজিলের পরাজিত প্রার্থী বলসোনারো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০০ পি.এম


মোসাদের সহায়তায় দেশ ছাড়লেন ব্রাজিলের পরাজিত প্রার্থী বলসোনারো

সংবাদমাধ্যম সিএনএন ব্রাজিলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের একজন সাবেক কর্মকর্তা ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোকে দেশত্যাগে সহায়তা করেছেন। এই তথ্য একটি নিরাপত্তা সংস্থার তদন্তের সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে। বলসোনারোর বিরুদ্ধে বিদেশভ্রমণে আদালতের নিষেধাজ্ঞা ছিল সেই সময়ে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটের পূর্বে দেশত্যাগের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই পরিকল্পনায় আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত ছিলেন।

সাবেক ওই ইসরাইলি গোয়েন্দা কর্মকর্তা, যিনি পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, ১৯ অক্টোবর ব্রাজিলে পৌঁছান। তিনি ব্রাসিলিয়া থেকে আর্জেন্টিনা সীমান্ত পর্যন্ত বলসোনারোর সঙ্গে ছিলেন, যা দ্বিতীয় দফার ভোটের ছয় দিন আগে ঘটে।

ব্রাজিলের তদন্তকারীরা নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ফোজ দো ইগুয়াসু শহর থেকে আর্জেন্টিনার পুয়ের্তো ইগুয়াসু শহরকে সংযুক্তকারী তানক্রেদো নেভেস সেতু দিয়ে দুটি বাণিজ্যিক ভ্যান পার হওয়ার তথ্য শনাক্ত করেছেন।

তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, একটি ভ্যানে ছিলেন বলসোনারো এবং মোসাদের সাবেক ওই কর্মকর্তা। অন্য ভ্যানটিতে বলসোনারোর স্ত্রী ও দুই মেয়ে ছিলেন। তদন্তকারীরা দুটি গাড়ির চালকের পরিচয়ও শনাক্ত করেছেন, যাদের একজন ফোজ দো ইগুয়াসুর সাবেক পৌর কাউন্সিলর এবং অপরজন তার ছেলে।

আর্জেন্টিনায় পৌঁছানোর পর বলসোনারো ও তার পরিবারের সদস্যরা বায়রেস ফ্লাই নামের একটি আর্জেন্টাইন বিমান সংস্থার পরিচালিত গালফস্ট্রিম জি৪০০ মডেলের একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে ওঠেন।

এই উড়োজাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এবং পথে জ্বালানি নেওয়ার জন্য ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিলে যাত্রাবিরতি করে। পরে বুধবার সকালে ফ্লোরিডার মায়ামির কাছে ওপা-লক্কা এক্সিকিউটিভ বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সিএনএন ব্রাজিলের প্রতিবেদনে উল্লেখিত এসব তথ্যের মধ্যে মোসাদের সাবেক ওই কর্মকর্তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীর কলেজ অধ্যক্ষের উদ্যোগে বদলে দিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থীর জীবনের মোড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০০ পি.এম


নরসিংদীর কলেজ অধ্যক্ষের উদ্যোগে বদলে দিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থীর জীবনের মোড়

নরসিংদীর মনোহরদীর খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. নাজিম উদ্দিন তার শিক্ষকতা জীবনে বহু ছাত্রের জীবনের মোড় পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়নে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়নে তিনি অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এসব অবদানের জন্য তিনি গুণী শিক্ষকের মর্যাদা অর্জন করেছেন।

গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে তিনি সম্মাননা ও পুরস্কার গ্রহণ করেন। তার এই অর্জনে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উচ্ছ্বসিত ও গর্বিত হয়ে উঠেছে।

নাজিম উদ্দিন ২০২৪ সালে খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার মান উন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষ ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, কলেজ ক্যাম্পাসে বৃক্ষ রোপণ করে সবুজায়ন করেছেন। তিনি কলেজের বেশ কিছু জমি অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করেছেন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, পরিচালনা কমিটি এবং প্রশাসনের সমন্বয়ে কলেজটির সার্বিক উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালে ছয় একর জায়গার ওপর খিদিরপুর মনতলা এলাকার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান এ এম আনোয়ার হোসেন কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।

গুণী শিক্ষক নাজিম উদ্দিনের রয়েছে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য অর্জন। এর মধ্যে একটি হলো এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়ে খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজে এইচএসসিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হতে আসা আল ইমরানকে ভর্তি করানো। পরবর্তীতে ইমরান জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে লেখাপড়া শেষ করে স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকায় পিএইচডি করতে যান। সেখানে তিনি নাসাতে আবেদন করেন এবং গবেষক হিসেবে যোগদান করেন।

২৮ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তার অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনায় অনেকেই বড় চিকিৎসক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী হয়েছেন।

কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, নাজিম অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিয়মিত পাঠদান, সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, স্কাউট এবং গার্লস গাইড সক্রিয় রাখা, কলেজের দেয়াল নির্মাণ ও ভবন তৈরিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি সন্তানের মতো স্নেহ দিয়ে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। এজন্য সকল শিক্ষার্থী তাকে শ্রদ্ধা করে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আকরাম হোসেন মানিক ও আব্দুল হক জানান, নাজিম অধ্যক্ষ হিসেবে কলেজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই শিক্ষার মানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর কলেজের বেশ কিছু জমি অবৈধ দখল মুক্ত করেছেন।

গুণী শিক্ষক নাজিম উদ্দিন বলেন, "কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ে কলেজে শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ, অবৈধ দখলে থাকা জমি উদ্ধারসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণেই এই কলেজে গুণী শিক্ষকের সম্মাননা এসেছে। এটা কারো একার নয়, এটা কলেজ কর্তৃপক্ষ, মনোহরদী ও জেলাবাসীর অর্জন। তাই চাকরি জীবনের বাকি সময়ে এই সম্মাননার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে চাই। কলেজের শিক্ষার্থীরা যেন মানুষের মতো মানুষ হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে, সেভাবে তাদের গড়ে তুলতে চাই।"

শিক্ষাজীবনে নাজিম ১৯৮১ সালে বীরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেন। ১৯৮৭ সালে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান শাখায় প্রথম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৯ সালে কটিয়াদী ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষা দিয়ে এইচএসসিতে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী সময়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

১৯৯৮ সালে মনোহরদী বড়চাপা কলেজে গণিতের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। এই কলেজে কর্মরত থাকাকালীন ২০০৪ সালে জাতীয় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে মনোহরদী উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (কলেজ পর্যায়) নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৪ সালে তিনি গণিতের প্রভাষক হিসেবে মনোহরদী খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজে যোগদান করেন এবং ২০২৪ সালে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৫ সালে জাতীয় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে মনোহরদী উপজেলায় শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক (কলেজ পর্যায়) নির্বাচিত হন।

এছাড়া তিনি ময়মনসিংহে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম, উপস্থিত বক্তৃতায় প্রথম এবং বিতর্কে দলগত চ্যাম্পিয়নসহ শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ড ও শিক্ষা খাতে অবদান রাখার জন্য তিনি একাধিক পুরস্কারও অর্জন করেছেন।

নাজিম উদ্দিন ১৯৭১ সালের ১১ জানুয়ারি মনোহরদীর চরমান্দালিয়া মজিন্দপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফতেহ আলী এবং মায়ের নাম সাহেদা খাতুন। তিনি আট ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট। পারিবারিক জীবনে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার গৃহিণী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%