বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:০৯ পি.এম
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা পড়েছে তিনটি মনোনয়নপত্র। এর মধ্যে আছে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি মনোনয়নপত্র এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের দুটি মনোনয়নপত্র।
বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনী কর্তা এএমএম নাসির উদ্দিনের কাছে এই মনোনয়নপত্রগুলো জমা দেওয়া হয়।
মনোনয়নপত্র জমার সময় বিকাল ৪টা পার হয়ে যাওয়ার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে একটি ব্রিফিংয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, “নির্ধারিত সময় পর্যন্ত আমরা তিনটি মনোনয়নপত্র পেয়েছি। এর মধ্যে অলি আহমদের দুটি এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি মনোনয়নপত্র পেয়েছি।” রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হলো দুইজন।
তিনি জানান, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৬ আগস্ট নির্বাচন কর্তার কার্যালয় নির্বাচন ভবনে সকাল ১০টা থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে। এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে একজন কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন।
এর আগে, আজ বেলা পৌনে ১২টায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীর একটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। বিকালে জমা দেওয়া হয় আরেকটি মনোনয়নপত্র। এই অবস্থায় অলি আহমদের দুটি মনোনয়নপত্র জমার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “কেন তারা দুটি মনোনয়নপত্র জমা দিলেন, সেটা তারাই বলতে পারবেন।” তবে আইন অনুযায়ী, যাচাই-বাছাইয়ে প্রথমটা বৈধ হয়ে গেলে দ্বিতীয়টা বাছাইয়ের আর দরকার পড়বে না।
আগামী ১৮ আগস্ট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে। আর জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোট হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি ইরাকি নিরাপত্তা প্রতিনিধিদল পৌঁছেছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও যৌথ কৌশলগত স্বার্থ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা বাস্তবায়নের জন্য।
এ তথ্য জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা, যা ‘ইরাক নিউজ এজেন্সি’র বরাতে প্রকাশ করেছে।
উল্লেখযোগ্য হল, ইরাকি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের কার্যালয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল আমির আল-শাম্মারি সেই প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ইরাকি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিনিধিদলে গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিমানবাহিনীর প্রধানসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
আলোচনার সময় সৌদি কর্মকর্তাদের সাথে প্রধান বিষয়বস্তু হবে- সৌদি আরবে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হামলা, ড্রোনদের নিরাপত্তা ঝুঁকি ও দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার পদক্ষেপ।
গত সপ্তাহে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি মন্তব্য করেছিলেন যে, বাগদাদ অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণের জন্য তার ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না। এই মন্তব্যের এক সপ্তাহ পর সফরটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এছাড়াও, উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের বিরুদ্ধে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মাঝে মাঝে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া দাবি করেছে যে, তারা একক আকাশযুদ্ধে ইউক্রেনের দু’টি সু-২৭ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে।
এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন রুশ বিমানবাহিনীর কমান্ডার ও রাশিয়ার মহাকাশ বাহিনীর উপপ্রধান সের্গেই কোবিলাশ। তিনি রুশ সংবাদপত্র ক্রাসনায়া জেভেজদাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “একটি সু-৩৫এস যুদ্ধবিমানের পাইলট একই যুদ্ধে তিনটি আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে দুটি ইউক্রেনীয় সু-২৭ ধ্বংস করেন।”
কোবিলাশ তার সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন, রাশিয়ার বিমানবাহিনীর ১১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই ঘটনা তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি রুশ পাইলটের সাহসিকতার একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
তিনি আরও জানান, ওই পাইলট যুদ্ধকালীন টহলে ছিল এবং অগ্রসরমান রুশ সেনাদের একটি দলকে আকাশ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতির মধ্যে ছিলেন। নির্ধারিত এলাকায় এসে, তিনি রাডারের মাধ্যমে আকাশে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু খুঁজতে শুরু করেন।
কোবিলাশ দাবি করেছেন, ইউক্রেনীয় পক্ষ জ্যামিং প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও, রুশ পাইলট দু’টি শত্রু সু-২৭ শনাক্ত করতে সক্ষম হন। পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর, তিনি বেশিরভাগ সংখ্যক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আকাশযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন।
রুশ কমান্ডারের ভাষ্যানুযায়ী, পাইলট কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থান গ্রহণ করার পর দক্ষতার সঙ্গে বিমানকে পরিচালনা করেন এবং তিনটি আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে দেন। এতে দু’টি ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয় বলে তিনি দাবি করেন।
সূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস. এম হুমায়ুন কবির সরকার মন্তব্য করেছেন, বই শিশুদের সামনে জ্ঞানের দুয়ার খুলে দেয়। বই পড়ার জন্য সবচেয়ে আনন্দময় এবং উৎসাহী জায়গা হচ্ছে লাইব্রেরি। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বই পড়তে এবং সেটি উপভোগ করতে উৎসাহ প্রদান করেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের আয়োজনে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘আলোকিত মানুষ চাই’ এ প্রতিপাদ্যের আওতায় ময়মনসিংহের টাউন হলস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধনী) প্রকল্পের আওতায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রকল্পের বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। তিনি এ সময় বলেন, বাংলাদেশের মতো পারিবারিক এবং সোশ্যাল বন্ডিং পশ্চিমা বিশ্বে নেই। কিন্তু ক্রমেই যেন আমরা তা হারিয়ে ফেলছি। অথচ সামাজিক মূল্যবোধ বৃদ্ধিতে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সব ধরনের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। যে সমস্ত বই পড়লে দেশ ও সমাজের প্রতি মমত্ববোধ বৃদ্ধি পায় এবং সামাজিক ও ব্যক্তিগত মূল্যবোধ তৈরি হয়, সেসব বই পড়া অত্যন্ত জরুরি। আলোকিত মানুষ গড়ে তুলতে হবে, দোলনা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা আৱশ্যক। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার, ময়মনসিংহের প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান (উপপরিচালক) মোহাম্মদ হামিদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বিপিএম-সেবা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধনী) প্রকল্পের পরিচালক মু. বিল্লাল হোসেন খান, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, ঢাকার প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান (উপপরিচালক) দেবাশীষ ভদ্র প্রমুখ। এ সময়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : জেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গুয়ার হাওর ইসিএ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮টি ইঞ্জিনচালিত নৌকাকে জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসি এরিয়ায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ৮টি ইঞ্জিনচালিত নৌকার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করে ৭ হাজার পাঁচশ পঞ্চাশ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এসময় মোবাইল কোর্টের পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন শাওন।
মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিক সহায়তা করেন তাহিরপুর থানার পুলিশ সদস্যরা।
এসময় পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলার পক্ষ থেকে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণকারী হাউজবোট ও পর্যটকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলার সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক জানান, রামসার সাইট এবং টাঙ্গুয়ার হাওর ইসিএ এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ