শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩২ এম
চাঁদপুর, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশ শিকারের অভিযোগে ২০ জন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় নিষিদ্ধ কারেন্টজাল, নৌকা এবং ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত জেলা টাস্ক ফোর্সের আওতায় সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুদার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় বাসসকে জানান, অভিযানের সময় ২০ জন জেলে আটক করা হয়। এছাড়া ৩০ কেজি ইলিশ, ৩৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩টি ইঞ্জিন চালিত মাছ ধরার কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
কারাদণ্ড প্রাপ্ত জেলেদের মধ্যে শুক্কুর শেখ (২৫), মফিজ গাজী (৬০), সাব্বির গাজী (১৮), ফরহাদ গাজী (১৯), হাবিব খান (২০), তোফাজ্জল হোসেন (৫৫), সিয়াম পাটওয়ারী (২২), আলমগীর হাওলাদার (২৫), শহীদ গাজী (২৬), মো. আব্বাস (৪০), রিপন মিয়াজী (২০), মো. মাসুদ (৪১), নুর মোহাম্মদ (৩৫), দেলু সরদার (৪৫), মো. শাকিল (১৯), কালু খান (৩০), মো. হাবিব (৩৫), মো. হাবিব খান (৪০), মো. বারেক (২৮) এবং মো. রবিউল ইসলাম (১৯) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এসব জেলেদের বাড়ি সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অবস্থিত।
আটক ২০ জেলের মধ্যে ১৩ জনকে ১০ দিন করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৭ জনকে ১৫ দিন করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া, প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
জব্দকৃত ইলিশ এতিমখানা ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হবে এবং নৌকাটি কোস্ট গার্ডের হেফাজতে রাখা হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজা যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে আত্মহত্যা করেছেন দুই ইসরাইলি সেনা। তাদের একজনের মৃত্যু ঘটেছে তেলআবিবের উত্তরে নেতানিয়া শহরে, অপরজন মারা গেছেন অধিকৃত পশ্বিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলে। এই তথ্য বিভিন্ন হিব্রু ভাষার গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধে অংশগ্রহণের পর ওই দুই সেনা তীব্র মানসিক সংকটের মধ্যে ছিলেন।
গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি সেনাদের আত্মহত্যার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ২১ জন ইসরাইলি সেনার আত্মহত্যার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১২।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে, চিহ্নিত এক মাদক কারবারিকে আটক করার পর থানায় ফেরার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ি (কাভার্ডভ্যান) চাপায় পুলিশের এক এসআই এবং স্থানীয় এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—কালীগঞ্জ থানার এসআই মিজানুর রহমান (৩০) এবং তুমুলিয়া এলাকার মৃত ওয়াজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম মোল্লা (৪৫)। আহতদের মধ্যে এসআই জাবেদ ওমর (২৮) এবং গাড়িচালক রাব্বি (২৮) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে জাবেদ বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তুমুলিয়া এলাকায় মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে চিহ্নিত মাদক কারবারি আহিদ মিয়াকে (৪৫) আটক করার জন্য শুক্রবার রাত পৌনে তিনটার দিকে এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য অভিযান পরিচালনা করেন। পরে তাকে বাড়ি থেকে আটক করা হয়। থানায় ফেরার পথে কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে গাড়ি থামিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন পুলিশ সদস্য মিজানুর রহমান, জাবেদ ওমর এবং রাব্বি। হঠাৎ করে ঘোড়াশালমুখী একটি অজ্ঞাত গাড়ি (কাভার্ডভ্যান) তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়।
এ সময় অন্য পুলিশ সদস্যরা আহত চারজনকে উদ্ধার করে রাত তিনটা ৫০ মিনিটে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখানে রফিকুল ইসলাম মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর গুরুতর আহত মিজানুর রহমান এবং জাবেদ ওমরকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরবর্তীতে মিজানুর রহমান এবং জাবেদকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সকাল ছয়টা ৪৭ মিনিটে চিকিৎসকেরা মিজানুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
[[
কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজানুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। জাবেদ ওমর গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রাব্বি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। চাপা দেওয়া গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বন্দি অবস্থান করছেন। এই বন্দিদের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।
শুক্রবার সকালে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত শাহেদ আহম্মদের মরদেহ সকাল ৮টা ১২ মিনিটের দিকে ঢাকায় পৌঁছায়। বিমানবন্দরের ৮ নম্বর কার্গো গেটে মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। পরে এটি পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় শাহেদ নিহত হন। শাহেদের বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তিনি সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে নিহত ১১ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অন্যদের মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। শাহেদ আহম্মদের পরিবারকে দ্রুত সরকারি অনুদান পৌঁছে দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
সম্প্রতি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটকে পূর্বে কোনো তথ্য জানায়নি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়নি।
সৌদির জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে গত ১৮ অক্টোবর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি গোপনীয় চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ১৪ অক্টোবর সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে দেশটির কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি জানা যায়।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, পবিত্র মক্কা নগরের একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়ে মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন করা। তবে এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করেনি বলে কনস্যুলেটের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠির তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের বিষয়ে তথ্য চেয়ে জেদ্দা কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পাওয়া তালিকায় নজরুল ও সুইটির নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে তাদের শাস্তির বিষয়ে সেখানে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
নজরুল ও সুইটি সৌদি আরবের আল মাজাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তালিকা অনুযায়ী, নজরুলকে ২০২৩ সালের ১ আগস্ট তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়। পরদিন সুইটিকে ব্যভিচারের অভিযোগে আটক করা হয়। নজরুল ছিলেন জেদ্দা সংশোধনাগারে, আর সুইটি ছিলেন জেদ্দা নারী কারাগারে।
সৌদি আরবে তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত অপরাধ বা ব্যভিচারের অভিযোগে আগে কোনো বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির নেই বলেও কনস্যুলেটের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কনস্যুলেটের চিঠিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের কারাগারগুলোতে বিভিন্ন ধরনের নৈতিকতাসংক্রান্ত মামলায় ৩০৬ জন বাংলাদেশি আটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সর্বনিম্ন সাজা এক মাসের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ সাজা ১৫ বছরের কারাদণ্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আদা ও রসুনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশি নতুন আদার কেজি দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা, আর দেশি রসুনের দাম বেড়েছে ৪০ টাকা। এর পাশাপাশি গাজর, কাঁকরোল, শিম, করলা ও কচুরলতির মতো কিছু সবজির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, টমেটো, বাঁধাকপি, ঢ্যাঁড়স ও ধনেপাতার দাম কমেছে। অন্যদিকে, মাছ, গরু-খাসির মাংস, ডিম, চাল ও অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নগরীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিক্রেতাদের মতে, আদা ও রসুনের সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা প্রশাসন বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে।
বাজারে দেশি নতুন আদার দাম প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, আমদানি করা আদার দাম ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, দেশি রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ২২০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে দেশি নতুন আদার দাম ছিল ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, আমদানি করা আদার দাম ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, দেশি রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির বাজারে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে, আবার কয়েকটির দাম কমেছে। টমেটো ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, গাজর ১৫০ থেকে ১৬০, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০, ঝিঙে ৫০ থেকে ৬০, ফুলকপি ৬০ থেকে ৭০ এবং মূলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আসা বাঁধাকপির পিসের দাম কমে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, চালকুমড়া প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫ থেকে ৩০, দুধকুষি ৩০ থেকে ৪০, সজনে ডাঁটা ১৮০ থেকে ২০০, শসা ৪০ থেকে ৫০ এবং লেবুর হালি ২০ থেকে ২৫ টাকা। চিকন বেগুন ৪০ থেকে ৭০, গোল বেগুন ৮০ থেকে ১০০, পটল ৪০ থেকে ৫০, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ এবং ঢ্যাঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
শিমের দাম বেড়ে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ এবং কচুরলতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে। বরবটি ৫০ থেকে ৬০, লাউ প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩০ এবং কচুরমুখী ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ধনেপাতার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছে। বিভিন্ন ধরনের শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকায়।
মিষ্টিকুমড়া ৪০ থেকে ৫০, শুকনা মরিচ ৪৫০ থেকে ৫০০, কার্ডিনাল আলু ২০ থেকে ২৫, দেশি সাদা ও বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ২৫ থেকে ৩০, শিল আলু ৫০ থেকে ৫৫ এবং ঝাউ আলু ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ ৯০ থেকে ১০০ এবং পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ধাপ বাজারের সবজি বিক্রেতা আকমাল হোসেন জানান, দুই-একটি সবজির দাম বাড়া-কমা করলেও অধিকাংশের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আদা ও রসুনের সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে পুরোনো আদা-রসুনের সরবরাহ কমে গেছে। নতুন করে কৃষকেরা চাষ শুরু করেছেন।
মাছ ও মাংসের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্রয়লার মুরগির দাম ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি ৩০০ থেকে ৩১০, পাকিস্তানি হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ এবং দেশি মুরগির দাম ৫৪০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭২০ থেকে ৭৫০ এবং খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি। ডিমের হালি ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা।
মাছের মধ্যে রুই ২৫০ থেকে ৪৫০, টেংরা ৪০০ থেকে ৬০০, কই ২০০ থেকে ৫০০, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০, কার্পু ২০০ থেকে ৩০০, পাঙাশ ১৫০ থেকে ২০০, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২২০, কাতলা ৩০০ থেকে ৫০০, বাটা ১৫০ থেকে ২৫০, শিং ৩০০ থেকে ৫০০ এবং সিলভার কার্প ১২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকার ও প্রজাতিভেদে গছিমাছ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।
নিত্যপণ্যের মধ্যে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০৫ থেকে ২১০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। চিকন মসুর ডাল ১৬০ থেকে ১৮০, মাঝারি মসুর ডাল ১১০, চিকন মুগডাল ১৬০ থেকে ১৭০, বুটের ডাল ১১০ থেকে ১২০, খোলা চিনি ১১০ থেকে ১১৫ এবং ছোলাবুট ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেট আটা ৬০ থেকে ৬৫, খোলা আটা ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং প্যাকেট ময়দা ৭৫ থেকে বেড়ে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজার ব্যবসায়ী জোসেফ উদ্দিন জানান, প্রায় সব ধরনের চালের দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। স্বর্ণা মোটা চাল ৪৮ থেকে ৫০, স্বর্ণা চিকন ৫২ থেকে ৫৫, বিআর-২৮ চাল ৬০ থেকে ৬৫, বিআর-২৯ চাল ৫৫ থেকে ৬০, জিরাশাইল ৫৫ থেকে ৬০, মিনিকেট ৮০ থেকে ৮৫ এবং নাজিরশাইল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা আতপ চাল ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং প্যাকেট চাল ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
রংপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান জানিয়েছেন, বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দিলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ