ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির


সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

আজ রবিবার ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-এর সভাপতি মানিক মুনতাসির এবং সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটির ৪৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এই তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: ফতুল্লায় কুবি শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক

এসময় রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন কাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

তিনি সাংবাদিকদের কল্যাণ ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়াকে সমাজের জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেন এবং পেশাগত স্বার্থরক্ষায় সকল বিভাজন ভুলে গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশে নির্ভীক ও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায় জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অপসাংবাদিকতা, অপতথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার প্রতিরোধে মূলধারার গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনে গবেষণার আহ্বান প্রযুক্তিমন্ত্রীর

মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও মমত্বের কথা তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আমি যে শিকড় থেকে এসেছি, যে শিকড় থেকে আমার বেড়ে ওঠা, সেই শিকড়কে আমি ধরে রাখতে চাই।’

ঠাকুরগাঁওকে সাম্প্রদায়িকতা ও মাদকমুক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি সাংবাদিকদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি ফোরামের সদস্যদের অভিনন্দন জানান, যারা বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশ ও ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছেন। তিনি সাংবাদিকদের প্রতি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম এসময় সংগঠনটির সদস্যদেরকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানান এবং জেলার সাফল্য ও অর্জনগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার জন্য উৎসাহিত করেন।

আরও পড়ুন: সরকার অবৈধ, জনগণের ৭০ শতাংশ রায়কে অবমাননা করেছে : নাহিদ ইসলাম

সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান।

তারা রাষ্ট্রপতিকে পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত করেন এবং সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

এছাড়া সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয় এবং গুরুতর অসুস্থ সদস্যদের জরুরি চিকিৎসার বিষয়েও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সংগঠনটির সমৃদ্ধি ও সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন।

আরও পড়ুন: মেঘনায় নৌ পুলিশের অভিযানে ৩৩ জেলে আটক, ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এসময় ফোরামের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- ঢাকা স্ট্রিমের সিইও সোহেল রানা, বাসসের প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মানিকুল আজাদ, প্রথম আলোর সাংবাদিক তুহিন সাইফুল্লাহ, বাসসের সাংবাদিক মাহাবুর আলম সোহাগ, স্টার নিউজের সিনিয়র প্রডিউসার মাহবুব আলম রাজ, কালবেলার সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম এবং চ্যানেল-২৪ এর সাংবাদিক মাসউদুর রহমান রানা।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক জোট ও কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক জোট ও কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে সকল ধরনের কূটনৈতিক পথ খোলা রেখেছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে চীন, জাপান, আসিয়ান, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রত্যাবাসনের টেকসই সমাধান খুঁজছেন সরকার।

আজ রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের অন্তরা হলে ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (এফএসডিএস) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘রোহিঙ্গা সংকট: উত্তরণের পথ-টেকসই প্রত্যাবাসন ও স্থায়ী আঞ্চলিক সমাধানের দিকে’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। এজন্য চীন, আসিয়ান, জাতিসংঘ, জাপানসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে একটি কৌশলগত আঞ্চলিক জোট ও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা প্রয়োজন। প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংকট সমাধানে আনুষ্ঠানিক কূটনীতির পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক মাধ্যম কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য পথ খোঁজা হচ্ছে। তবে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে সব সম্ভাব্য পথ বিবেচনায় রেখে কূটনৈতিক সংলাপ অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি জাপান সরকারের মিয়ানমার বিষয়ক জাতীয় পুনর্মিলন-সংক্রান্ত বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাসাকাওয়ার বাংলাদেশ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি নিজে তাঁর সঙ্গে প্রত্যাবাসন ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এ বিষয়ে জাপান সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

চলতি মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ওই সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আরও আলোচনা হবে।

সেমিনারের সভাপতি এফএসডিএসের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর (অব.)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক সমস্যা বা দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। মিয়ানমারের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় সংকট ব্যবস্থাপনার প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে কৌশলগত কূটনীতি, অস্থায়ী ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি টেকসই প্রত্যাবাসন এবং বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের পরিবর্তে সমন্বিত জাতীয় কৌশলের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে মিয়ানমারের ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করে তাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে এ বছর বাংলাদেশের প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। চীন, জাপান, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট দেশ ও সংস্থার সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ বের করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে তিনটি বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আলী আশরাফ মিয়ানমার ও রাখাইনের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। অধ্যাপক শাহাব এনাম খান রাখাইনের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা ও প্রত্যাবাসনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাফায়াত আহমদ, পিএইচডি (অব.) আঞ্চলিক কূটনীতি ও বাংলাদেশের কৌশলগত করণীয় বিষয়ে প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

প্রবন্ধগুলোর ওপর আলোচনায় বক্তারা বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে শুধু নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে দেখলে চলবে না। প্রত্যাবাসন টেকসই করতে ফেরত যাওয়া নাগরিকদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, বাসস্থান, জীবিকার সুযোগ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গ্রহণযোগ্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এসব মৌলিক বিষয় নিশ্চিত করা না গেলে প্রত্যাবাসনের স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যেতে পারে।

সেমিনারে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সচিবালয় সরানো হচ্ছে শেরেবাংলা নগরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


সচিবালয় সরানো হচ্ছে শেরেবাংলা নগরে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ অনুযায়ী, ঢাকার আবদুল গনি রোডে অবস্থিত সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরিত হবে। একইসাথে, বর্তমান সচিবালয় চত্বরে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালত স্থানান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে।

গত বুধবার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন এখনও পাওয়া যায়নি। সরকার আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করতে চায়, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজ চলছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি নকশা প্রস্তুত করেছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, "সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, "তা অনুসরণ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।" ইতোমধ্যে প্রকল্পের নকশা প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। সেসব আমলে নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি লে-আউট প্রস্তুত করেছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় এই প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রয়োজনীয় তথ্য ইতোমধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে নির্মাণকাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সের নকশা নিয়ে কাজ করছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সামনে তিনটি বিকল্প নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদনের পর গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রাথমিক পরিকল্পনায়, প্রথম ধাপে তিন বছরের মধ্যে কয়েকটি মন্ত্রণালয় নতুন স্থানে স্থানান্তরের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তবে, সব ভবন নির্মাণ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগতে পারে।

নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে, রাজধানীর প্রশাসনিক অবকাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তবে, প্রকল্পের ব্যয়, নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যায় গুপ্ত শিবির জড়িত ছিল: আবু হানিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যায় গুপ্ত শিবির জড়িত ছিল: আবু হানিফ

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় গুপ্ত শিবিরের involvement ছিল।

তিনি রোববার (১১ অক্টোবর) সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে এই বক্তব্য তুলে ধরেন।

আবু হানিফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ২০১৯ সালে আবরার ফাহাদকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ। সেই সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। তবে, তখন শিবিরকে কোথাও প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, সেই সময় অনেক শিবির নেতা ছাত্রলীগের মধ্যে গুপ্ত হিসেবে ছিল।

তিনি আরও বলেন, "গত কয়েকদিন আগে বলেছিলাম ফাহাদ হত্যার ঘটনায়ও গুপ্ত শিবির জড়িত থাকতে পারে।" তার মতে, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামির পক্ষের আইনজীবী সাবেক শিবির নেতা এডভোকেট শিশির মনির ছিলেন।

আরেকটি উদাহরণ হিসেবে, তিনি উল্লেখ করেন, যখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছিল, তখন বর্তমান শিবির নেতা সাদিক কায়েম ছাত্রলীগের সাথে মিছিল করছিল। এই সবই প্রমাণ করে যে, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় গুপ্ত শিবিরের involvement ছিল।

আবু হানিফ বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রলীগে থাকা অনেক গুপ্ত শিবির প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও গুপ্তরা এটাকে আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে প্রচার করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শোক ও নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


সৌদি বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শোক ও নিন্দা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ফলে দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জনের মৃত্যু এবং অনেকের আহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই শোকের বার্তা রোববার গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "এ ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, আমি তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।" তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, "বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এ ধরনের হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়।" নিরপরাধ মানুষের জীবনহানি কাম্য নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "এ ধরনের সহিংসতা আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে।" তিনি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, "সৌদি আরবে বসবাসরত ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।" তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ তার শোক বিবৃতিতে বলেন, "পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সফররত ব্যক্তিসহ নিরীহ মানুষের হতাহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।" তিনি বলেন, "বেসামরিক মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।"

তিনি সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, তাঁরা যেন পবিত্র ওমরাহ পালন করতে যাওয়া যাত্রীসহ সব বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। সংঘাতের কারণে নিরীহ মানুষের জীবনহানি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন।

খেলাফত মজলিস

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের নিহতদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। নেতারা মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দকে চলমান সংঘাত বন্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ইসলামী আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান তার শোক বাণীতে বলেন, "বেসামরিক জীবন বিপন্ন করা এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা বরদাশতযোগ্য নয় এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।"

তিনি আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে শত্রুতা বন্ধের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, "সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ উন্মুক্ত করতে হবে।"

জমিয়তে উলামা

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বিবৃতিতে বলেন, "পবিত্র ভূমি সৌদি আরবে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।" তারা বলেন, "নিরীহ মানুষের প্রাণহানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।" এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

খেলাফত আন্দোলন

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী তার বিবৃতিতে বলেন, "মুসলমানদের পবিত্র নগরী মক্বা-মদীনাকে শত্রুদের আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করার জন্য মুসলিম বিশ্বের শাসকসহ শান্তিকামি বিশ্ব নেতাদের জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করছি।" তিনি সৌদি ও বাংলাদেশ সরকারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানাতে এবং শহীদ পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

নেজামে ইসলাম পার্টি

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার বিবৃতিতে বলেন, "বেসামরিক বিমানবন্দর ও নিরপরাধ মানুষকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" তারা বলেন, "এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিতিশীলতাকে আরও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।"

তারা আরও বলেন, "রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা শুধু সৌদি আরবের নিরাপত্তার ওপর আঘাত নয়; এটি আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর হুমকি।" তারা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

খেলাফত আন্দোলন

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের (একাংশ) আমির আল্লামা আবু জাফর কাসেমী এবং মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম বিবৃতিতে বলেন, "সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ওমরা যাত্রীদের বহনকারী বিমানের ওপর হুতীতের হামলা অত্যন্ত নেককার জনক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা, এটা কোনক্রমেই গ্রহণ করা যায় না।" তারা বলেন, "সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো যেকোনো হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।" তারা এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ বলেও মন্তব্য করেন। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%