ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফতুল্লায় কুবি শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক


ফতুল্লায় কুবি শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক

ফতুল্লার সাইনবোর্ড এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাত ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। ফারজানা ফার্মেসি বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী নাজমুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। নাজমুল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: সুরঞ্জিতের নেতৃত্বে অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল ও সালাহউদ্দিন আহমদের মতভেদ

পুলিশ লাশ তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

ফারজানার পরিবারের দাবি, যৌতুকের জন্য নির্যাতনের পর তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতের ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে ফারজানার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলছিল। নির্যাতনের কারণে তিনি গত বছরের ডিসেম্বরে বাবার বাড়িতে চলে যান এবং স্বামীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা করেন। পরবর্তীতে দুই পরিবারের সমঝোতায় মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরিফুলের অভিযোগ, মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরেই ফারজানাকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও বোনের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে মা ইলিশ নিধনের মহোৎসব

ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী সুমন মাহতাব জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারজানাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পায়। প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপকূল দিয়ে পাচারকালে ইয়েমেনি বাহিনী হুথিদের বড় অস্ত্র চালান জব্দের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


উপকূল দিয়ে পাচারকালে ইয়েমেনি বাহিনী হুথিদের বড় অস্ত্র চালান জব্দের দাবি

ইয়েমেনের শাবওয়া প্রদেশে সমুদ্রপথে চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক ভর্তি একটি লরি জব্দ করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। রবিবার গভর্নরের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, হুথি গোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ত একটি সেলের ১৩ জন সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

শাবওয়ার গভর্নর ও প্রাদেশিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান আওয়াদ আল-ওয়াজির জানিয়েছেন, ইরান-সমর্থিত হুথি ও ইয়েমেন সরকারের মধ্যে চলমান লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে ধারাবাহিক নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে।

গভর্নরের কাছে জমা দেওয়া প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অস্ত্রগুলো প্রথমে নৌকায় করে ইয়েমেনের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে আনা হয় এবং সেখানকার চোরাচালানকারী সেলটির সদস্যদের হাতে তা তুলে দেওয়া হয়। এই চালানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অস্ত্রগুলো ইরান-ঘনিষ্ঠ হুথিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

উদ্ধারকৃত চালানের মধ্যে স্নাইপার রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, অতি-ধ্বংসাত্মক মেকশিফট বিস্ফোরক (আইইডি) এবং বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্টাইল (ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই পাচার অভিযানের সম্পূর্ণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এর পেছনের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক শনাক্তকরণ ও জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এই অস্ত্র জব্দের ঘটনার ঠিক কয়েক দিন আগে শাবওয়াতে 'র‌্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্সেস'-এর ওপর একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুথিরা। গভর্নরের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেই হামলায় ৭৭ জন নিহত এবং ১৯৫ জন আহত হন।

হুথিরা এই হামলার দায় স্বীকার করে দাবি করেছে যে, সেখানে সৌদি সামরিক কর্মকর্তাদের পরিচালনায় "সৌদি শত্রু বাহিনী" অবস্থান করছিল। এই গোষ্ঠীটির দাবি অনুযায়ী, হতাহতদের মধ্যে সৌদি সদস্যরাও ছিলেন। তবে এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

গভর্নর আল-ওয়াজির সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি পরবর্তী পাচার ও অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিরোধে স্থল ও জলপথে নজরদারি ও তল্লাশি জোরদার এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে হুথিরা সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলগুলোতে হামলা জোরদার করেছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন রাজধানী এডেন বিমানবন্দর এবং প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে তারা আক্রমণ চালায়। প্রাসাদে চালানো একটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ৫ জন নিরাপত্তা কর্মী প্রাণ হারান।

চলতি মাসে ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী হুথি-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেপ প্রণালীর কাছাকাছি বেশ সাফল্য পেয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণাঞ্চলীয় পার্বত্য অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ঘাঁটি তায়েজ শহরকে এখনও অবরুদ্ধ করে রেখেছে হুথিরা। জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ শাবওয়াতেই রয়েছে ইয়েমেনের সর্ববৃহৎ শিল্প বিনিয়োগ 'বালহাফ এলএনজি' কেন্দ্র।

২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে নিলে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে ইয়েমেন সরকারের অনুরোধে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক হস্তক্ষেপ করে। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হলেও চলতি বছর থেকে লড়াই আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

বর্তমানে এই সংঘাতটি ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের অন্যতম একটি ফ্রন্টে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেল রফতানিতে শীর্ষস্থানে থাকা সৌদি আরবের ওপর হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে হুথিরা। ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাওয়া ইয়েমেনে এই নতুন করে শুরু হওয়া লড়াই বেসামরিক মানুষদের পরিস্থিতিকে আরও করুণ করে তুলছে।

সূত্রঃ দ্য ন্যাশনাল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লালমনিরহাটে বাঘের আক্রমণে ৩ জন আহত, বিজিবির গুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


লালমনিরহাটে বাঘের আক্রমণে ৩ জন আহত, বিজিবির গুলি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাঘের আক্রমণের ফলে তিনজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটেছে রোববার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল এলাকায়।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন: আমঝোল গ্রামের শহিদার রহমানের স্ত্রী শরিফা বেগম (৩০), একই এলাকার মৃত মনির হোসেনের ছেলে আফসার হোসেন (৪০) এবং নজরুল ইসলাম। তবে নজরুল ইসলামের বাবার নাম জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শরিফা বেগম ধানক্ষেতে ছাগল খুঁজতে গিয়ে দেখতে পান, ছাগলটি ঘাস খাচ্ছে। তখন তিনি ছাগলটির কাছে গেলে বাঘের আক্রমণের শিকার হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনায় আরও দুজন আহত হন।

আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যপ্রাণীর চলাচল রয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবির সদস্যরা ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে জানা গেছে।

তবে গুলি ছোড়ার কারণ সম্পর্কে এবং এ বিষয়ে বিজিবির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আল মামুন জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোনাব্বেরুল হক মোনা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সীমান্ত এলাকার লোকজন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁশখালীতে ডায়নামিক সিটি লায়ন্স ক্লাব ও সালমা-আদিল ফাউন্ডেশনের চক্ষুসেবা ও পুনর্বাসন সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


বাঁশখালীতে ডায়নামিক সিটি লায়ন্স ক্লাব ও সালমা-আদিল ফাউন্ডেশনের চক্ষুসেবা ও পুনর্বাসন সহায়তা

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চক্ষুসেবা, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক প্রচারণা ও পুনর্বাসন সহায়তাসহ দিনব্যাপী বহুমুখী সেবামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বাঁশখালী হামেদিয়া রহিমা ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এই আয়োজন করা হয়।

‘লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ডায়নামিক সিটি’ ও ‘লিও ক্লাব অব চিটাগাং গোল্ডেন সিটি’র যৌথ উদ্যোগে এবং সালমা-আদিল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচি থেকে দিনভর ছয় শতাধিক গ্রামবাসী সেবা গ্রহণ করেছেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত আই ক্যাম্পে রোগীদের চোখের প্রাথমিক চিকিৎসা, ছানি অপারেশনের জন্য রোগী শনাক্তকরণ, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও বিনা মূল্যে চশমা বিতরণ করা হয়। আই ক্যাম্প পরিচালনায় সার্বিক সহায়তা দেয় চট্টগ্রাম লায়ন্স চ্যারিটেবল আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতাল। স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং শৈশবকালীন ক্যানসার, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও খোসপাঁচড়া প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক সচেতনতাও তৈরি করা হয়।

অন্যদিকে, সামাজিক পুনর্বাসন সহায়তার আওতায় এলাকার একাধিক অসহায় পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া দরিদ্র পরিবারের জীবিকা নির্বাহের জন্য গবাদিপশু, আত্মকর্মসংস্থানের সুবিধার্থে সেলাই মেশিন এবং বসতঘর মেরামতের জন্য ঢেউটিন বিতরণ করা হয়। এর পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে পবিত্র কোরআন শরিফ, হাফেজদের পাগড়ি ও রিহাল বিতরণ করেন আয়োজকরা।

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ডায়নামিক সিটির চলতি সেবা বর্ষের প্রেসিডেন্ট লায়ন সালমা আদিল, এমজেএফের নেতৃত্বে এবং ক্লাব সার্ভিস চেয়ারপারসন লায়ন আফরোজা বেগমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুরো কার্যক্রমটি বাস্তবায়িত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও কঙ্গোর অনারারি কনসাল জিয়াউদ্দিন আদিল। এতে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী টাইমসের সম্পাদক আবু ওবায়েদ আরাফাত এবং বাঁশখালী রহিমা এতিমখানার সভাপতি ইশতিয়াক উদ্দিন চৌধুরী।

আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে লায়ন্স জেলা ৩১৫ বি৪-এর গভর্নর লায়ন মোহাম্মদ কামরুজ্জামান লিটন, পি এমজেএফ বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে লায়ন সদস্যরা মানুষের কল্যাণে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ডায়নামিক সিটি লায়ন্স ক্লাব ও সালমা-আদিল ফাউন্ডেশনের এই সমন্বিত সেবামূলক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম সমাজের অন্যদেরও মানবিক সেবায় এগিয়ে আসতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে লায়ন সালমা আদিল বলেন, ‘মানুষের মৌলিক অধিকার ও মৌলিক চাহিদা পূরণ, সঠিক স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করা এবং আবাসন ও জীবিকার মাধ্যম তৈরি করে দেওয়ার মাধ্যমে অসহায় মানুষকে স্বাবলম্বী করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে আমাদের এই সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স জেলা ক্যাবিনেটের ক্যাবিনেট ট্রেজারার লায়ন জিল্লুর রহমান, এমজেএফ; জিএসটি লায়ন হেলাল উদ্দিন; জিএলটি লায়ন মুহাম্মদ মুসা; লায়ন সাব্বির আহমেদ; লায়ন মাহী চৌধুরী; লায়ন আরশাদুর রহমান; লায়ন এ কে এম সালাউদ্দিন, এমজেএফ; লায়ন নুরুল আলম; লায়ন জিয়াউদ্দিন সোহেল; জেড সি ওয়ান লায়ন সাইফুল ইসলাম, লায়ন জাহাঙ্গীর আলম; লায়ন আবদুর রাজ্জাক; লায়ন এম এ আজিজ হাওলাদার; লায়ন সাইফুল ইসলাম এবং লিও আরিফুল ইসলামসহ লায়ন্স ও লিও জেলা পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লায়ন শওকত চৌধুরী, এমজেএফ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষিঋণে খেলাপি ১৯ হাজার কোটি টাকা, ইসলামী ব্যাংকে বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


কৃষিঋণে খেলাপি ১৯ হাজার কোটি টাকা, ইসলামী ব্যাংকে বাড়ছে

বাংলাদেশের কৃষি ও পল্লিঋণ খাতে এক বছরে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ কিছুটা কমলেও ইসলামী ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ বেড়ে গেছে। এ তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। খাত-সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন, কৃষিঋণে শ্রেণিকৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমাতে ঋণ বিতরণ বাড়ানো যথেষ্ট নয়, বরং আদায় কার্যক্রমকেও জোরদার করতে হবে।

কৃষকের প্রকৃত চাহিদা ও ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা যাচাই করে ঋণ বিতরণ করা এবং ঋণের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকগুলোতে শ্রেণিকৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণ দ্রুত বাড়ায় ঋণ বিতরণ ও আদায় ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার প্রয়োজন রয়েছে। এ ছাড়া ঋণ গ্রহীতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সময়মতো কিস্তি আদায় এবং অনাদায়ী ঋণের কারণ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, এ মাসে কৃষিঋণে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ১৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯ হাজার ৪৯৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এই হিসাবে এক বছরে শ্রেণিকৃত ঋণ কমেছে ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

একই সময়ে কৃষিঋণের মেয়াদোত্তীর্ণ অংশও কমেছে। ২০২৫ সালের আগস্টে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৯৬৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৩৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এক বছরে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমেছে ১ হাজার ২৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা বা ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

তবে সামগ্রিক খাতে ঋণ কমলেও ব্যাংকভেদে চিত্র ভিন্ন। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকগুলোতে শ্রেণিকৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ২০২৫ সালের আগস্টে ছিল ৪৫৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এক বছরে এ ঋণ বেড়েছে ৯১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

একই সময়ে ইসলামী ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণও বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে এ পরিমাণ ছিল ৩৮৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এক বছর পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এতে এক বছরে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ বেড়েছে ১১৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

শুধু খেলাপি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ নয়, আদায়যোগ্য কৃষিঋণের পরিমাণও ইসলামী ব্যাংকগুলোতে বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে আদায়যোগ্য ঋণের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭০৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৪৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এক বছরে আদায়যোগ্য ঋণ বেড়েছে ৭৩ দশমিক ১৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, ইসলামী ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণ আদায়ের পরিমাণও বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে আদায় হয়েছিল ৮৯৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭০ কোটি ৫ লাখ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩০ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে কৃষিঋণের শ্রেণিকৃত ঋণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ—দুটিই বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে এসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত কৃষিঋণ ছিল ৪ হাজার ৬৮৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৬৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা। এক বছরে বেড়েছে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণও বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে এর পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ২২৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৪৬৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এক বছরে এ ঋণ বেড়েছে ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

অন্যদিকে, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে শ্রেণিকৃত কৃষিঋণ কমেছে। ২০২৫ সালের আগস্টে এসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণ ছিল ১৩ হাজার ৪৯৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ১৬৯ কোটি ২১ লাখ টাকা। এক বছরে কমেছে ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণও কমেছে। ২০২৬ সালের আগস্টে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৮৯২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ কম। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও কৃষিঋণের শ্রেণিকৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমেছে। এক বছরে শ্রেণিকৃত ঋণ ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমে ৮০১ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় নেমেছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমেছে ২৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ২০২৬ সালের আগস্টে এসব ব্যাংকের মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণের পরিমাণ ছিল ৭৪১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের আগস্ট—উভয় সময়েই শ্রেণিকৃত এবং মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণের পরিমাণ শূন্য ছিল।

কৃষিঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো মোট ৭ হাজার ৪১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা কৃষিঋণ আদায় করেছে। আগের বছরের একই সময়ে আদায়ের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৭৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এক বছরে আদায় বেড়েছে ২২ দশমিক ১৬ শতাংশ।

ব্যাংকের ধরন অনুযায়ী, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে কৃষিঋণ আদায় বেড়েছে ৩৯ দশমিক ১৯ শতাংশ। ইসলামী ব্যাংকগুলোতে বেড়েছে ৩০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে আদায় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে বেড়েছে ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে বেড়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

তবে আদায় বাড়লেও আদায়যোগ্য কৃষিঋণের পরিমাণও বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে ব্যাংকগুলোর মোট আদায়যোগ্য কৃষিঋণ ছিল ৩০ হাজার ৭৭৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৭৩২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এক বছরে আদায়যোগ্য ঋণ বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৬ সালের আগস্টে ৫৮টি ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষিঋণ বিতরণ হয়েছে ৬ হাজার ৮৫৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে বিতরণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৮২৬ কোটি ৩ লাখ টাকা। এক বছরে কৃষিঋণ বিতরণ বেড়েছে ৪২ দশমিক ১০ শতাংশ।

একই সময়ে ব্যাংকগুলোর মোট কৃষিঋণের স্থিতি বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে কৃষিঋণের স্থিতি ছিল ৫৯ হাজার ৫৪১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ৬২০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এক বছরে ঋণের স্থিতি বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। আগস্ট পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে ৬ হাজার ৮৫৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরণে এগিয়ে রয়েছে বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। এসব ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ২৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর অর্জন ১২ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ইসলামী ব্যাংকগুলোর ১২ দশমিক ৯৩ শতাংশ, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

ব্যাংকগুলোর বাইরে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডকে (বিআরডিবি) অন্তর্ভুক্ত করে হিসাব করলে, ২০২৬ সালের আগস্টে কৃষিঋণ বিতরণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৭ হাজার ৬৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ২১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এ হিসাবে এক বছরে বিতরণ বেড়েছে ৪০ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দশ বছরের পরিসংখ্যানে কৃষিঋণের শ্রেণিকৃত অংশের বড় পরিবর্তন দেখা যায়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শ্রেণিকৃত কৃষিঋণের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ২৪০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৭৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

একই সময়ে কৃষিঋণ বিতরণ বেড়ে ৪২ হাজার ৮৩৪ কোটি ১৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ঋণ আদায়ের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৪৫ হাজার ৬২৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। অন্যদিকে, আদায়যোগ্য ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬ হাজার ২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণ ১৯ হাজার ৮০৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

২০২৬ সালের আগস্টে কৃষিঋণের মোট শ্রেণিকৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ আগের বছরের তুলনায় কমলেও ইসলামী ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ঋণমানের অবনতি দেখা গেছে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকগুলোর শ্রেণিকৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ কৃষিঋণের দ্রুত বৃদ্ধি খাতটির ব্যাংকভিত্তিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য তুলে ধরেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, কৃষিঋণের ঝুঁকি কমাতে শুধু ঋণ বিতরণ বাড়ানো যথেষ্ট নয়, বরং ঋণগ্রহীতার সক্ষমতা যাচাই, অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকিও জোরদার করতে হবে। কৃষির উৎপাদনব্যবস্থা, কৃষি উপকরণের সরবরাহ এবং ঋণ পরিশোধের সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থায়ন না হলে ঋণ আদায়ে চাপ তৈরি হতে পারে। এ কারণে খেলাপি ঋণ কমানোর পাশাপাশি কৃষি অর্থায়নের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%