মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫২ পি.এম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়ন নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদনের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ র্যালির আয়োজন করেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে চারুকলা অনুষদ সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে র্যালিটি একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তৃতা রাখেন কর্মচারী সমিতি এবং কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় কর্মচারী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম কাজল বলেন, "আমরা আশাবাদী ছিলাম অন্তর্বতীকালীন সরকার আমাদের দাবির পে স্কেল বাস্তবায়ন করে যাবেন।" তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পে স্কেল বাস্তবায়ন না করার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা যমুনা অভিমুখে আন্দোলন কর্মসূচির জন্য এগিয়ে যান। তিনি জানান, সেই সময় পুলিশি লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলে অনেক কর্মচারী আহত হয়।
নজরুল ইসলাম কাজল আরও বলেন, "পরবর্তীকালে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই পে স্কেল বাস্তবায়ন করেছে। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।"
শ্রমিক দিবসে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছিলেন তা স্মরণ করে তিনি বলেন, 'তোমরা আমার নামটা কর্মচারীদের তালিকায় দাও, আমিও তোমাদের সাথে কাজ করে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই।' সরকারী এই আন্তরিকতা কর্মচারীদের আশান্বিত করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে কর্মচারীরা সকল উন্নয়নমূলক কাজে সরকারের পাশে থাকবে।
কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি হারুন উর রশিদ বলেন, "অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ঢাকায় যমুনাতে আমাদের আন্দোলনের সময় গ্রেনেড, পানি দিয়ে হামলা করেছে।" তিনি জানান, আন্দোলনের সময় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী পঙ্গু হয়েছিল, যার খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে না। তিনি ফেডারেশনের কাছে দাবি জানান তাদের খোঁজখবর নেওয়ার।
হারুন উর রশিদ বলেন, "বর্তমান সরকার সাত মাসে এই পে স্কেল দেওয়ার মাধ্যমে দুঃসাহসের পরিচয় দিয়েছেন, যা আগে কেউ করতে পারেনি।"
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন কর্মচারী যমুনা অভিমুখী আন্দোলনে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। র্যালি শেষে সেই তিন কর্মচারী হারুন, রুকন এবং রানাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বা গেজেট জারি করা হয়েছে, যা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ গোলটেবিল বৈঠক ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।
এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায়, রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত বিএমএ ভবনের শহীদ ডা: শামসুল আলম খান মিলন মিলনায়তনে।
প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার।
ড্যাবের সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা: হারুন আল রশীদ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি পরিচালনা করবেন সংগঠনের মহাসচিব ডা: মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন সম্পর্কিত উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা: মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব ডা: রেজা মো. সামিউল হাসান (বাবু) যৌথভাবে এই আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকায় ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড এবং অন্যান্য আকস্মিক দুর্যোগের মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত শহর প্রতিরক্ষা দল (টিডিপি) স্বেচ্ছাসেবকদের কাজে লাগানোর লক্ষ্যে আনসার-ভিডিপি ও ফায়ার সার্ভিসের মধ্যে সমন্বয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ঢাকার খিলগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে রাজধানীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, জোন এবং থানা এলাকায় প্রশিক্ষিত টিডিপি স্বেচ্ছাসেবকদের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়। তাদের প্রশিক্ষণ এবং মোতায়েন ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া আনসার-ভিডিপির স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ককে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
আনসার-ভিডিপির ডিজিটাল ডাটাবেজে থাকা প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের দুর্যোগের সময়ে প্রথম সাড়াদানকারী হিসেবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তারা দ্রুত সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণ এবং মানবিক পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশ নিতে সক্ষম হবেন।
বৈঠকে প্রস্তাবিত এক লাখ টিডিপি স্বেচ্ছাসেবী সদস্যকে আনসার-ভিডিপির মৌলিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড এবং অন্যান্য আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেওয়ার রূপরেখা নিয়েও আলোচনা হয়। এর মাধ্যমে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং অগ্নিনির্বাপণসহ জরুরি পরিস্থিতিতে দুই বাহিনীর সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। মাঠপর্যায়ে পেশাদারিত্ব বাড়াতে প্রশিক্ষণ সহায়তা এবং কৌশলগত তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়েও দুই বাহিনীর মহাপরিচালক আলোচনা করেন।
ভবিষ্যতে জাতীয় সংকট এবং মানবিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার কাজ শেষে উপকূলে ফেরার সময় বরগুনার তালতলীর একটি মাছ ধরার ট্রলার প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারণে ডুবে গেছে। ট্রলারে অবস্থানরত ১৩ জেলের মধ্যে ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, এখনও দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে সাগরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের বড় ভাইজোড়া এলাকার মো. মনির হোসেনের ছেলে মো. রাকিব (১৯) এবং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের পাওয়াপাড়া এলাকার হরমুজ আলী হাওলাদারের ছেলে মো. নবী হোসেন (৪৫) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া ১১ জেলের মধ্যে ছয়জন তালতলী উপজেলার, চারজন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার এবং একজন খুলনা জেলার বাসিন্দা।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের সওদাগরপাড়া এলাকার আল-আমিন ও গোলাম রাব্বির যৌথ মালিকানাধীন ‘এফবি জান্নাত-জুনায়েদ’ নামের ট্রলারটি গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে ১৩ জেলেকে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যায়।
সোমবার সাগরের আবহাওয়া খারাপ হয়ে উঠলে জেলেরা ট্রলার নিয়ে উপকূলে ফিরতে শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছালে প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি উল্টে যায় এবং ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর সাগরে ভাসমান ১১ জেলেকে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার এসে উদ্ধার করে। পরে তারা ওই ট্রলারে নিরাপদে উপকূলে ফিরে আসেন। তবে নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।
উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের মালিক মো. আল-আমিন জানান, ‘প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি হঠাৎ উল্টে যায়। আমরা ১১ জন সাঁতরে বের হতে পারলেও ভেতরের কেবিনে দুজন আটকে পড়েন। পরে সাগরে ভাসতে থাকা অবস্থায় অন্য একটি ট্রলার আমাদের দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে। তবে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার বলেন, ‘দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিখোঁজ দুই জেলেকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া জেলেদেরও খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে থানা পুলিশের কঠোর অবস্থান রয়েছে।
গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ওমর ফারুকের নির্দেশনায় গত ৩ জুলাই থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮১ দিনের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে ২৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ সময়ের মধ্যে মাদক মামলায় ৩২ জন, চোরাচালান মামলায় ২৩ জন, জিআর পরোয়ানায় ৬১ জন, জিআর সাজায় ১৩ জন, সিআর পরোয়ানায় ৪০ জন, সিআর সাজায় ১১ জন এবং নিয়মিত মামলায় ৬৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২৮টি মাদক মামলায় ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব অভিযানে উদ্ধার করা হয় ১৬০ লিটার চোলাই মদ, ২ হাজার ৫৭৫ বোতল ভারতীয় এসকাফ কফ সিরাপ, ১৬৭ বোতল ও ৪২ ক্যান বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় মদ, ১ হাজার ৬৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৬১ দশমিক ৫ পুরিয়া গাঁজা। উদ্ধার করা এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকার বেশি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গোয়াইনঘাট সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায় চোরাচালান রোধেও কঠোর অবস্থানে রয়েছে থানা পুলিশ। ১৭টি চোরাচালান মামলায় ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় চোরাই পণ্য ও চোরাচালানে ব্যবহৃত যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় নাসির বিড়ি, যার আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ ২০ হাজার ২০০ টাকা; ১ হাজার ৯০০ কেজি ভারতীয় জিরা, যার আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা; ৯ হাজার ৮৭২ পিস বিভিন্ন কোম্পানির ভারতীয় চকলেট ও অন্যান্য সামগ্রী এবং ২২০ বোতল ভারতীয় অলিভ অয়েল, ডাবর আমলা হেয়ার অয়েল ও বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী। এছাড়া চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি পুরোনো রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজি, একটি পিকআপ, একটি ডিআই পিকআপ, ইঞ্জিনচালিত কাঠ ও বারকি নৌকা এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, ধারাবাহিক অভিযানের ফলে মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সময়ে থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগও উঠেছে।
পুলিশের ভাষ্য, অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কারণে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে এসব অপপ্রচারে কান না দিয়ে অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ওমর ফারুক বলেন, গোয়াইনঘাট উপজেলাকে মাদক, চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধমুক্ত করতে থানা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান, কোনো অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিয়ে অপরাধ দমনে পুলিশকে সহযোগিতা করুন। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত অপরাধ দমন ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি এবং কঠোর অভিযান ভবিষতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ