মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ মন্তব্য করেছেন যে, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু নয়। তিনি এই মন্তব্যটি ইসরাইলকে মার্কিন মিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ইসরাইলের প্রতি তার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এল-সাইয়েদ বলেন, “যে মিত্র আপনার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে আপনাকে এমন যুদ্ধে জড়াতে চায়, যে যুদ্ধে আপনার জড়ানো উচিত নয়, সে কোনো মিত্র নয়।”
ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বোঝাতে তিনি বন্ধুত্বের উদাহরণ টেনে বলেন, “এমন একজন বন্ধুর কথা ভাবুন, যে আপনার সন্তানদের অর্থ বারবার নেয়, অথচ তাদের পেছনে তাদের নিয়েই কথা বলে এবং অন্য বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদে জড়ায়।”
সাংবাদিককে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আপনি আপনার সন্তানকে কী বলতেন? সম্ভবত বলতেন, সে আসলে আপনার বন্ধু নয়।”
এল-সাইয়েদ আরও বলেন, “আমাদের এখন উপলব্ধি করার সময় এসেছে যে ইসরাইল আসলে আমাদের বন্ধু নয়।”
এল-সাইয়েদের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। সম্প্রতি তার শ্যালিকা মিরিয়াম জুকাকুর বিরুদ্ধে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের সময় সন্ত্রাসী নজরদারি তালিকা-সংক্রান্ত একটি ফেডারেল মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া বক্তব্যে এল-সাইয়েদ এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, তার শ্যালিকা কোনো অন্যায় করেননি। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, তার নাম ও পরিচয়ের কারণে ইসলামবিদ্বেষ থেকে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
এল-সাইয়েদ বলেন, “এখানে এমন একটি ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে ভিন্ন ধরনের নামের কারণে মানুষকে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগেই দোষী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মিশিগানে রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইক রজার্সের মতো ব্যক্তিরা এ ধরনের কাঠামো তৈরি করে, এটি তারই ফল।”
এল-সাইয়েদের ইসরাইলবিরোধী অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ইহুদিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে কয়েকটি ‘অপরিবর্তনীয়’ নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাব্বি ও অন্যান্য ইহুদি নেতা।
তাদের আশঙ্কা, এল-সাইয়েদের ইসরাইলবিরোধী অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদিদের নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে, মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে হতাশ ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের ডেমোক্র্যাট-সমর্থক শিক্ষার্থীদের একটি অংশ সম্প্রতি এল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারেও যুক্ত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকে ইউসুফ পাঠানকে একটি বিতর্কিত জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাঠান, যিনি ভারতের সাবেক ক্রিকেটার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক সংসদ সদস্য, বরোদা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (ভিএমসি) অধীনে থাকা জমিটি পাবেন। জমির আয়তন ৯৭৮ বর্গমিটার, যা তান্দালজা এলাকায় অবস্থিত।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫০০ বর্গমিটার জমি পাঠানকে উপহার হিসেবে দেওয়া হবে, যা তিনি থাকার কাজে ব্যবহার করবেন। বাকি ৪৭৮ বর্গমিটার জমি তিনি কিনবেন, যার দাম হবে মূল্যায়ন করা দামের ৫৫ শতাংশ। ভিএমসির কমিশনার অরুণ মহেশ বাবু নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারের অনুমোদন এসেছে পাঠানের চাওয়া জমির বিষয়ে। তিনি উল্লেখ করেন, "তবে খুঁটিনাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রস্তাবটিকে ভিএমসির স্থায়ী কমিটি ও সাধারণ বোর্ডের অনুমোদনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।" প্রথমে স্থায়ী কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করবে এবং পরে সাধারণ বোর্ডে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর, ২০২৬ সালের ১৪ জুন ইউসুফ পাঠান এবং তৃণমূলের আরও কয়েকজন বিদ্রোহী লোকসভা সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন। সংক্ষেপে দলটির নাম এনসিপিআই। পাঠান এই দলের জাতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।
ভিএমসির ভূমি ও সম্পত্তি বিভাগ জমির প্রস্তাবটি তৈরি করেছে। জমিটি তান্দালজার টাউন প্ল্যানিং স্কিম ২২-এর ৯০ নম্বর চূড়ান্ত প্লট। ভিএমসির অনুমোদিত হিসাবে প্রতি বর্গমিটারের দাম ২ লাখ ১০ হাজার রুপি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, জমির আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ কোটি ৫৩ লাখ রুপি।
সরকারের আদেশ আগস্টের শেষের দিকে ভিএমসির কাছে পৌঁছায়। এরপর ইউসুফ পাঠান হাইকোর্টে করা তার আপিল তুলে নেন, যা তার আগের দাবি খারিজের বিরুদ্ধে ছিল।
আদেশ অনুযায়ী, ৪৭৮ বর্গমিটারের দাম নির্ধারণ করা হবে ২০২৬ সালের ১৭ মার্চের মূল্যায়নে, যা বরোদা আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মূল্যায়ন কমিটি দ্বারা মূল্যায়িত হয়েছে। এতে পাঠান ৪৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি ভবিষ্যতে একই ধরনের মামলার জন্য নজির হবে না। রাজস্ব বিভাগ ভিএমসিকে সমান মূল্যের অন্য জমি প্রদান করবে।
বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে ২০১২ সালে, যখন পাঠান তার পরিবারের বাড়ির পাশের জমিটি ৯৯ বছরের ইজারায় চান। আবেদনে তিনি নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করেন এবং জানান যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে তার পরিচয়ের কারণে ঝুঁকি রয়েছে। তিনি দাবি করেন, পাশের জমি থাকার ফলে সুবিধা হবে।
স্থায়ী কমিটি ও সাধারণ বোর্ড নিলাম ছাড়াই সরাসরি তাকে জমি দিতে রাজি হয়। প্রস্তাবটি রাজ্য সরকারের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ২০১৪ সালের জুনে নগর উন্নয়ন বিভাগ প্রস্তাবটি নাকচ করে, কারণ হিসেবে বলা হয়, দামি জমির জন্য প্রকাশ্য নিলাম বা খোলা দরপত্র প্রয়োজন।
ভিএমসির অভিযোগ, প্রস্তাব নাকচের পরও পাঠান জমিতে বেড়া দিয়ে দখল করেন। ২০২৪ সালের জুনে বিষয়টি আবার সামনে আসে, যখন তিনি লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হন। তখন ভিএমসি তাকে নোটিশ দেয় এবং কথিত দখল সরাতে বলা হয়।
পাঠান এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যান। তার আইনজীবীরা আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের জমি দেওয়ার সরকারি নীতির কথা উল্লেখ করেন। ভিএমসির যুক্তি ছিল, জমিটি পৌরসভার। নিয়ম অনুযায়ী এটি কাউকে দেওয়া যায় না।
২০২৫ সালের আগস্টে হাইকোর্ট সরকারের নাকশের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখে। আদালত বলে, বরাদ্দের আদেশ ও টাকা ছাড়া দীর্ঘদিন জমি দখলে রাখলে তাতে আইনি অধিকার জন্মায় না।
এরপর পাঠান আপিল করেন। ২০২৬ সালের জুনে শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে। আদালত জানতে চায়, বরাদ্দের নিয়ম শেষ না করে ও টাকা না দিয়ে তিনি সরকারি জমি কীভাবে দখলে নিলেন। আদালত সতর্ক করে দেয় যে, দখল চালিয়ে গেলে তার আর্থিক দায় বাড়তে পারে। ৩১ আগস্ট পাঠান শর্ত ছাড়াই আপিল তুলে নেন। এরপর তিনি জমিটি নিয়ে সুখবর পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ফরিদপুরে মাকে জবাই করে হত্যা করার অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলে উদ্দিন সরদার (৩৫) কে পুলিশ আটক করেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বিএলবাড়ি ইউনিয়নের লক্ষীকোল জোলাপাড়া গ্রামে এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
নিহত সূর্য খাতুন (৫০) ওই গ্রামের মো. লোকমান সরদারের স্ত্রী ছিলেন। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্দিন সরদার মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করতেন। মঙ্গলবার সকালে সূর্য খাতুন রান্না করছিলেন। এ সময় উদ্দিন তার কাছে নেশার টাকা চান। টাকা না দেওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে রান্নাঘরে থাকা কাস্তে দিয়ে মাকে জবাই করে হত্যা করে উদ্দিন পালিয়ে যান।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বেলা ১১টার দিকে পাশের একটি বাড়ি থেকে উদ্দিনকে আটক করে। পুলিশ জানায়, বাড়িটির গ্রিল কেটে সেখানে প্রবেশ করে তাকে আটক করা হয়। উদ্দিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বাড়ি থেকেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাস্তে জব্দ করা হয়েছে।
ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রীতে মো. শাহাবাজ নামের এক পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ বনশ্রীর এফ ব্লকের ৯/৫ নম্বর সড়কের ৩৮ নম্বর বাসার নিচতলা থেকে উদ্ধার করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খিলগাঁও থানার এসআই জুবায়ের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, পারিবারিক কলহের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, সকালে ভবনের দারোয়ান বিষয়টি দেখে পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে চাদর প্যাঁচানো অবস্থায় শাহাবাজকে (২৬) উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহাবাজ পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। তার বাবার নাম নাজির আহমেদ এবং তার বাড়ি পাকিস্তানের মুলতান জেলার জালালপুর থানার চাহ গোলাম মোহাম্মদ গ্রামে।
এসআই জুবায়ের বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার অবৈধ স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক মো. আশরাফুল হাসান মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এই আবেদনটি করেন।
এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলামের আদালতে বিকেল তিনটায় শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিআইডির করা মামলায় গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টার সময় রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত বছরের নভেম্বরে রাজধানীর গুলশান থানায় সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক (নি.) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শেখ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে গুলশান এভিনিউতে অবস্থিত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের শোরুম ও কার্যালয়ে এই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। সিআইডির অনুসন্ধানে প্রাপ্ত ব্যাংক হিসাব, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়—দিলীপ কুমার আগরওয়ালার প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড বৈধভাবে এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে মাত্র ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকা ৫২ পয়সার স্বর্ণবার, স্বর্ণালংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অলংকার আমদানি করেছে। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়—একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে মোট ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণ ও ডায়মন্ড ক্রয়, বিনিময় বা রূপান্তর করেছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজার থেকে কেনা বিপুল অঙ্কের এই স্বর্ণ ও ডায়মন্ড কার কাছ থেকে বা কোন উৎস থেকে কেনা হয়েছে, এ বিষয়ে বৈধ কোনো নথিপত্র সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে সিআইডি নিশ্চিত করে—ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডকে ব্যবহার করে দিলীপ কুমার আগরওয়ালা দীর্ঘদিন ধরে চোরাকারবারের মাধ্যমে অবৈধ স্বর্ণ ও ডায়মন্ড কেনা-বেচা করে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা উপার্জন করেছেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। পরদিন তাকে আদালতে তোলা হয়। এরপর তাকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একই দিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর বিভিন্ন হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় নিম্ন ও উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ