মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৬ পি.এম
পাবনার ফরিদপুরে মাকে জবাই করে হত্যা করার অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলে উদ্দিন সরদার (৩৫) কে পুলিশ আটক করেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বিএলবাড়ি ইউনিয়নের লক্ষীকোল জোলাপাড়া গ্রামে এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
নিহত সূর্য খাতুন (৫০) ওই গ্রামের মো. লোকমান সরদারের স্ত্রী ছিলেন। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্দিন সরদার মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করতেন। মঙ্গলবার সকালে সূর্য খাতুন রান্না করছিলেন। এ সময় উদ্দিন তার কাছে নেশার টাকা চান। টাকা না দেওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে রান্নাঘরে থাকা কাস্তে দিয়ে মাকে জবাই করে হত্যা করে উদ্দিন পালিয়ে যান।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বেলা ১১টার দিকে পাশের একটি বাড়ি থেকে উদ্দিনকে আটক করে। পুলিশ জানায়, বাড়িটির গ্রিল কেটে সেখানে প্রবেশ করে তাকে আটক করা হয়। উদ্দিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বাড়ি থেকেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাস্তে জব্দ করা হয়েছে।
ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রীতে মো. শাহাবাজ নামের এক পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ বনশ্রীর এফ ব্লকের ৯/৫ নম্বর সড়কের ৩৮ নম্বর বাসার নিচতলা থেকে উদ্ধার করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খিলগাঁও থানার এসআই জুবায়ের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, পারিবারিক কলহের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, সকালে ভবনের দারোয়ান বিষয়টি দেখে পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে চাদর প্যাঁচানো অবস্থায় শাহাবাজকে (২৬) উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহাবাজ পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। তার বাবার নাম নাজির আহমেদ এবং তার বাড়ি পাকিস্তানের মুলতান জেলার জালালপুর থানার চাহ গোলাম মোহাম্মদ গ্রামে।
এসআই জুবায়ের বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার অবৈধ স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক মো. আশরাফুল হাসান মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এই আবেদনটি করেন।
এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলামের আদালতে বিকেল তিনটায় শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিআইডির করা মামলায় গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টার সময় রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত বছরের নভেম্বরে রাজধানীর গুলশান থানায় সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক (নি.) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শেখ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে গুলশান এভিনিউতে অবস্থিত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের শোরুম ও কার্যালয়ে এই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। সিআইডির অনুসন্ধানে প্রাপ্ত ব্যাংক হিসাব, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়—দিলীপ কুমার আগরওয়ালার প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড বৈধভাবে এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে মাত্র ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকা ৫২ পয়সার স্বর্ণবার, স্বর্ণালংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অলংকার আমদানি করেছে। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়—একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে মোট ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণ ও ডায়মন্ড ক্রয়, বিনিময় বা রূপান্তর করেছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজার থেকে কেনা বিপুল অঙ্কের এই স্বর্ণ ও ডায়মন্ড কার কাছ থেকে বা কোন উৎস থেকে কেনা হয়েছে, এ বিষয়ে বৈধ কোনো নথিপত্র সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে সিআইডি নিশ্চিত করে—ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডকে ব্যবহার করে দিলীপ কুমার আগরওয়ালা দীর্ঘদিন ধরে চোরাকারবারের মাধ্যমে অবৈধ স্বর্ণ ও ডায়মন্ড কেনা-বেচা করে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা উপার্জন করেছেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। পরদিন তাকে আদালতে তোলা হয়। এরপর তাকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একই দিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর বিভিন্ন হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় নিম্ন ও উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আইন ও বিচার বিভাগের ১১ জন শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভিসির রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভিসি (শিক্ষা) প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিনন্দন বার্তা প্রকাশ করা হয়।
অভিনন্দন বার্তায় প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম মন্তব্য করেন, বিজেএস পরীক্ষায় আইন ও বিচার বিভাগের ১১ শিক্ষার্থীর ধারাবাহিক সাফল্য তাঁদের অসাধারণ মেধা, কঠোর অধ্যবসায় ও যোগ্যতার প্রমাণ। শিক্ষার্থীদের এই অর্জন পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য একটি বিশাল গৌরবের বিষয়।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সুপারিশপ্রাপ্তরা তাঁদের কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবেন এবং দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। পাশাপাশি, প্রো-ভিসি তাঁদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সার্বিক সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত দাম উচ্চতর থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। খাদ্য সরবরাহে বিভিন্ন সমস্যা, পরিবহন খরচের বৃদ্ধি, যুদ্ধ এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। ইউক্রেনের বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববাজারে খাদ্য সরবরাহ নিয়ে একাধিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে শস্য পরিবহনের অবকাঠামোতে হামলার কারণে গমের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় কিছু জাহাজকে আফ্রিকা ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এর ফলে পরিবহন খরচ বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরো জটিলতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার রপ্তানিও ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদন, কাটা এবং বাজারে পৌঁছে দেওয়ার খরচ বাড়ছে।
এছাড়া আবহাওয়ার পরিবর্তনও খাদ্য উৎপাদনের জন্য একটি বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। এল নিনোর প্রভাবে ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে খরা আরো তীব্র হতে পারে। এতে গম, চালসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে গমের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এশিয়ার প্রধান চাল রপ্তানিকারক দেশগুলোতে চালের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৩ শতাংশ। এসব দেশে চালের মজুত যথেষ্ট থাকার পরও দাম বেড়েছে।
আগে শস্যের বড় মজুত ও ভালো ফলনের কারণে সরবরাহে সমস্যা দেখা দিলেও বাজারে তার প্রভাব কিছুটা কমানো যেত। তবে বর্তমানে সেই সুযোগ কমে আসছে। স্থানীয়ভাবে ভালো ফলনের কারণে যেসব বড় আমদানিকারক দেশ আগে বিশ্ববাজার থেকে পণ্য কেনা কমিয়েছিল, তারা আবার কেনাকাটা শুরু করতে পারে। এতে চাহিদা বাড়বে এবং দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো সতর্ক করে বলেছেন, ২০২৬ সালের শেষ দিকে এবং ২০২৭ সালের শুরুর দিকে খাদ্যবাজারে চাপ আরো বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতি পুরো ২০২৭ সালজুড়ে চলতে পারে।
তার মতে, আগের মজুত ও ভালো ফলন এত দিন বাজারকে কিছুটা সুরক্ষা দিয়েছে। কিন্তু সেই সুরক্ষা এখন দুর্বল হয়ে পড়ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পথে পণ্য পরিবহনের খরচ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে।
কাঁচামালের দাম বাড়ায় খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। তাদেরকে বেশি দামে কাঁচামাল কিনতে হচ্ছে। পাশাপাশি জ্বালানি, পরিবহন এবং শ্রমিকের খরচও বাড়ছে। এসব বাড়তি ব্যয়ের প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর পড়তে পারে।
বিশ্ববাজারের পাশাপাশি ইউক্রেনেও পণ্যের দাম বাড়ছে। তবে সব পণ্যের দাম একই হারে বাড়ছে না। ইউক্রেনের সরকারি পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে আগস্টের তুলনায় দেশটিতে ভোক্তাপণ্যের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশ।
সেপ্টেম্বরে খাদ্যপণ্য এবং কোমল পানীয়ের দাম আগের মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দাম বেড়েছে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ। এ সময় ডিমের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। তবে ফল ও সবজির দাম কমেছে।
দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে প্রতি কেজি বাকউইটের গড় দাম বেড়ে ৮০ দশমিক ৯৫ হৃভনিয়ায় দাঁড়িয়েছে। সেদ্ধ চালের দাম বেড়ে হয়েছে প্রতি কেজি ৬১ দশমিক ৩৭ হৃভনিয়া। অন্যদিকে, কাউনের দাম কমে প্রতি কেজি ৫৬ দশমিক ২০ হৃভনিয়া নেমেছে। ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম গ্লাভকম এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউরোপে সরবরাহের ঘাটতির কারণে ইউক্রেনে বিভিন্ন ধরনের বেরির দামও বাড়ছে। এ ছাড়া দেশটিতে উৎপাদিত টমেটোর পাইকারি দাম বেড়েছে। রাজধানীর পাইকারি বাজারে লাল, গোলাপি এবং মাটিতে উৎপাদিত টমেটোর দাম বেড়েছে।
ইউক্রেনে খাদ্যপণ্যের দাম আগামী দিনে কতটা বাড়বে, তা কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে। এর মধ্যে রয়েছে ফসলের ফলন, দেশের ভেতরে পণ্য সরবরাহ, উৎপাদন খরচ এবং পরিবহনব্যবস্থা। বিশ্ববাজারে শস্য ও তেলবীজের দামও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ ছাড়া জ্বালানি, বিদ্যুৎ এবং সারের দাম বাড়লে ইউক্রেনের কৃষকদের উৎপাদন খরচ আরো বেড়ে যেতে পারে। ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তিত হলে আমদানি করা পণ্য এবং বিদেশি কাঁচামাল দিয়ে তৈরি পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
পরিবহনব্যবস্থায় বিঘ্ন কতদিন থাকে এবং প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোতে আবহাওয়া কেমন থাকে, তার ওপরও বাজারের পরিস্থিতি নির্ভর করবে। নতুন ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়া মজুতের ঘাটতি পূরণ করতে না পারলে দাম আরো বাড়তে পারে।
একই সময়ে বড় আমদানিকারক দেশগুলো বিশ্ববাজারে ফিরে এসে শস্য কেনা বাড়ালে চাহিদার ওপর চাপ তৈরি হবে। এতে খাদ্যপণ্যের দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ