ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঠাকুরগাঁওয়ে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: নির্বাচন কমিশনার


ঠাকুরগাঁওয়ে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: নির্বাচন কমিশনার

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন যে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এই উপনির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা তিন গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নির্বাচনি পরিবেশ বর্তমানে ভালো রয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং পর্যাপ্তসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় নির্বাচন কমিশনার সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে উপনির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে শোকজ

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সভার সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

সভায় উপনির্বাচন সংক্রান্ত সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মুছে ফেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধা রোধে হাইকোর্টে রিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মুছে ফেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধা রোধে হাইকোর্টে রিট

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে ফেলা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধা ও হুমকি রোধের জন্য সরকারের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দাখিল করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন অভি।

রিট দায়েরের পর সাদ্দাম হোসেন অভি বলেন, "দেশে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধা সৃষ্টি করে সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "দেশের সাংস্কৃতিক শিল্প, সাহিত্য ও ঐতিহ্য রক্ষা করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যা সংবিধানের ২৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।"

অভিযোগ করে তিনি জানান, ধর্মের নাম ব্যবহার করে একটি শ্রেণির মানুষ অপব্যাখ্যার মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি ধ্বংসের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

রিট আবেদনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাজ, কনসার্ট, নাটক, সিনেমা ও গানসহ সকল ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শিল্প-সাহিত্যের সুরক্ষায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জাপানি সাংবাদিক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


রাশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জাপানি সাংবাদিক গ্রেপ্তার

রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলের সাখালিন দ্বীপে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক জাপানি সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ তথ্য রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যা আলজাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) এই খবর প্রকাশ করে।

সংস্থাটির অভিযোগ, ওই সাংবাদিক জাপানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছিলেন। যদি এই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তার সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিকের নাম ইমাই ইউকি। তিনি জাপানের হোক্কাইডো শিম্বুন সংবাদপত্রের কর্মী ছিলেন।

জাপানের কিয়োডো সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানা গেছে, মস্কোতে অবস্থিত জাপানি দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকের আটকের খবরটি যাচাই করার চেষ্টা করছেন।

রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) জানিয়েছে, সাখালিন দ্বীপের প্রধান শহর ইউঝনো-সাখালিনস্ক থেকে রাশিয়া ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ওই সাংবাদিককে আটক করা হয়। পরে তাকে বিমানে করে মস্কোতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি আদালত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দেন।

রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এফএসবির মুখোশধারী কর্মকর্তারা একটি হোটেল কক্ষে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে হাতকড়া পরাচ্ছেন। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ভিডিওতে আরো দেখা যায়, ওই ব্যক্তিকে এফএসবির দুই কর্মকর্তার সঙ্গে বিমানে তোলা হচ্ছে। পরে মস্কোর একটি আদালতে তাকে খাঁচার মতো ঘেরা আসামির কাঠগড়ায় দেখা যায়। আদালত তাকে প্রায় দুই মাস আটক রাখার অনুমতি দেন।

রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। গত আগস্টে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেন। দ্বীপপুঞ্জটির মালিকানা নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে বিরোধ চলছে।

সাখালিন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত সাখালিন দ্বীপ এবং কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটি দক্ষিণের দ্বীপ। জাপান এই দ্বীপগুলোকে ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড’ বলে দাবি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। এর প্রধান কারণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিরোধ। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটির কর্তৃপক্ষ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বহু বিদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ ধরনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি হলো, ২০২৩ সালে মার্কিন সংবাদপত্র দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক ইভান গার্শকোভিচকে আটক করা। পরে রাশিয়ার একটি আদালত তাকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১৬ বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে একটি বড় বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় মুক্তি পান গার্শকোভিচ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাদাখের ২৮ এলাকার নতুন নামকরণ করে মানচিত্র প্রকাশ করল চীন, দিল্লির প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


লাদাখের ২৮ এলাকার নতুন নামকরণ করে মানচিত্র প্রকাশ করল চীন, দিল্লির প্রতিবাদ

চীন লাদাখের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ২৮টি কৌশলগত এলাকার নতুন নামকরণ করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, লাদাখ তাদের ‘অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য অংশ’ এবং চীনের কোনও অস্বীকৃতি এই বাস্তবতাকে পরিবর্তন করতে পারবে না।

ভারত সরকার গত ২ অক্টোবর লাদাখ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর গোগরা ও হট স্প্রিংসহ ২৮টি কৌশলগত অবস্থান এবং ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় মানচিত্রে চিহ্নিত করেছে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল সরকারি কার্টোগ্রাফির মান উন্নয়ন, সীমান্ত এলাকার সঠিক পরিচিতি নিশ্চিত করা এবং এই সংবেদনশীল সীমান্ত অঞ্চল সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের এই জায়গাগুলোকে সার্ভ অব ইন্ডিয়ার মানচিত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করার মূল লক্ষ্য হলো সেগুলোর সঠিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।

নতুন বা প্রামাণ্য নাম অন্তর্ভুক্ত করা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে, উচ্চ উচ্চতার শৃঙ্গ আলিশা গিরি, ব্রাংসা, চাপচিঙাল পাস, কনিষ্ক পিক, কারুন পির পর্বত, কুকসেল, মার্তান্দ গিরি, পারপিক হিমবাহ, স্কামরি হিমবাহ, শাচমিরিক পাস, শোরগা উপত্যকা, জোরাওয়ার পিক, দেহরা কম্পাস এবং দ্রাক কারপো। তালিকায় আরও স্থান পেয়েছে জোলোরি, কুমারায়ন পয়েন্ট, পাংলুং, রিনচেন জাংপো, শাক্যশ্রী গিরি, গুরু রিনপোচে, শামাল লুংসপা, ইয়াংপা নদী, মারপা লোতসাভা রি, মিলাপেপা কাংরি, শিবা রি এবং মহেশ্বরী রি।

ভারতের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। চীনা সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং ভারতের এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ ও বাতিলযোগ্য’ বলে অভিহিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত একতরফা ও বেআইনিভাবে যে ‘তথাকথিত লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করেছে, তা বেইজিং কখনো স্বীকৃতি দেয়নি এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানায়।

২০২০ সালের জুনে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় ও চীনা সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর থেকে সীমান্ত পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

দুই দেশের মধ্যে সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি) বরাবর একে অপরকে ভূখণ্ড দখলের চেষ্টার অভিযোগের পটভূমিতে লাদাখের এই কৌশলগত স্থানগুলোর সুনির্দিষ্ট নামকরণ ও মানচিত্রায়ণ দুই দেশের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকর সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে রাজতন্ত্রের সমর্থক আলি-সিনা মোস্তফাভির মৃ-ত্যু-দ-ণ্ড কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


ইরানে রাজতন্ত্রের সমর্থক আলি-সিনা মোস্তফাভির মৃ-ত্যু-দ-ণ্ড কার্যকর

কেরমানে সশস্ত্র হামলার অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এই তথ্যটি ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়।

আইআরআইবি উল্লেখ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে শহরে ধারাবাহিক সশস্ত্র হামলার ঘটনায় আলি-সিনা মোস্তফাভিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। হামলার মধ্যে ২০২৬ সালের ২৪ মার্চ ‘আজাদি স্কয়ার’-এ গুলিবর্ষণের ঘটনা এবং ২১ এপ্রিল বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় নিয়োজিত সদস্য ও পথচারী যানবাহনের ওপর হামলা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রতিবেদনটি আরো জানায়, মোস্তফাভি রাজতন্ত্রপন্থি বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যুদ্ধের সময় তিনি সামরিক স্থাপনায় হামলার পর ভিডিও ফুটেজ বিদেশি নেটওয়ার্কের কাছে পাঠিয়েছিলেন এবং বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে কেরমান বিমানবন্দরে হামলা করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%