মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৮:৩৪ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস আয়োজনের পদ্ধতি নিয়ে ভিন্নমত থাকলে কওমি উলামায়ে কেরামের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের সাংগঠনিক সচিব মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।
এক বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কওমি উলামায়ে কেরামদের প্রতি বাহাস কিংবা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি না। শুধু এতটুকু বলব—আমরা শাব্দিক অর্থের বিবেচনায় ঈদ বলে থাকি। জশনে জুলুসের পদ্ধতি নিয়ে আপনাদের যদি দ্বিমত থাকে, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মুজাকারা (মতবিনিময়) করার জন্য বসতে প্রস্তুত আছি।”
তিনি আরও জানান, “আশা করি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রশাসন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতকে স্পেস দিবেন।”
মুফতি তাহেরী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমনে আনন্দ মিছিল করা জায়েজ—এটি দলিলের মাধ্যমে সাব্যস্ত করতে না পারলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে জশনে জুলুস উদযাপনের উদ্যোগ আর নেবেন না।
তিনি বলেন, “ধর্ম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার বৈষম্যের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরকে ধর্মীয় সম্প্রীতির শহর বানাতে কওমি উলামায়ে কেরামদের সঙ্গে বসতে প্রস্তুত আছি। ইনশাআল্লাহ।”
বক্তব্যের শেষদিকে তিনি “আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত—জিন্দাবাদ” স্লোগান দেন।
মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বর্তমানে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের সাংগঠনিক সচিব এবং দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সদরপুরে বাইশরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে জাকের পার্টির ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
বুধবার সকালে জাতীয় ও দলীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাকের পার্টির চেয়ারম্যান আলহাজ মোস্তাফা আমির ফয়সল মুজাদ্দেদী। পরে পায়রা ও বেলুন ওড়ানো হয়।
দিনব্যাপী অন্যান্য অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল ওয়াক্তিয়া নামাজের পাশাপাশি নফল নামাজ, দফায় দফায় মিলাদ মাহফিল, ধর্মীয় আলোচনা ও বিশেষ দোয়া।
পরে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলটির চেয়ারম্যান আলহাজ মোস্তফা আমির ফয়সল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাকের পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দারসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল বলেন, বর্তমানে দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। জাকের পার্টির নেতাকর্মীরা জীবন দিয়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এসব অনুষ্ঠানমালায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা জাকের পার্টির লাখো নেতাকর্মী, সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সাজাভোগ শেষে ছয় বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বুধবার বিকালে গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর উপস্থিতিতে তাদের বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন- ঢাকার কদমতলী থানার জাকির হোসেনের ছেলে সাকিব (২৩), সুনামগঞ্জের ছাতক থানার সিরাজ আলীর ছেলে আলিম উদ্দিন (২৯), নারায়ণগঞ্জের আলাউদ্দিনের ছেলে এমদাদুল হক (৪৩), রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার মফিজ উদ্দিনের ছেলে তফিজুল ইসলাম (৪৭), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার রফিকুল ইসলামের ছেলে মামলত হোসেন (৩৪) এবং রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার মনিরুল ইসলামের ছেলে রিহাম (১৯)।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, ফেরত আসা ছয় বাংলাদেশি বিভিন্ন সময়ে সিলেটের গোয়াইনঘাট, সুনামগঞ্জ ও জামালপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে সাজাভোগের পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের দেশে ফেরত পাঠায় ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
এর মধ্যে মেঘালয় রাজ্যের শিলং ডিস্ট্রিক কারাগারে তিনজন এবং ওয়েস্ট গারো হিলস জেলার তুরা কারাগারে তিনজন কারাভোগ করেন। বুধবার বিকালে তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে বিজিবি, বিএসএফ ও উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের গ্রহণ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) বজলুর রশিদ বলেন, ‘বিজিবি, বিএসএফ ও উভয় দেশের পুলিশের উপস্থিতিতে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ছয় বাংলাদেশিকে গ্রহণ করা হয়েছে। পরে তাদের নিজ নিজ আত্মীয়স্বজনের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর পোরশায় ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও রাকিবুল ইসলাম।
সভায় মহানবী (সাঃ) এর জীবন, তাঁর সুন্নাহ, আদর্শ এবং মানবতার শিক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোসা. নাবিলা ফেরদৌস, পল্লি জীবীকায়ন প্রকল্পের কর্মকর্তা মঞ্জুর মোরশেদ, শিক্ষক এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহানবী (সাঃ) এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল এবং হামদ্নাতের আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজকাল হাতে মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা থাকলেই অনেকেই সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছেন। এমনও দেখা যায়, একটি কক্ষে যতজন শ্রোতা রয়েছেন তার চেয়ে ক্যামেরার সংখ্যাই বেশি বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ সাটু হলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানউন্নয়নে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুষ্টু চক্র সব জায়গাতেই থাকে। কিছুদিন আগে বনরুটির মধ্যে ব্লেড পাওয়ার একটি ঘটনা ঘটে। ছবিটি একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে একজন সহকারী শিক্ষিকা পাঠিয়েছিলেন। এরপর বনরুটির কারখানা, গুদাম ও স্কুলসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় তল্লাশি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, এমন কোনো প্রক্রিয়া নেই, যেখানে ব্লেড থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন মিডিয়ার যুগ। অনেক স্থানে দেখা যায় একটি কক্ষে যতজন শ্রোতা, তার চেয়ে ক্যামেরার সংখ্যা বেশি। আপনারা সুনামধন্য সাংবাদিক। কিন্তু এখন হাতে একটি মোবাইল ফোন থাকলেই কেউ কেউ সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে পেশাদার সাংবাদিকদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কেউ অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করে সাংবাদিকতায় আসছেন। অন্যদিকে কেউ একটি মোবাইল ফোন কিনেই সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছেন। এমন ঘটনা এখন অনেক ঘটছে। তাই সবাইকে বিচক্ষণ হতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হঠাৎ করে কেউ মোবাইল নিয়ে ঢুকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভিডিও ধারণ শুরু করতে পারেন না। মনে রাখতে হবে, স্কুলের গ্রাউন্ডে সংশ্লিষ্ট ও অনুমোদিত স্টেকহোল্ডার ছাড়া কারও প্রবেশ বা দায়িত্ব পালনের অধিকার নেই। অনায়সে কেউ কারও অনুমতি ছাড়া স্কুলে ঢুকতে পারেন না। বিষয়টি সবাইকে মনে রাখতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হারুনুর রশীদ, জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ