শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২২ এম
শরৎ শুভ্রতা এবং শিউলি ফুলের সুবাসের মধ্যে মায়াময়ী মায়ের আগমন ঘটেছে। আজ শুক্রবার মহাষষ্ঠী তিথি থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে, যা দেবী দুর্গার অসুরবিনাশিনী রূপে মর্ত্যে পদার্পণের মাধ্যমে উদযাপিত হচ্ছে। দেশের প্রতিটি মন্দির ও মণ্ডপ ‘রূপং দেহি, যশো দেহি, জয়ং দেহি, দ্বিষো জহি’ মন্ত্রে মুখরিত হয়ে উঠেছে।
পঞ্জিকামতে, দেবীপক্ষের পঞ্চমী তিথি অতিক্রম করে আজ মহাষষ্ঠী শুরু হয়েছে। সূর্যোদয়ের পর কল্পারম্ভ ও বোধনের মাধ্যমে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে, যেখানে বোধনের অর্থ হলো জাগরণ বা চৈতন্য প্রাপ্তি।
আজ সন্ধ্যায় দেবীর বোধন ও ঘট স্থাপনের জন্য ধূপের সুবাস, পঞ্চপ্রদীপের আলো, ঢাক-কাঁসরের বাদ্য এবং শঙ্খ ও উলুধ্বনির যুগলবন্দি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রোববার সকালে ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভে দেবীর আমন্ত্রণ, অধিবাস ও মূল পূজা শুরু হবে।
এদিকে, পূজার আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি কিছুটা উদ্বেগও দেখা দিয়েছে ভক্তদের মধ্যে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পূজার দিনগুলোতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সকল বাধা পেরিয়ে নির্বিঘ্নে উৎসব উদ্যাপনের জন্য প্রার্থনা করছেন সর্বস্তরের মানুষ।
যশোর জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ এবারের দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে যশোর শহরের লালদীঘির পূর্বপাড়স্থ জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন ও সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার ঘোষসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তারা জানান, এ বছর জেলার ৮টি উপজেলায় গত বছরের তুলনায় ৩৩টি বেড়ে মোট ৭৪১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১৭০টি, অভয়নগরে ১৩২টি, মণিরামপুরে ১০৩টি, কেশবপুরে ১০১টি, বাঘারপাড়ায় ৯২টি, ঝিকরগাছায় ৫৯টি, চৌগাছায় ৫৩টি এবং শার্শায় ৩১টি মণ্ডপ রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ৭৩৩টি, ২০২৪ সালে ৬৫২টি এবং ২০২৫ সালে ৭০৮টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টায় ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভে দেবীর বোধন এবং বিকেল ৫টায় পূজা শুরু হবে। ১৭ অক্টোবর সকাল ৫টায় মহাষষ্ঠীর বিহিত পূজা এবং সায়ংকালে আমন্ত্রণ ও অধিবাস অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৫টায় মহাসপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ অক্টোবর সকাল ৫টায় মহাঅষ্টমী পূজা, সকাল সাড়ে ৯টায় কুমারী পূজা এবং সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে বেলা ১১টা ৪৬ মিনিটের মধ্যে সন্ধিপূজা সম্পন্ন হবে। এছাড়া ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর সকাল ৬টায় দশমী পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী, মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দুর্গা সমস্ত অশুভ শক্তি বিনাশের প্রতীক। এ বছর দেবীর আগমন ঘটছে ঘোটকে (ঘোড়ায়), যার ফল ‘ছত্রভঙ্গস্তুরঙ্গমে’ অর্থাৎ অগোছালো ও অশুভ পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। তবে দেবী কৈলাসে প্রস্থান করবেন নৌকায়, যার ফল হিসেবে ‘নৌকায়াং শস্যবৃদ্ধি জলবৃদ্ধিশ্চ’ অর্থাৎ সমৃদ্ধি, সুবৃষ্টি ও শস্যপূর্ণ পৃথিবীর শুভবার্তা পাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দ মহারাজ জানান, গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার মাধ্যমে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। তিনি বলেন, দেবী দুর্গার সঙ্গে অসুর যেমন সর্বদাই যুদ্ধে লিপ্ত, তেমনই মানবের দৈবী সত্তা ও মনুষ্যত্ববোধের সঙ্গে কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য—এই ছয় আসুরিক রিপুর লড়াই চলছে। মহাশক্তি জগন্মাতার শরণাগত হলে এসব রিপু থেকে মুক্তিলাভ করে মানুষের ভেতর দৈবী সত্তার জাগরণ ঘটে।
তিনি সকলকে শারদীয় দুর্গোৎসবের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার সংলগ্ন এলাকায় একটি দ্রুতগতির গাড়ির ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ঘটে এই দুর্ঘটনা।
গুরুতর আহত অবস্থায় যুবকটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
যুবকটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা কামাল হোসেন জানান, রাত ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের ঢালের পকেট গেটের সামনে একটি দ্রুতগতির গাড়ির ধাক্কায় একজন আহত হন। পরে পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ছুটি সমন্বয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (এসডিএডি) মো. আব্দুল মান্নানের সই করা এক সার্কুলারে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর (মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার) দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর পরিবর্তে ১৭ অক্টোবর শনিবার ব্যাংকগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে।
এদিকে, দুর্গাপূজার ছুটির সময় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশনার আওতায়, সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা ও বুথগুলোতে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু রাখতে হবে।
এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এর আগে, ৭ অক্টোবর শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার এক দিনের অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করে। পূর্বনির্ধারিত ছুটির তালিকায় ২০ অক্টোবর মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ছিল। পরে ২২ অক্টোবরও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়।
ফলে, ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের সরকারি ছুটির সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
তবে, এই অতিরিক্ত ছুটি সমন্বয় করতে ১৭ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ফলে, ওই দিন ব্যাংকের পাশাপাশি দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসও খোলা থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেইয়ের ব্যয় সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষকেরা রাজপথে নেমে এসেছেন শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানো, বেতন ও বৃত্তির অর্থের সংকট এবং গবেষণার সুযোগ সংকুচিত হওয়ার প্রতিবাদ জানাতে। রাজধানী বুয়েনস এইরেসে চলমান বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আহত হয়েছেন কয়েকজন, তাদের মধ্যে নিরাপত্তাকর্মীরাও রয়েছেন।
বিক্ষোভের অংশ হিসেবে, বুয়েনস এইরেস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অনুষদের একটি ভবন এক দিনের জন্য দখলে নেন শিক্ষার্থীরা। তারা ভবনে ব্যানার টানিয়ে সরকারের নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। তাদের মধ্যে একটি স্লোগান ছিল, ‘এভাবে আর চলতে পারে না।’
শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির কারণে বিনা মূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ হুমকির মুখে পড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী এমিলিয়ানো গাতো বলেছেন, "বেতন দিয়ে মৌলিক চাহিদা মেটাতে না পারায় অনেক মেধাবী অধ্যাপক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাচ্ছেন।" তিনি নিজেও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও শিক্ষকতা করতে চান, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।
২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে, মাইলেই ব্যয় সংকোচনের কঠোর নীতি অনুসরণ করছেন। তার সরকার সরকারি খাতে হাজারো কর্মী ছাঁটাই করেছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বন্ধ করেছে এবং ভর্তুকি ও সরকারি কর্মসূচির বরাদ্দ কমিয়েছে। এর ফলে একদিকে মূল্যস্ফীতি কমে মাসে প্রায় ২ শতাংশে নেমেছে, অন্যদিকে সরকারি শিক্ষা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণ ও পেনশনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমানোর কারণে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফরে, মাইলেই দাবি করেছেন যে, টানা ২৭ মাস ধরে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে এবং অর্থনীতি ঐতিহাসিক গড়ের চার গুণ গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন যে, অর্থনীতির উন্নতির দাবি করা হলেও সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের ওপর ব্যয় সংকোচনের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গত বছর, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়ন বাড়ানোর দাবিতে আর্জেন্টিনার কংগ্রেসে একটি আইন পাস হয়েছিল। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার আইনও পাস করা হয়েছিল। মাইলেই এসব আইনে ভেটো দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে কংগ্রেস তার ভেটো অগ্রাহ্য করে আইনগুলো অনুমোদন করে। তবে, অর্থের উৎস নির্দিষ্ট না করার যুক্তিতে সরকার আইনগুলোর বাস্তবায়ন আটকে রেখেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন ও বৃত্তির অর্থ পুনর্বহাল, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত বাজেট হালনাগাদ এবং গবেষণা, হাসপাতাল ও অবকাঠামোর জন্য অর্থ বরাদ্দের দাবিও রয়েছে। এসব দাবির কিছু অংশ বাস্তবায়ন না করায়, এক ফেডারেল আদালত সরকারকে প্রতিদিন ১ লাখ পেসো জরিমানা করেছেন। এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৭০ ডলার।
বৃহস্পতিবার, বুয়েনস এইরেসে আইন বাস্তবায়নের দাবিতে বড় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা সাধারণ ধর্মঘটেরও আহ্বান জানান। এতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। একপর্যায়ে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোড়ে। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন। এ সময় অন্তত ২৫ জন আটক হন এবং নিরাপত্তাকর্মীসহ কয়েকজন আহত হন।
রসায়নের অধ্যাপক মারিয়া তেরেসা দে হেসুস বলেন, "মাসে প্রায় ৭০০ ডলার আয় করেও তার পক্ষে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।" তিনি মনে করেন, প্রতিবাদে নামা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।
তিনি আরও বলেন, "শিক্ষকতা ও গবেষণা তার ভালো লাগে। কিন্তু এ জন্য তাকে রাস্তায় নামতে হবে, এমন পরিস্থিতি কাম্য নয়।"
তার মতে, দেশের জন্য সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকার বিষয়টি উপেক্ষা করছে।
তবে, মাইলেইয়ের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন রয়েছে আর্জেন্টিনার একাংশের। তাদের আশা, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার বাড়লে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, বেতন বাড়বে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। অন্যদিকে সমালোচকদের অভিযোগ, সরকারের নীতিতে সুবিধা পাচ্ছে সমাজের প্রভাবশালী ও সচ্ছল অংশ; ব্যয়ের বোঝা বহন করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়েছে। ভরিতে তিন হাজার ২৬৬ টাকা হ্রাস করে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। এই নতুন দাম গত মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং আজ শুক্রবারও একই দামে বিক্রি হচ্ছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম তিন হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে দুই লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই হাজার ৬৮২ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম দুই হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৯ অক্টোবর দেশের বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সেই সময়ে ভরিতে দুই হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে দুই লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা করা হয়েছিল।
এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ