বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:৫১ পি.এম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব অর্জন সমগ্র বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক অভূতপূর্ব গৌরবময় প্রাপ্তি হলেও এই পদটি একক কোনো দেশের স্বার্থ বা সুবিধার জন্য ব্যবহারের সুযোগ নেই বলে সংসদকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ঢাকার সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে বিশ্বসভার সবার জন্য কাজ করতে হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট, ২০২৬) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ক্ষতিপূরণ ও বৈদেশিক সাহায্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার পরিচালিত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে ৮৬৮ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আজ বৃহষ্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩১৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৯ জন, খুলনা বিভাগে ২০৫ জন, রংপুর বিভাগে ১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন এবং বরিশাল বিভাগে ১১০ জন রয়েছেন।
চলতি বছরের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ২৪৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চলতি বছরে এ যাবত মোট ৩০ হাজার ৭৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ২ হাজার ৮৩ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিকম্প বা ভবনধসের পর ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষের কাছে দ্রুত ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার জন্য ভবিষ্যতে বিশাল আকৃতির ‘সাইবর্গ’ তেলাপোকা ব্যবহার করা হতে পারে। এই সম্ভাবনার ওপর গবেষণা পরিচালনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড ও ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানীরা।
জানাচ্ছে, উত্তর কুইন্সল্যান্ডের জায়ান্ট বুরোয়িং ককরোচের শরীরে বিশেষ যন্ত্র, যার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্যামেরা ও সিরিঞ্জ রয়েছে, সেটি বসানো হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকৃতির এই তেলাপোকার দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। গবেষকরা এই তেলাপোকাদের ‘প্যারাবর্গ’ নাম দিয়েছেন।
বিশাল আকৃতির এই তেলাপোকার শরীরে স্থাপন করা ইলেকট্রোডের মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্রে ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠিয়ে দূর থেকে এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
একটি তেলাপোকা ক্যামেরার মাধ্যমে আটকে পড়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করে, অন্যটি প্রয়োজনীয় ওষুধ বহন করে সেখানে পৌঁছে দেয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গবেষণায় নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে তেলাপোকাগুলোর সাফল্যের হার ছিল শতভাগ। অন্যদিকে, ওষুধ সরবরাহের সামগ্রিক সাফল্যের হার ছিল ৭২ শতাংশ। তবে লক্ষ্যবস্তুর ১৫ সেন্টিমিটারের মধ্যে থেকে ইনজেকশন প্রয়োগ করা হলে সাফল্যের হার ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছায়।
গবেষকদের আশা, ভবিষ্যতে ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন, গুহা বা দুর্গম স্থানে আটকে পড়া মানুষের কাছে উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগেই এই তেলাপোকা দল জরুরি ওষুধ পৌঁছে দিয়ে তাদের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করতে পারবে। সাপের কামড় বা তীব্র অ্যালার্জির মতো জরুরি পরিস্থিতিতেও এ প্রযুক্তি কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে।
তবে গবেষণাটি এখনো পরীক্ষাগার পর্যায়ে রয়েছে। সিলিকনের লক্ষ্যবস্তু ও শূকরের চামড়ায় পরীক্ষা চালানো হয়েছে। বাস্তব পরিস্থিতিতে ধ্বংসস্তূপের জটিল পরিবেশ, যোগাযোগ সংকেত বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং নিরাপদে ইনজেকশন প্রয়োগের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার বাঁশবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় বিদ্যালয় ভবন ও মাঠ রক্ষার জন্য মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাবেক সভাপতি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিদ্যালয়ের মাঠের সম্মুখে পাকা সড়কের ওপর এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং বাঁশবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. আক্তার হোসেন নিজাম মীরবর, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, নদীভাঙনের ফলে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। মাঠের অভাবে তারা খেলাধুলা করতে পারছেন না। একই সময়ে বিদ্যালয়ের ভবনও বর্তমানে ঝুঁকির সম্মুখীন রয়েছে। যদি দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তাহলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়ের ভবনটিও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল ভাইয়ের কাছে আমাদের বিনীত আবেদন, অনতিবিলম্বে নদীভাঙন থেকে আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠ ও ভবন রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আমরা মাঠ হারিয়ে খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তাই দ্রুত আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠটি রক্ষা করার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।”
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আক্তার হোসেন নিজাম মীরবর বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল যখন এখানে এসেছিলেন, তখন তিনি বিদ্যালয়ের মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি দেখেছেন। তিনি মাঠটি কীভাবে রক্ষা করা যায় এবং প্রয়োজনে কীভাবে মাঠের পরিধি বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।”
বক্তারা দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ ভর্তি একটি ট্রাক ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী টি-রোড এলাকায় স্থানীয় জনতার দ্বারা আটক করা হয়েছে। পরে ওই ট্রাকটি ভূঞাপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে ট্রাক ও ওষুধগুলো পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
জানা গেছে, বুধবার রাত ১১টার দিকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একটি ট্রাকে করে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ ভূঞাপুরের গোবিন্দাসীর উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল। গোবিন্দাসী টি-রোড এলাকায় স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করেন।
স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা ট্রাকটি থামিয়ে এর ভেতরে থাকা ওষুধের বিষয়ে জানতে চান। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হলে ট্রাকটি ভূঞাপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে, ঘাটাইল সরকারি হাসপাতাল থেকে সরকারি ওষুধ অন্যত্র নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা জানতে চাচ্ছেন, ওষুধগুলো কোথায় নেওয়া হচ্ছিল, কী উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল এবং এর বৈধ অনুমোদন ছিল কি না, এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন।
ঘটনার পর ওষুধ ভর্তি ট্রাকটি ভূঞাপুর থানায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের ওষুধ পরিবহনের ক্ষেত্রে নিয়মনীতি মানা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
এদিকে ভূঞাপুর থানার ওসি রেজাউল করিম জানিয়েছেন, ওষুধসহ ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ