ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সততার কারণে এক বছরে দুই বার বদলি


সততার কারণে এক বছরে দুই বার বদলি

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের(বিআরটিসি)কর্মকর্তা মো.জামিল হোসেনের সততার কারণে এক বছরে দুই বার বদলি।বিআরটিসির সৎ কর্মকর্তাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে একটি চক্র দাবি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারিদের।

বিআরটিসির একাধিক সূত্র,ভুক্তভোগী পক্ষ এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই কর্মকর্তাকে দুটি স্থানে বদলির ঘটনা ঘটেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া বাস ডিপোতে বদলি হন। সেখানে সততার সাথেই দায়িত্ব পালল করে আসছেন। চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো দুর্নীতির চরমপন্থায় পৌঁছে গেলে সেই সততা দিয়ে বিআরটিসির মুখ উজ্জ্বল কারি সৎ কর্মকর্তার ডাক পরে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে। সেখানে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন ওতপ্রোতভাবে জড়িত দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের রোষানলে পরতে হয়েছে এই সৎ কর্মকর্তাকে।দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে মনগড়া কাল্পনিক তথ্য দিয়ে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ পরিবেশন করেছেন দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের আহ্বান জানালেন শামা

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে জামিল হোসেনের যোগদানের সাথে সাথেই পাল্টে যায় চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো। সততা দিয়ে নতুন করে সাজাতে ব‍্যস্ত তার কর্মস্থল। তার কাজের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো দুর্নীতির খোলস থেকে মুক্তি পাচ্ছে বলে মত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, চালক, কর্মচারিদের।

বিআরটিসির অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্রের ভাষ্য,বিআরটিসির ভিতরে যে কয় জন সৎ অফিসার রয়েছে তার মধ্যে জামিল হোসেন এক জন। বিআরটিসিকে যে ব‍্যক্তি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান থেকে লাভ জনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম।তাকেই সততা দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন এই জামিল । তাই সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম সবার কাছে সৎ অফিসার হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিতেন। এটা দেখে অনেকের মধ্যে হিংসা হয়। পতিত আওয়ামী লীগের শাসন আমলে সব স্থানে কম বেশি দুর্নীতির আচর পরলেও বিআরটিসি সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের সময় ছিলো ব‍্যতিক্রম। বিভিন্ন ডিপোর ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময় কখনো বদলি-বাণিজ্য করার অভিযোগ নেই জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) মোট ৩০টি দপ্তর বা অফিস রয়েছে। এর মধ্যে ২২টি বাস ডিপো, ২টি ট্রাক ডিপো, ৪টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং ২টি কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা রয়েছে।

বিআরটিসির বাস ডিপোসমূহ (২২টি)
* ঢাকা ও আশপাশের এলাকা: মতিঝিল, জোয়ারসাহারা, কল্যাণপুর, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, গাবতলী, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী।

আরও পড়ুন: আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দাবি আবু হানিফের

* অন্যান্য বিভাগ ও জেলা: কুমিল্লা, সোনাপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়া, পাবনা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, টুঙ্গিপাড়া।

অন্যান্য অফিসসমূহ
* ট্রাক ডিপো (২টি): ঢাকা ও চট্টগ্রাম।
* ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (৪টি): গাজীপুর, তেজগাঁও, টুঙ্গিপাড়া ও ঝিনাইদহ।
* কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা (২টি): তেজগাঁও ও গাজীপুর।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোর ম্যানেজার মো. জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

ঘটনাটির সারসংক্ষেপ:

আরও পড়ুন: যেভাবে নেতানিয়াহু ইসরায়েলি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বদলে দিয়েছেন

* অভিযোগের নেপথ্য: বিআরটিসির চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোর ম্যানেজার মো. জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে ভুয়া সনদে চাকরি গ্রহণ, বদলি বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মতো কিছু অভিযোগ ছড়ানো হয়।

* জামিল হোসেনের দাবি: জামিল হোসেন এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, চাকরি নেওয়ার সময়কার সব শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাগজপত্র বৈধ রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তিনি তা তদন্তকারী সংস্থার কাছে দেখাতে প্রস্তুত (তিনি তাঁর এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর ৩৫৭২৮৩ ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৪২৯৩৩১ উল্লেখ করেছেন)।

* চাঁদাবাজির অভিযোগ: তাঁর দাবি অনুযায়ী, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী কিছু ব্যক্তি যাচাই-বাছাই ছাড়া অপপ্রচার চালিয়ে তাঁর মুটোফোনে সংবাদ পাঠিয়ে অর্থ দাবি করছেন।

* আইনগত পদক্ষেপ: তাঁর সম্মানহানি ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

বিআরটিসির সদ‍্য বিদায়ী আব্দুল লতিফ মোল্লার সময় বিআরটিসির অভ্যন্তরে নতুন করে তীব্র ক্ষোভ ও নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল। সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরে ছিলো বলে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে প্রকাশ হয়। আর সেই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সৎ অফিসার জামিল হোসেন কথা বলেই বরিশাল ডিপো থেকে টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে শাস্তিমূলক বদলির ব্যবস্থার করেন তখন কার সংস্থাটির কতৃপক্ষ। পরে বতর্মান সরকার বিভিন্ন সুত্রে জানতে পারে যে এক জন সৎ অফিসারের বিরুদ্ধে অন‍্যায় করা হয়েছে শুনে বতর্মান সরকারের হস্তক্ষেপে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে তাকে বদলি করা হয়।

বিআরটিসির এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে বলেন জামিল হোসেন এক জন সৎ অফিসার সততার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিক্ষায় পরতে হয়ে আর সঠিক সিদ্ধান্তের কারনেই সফলতা পেয়ে ভালো মানুষের দুষ্ট লোক শত্রু থাকবে এটাই সাভাবিক।

বিআরটিসির চালক নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে বলেন, যে কয় জন ডিপোর ম্যানেজারে সাথে কাজ করেছি তার মধ্যে জামিল হোসেন স‍্যার অন্যতম। তিনি সত্যি কারেরই এক জন ভালো মানুষ সৎ অফিসার। সততার জন্য দোয়া করি মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত এমন জানি থাকতে পারে। এমন ম্যানেজার আমাদের গর্বের।

তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কর্মকর্তা মো.জামিল হোসেনেন বলেন আমার দায়িত্ব বা কাজ হল একটি এবাদত। তাই যখনই আমাকে যেখানেই দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করেছি।অনেক সময় বিভিন্ন মিথ্যা মনগড়া তথ্য পরিবেশন করেছেন।তা নিয়ে আমি কখনো ভাবিনি আমার কাজ আমি করে যাচ্ছি তাই মহান মালিক আমার সহয় হয়েছেন।

আরও পড়ুন: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে স্পিকারকে প্রস্তাব, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল্লাহর জিকির মুমিনের আত্মিক উন্নতি ও প্রশান্তির অন্যতম মাধ্যম -ছারছীনার পীর ছাহেব।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩২ পি.এম


আল্লাহর জিকির মুমিনের আত্মিক উন্নতি ও প্রশান্তির অন্যতম মাধ্যম -ছারছীনার পীর ছাহেব।

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- আল্লাহর জিকির মুমিনের আত্মিক উন্নতি, অন্তরের প্রশান্তি ও আত্মশুদ্ধি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। জিকিরের মাধ্যমে মানুষ মহান আল্লাহর স্মরণে নিজেকে নিবিষ্ট রাখার পাশাপাশি তাকওয়া, নৈতিকতা ও উত্তম চরিত্র গঠনের অনুপ্রেরণা লাভ করে। তাই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর স্মরণ জাগ্রত রাখা এবং তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আমল করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।

ছারছীনা শরীফের মরহুম পীর ছাহেব বাহরে শরীয়ত, মুজাদ্দিদে জামান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ সুফী মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহ.)-এর স্মরণে এবং মাদরাসার ১০ম বার্ষিক ঈছালে ছাওয়াব দোয়ার মাহফিল ও হাফেজ ছাত্রদের দস্তারবন্দী উপলক্ষে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বাদ আসর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাাঁও উপজেলাধীন ঐতিহাসিক তাহেরপুর ঈদগাহ ময়দানে হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।

পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন, জিকির কেবল মুখে আল্লাহর নাম উচ্চারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং অন্তরে তাঁর স্মরণ ধারণ করা, তাঁর নির্দেশনা মেনে চলা এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তা বাস্তবায়ন করা। এ শিক্ষা অনুসরণ করে নিয়মিত জিকির, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও উত্তম আমলের চর্চা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

সোনারগাঁও উপজেলা জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সভাপতি আলহাজ্ব মো. সিরাজুল হক সরকারের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ, আইম্মায়ে হিযবুল্লাহ, যুব হিযবুল্লাহ ও ছাত্র হিযবুল্লাহর সোনারগাঁ উপজেলা শাখা ও এলাকাবাসীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।

মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও  মুসলিম উম্মাহর সার্বিক শান্তি-কল্যাণ কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোরেলগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৫ দোকান, ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা গভীর রাতে আগুনে ছাই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মালামাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


মোরেলগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৫ দোকান, ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা  গভীর রাতে আগুনে ছাই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মালামাল

 বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আগুনে পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৪টার দিকে উপজেলার পঞ্চকরণ ইউনিয়নের পাঁচগাঁও বাজারের সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দোকানমালিক ও ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে তাঁদের ২৫ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সাবেক সেনাসদস্য খান মজিবুর রহমানের মালিকানাধীন পাঁচটি দোকানে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। ফজরের নামাজে যাওয়ার পথে কয়েকজন মুসল্লি আগুন দেখতে পান। তাঁরা পানি ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে একটি ছিল মুদি দোকান। বাকি তিনটি দোকান ভাড়া দেওয়া ছিল এবং একটি ছিল খালি। ভাড়াটিয়া নূরুল আমিন শিকদার সেখানে রিকশার গ্যারেজ ও পুরোনো মালামালের ব্যবসা করতেন। আগুনে তাঁর প্রায় এক লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে তিনি জানান।

আরেক ভাড়াটিয়া মো. মজুমদার ‘রোহান ফার্মেসি’ নামে ওষুধের দোকান পরিচালনা করতেন। তাঁর দাবি, দোকানে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ওষুধ ছিল। আগুনে সেসব ওষুধ পুড়ে গেছে।

ভাড়াটিয়া মো. শাহিনের চা, পান, সিগারেট ও আইসক্রিমের দোকানও আগুনে পুড়ে যায়। তাঁর দাবি, দোকানে থাকা প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে।

শাহিন বলেন, রাত ২টার দিকে মাছ ধরে তিনি দোকানের সামনে থেকে বাড়িতে চলে যান। বাড়ি যাওয়ার সময় তিনি আগুনের কোনো আলামত দেখতে পাননি। পরে ভোরে দোকানে আগুন লাগার খবর পান।



শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পঞ্চকরণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন তালুকদার। তিনি বলেন, রাতের আঁধারে কারা আগুন দিয়ে পাঁচটি পরিবারকে পথে বসিয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান তিনি।

তবে আগুনের ঘটনাটি নাশকতা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফায়ার সার্ভিসও তদন্ত ছাড়া আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেনি।



দোকানমালিক খান মজিবুর রহমানের মেয়ে মেহেবুবা মুনমুন অভিযোগ করেন, তাঁর বাবার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপর তাঁদের দোকানঘরগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।

মেহেবুবা মুনমুন আরও বলেন, বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁদের প্রায় ২৫ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে। দোকান ও ব্যবসার মালামাল পুড়ে যাওয়ায় এখন সেই ঋণ পরিশোধ নিয়ে তাঁরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং আগুনের সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।



কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো. জাফর মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন দেখতে পান এবং পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

ভোরের আগুনে পাঁচটি দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচগাঁও বাজারে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দোকানমালিক ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আগুনের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

এখন তদন্তেই বেরিয়ে আসার অপেক্ষা—আগুনটি দুর্ঘটনাজনিত, নাকি পরিকল্পিতভাবে কেউ আগুন দিয়েছে।এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের ফেলে যাওয়া মাংস-চামড়া-মাথা-পা জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের ফেলে যাওয়া মাংস-চামড়া-মাথা-পা জব্দ


কোস্ট গার্ডের অভিযানে উদ্ধার ১৩ কেজি মাংস, পালিয়ে গেল চোরা শিকারিরা

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও মৎস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত বিশ্ব ঐতিহ্য   বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় সুন্দরবনের গোলখালীর সিংয়ের বাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩ কেজি হরিণের মাংস, চারটি পা, একটি মাথা ও একটি আস্ত চামড়া জব্দ করা হয়েছে। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা শিকারিরা বনের ভেতরে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের গভীর বন থেকে হরিণ শিকার করে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি চক্র গোলখালীর সিংয়ের বাঁধসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ডের একটি দল দ্রুত সেখানে পৌঁছে চারদিক থেকে এলাকা ঘিরে অভিযান চালায়।

অভিযানকারী দল সম্ভাব্য আস্তানার কাছাকাছি পৌঁছালে শিকারিরা বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে তাদের ফেলে যাওয়া অবস্থায় হরিণের মাংস, চারটি পা, একটি মাথা ও একটি আস্ত চামড়া উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশে জব্দ করা আলামতগুলো পরবর্তী আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুন্দরবনের কোবাদক ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে চিত্রা হরিণ ও রয়েল বেঙ্গল টাইগার রক্ষায় কোস্ট গার্ড জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মোংলা বন্দর ও সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ নদীপথ ব্যবহার করে বন্যপ্রাণী হত্যা, চামড়া পাচার এবং বিষ প্রয়োগে মাছ ধরা বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়লার ভাগাড় থেকে জ্বালানি তৈরির চেষ্টা, সুজনের উদ্যোগে নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


ময়লার ভাগাড় থেকে জ্বালানি তৈরির চেষ্টা, সুজনের উদ্যোগে নতুন সম্ভাবনা


ফুটপাতে জুতা সেলাই করে সংসার চলে; প্রতিদিন ৪০ কেজি পলিথিন প্রক্রিয়াজাতের দাবি, সরকারি সহায়তা চান প্রান্তিক কারিগর

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা হেলিপ্যাডের পাশে ঋষি (দলিত) সম্প্রদায়ের কয়েকটি পরিবারের বসবাস। সেখানেই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন সুজন বিশ্বাস (৩৫)। জীবিকার তাগিদে উপজেলা সদর বাজারের ফুটপাতে বসে জুতা-স্যান্ডেল সেলাই করেন তিনি। দিনে আয় হয় মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এই সামান্য আয়ে কোনো রকমে চলে তাঁর সংসার।

কিন্তু অভাবের সঙ্গে প্রতিদিনের লড়াইয়ের বাইরেও সুজনের মনে ছিল আরেকটি উদ্বেগ—বাড়ির সামনের বিশাল ময়লার ভাগাড়। বাজারের বর্জ্যের সঙ্গে জমা হয় বিপুল পরিমাণ পলিথিন। কখনো সেই বর্জ্যে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হলে ধোঁয়ায় আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এই পরিস্থিতি থেকেই পলিথিন থেকে জ্বালানি উৎপাদনের চেষ্টা শুরু করেন সুজন। ইউটিউব দেখে নিজ উদ্যোগে তৈরি করেন একটি ‘পলিথিন বার্ন ইউনিট’। তাঁর দাবি, এই ব্যবস্থায় পলিথিন প্রক্রিয়াজাত করে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের মতো জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে। উৎপাদিত জ্বালানি দিয়ে শ্যালো ইঞ্জিন ও মোটরসাইকেল চালানোর পরীক্ষাও করছেন তিনি।

সামান্য আয়ের মানুষটির এই উদ্যোগ একদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিকল্প খোঁজার চেষ্টা, অন্যদিকে আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন। তবে পলিথিন পুড়িয়ে জ্বালানি তৈরির প্রক্রিয়া কতটা নিরাপদ এবং উৎপাদিত জ্বালানি ব্যবহারের উপযোগী কি না, তা বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা জরুরি।

ইউটিউব দেখে উদ্যোগ

সুজন বিশ্বাস বলেন, “উপজেলার পুরো বাজারের ময়লা-আবর্জনা আমাদের বাড়ির সামনে ফেলে রাখা হয়। খোলা জায়গায় পলিথিনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ধোঁয়ায় শিশু ও বৃদ্ধদের দম আটকে আসে। এ কারণে ভাবতে শুরু করি, কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়া যায়। পরে ইউটিউব দেখে পরিবেশ রক্ষার কথা ভেবে এই পলিথিন বার্ন ইউনিট তৈরি করেছি।”

তাঁর ভাষ্য, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি ময়লার ভাগাড়ের পলিথিন কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে। তবে তাঁর ব্যবহৃত পদ্ধতিতে পরিবেশের ক্ষতি কতটা কমছে, তা নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

৪০ কেজি পলিথিনে জ্বালানি উৎপাদনের দাবি

সুজন জানান, প্রতিদিন প্রায় ৪০ কেজি পলিথিন একটি বড় সিলিন্ডারে প্রক্রিয়াজাত করেন তিনি। তাঁর দাবি, এই পরিমাণ পলিথিন থেকে প্রায় ১৫ লিটার ডিজেল, ৪ লিটার পেট্রোল ও ১ লিটার অকটেন পাওয়া যায়। পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় লাগে এবং জ্বালানি হিসেবে পাঁচ মণ কাঠ ব্যবহার করেন তিনি। উৎপাদিত ডিজেল ব্যবহারের আগে পরিশোধন করতে হয় বলেও জানান সুজন।

এই হিসাব ও জ্বালানির ধরন স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। পলিথিনকে অক্সিজেনের সীমিত উপস্থিতিতে উত্তপ্ত করে তেলজাতীয় পদার্থ উৎপাদনের প্রযুক্তি বিশ্বে পরিচিত হলেও, উৎপাদিত তরল সরাসরি প্রচলিত ডিজেল, পেট্রোল বা অকটেনের সমমানের কি না, তা পরীক্ষাগারে যাচাই ছাড়া নিশ্চিত বলা যায় না। প্রক্রিয়াটিতে ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও অন্যান্য দূষক তৈরি হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

সুজনের আশা, প্রয়োজনীয় কারিগরি নির্দেশনা ও আর্থিক সহযোগিতা পেলে তাঁর উদ্যোগকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তিনি সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা চান।

স্থানীয়দের আগ্রহ

নসিমনচালক মো. রাসেল মোল্লা জানান, তিনি সুজনের কাছ থেকে জ্বালানি কিনে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নসিমন চালাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত তাঁর চোখে কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি বলে দাবি করেন তিনি। তবে স্বল্প সময়ের ব্যবহার থেকে জ্বালানির দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কিংবা ইঞ্জিনের ওপর প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না।

চিতলমারী সদর বাজারের ব্যবসায়ী সুবল কর্মকার বলেন, সুজনের তৈরি জ্বালানি দিয়ে মোটরসাইকেল চলতে দেখেছেন তিনি। তাঁর মতে, উদ্যোগটি সম্ভাবনাময়। তবে জ্বালানির মান ও নিরাপত্তা যাচাই করা প্রয়োজন।

চিতলমারী উপজেলা পরিবেশ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ফজলুল হক বলেন, “পলিথিন পরিবেশের জন্য হুমকি। সুজন যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে। আমাদের সবার উচিত সুজনকে সহযোগিতা করা।”

চিতলমারীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে পলিথিন থেকে জ্বালানি উৎপাদনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সুজনের উদ্যোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্যে ইতিবাচক মনোভাবের কথা উঠে এসেছে। তবে এই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার পরিবেশগত নিরাপত্তা ও জ্বালানির মান যাচাইয়ের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করা জরুরি।

সম্ভাবনার সঙ্গে নিরাপত্তার প্রশ্নও

পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বাংলাদেশের পরিবেশ ব্যবস্থাপনার বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে বাজার ও বসতবাড়ির পাশে বর্জ্য জমে থাকলে দুর্গন্ধ, আগুনের ধোঁয়া এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ অবস্থায় বর্জ্য সংগ্রহ, বাছাই, পুনর্ব্যবহার এবং নিরাপদ প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

সুজন বিশ্বাসের উদ্যোগ সেই সংকটের মধ্যে একজন প্রান্তিক মানুষের নিজস্ব সমাধান খোঁজার গল্প। কিন্তু পলিথিন পোড়ানোকে পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আগে নির্গমন পরীক্ষা, জ্বালানির রাসায়নিক গুণাগুণ যাচাই এবং নিরাপদ প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সহায়তা পেলে তাঁর উদ্যোগের বাস্তব সম্ভাবনা ও ঝুঁকি নিরূপণ করা সম্ভব হতে পারে।

ফুটপাতে জুতা সেলাই করে সংসার চালানো সুজনের স্বপ্ন—নিজের উদ্যোগটিকে আরও এগিয়ে নেওয়া। সেই স্বপ্ন সফল করতে প্রয়োজন শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক পরামর্শ, পরিবেশগত নিরাপত্তা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যকর সমাধান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%