ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসলামে তাবিজ পরা জায়েজ কি? শরিয়ত কী বলে?


ইসলামে তাবিজ পরা জায়েজ কি? শরিয়ত কী বলে?

বিপদ-আপদ, অসুস্থতা দূরীকরণ কিংবা বদনজর থেকে রক্ষা পাওয়ার আশায় অনেক মানুষ তাবিজ ব্যবহার করেন। ইসলামে তাবিজ পরার বিধান কী, এবং কোরআন-হাদিসের আলোকে আলেমদের মধ্যে এ বিষয়ে কী মতামত রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

তাবিজ ব্যবহারের বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য বিদ্যমান। বিশেষ করে, তাবিজে কী লেখা আছে, এর ব্যবহার কেন করা হচ্ছে এবং ব্যবহারকারীর বিশ্বাস কেমন—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করা, দোয়া করা এবং কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে তাবিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শরিয়তের সীমা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: ‘ঘর বন্ধ’ করা শরিয়তে জায়েজ কি না, বলছে ইসলাম?

কোরআন-হাদিসে তাবিজের বিষয়বস্তু সম্পর্কে কী বলা হয়েছে, তা জানা প্রয়োজন। হাদিসে তাবিজ ও ঝাড়ফুঁক সম্পর্কিত কিছু পদ্ধতির বিষয়ে সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে তাবিজ ও অনুরূপ বিষয় সম্পর্কে কঠোর সতর্কবাণী রয়েছে। এই হাদিসটি সুনান আবু দাউদসহ বিভিন্ন হাদিসগ্রন্থে উল্লেখিত।

অন্যদিকে, সহিহ হাদিসে শিরকমুক্ত ঝাড়ফুঁক বা রুকইয়া করার অনুমতি রয়েছে। সহিহ মুসলিমে উল্লেখ রয়েছে, শিরক না থাকলে রুকইয়া করতে কোনো অসুবিধা নেই। এ থেকে প্রতিভাত হয় যে, কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী দোয়া ও রুকইয়ার বৈধতা এবং তাবিজ ঝুলিয়ে রাখার বিধান এক নয়।

কোরআনের আয়াত লেখা তাবিজ কি জায়েজ?

কোরআনের আয়াত বা আল্লাহর নাম লেখা তাবিজ ব্যবহারের বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। কিছু আলেম এ ধরনের তাবিজকে নির্দিষ্ট শর্তে অনুমোদন করেছেন, অন্যদিকে কিছু আলেম সাধারণ নিষেধাজ্ঞা ও অপব্যবহারের আশঙ্কার কারণে তা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: পূজা উৎসবে অংশগ্রহণ মুসলমানদের জন্য হারাম: খতিবদের সতর্কতা

তবে, যদি তাবিজে শিরকপূর্ণ বাক্য, জিনের সাহায্য চাওয়ার বিষয়, অজানা মন্ত্র অথবা ইসলামবিরোধী কিছু থাকে, তাহলে তা ব্যবহার করা বৈধ নয়। তাবিজ নিজে স্বাধীনভাবে উপকার বা ক্ষতি করতে পারে—এমন বিশ্বাসও ইসলামের তাওহিদের শিক্ষার পরিপন্থী।

তাবিজের পরিবর্তে কী করা যেতে পারে?

ইসলামে সুরক্ষা ও কল্যাণের জন্য কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী কিছু আমল রয়েছে। যেমন—

তাহলে তাবিজ পরা কি জায়েজ?

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানালেন ড. ইউনূস

সব ধরনের তাবিজকে একই বিধানের আওতায় ফেলা ঠিক নয়। তাবিজে কী রয়েছে এবং তা কী বিশ্বাসে ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ওপর বিষয়টির শরয়ি মূল্যায়ন নির্ভর করে। শিরকপূর্ণ বা অজানা মন্ত্রযুক্ত তাবিজ থেকে বিরত থাকা জরুরি। আর কোরআনের আয়াত লেখা তাবিজের ক্ষেত্রে আলেমদের মতপার্থক্য থাকায় সতর্কতা অবলম্বন করা এবং বিশ্বস্ত যোগ্য আলেম বা মুফতির পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যার ২৪ ঘণ্টা পর স্ত্রীর মামলা, আসামি ৮ জনই অজ্ঞাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৫ এম


দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যার ২৪ ঘণ্টা পর স্ত্রীর মামলা, আসামি ৮ জনই অজ্ঞাত

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির (৪০) হত্যার ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী আন্দদিতা সাংমা অজ্ঞাত ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় মামলা করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বিরিশিরির তেলুঞ্জিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ি এলাকার একটি দোকানের সামনে দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক আলিফ ফকির নিহত হন।

লুৎফুজ্জামান আলিফ বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজও পরিচালনা করতেন।

মামলা দায়েরের পর নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী আন্দদিতা সাংমা বলেন, "থানায় মামলা করেছি। এখন আমি চাই যেন সুষ্ঠু বিচার পাই। আমার স্বামীকে যারা এভাবে হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি চাই।"

তিনি আরও বলেন, "আমার দুটি ছোট ছোট বাচ্চা আছে। তাদেরও তো একটা নিরাপত্তা দরকার। তারা আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে আমার ছোট বাচ্চাদের ওপর যে এমন কিছু হবে না তার কী গ্যারান্টি? আমি তো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার ঘরের পাশ থেকে আমার স্বামীকে হত্যা করে রেখে গেল। এখন আমরা কতটা নিরাপদ? আমরা তো নিরাপদ না। এখন যে বাসায় যাব রাত কাটাব কীভাবে? ঘুম তো আসবে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৩১ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে থাকছেন জুড বেলিংহ্যাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৫ এম


২০৩১ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে থাকছেন জুড বেলিংহ্যাম

জুড বেলিংহ্যাম রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে তার সম্পর্ককে আরও দীর্ঘ করার পরিকল্পনা করছেন। ইংল্যান্ডের এই তারকা মিডফিল্ডার স্প্যানিশ ক্লাবটির সঙ্গে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চুক্তি নবায়নের বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন। নতুন চুক্তির আওতায় তার বেতন-ভাতা বৃদ্ধি পাবে।

২০২৩ সালে জার্মান ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগদানের সময় তার সঙ্গে ২০২৮-২৯ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি হয়েছিল। এবার ইউরোপের সফলতম ক্লাবটি তার মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে দীর্ঘ সময়ের জন্য তাকে দলে রাখা যায়।

রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বেলিংহ্যাম তার সামর্থ্য প্রমাণ করে চলেছেন। তিনি মাঝমাঠে কার্যকর ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে ম্যাচের গতিপথ পরিবর্তন করার দক্ষতাও দেখিয়েছেন। ক্লাবের হয়ে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও দলের ওপর প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে নতুন চুক্তিতে আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।

দানি কারভাহাল, লুকা মদ্রিচ ও টনি ক্রুসের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বিদায়ের পর রিয়ালের নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে ক্লাবটি বেলিংহ্যামকে ভবিষ্যতের অন্যতম নেতা হিসেবে দেখছে। মাঠে তার পরিশ্রম, দায়িত্বশীলতা এবং সতীর্থদের উজ্জীবিত করার ক্ষমতা সমর্থকদের প্রশংসা অর্জন করেছে।

গত মৌসুমের শেষের দিকে চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। শুরু থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব থাকায় সমঝোতায় পৌঁছানো সহজ হয়েছে বলে জানা গেছে। মাদ্রিদের জীবনযাত্রা ও ক্লাবের পরিবেশের সঙ্গে বেলিংহ্যামের মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

চোট ও শারীরিক সমস্যার কারণে বেলিংহ্যামকে সম্প্রতি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কাঁধের অস্ত্রোপচারের বিষয়টিও তার ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলেছিল। তবে তিনি ধীরে ধীরে শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে নিজের সেরা ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

কোচের কৌশলে আক্রমণভাগের কাছাকাছি স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগ পেলে বেলিংহ্যামের কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি পায়। কিলিয়ান এমবাপ্পের পেছনে থেকে আক্রমণে অবদান রাখার পাশাপাশি রক্ষণেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দুই প্রান্তে তার সক্রিয় উপস্থিতি রিয়ালের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে বেলিংহ্যামকে ধরে রাখার উদ্যোগ রিয়াল মাদ্রিদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তার গুরুত্বকে তুলে ধরছে। আগামী বছরগুলোতে মাঝমাঠ ও নেতৃত্বে ইংলিশ এই তারকার ভূমিকা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুখ খোলা রেখে ঘুমালে শরীরে হতে পারে নানা সমস্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৬ এম


মুখ খোলা রেখে ঘুমালে শরীরে হতে পারে নানা সমস্যা

ঘুমের সময় মুখ খোলা রেখে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস অনেকের মধ্যে দেখা যায়। বিশেষ করে সর্দি, অ্যালার্জি অথবা নাক বন্ধ থাকলে এমনটি হতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠে স্বাভাবিক অনুভব করায় অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না। তবে নিয়মিত মুখ খোলা রেখে ঘুমানোর অভ্যাস মুখের স্বাস্থ্য এবং ঘুমের মানের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ঘুমের সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার ফলে মুখ ও গলা শুকিয়ে যেতে পারে, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি নাক কিংবা শ্বাসনালির কোনো সমস্যা থাকলে এমন অভ্যাস তৈরি হতে পারে। তাই নিয়মিত এমন হলে এর পেছনের কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।

নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া কেন বেশি উপকারী?

শ্বাস নেওয়ার সময় নাক কেবল বাতাস চলাচলের পথ হিসেবে কাজ করে না; এটি বাতাসকে পরিশোধন, উষ্ণ ও আর্দ্র করতেও সাহায্য করে। নাকের ভেতরের সূক্ষ্ম গঠন ধুলাবালি ও বিভিন্ন কণা আটকে রাখতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সময় তৈরি হওয়া নাইট্রিক অক্সাইড ফুসফুসের কার্যক্রম ও রক্তপ্রবাহের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে, মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার ফলে বাতাস সরাসরি মুখ ও গলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে মুখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যেতে পারে এবং গলায় অস্বস্তি সৃষ্টি হতে পারে।

সর্দি-কাশি বা সাময়িক নাক বন্ধ থাকার কারণে মাঝে মাঝে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া সাধারণ ঘটনা। তবে দীর্ঘ সময় এমন হলে অ্যালার্জি, নাকের গঠনগত সমস্যা অথবা শ্বাসপ্রশ্বাসের অন্য কোনো জটিলতা রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

মুখ খোলা রেখে ঘুমালে যেসব সমস্যা হতে পারে

১. মুখ ও গলা শুকিয়ে যাওয়া

সারারাত মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কারণে মুখের ভেতরের আর্দ্রতা কমে যেতে পারে। ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ শুকনো লাগা, গলায় খুসখুসে ভাব অথবা ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

২. নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

লালা মুখের ভেতর থেকে খাবারের অবশিষ্টাংশ ও কিছু ব্যাকটেরিয়া সরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। মুখ শুকিয়ে গেলে লালার পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে মুখে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে।

৩. দাঁত ও মাড়ির সমস্যা

দাঁত ও মাড়িকে সুরক্ষিত রাখতে লালার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মুখ দীর্ঘ সময় শুকনো থাকলে দাঁতের ক্ষয়, মাড়িতে প্রদাহ এবং অন্যান্য মুখের সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

৪. ঠোঁট ফেটে যাওয়া ও জিহ্বায় আস্তরণ পড়া

ঘুমের সময় মুখ দিয়ে বাতাস চলাচলের কারণে ঠোঁটের আর্দ্রতা কমে যেতে পারে। এতে ঠোঁট শুষ্ক হয়ে ফেটে যেতে পারে। একই সঙ্গে জিহ্বায় সাদা বা অন্য ধরনের আস্তরণও দেখা দিতে পারে।

৫. নাক ডাকা ও ঘুমের ব্যাঘাত

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস নাক ডাকার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। বিশেষ করে শ্বাসনালিতে বাধা থাকলে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হতে পারে। ফলে পর্যাপ্ত সময় ঘুমানোর পরও সকালে ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

২০২২ সালে পলিমারস (বাসেল) সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনায় মুখের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার সঙ্গে দাঁতের ক্ষয় ও মুখের সংক্রমণের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে মুখ শুকিয়ে যাওয়ার পেছনে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও অন্যান্য শারীরিক কারণও থাকতে পারে।

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া কি ঘুমের মান নষ্ট করে?

ঘুমের সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে যদি শ্বাসনালির সমস্যা যুক্ত থাকে, তাহলে ঘুমের মান খারাপ হতে পারে। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হলো অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এ সমস্যায় ঘুমের মধ্যে শ্বাসনালির ওপরের অংশ বারবার সরু হয়ে যায় বা বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয়।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার সম্ভাব্য লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জোরে নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে দম আটকে আসা বা হাঁপিয়ে ওঠা, সকালে মাথাব্যথা এবং দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম পাওয়া।

আমেরিকান থোরাসিক সোসাইটির প্রকাশনায়ও স্লিপ অ্যাপনিয়া এবং স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে শুধু মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস থাকলেই কারও স্লিপ অ্যাপনিয়া হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। এ ক্ষেত্রে অন্যান্য উপসর্গ ও চিকিৎসার ইতিহাস বিবেচনা করা জরুরি।

দীর্ঘ সময় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে মনোযোগ, মেজাজ এবং দৈনন্দিন কাজের সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে নাক ডাকার সঙ্গে ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসা বা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

মাঝেমধ্যে মুখ খোলা রেখে ঘুমানো সাধারণত উদ্বেগের কারণ নয়। তবে নিয়মিত এমন হলে, নাক দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে কিংবা ঘুমের মধ্যে জোরে নাক ডাকা ও শ্বাস আটকে আসার লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

নাক বন্ধ থাকার কারণ শনাক্ত করে তার চিকিৎসা করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং মুখের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা উপকারী হতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমানো উচিত নয়, বিশেষ করে নাক বন্ধ থাকা বা শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা থাকলে।

মুখ খোলা রেখে ঘুমানোর অভ্যাসকে সবসময় সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। নিয়মিত এমন হলে এর কারণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াই সুস্থ ঘুম ও মুখের স্বাস্থ্য বজায় রাখার ভালো উপায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমলনগরে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের দায়ে চারজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৮ এম


কমলনগরে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের দায়ে চারজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ সময়ে ডিমওয়ালা মা ইলিশ শিকার ও পরিবহনের দায়ে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চারজনকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আরাফাত হুসাইন তাদেরকে এই দণ্ড প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—উপজেলার চরফলকন এলাকার জেলে ফরহাদ হোসেন ও ইসমাইল হোসেন এবং একই এলাকার বাসিন্দা মো. নোমান ও মো. বাচ্চু। ফরহাদ ও ইসমাইলকে ১৩ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নোমান ও বাচ্চুকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তূর্য সাহা জানিয়েছেন, জাতীয় মাছ ইলিশের ভরা প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মা ইলিশ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সরকার ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিভিন্ন অববাহিকায় সকল ধরনের মাছধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই ২২ দিন নদীতে সব ধরনের মাছধরা নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ইলিশ ক্রয়-বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং পরিবহনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ নিষেধাজ্ঞার বাস্তবায়নে শুক্রবার সকালে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মৎস্য বিভাগ ও কোস্টগার্ড যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় পাটারীরহাট মাছঘাট এলাকা থেকে মাছ শিকারকালে দুই জেলে এবং মাছ পরিবহনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে প্রায় ৮০ কেজি ইলিশ মাছসহ আটক করা হয়। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক দুই জেলেকে ১৩ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর দুই ব্যক্তিকে এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের রায় দেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আরাফাত হুসাইন জানান, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ আইনে এ দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেদের থানা পুলিশের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজন নগদ অর্থ প্রদান করে ছাড়া পেয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%