ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাল্যবিয়ে রোধে শপথ গ্রহণ ও লাল কার্ড প্রদর্শন


বাল্যবিয়ে রোধে শপথ গ্রহণ ও লাল কার্ড প্রদর্শন

‘১৮-এর আগে বিয়ে নয়, কিশোরীর স্বপ্ন পূরণই আসল জয়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চতলাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে একটি গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শপথ গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তারা অঙ্গীকার করেন যে, তারা ১৮ বছরের আগে কোনো কিশোরীর বিয়ে দেবেন না, বাল্যবিয়েকে সমর্থন করবেন না এবং কোথাও বাল্যবিয়ের উদ্যোগের খবর পেলে তা প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসবেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ার অগ্নিকাণ্ডে নাহিদ ও তার পরিবারের খোঁজ নেই, হতাহতদের তালিকা নেই

পরে অংশগ্রহণকারীরা ‘বাল্যবিয়েকে না বলি’ স্লোগান বলে লাল কার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে তাদের সামাজিক অবস্থান ব্যক্ত করেন।

এ সময় বক্তারা উল্লেখ করেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি, যা কিশোরীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে।

এ কারণে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে পরিবারের, সমাজের, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এবং প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

কমিউনিটিভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচির (সিআরইএ) আওতায় বিড়াঁচের ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এ গণসমাবেশের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নিখোঁজ নাহিদুরের স্ত্রী ও দুই মেয়ের সন্ধান চায় পরিবার

এতে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) সহযোগিতা করে।

আয়োজকরা জানান, বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাল্যবিয়েমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের বাড়ল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


ফের বাড়ল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলা সপ্তাহান্তজুড়ে হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তির ভঙ্গুরতা আবারও নতুন করে সামনে এসেছে। এই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে।

ফলে সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববাজারে আবারও অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। এই তথ্য আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন করে সৃষ্ট উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিকভাবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল আবারও ধীর হয়ে যেতে শুরু করেছে। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার এই আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোমবার অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দাম ৫৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৭২ ডলার ৫৭ সেন্টে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের প্রতি ব্যারেলের দাম ৮৮ সেন্ট বা ১ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭০ ডলার ১১ সেন্টে পৌঁছেছে।

আগে গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের পর গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের সরবরাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ওই সময় সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ১০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে গিয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহের ব্যবধানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান আইএনজি সোমবার প্রকাশিত এক বিশেষ নোটে উল্লেখ করেছে, আন্তর্জাতিক তেলের বাজার এখনো উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়ে গেছে। একই সঙ্গে বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বৈশ্বিক জোগান পরিস্থিতি কীভাবে দাঁড়াবে, সে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি নজর রাখছেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে এই জটিল পরিস্থিতিতে বাজারের আত্মতুষ্টি অস্বাভাবিক। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে যদি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও বেশি সময় লাগে, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আগামী দিনে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিন্ধু পানি চুক্তি প্রসঙ্গে ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২১ পি.এম


সিন্ধু পানি চুক্তি প্রসঙ্গে ভারতকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সিন্ধু পানি চুক্তি (আইডব্লিউটি) অনুযায়ী পাকিস্তানের প্রাপ্য পানির প্রবাহে বাধা দেওয়ার যে কোনো চেষ্টা এখন থেকেই কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে ভারতকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মুসাদিক মালিক বলেন, পাকিস্তানের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ ‘হাত বাড়ালে সেই হাত কেটে ফেলা হবে’ বলে হুমকি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের এই বক্তব্যের ফলে কয়েক দশকের পুরোনো সিন্ধু পানি চুক্তি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ২০২৫ সালের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত চুক্তিটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ওই হামলায় ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয় বাসিন্দা নিহত হন।

এক সংবাদ সম্মেলনে মুসাদিক মালিক অভিযোগ করেন, ভারত পাকিস্তানের পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, পাকিস্তান তার ন্যায্য পানির অংশ থেকে কাউকে বঞ্চিত করতে দেবে না। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন-এর বরাতে তিনি বলেন, ‘একটি প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী পানির উৎস নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছেন। দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। অন্য কোনো দেশ যদি পাকিস্তানের পানিপ্রবাহে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে তা অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, প্রায় অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং অর্থনীতির ২৫ শতাংশের ওপর।

মুসাদিক মালিক আরও বলেন, ‘আমরা আগেই জানিয়েছি, কেউ যদি আমাদের প্রাপ্য পানি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাকে কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। আমরা নিজেদের রক্ষা করব। এটি নতুন কোনো বক্তব্য নয়। অতীতেও আমরা দেখিয়েছি, কেউ যদি আমাদের প্রাপ্য পানির ওপর হাত তোলে, আমরা সেই হাত কেটে ফেলব।’

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অনেক অঞ্চলে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি না থাকলেও আন্তর্জাতিক রীতি অনুসারে উজান থেকে ভাটিতে নদীর পানিপ্রবাহ অব্যাহত থাকে। প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘উজানের প্রতিটি দেশের কি ভাটির দিকে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার অধিকার আছে? আমাদের ক্ষেত্রে তো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিও বিদ্যমান। তাহলে পানি আটকে দেওয়ার প্রশ্ন আসে কেন?’

এনডিটি কর্তৃক জানানো হয়েছে, মালিকের এসব বক্তব্য পাকিস্তানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও তারা স্বাধীনভাবে বক্তব্যগুলোর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

একই সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, সিন্ধু পানি চুক্তি আইনগতভাবে এখনও কার্যকর রয়েছে। এটি একতরফাভাবে স্থগিত, বাতিল বা সংশোধন করা সম্ভব নয়। এই চুক্তির আওতায় সিন্ধু নদী ব্যবস্থার পানির ওপর পাকিস্তানের জনগণের অধিকার বহাল রয়েছে। তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইনও পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করে। কারণ আইডব্লিউটি একতরফাভাবে প্রত্যাহার, বাতিল বা সংশোধনের সুযোগ নেই।

অন্যদিকে, আতাউল্লাহ তারার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির একাধিকবার বলেছেন, ‘পানি আমাদের লাইফলাইন, এটি আমাদের রেডলাইনও।’ এনডিটিভি জানিয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় পানিসম্পদমন্ত্রী সি আর পাটিলের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের কয়েক সপ্তাহ পর পাকিস্তানের এ প্রতিক্রিয়া আসে। ওই সাক্ষাৎকারে পাটিল বলেছিলেন, আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে সিন্ধু নদব্যবস্থার পানিতে ভারতের প্রাপ্য অংশ পুরোপুরি ব্যবহার করা হবে এবং ভারতের জন্য নির্ধারিত এক ফোঁটা পানিও পাকিস্তানে যেতে দেওয়া হবে না।

এদিকে, টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান বর্তমানে ক্রমবর্ধমান পানি সংকটের মুখোমুখি। বিশেষ করে সিন্ধ ও বেলুচিস্তান প্রদেশে তীব্র পানির ঘাটতির কারণে কৃষি, জীবিকা ও আঞ্চলিক অর্থনীতি চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পানির স্বল্পতা দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করছে। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এ সংকটের জন্য ভারতের পদক্ষেপকে দায়ী করা হলেও, বিভিন্ন বিশ্লেষণে দুর্বল পানি ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং পানি বণ্টন ব্যবস্থার সমস্যাকেও সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালীগঞ্জ এলজিইডি অফিসে অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা স্বাক্ষরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


কালীগঞ্জ এলজিইডি অফিসে অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা স্বাক্ষরের অভিযোগ

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ের কমিউনিটি অর্গানাইজার (সিও) রেজাওয়ানুল ইসলাম রেজার বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে চাকরির পাশাপাশি ঠিকাদারি কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা এবং এলসিএস (লেবার কন্ট্রাক্টিং সোসাইটি) কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও করেছেন কয়েকজন কর্মচারী ও স্থানীয়রা।

অফিসের একাধিক কর্মচারী, যারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন যে রেজাওয়ানুল ইসলাম রেজা দীর্ঘ সময় অফিসে অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর নিয়মিত দেখা যায়। তাদের দাবি, এ কাজে একই কার্যালয়ের জাইকা প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রিমন হোসেন সহযোগিতা করেন। যদিও এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রেজাওয়ানুল ইসলাম রেজার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গত ১৬ জুন দুপুরে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করলে ওই দিনের পাশাপাশি পরদিন ১৭ জুনের তারিখেও রেজাওয়ানুল ইসলামের স্বাক্ষর পাওয়া যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে রেজাওয়ানুল ইসলামকে ফোন করেন। সে সময় তিনি সাতক্ষীরায় অবস্থান করছেন বলে জানান। পরদিন তাকে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হলে তিনি অফিসে উপস্থিত না থাকলেও হাজিরা খাতায় নিজেই স্বাক্ষর করেছেন বলে দাবি করেন।

এলসিএস কর্মীদের কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, ব্যাংক হিসাব খোলার বিভিন্ন অজুহাতে তাদের কাছ থেকে তিন থেকে চার হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেতন উত্তোলনের সময় অতিরিক্ত অর্থ দাবি এবং চাকরি হারানোর ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তারা।

 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে হাজিরা প্রদান বাধ্যতামূলক। অনুপস্থিত অবস্থায় হাজিরা প্রদান বা এ-সংক্রান্ত কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাথর খনিতে ভূমিধসে মিয়ানমারে নিহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


পাথর খনিতে ভূমিধসে মিয়ানমারে নিহত ৫

মিয়ানমারে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে একটি পরিত্যক্ত জেড পাথরের খনিতে বিশাল আকারের বর্জ্যে স্তূপ ধসে পড়ে, যার ফলে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ সময় খনিতে মূল্যবান পাথরের খোঁজে কাজ করছিলেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এই ঘটনায় এখনও অন্তত ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের ধসে পড়া আবর্জনার নিচে চাপা পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (৩০ জুন) বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ এক প্রতিবেদনে জানায়, এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। এর ফলে পুরোনো খনিটিতে থাকা আবর্জনার স্তূপগুলো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তা ধসে যায়।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৫ জন এখনও নিখোঁজ আছেন। নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য খনিতে বর্তমানে উদ্ধার ও খনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রসঙ্গত, রোববার (২৮ জুন) কাচিনের হাকান্ত টাউনশিপে ফ্লাডলাইটের আলোতে প্রায় ২০ জন অনিবন্ধিত জেড আহরণকারী কাজ করছিলেন। আকস্মিক ভূমিধসে তারা মাটির নিচে চাপা পড়েন বলে দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে।

মিয়ানমারের খনিজ আহরণ খাতে নিরাপত্তা ও আইনি বিধিনিষেধ মেনে না চলার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিশেষ করে, দেশের উত্তর কাচিন রাজ্যে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এই অঞ্চলটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেড পাথরের উৎস হিসেবে পরিচিত। প্রতিবেশী চীনসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় আচার ও অন্যান্য কাজে এই পাথরের বিশাল চাহিদা রয়েছে।

২০২১ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির গণতান্ত্রিক সরকারের পতনের পর থেকেই মিয়ানমারে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সংগ্রামে নিয়োজিত হয়েছে। বর্তমানে মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি মূল্যবান পাথরের খনি সরাসরি এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা খনির থেকে আহরিত সম্পদ ও পাথর বিক্রির মুনাফা দিয়ে নিজেদের যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%